শেয়ারFacebookWhatsApp

ইতিহাসে উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই সাক্ষ্য বহন করে- উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ইতিহাসে উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই সাক্ষ্য বহন করে- মন্তব্যটি যথার্থ। সাধারণ অর্থে একটি দেশ যদি অন্য একটি দেশ দখল করে অন্যায়ভাবে শাসন-শোষণ করে, তবে তাকে উপনিবেশবাদ বলে। অন্যায়ভাবে আধিপত্য বিস্তারের এ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ চিরকালই সংগ্রাম করেছে। ইতিহাস থেকেই আমরা এর অসংখ্য প্রমাণ পাই। উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে এ সংগ্রামের কারণ একটাই; আর তা হলো মানুষের স্বাধীনতার চেতনা। উদ্দীপক থেকে জানা যায়, বক্সার বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল চীনের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য। অর্থাৎ চীনের জনগণ বিদেশি শক্তির শাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল, স্বাধীনতা চেয়েছিল। এই মুক্তি ও স্বাধীনতার চেতনা ইতিহাসে যুগে যুগে বিভিন্ন বিপ্লব-বিদ্রোহ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রতিভাত হয়েছে। আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে ফরায়েজি আন্দোলন থেকে শুরু করে তিতুমীরের বিদ্রোহ, সিপাহি বিদ্রোহ, ব্রিটিশবিরোধী খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই সাক্ষ্য বহন করে। তিতুমীরের মতো আরও অনেকে এ দেশকে এবং দেশের মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে জীবন উৎসর্গ করেছেন। আপাতদৃষ্টিতে কখনো কখনো তাদের বিদ্রোহ ব্যর্থ হলেও তা জনগণের স্বাধীনতার চেতনাকে আরও উদ্দীপ্ত করেছে। উপরের আলোচনা থেকে এ কথা নিঃসন্দেহে প্রতীয়মান হয় যে, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির চেতনাই মানুষকে চিরকাল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী করে তোলে।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

ইতিহাসে উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই…

উদ্দীপক

১৮৯৮ সালের সংস্কার আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই চীন এক ব্যাপক গণবিদ্রোহের সম্মুখীন হয়েছিল। এই গণবিদ্রোহ বক্সার বিদ্রোহ নামে পরিচিত। প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধের (১৮৯৪-১৮৯৫ খ্রি.) পর যখন বিদেশি শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থে চীনের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করতে তৎপর হয়, তখন বিদেশিদের অপসারণের জন্য বক্সার নামে একটি গুপ্ত সমিতি আন্দোলন করে। উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে চীনের এ আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

উত্তর

তিতুমীরের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্ট।

উত্তর

আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ও লোকবলের অভাবসহ আরও কিছু কারণে তিতুমীরের বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল। তিতুমীর ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য যে গণবাহিনী গড়ে তুলেছিলেন সেখানে সবাই ছিল সাধারণ জনগণ। তাদের আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র যেমন ছিল না, তেমনি যুদ্ধের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণও ছিল না। তাছাড়া রাজনৈতিক চেতনাগত সীমাবদ্ধতা, অঞ্চলগত সীমাবদ্ধতা, যুদ্ধকৌশলগত সীমাবদ্ধতা প্রভৃতি কারণে তিতুমীর বাহিনী পরাজিত হয়েছিল।

উত্তর

ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার দিক থেকে উদ্দীপকের বক্সার বিদ্রোহ এবং তিতুমীরের বিদ্রোহ সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্রিটিশদের মতো কিছু ঔপনিবেশিক শক্তি এক সময় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অন্যায়ভাবে শাসন-শোষণ করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা সাধারণ জনগণের সংগ্রামের সম্মুখীন হয়েছে। কারণ কোনো দেশের মানুষই চায় না পরাধীন হয়ে বেঁচে থাকতে। তাই সংগ্রামী চেতনায় তারা ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত বক্সার বিদ্রোহ এবং তিতুমীরের বিদ্রোহই তার বাস্তব প্রমাণ। উদ্দীপকের ১৮৯৮ সালের সংস্কার আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই চীন এক ব্যাপক গণবিদ্রোহের সম্মুখীন হয়েছিল। চীন-জাপান যুদ্ধের পর বিদেশি শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থে চীনের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করতে তৎপর হয়ে উঠেছিল। এরূপ পরিস্থিতিতে ১৮৯৯ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত চীনে বক্সার নামে একটি গুপ্ত সমিতি সংগ্রামে লিপ্ত হয় যা পরবর্তী সময়ে ব্যর্থ হয়। চীনে বক্সার বিদ্রোহ হয়েছিল বিদেশিদেরকে অপসারণের জন্য। তিতুমীরের ব্রিটিশবিরোধী বিদ্রোহ চীনের বক্সার বিদ্রোহেরই অনুরূপ। উপনিবেশবাদ স্থাপন করে ব্রিটিশ সরকার এ দেশের সাধারণ মানুষের ওপর নানাভাবে অন্যায়-অত্যাচার করত। সে সময় অত্যাচারী জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচার মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। এরূপ পরিস্থিতিতে তিতুমীর অসীম সাহসিকতায় ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত বক্সার বিদ্রোহের মতো তার বিদ্রোহও ব্যর্থ হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিদ্রোহের পরিণতিই আলোচ্য বিদ্রোহ দুটির মধ্যে মিল রচনা করেছে।

উত্তর

ইতিহাসে উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই সাক্ষ্য বহন করে- মন্তব্যটি যথার্থ। সাধারণ অর্থে একটি দেশ যদি অন্য একটি দেশ দখল করে অন্যায়ভাবে শাসন-শোষণ করে, তবে তাকে উপনিবেশবাদ বলে। অন্যায়ভাবে আধিপত্য বিস্তারের এ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ চিরকালই সংগ্রাম করেছে। ইতিহাস থেকেই আমরা এর অসংখ্য প্রমাণ পাই। উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে এ সংগ্রামের কারণ একটাই; আর তা হলো মানুষের স্বাধীনতার চেতনা। উদ্দীপক থেকে জানা যায়, বক্সার বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল চীনের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য। অর্থাৎ চীনের জনগণ বিদেশি শক্তির শাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল, স্বাধীনতা চেয়েছিল। এই মুক্তি ও স্বাধীনতার চেতনা ইতিহাসে যুগে যুগে বিভিন্ন বিপ্লব-বিদ্রোহ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রতিভাত হয়েছে। আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে ফরায়েজি আন্দোলন থেকে শুরু করে তিতুমীরের বিদ্রোহ, সিপাহি বিদ্রোহ, ব্রিটিশবিরোধী খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই সাক্ষ্য বহন করে। তিতুমীরের মতো আরও অনেকে এ দেশকে এবং দেশের মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে জীবন উৎসর্গ করেছেন। আপাতদৃষ্টিতে কখনো কখনো তাদের বিদ্রোহ ব্যর্থ হলেও তা জনগণের স্বাধীনতার চেতনাকে আরও উদ্দীপ্ত করেছে। উপরের আলোচনা থেকে এ কথা নিঃসন্দেহে প্রতীয়মান হয় যে, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির চেতনাই মানুষকে চিরকাল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী করে তোলে।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।