শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের সব বাধা-বিপত্তির অবসান-সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের জন্য সব বাধা-বিপত্তির অবসান এবং ভারতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত ধাপ-উক্তিটি যথার্থ। পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজরা বাংলার নবাবদের হাতের পুতুলে পরিণত করতে চাইলেও মীর কাসিম স্বাধীনভাবে চলার চেষ্টা করেন। এর ফলে বক্সারের যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই যুদ্ধে ইংরেজদের জয় কেবল বাংলার নবাবকে নয়, বরং দিল্লির সম্রাট ও অযোধ্যার নবাবকেও পরাজিত করে। এর ফলে ইংরেজদের সামনে আর কোনো শক্তিশালী দেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বী অবশিষ্ট ছিল না। উদ্দীপকের ফারিক বলেছেন, বক্সারের যুদ্ধ পলাশীর যুদ্ধ অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পলাশীর যুদ্ধ ছিল মূলত একটি ষড়যন্ত্রমূলক খণ্ডযুদ্ধ। কিন্তু বক্সারের যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত সামরিক পরীক্ষা। এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইংরেজরা কেবল বাংলার অধিপতিই নয়, বরং উত্তর ভারতের ভাগ্যবিধাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। মীর কাসিমের পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার শেষ প্রদীপটি নিভে যায় এবং ইংরেজদের পথের সকল কাঁটা দূর হয়। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এই যুদ্ধের পর এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে ইংরেজরা দেওয়ানি লাভ করে, যা তাদের একটি বাণিজ্যিক কোম্পানি থেকে প্রকৃত রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এর ফলে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে এবং বাংলার অর্থনীতি ও প্রশাসনিক কাঠামো ইংরেজদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। দিল্লির সম্রাট ইংরেজদের বৃত্তিভোগীতে পরিণত হন এবং অযোধ্যার নবাব তাদের আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হন। সুতরাং, বক্সারের যুদ্ধই ছিল ইংরেজদের জন্য | সকল বাধা দূর করে ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ভিত্তিপ্রস্তর।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উক্ত যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের সব বাধা-বিপত্তির অবসান-সপক্ষে যুক্ত…

উদ্দীপক

ফারিক এবং ফাইয়াজ দুই ভাই। তাদের কলেজের একটি অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আলোচ্য বিষয় ছিল বাংলার ইতিহাস। ফারিক বলে, বাংলায় এমন একটি যুদ্ধ হয়েছিল যা পলাশির যুদ্ধ অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফাইয়াজ বলে, এ যুদ্ধে জয়লাভের মধ্য দিয়ে ইংরেজ শাসনের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।

উত্তর

হাজি শরীয়তুল্লাহ মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার শামাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

উত্তর

মৌলিক গণতন্ত্র বলতে আইয়ুব খান প্রবর্তিত একটি সীমিত ভোটাধিকারভিত্তিক পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থাকে বোঝায়। ১৯৫৯ সালে জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করে এই ব্যবস্থা চালু করেন। এই ব্যবস্থায় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে মোট ৮০,০০০ স্থানীয় প্রতিনিধি (মৌলিক গণতন্ত্রী) নির্বাচিত হতেন, যারা পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট, জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করতেন। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল জনগণের সরাসরি ভোটাধিকার হরণ করে আইয়ুব খানের ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী ও বৈধ করা।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত যুদ্ধটি হলো ১৭৬৪ সালের ঐতিহাসিক বক্সারের যুদ্ধ, যার মাধ্যমে ভারতে ইংরেজ শাসনের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। বক্সারের যুদ্ধ ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর মীর কাসিম এবং ইংরেজদের মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মীর কাসিমের সাথে অযোধ্যার নবাব সুজা-উদ-দৌলা এবং দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম সম্মিলিত বাহিনী গঠন করলেও তারা ইংরেজ সেনাপতি মেজর হেকটর মুনরোর কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। এই জয় ইংরেজদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং রাজনৈতিক আধিপত্যকে চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করে। উদ্দীপকের ফাইয়াজের বক্তব্যের সাথে বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজরা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জয়ী হলেও বক্সারের যুদ্ধে তারা সরাসরি সামরিক শক্তিতে জয়লাভ করে। এই যুদ্ধের ফলে দিল্লির সম্রাট ইংরেজদের বশ্যতা স্বীকার করেন এবং ১৭৬৫ সালে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি প্রদান করতে বাধ্য হন। এর ফলে ইংরেজরা বৈধভাবে রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা পায় এবং তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। তাই বলা যায়, বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভের মধ্য দিয়ে ইংরেজ শাসনের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।

উত্তর

বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের জন্য সব বাধা-বিপত্তির অবসান এবং ভারতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত ধাপ-উক্তিটি যথার্থ। পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজরা বাংলার নবাবদের হাতের পুতুলে পরিণত করতে চাইলেও মীর কাসিম স্বাধীনভাবে চলার চেষ্টা করেন। এর ফলে বক্সারের যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই যুদ্ধে ইংরেজদের জয় কেবল বাংলার নবাবকে নয়, বরং দিল্লির সম্রাট ও অযোধ্যার নবাবকেও পরাজিত করে। এর ফলে ইংরেজদের সামনে আর কোনো শক্তিশালী দেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বী অবশিষ্ট ছিল না। উদ্দীপকের ফারিক বলেছেন, বক্সারের যুদ্ধ পলাশীর যুদ্ধ অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পলাশীর যুদ্ধ ছিল মূলত একটি ষড়যন্ত্রমূলক খণ্ডযুদ্ধ। কিন্তু বক্সারের যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত সামরিক পরীক্ষা। এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইংরেজরা কেবল বাংলার অধিপতিই নয়, বরং উত্তর ভারতের ভাগ্যবিধাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। মীর কাসিমের পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার শেষ প্রদীপটি নিভে যায় এবং ইংরেজদের পথের সকল কাঁটা দূর হয়। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এই যুদ্ধের পর এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে ইংরেজরা দেওয়ানি লাভ করে, যা তাদের একটি বাণিজ্যিক কোম্পানি থেকে প্রকৃত রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এর ফলে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে এবং বাংলার অর্থনীতি ও প্রশাসনিক কাঠামো ইংরেজদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। দিল্লির সম্রাট ইংরেজদের বৃত্তিভোগীতে পরিণত হন এবং অযোধ্যার নবাব তাদের আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হন। সুতরাং, বক্সারের যুদ্ধই ছিল ইংরেজদের জন্য | সকল বাধা দূর করে ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ভিত্তিপ্রস্তর।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।