উক্ত যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের সব বাধা-বিপত্তির অবসান-সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের জন্য সব বাধা-বিপত্তির অবসান এবং ভারতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত ধাপ-উক্তিটি যথার্থ। পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজরা বাংলার নবাবদের হাতের পুতুলে পরিণত করতে চাইলেও মীর কাসিম স্বাধীনভাবে চলার চেষ্টা করেন। এর ফলে বক্সারের যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই যুদ্ধে ইংরেজদের জয় কেবল বাংলার নবাবকে নয়, বরং দিল্লির সম্রাট ও অযোধ্যার নবাবকেও পরাজিত করে। এর ফলে ইংরেজদের সামনে আর কোনো শক্তিশালী দেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বী অবশিষ্ট ছিল না। উদ্দীপকের ফারিক বলেছেন, বক্সারের যুদ্ধ পলাশীর যুদ্ধ অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পলাশীর যুদ্ধ ছিল মূলত একটি ষড়যন্ত্রমূলক খণ্ডযুদ্ধ। কিন্তু বক্সারের যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত সামরিক পরীক্ষা। এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইংরেজরা কেবল বাংলার অধিপতিই নয়, বরং উত্তর ভারতের ভাগ্যবিধাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। মীর কাসিমের পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার শেষ প্রদীপটি নিভে যায় এবং ইংরেজদের পথের সকল কাঁটা দূর হয়। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বক্সারের যুদ্ধের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এই যুদ্ধের পর এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে ইংরেজরা দেওয়ানি লাভ করে, যা তাদের একটি বাণিজ্যিক কোম্পানি থেকে প্রকৃত রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এর ফলে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে এবং বাংলার অর্থনীতি ও প্রশাসনিক কাঠামো ইংরেজদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। দিল্লির সম্রাট ইংরেজদের বৃত্তিভোগীতে পরিণত হন এবং অযোধ্যার নবাব তাদের আশ্রিত রাজ্যে পরিণত হন। সুতরাং, বক্সারের যুদ্ধই ছিল ইংরেজদের জন্য | সকল বাধা দূর করে ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ভিত্তিপ্রস্তর।
HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল
উক্ত যুদ্ধের ফলাফল ছিল ইংরেজদের সব বাধা-বিপত্তির অবসান-সপক্ষে যুক্ত…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর