শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক প্রস্তাব কোনটি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত একজন রাজনৈতিক নেতার দেওয়া প্রস্তাবের সাথে ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব সামঞ্জস্যপূর্ণ। ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র দাবি করেন। তার তত্ত্বের আলোকে ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে মুসলিম লীগের সম্মেলনে বাংলার নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এটিই ইতিহাসে লাহোর প্রস্তাব নামে খ্যাত। উদ্দীপকে এ প্রস্তাবের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লেখিত দেশটির শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পক্ষে দেশটিকে শাসন-শোষণ করা সহজ হলেও এক পর্যায়ে দেশটির মানুষ স্বাধীনতা লাভের জন্য অদগ্রীব হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ধর্মের ওপর ভিত্তি করে এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে দেশটি বিভক্ত হয়ে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়। উদ্দীপকের এ বর্ণনায় ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতের প্রধান দুটি সম্প্রদায় হলো হিন্দু ও মুসলিম। তাদের মধ্যকার বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার দীর্ঘদিন। এদেশ শাসন করে। একপর্যায়ে ভারতবাসী স্বরাজ লাভে আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের এক পর্যায়ে হিন্দু ও মুসলমান নেতাদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। মুসলমানদের রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগের বাঙালি নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' উত্থাপন করেন। এতে মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়। উদ্দীপকের প্রস্তাবের মতো লাহোর প্রস্তাবও পরবর্তী সময়ে সংশোধন করা হয়। সংশোধিত প্রস্তাবের আলোকে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত প্রস্তাবের সাথে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের মিল রয়েছে।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক প্রস্তাব কোনটি? ব…

উদ্দীপক

দেশটি বহু বর্ণে, ধর্মে ও জাতিতে বিভক্ত ছিল। ফলে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পক্ষে ঐ দেশে শাসন-শোষণ খুবই সহজ ছিল। এক পর্যায়ে দেশের মানুষ ক্রমেই স্বাধীনতার জন্য উন্মুখ হয়ে পড়ে। একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ধর্মের ওপর ভিত্তি করে এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটি পরবর্তী সময়ে কিছুটা সংশোধিত হয়ে প্রকাশিত হওয়ার পর দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত উক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি বিদায় নেয়। দেশটি বিভক্ত হয়ে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্রে আত্মপ্রকাশ করে।

Dhaka · 2018

উত্তর

দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবর্তক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

উত্তর

খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন এক পর্যায়ে সহিংস হয়ে ওঠা এবং যৌক্তিকতা হারানোর জন্য ব্যর্থ হয়। ১৯২০ সালে শুরু হওয়া খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন শুরুর দিকে অহিংসভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। কিন্তু ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর প্রদেশের চৌরি-চৌরায় বিক্ষুব্ধ জনতা থানা আক্রমণ করে ২১ জন সিপাহি ও একজন দারোগাকে পুড়িয়ে হত্যা করে। এ মারাত্মক সহিংস ঘটনায় অসহযোগ আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধী মর্মাহত হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি বাতিল করেন। অপরদিকে খেলাফত আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল তুরস্কের খিলাফত রক্ষা। কিন্তু আধুনিক তুরস্কের জনক মুস্তফা কামাল আতাতুর্ক ১৯২৪ সালে খেলাফত প্রথা বাতিল করেন। এর ফলে খেলাফত আন্দোলন যৌক্তিকতা হারিয়ে ফেলে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত একজন রাজনৈতিক নেতার দেওয়া প্রস্তাবের সাথে ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব সামঞ্জস্যপূর্ণ। ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র দাবি করেন। তার তত্ত্বের আলোকে ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে মুসলিম লীগের সম্মেলনে বাংলার নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এটিই ইতিহাসে লাহোর প্রস্তাব নামে খ্যাত। উদ্দীপকে এ প্রস্তাবের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লেখিত দেশটির শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পক্ষে দেশটিকে শাসন-শোষণ করা সহজ হলেও এক পর্যায়ে দেশটির মানুষ স্বাধীনতা লাভের জন্য অদগ্রীব হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ধর্মের ওপর ভিত্তি করে এক ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে দেশটি বিভক্ত হয়ে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়। উদ্দীপকের এ বর্ণনায় ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিফলন দেখা যায়। ভারতের প্রধান দুটি সম্প্রদায় হলো হিন্দু ও মুসলিম। তাদের মধ্যকার বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার দীর্ঘদিন। এদেশ শাসন করে। একপর্যায়ে ভারতবাসী স্বরাজ লাভে আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের এক পর্যায়ে হিন্দু ও মুসলমান নেতাদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। মুসলমানদের রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগের বাঙালি নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' উত্থাপন করেন। এতে মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়। উদ্দীপকের প্রস্তাবের মতো লাহোর প্রস্তাবও পরবর্তী সময়ে সংশোধন করা হয়। সংশোধিত প্রস্তাবের আলোকে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত প্রস্তাবের সাথে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের মিল রয়েছে।

উত্তর

ব্রিটিশভারত বিভক্ত হয়ে স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ে লাহোর প্রস্তাবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রবর্তিত দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এ প্রস্তাব ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা। কেননা দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং লাহোর প্রস্তাব ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক চিন্তাধারায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। লাহোর প্রস্তাব ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ভারতবর্ষের মুসলমানরা মুসলিম লীগের নেতৃত্বে তাদের নিজেদের জন্য একটি পৃথক আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে লিপ্ত হয়। ফলে মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা এবং কর্মীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পায়। এতদিন মুসলিম লীগ ছিল মূলত অভিজাত মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। লাহোর প্রস্তাব ঘোষণার পর এটি সাধারণ জনগণের রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। প্রথম দিকে ভারতের প্রধান রাজনৈতিক দল কংগ্রেস বা ব্রিটিশ সরকার কেউই মুসলমানদের পৃথক রাষ্ট্রের দাবির প্রতি সহানুভূতি দেখায়নি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সংঘাতসহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে তাদের মনোভাবের পরিবর্তন হয়। দীর্ঘদিনের জটিল শাসনতান্ত্রিক ও সাম্প্রদায়িক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার শেষ পর্যন্ত মুসলমানদের দাবি মেনে নেয়। ফলে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়। সে বছরের ১৪ আগস্ট 'পাকিস্তান' এবং ১৫ আগস্ট 'ভারত' নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় হয়। উল্লেখ্য যে, মূল লাহোর প্রস্তাবে একটি রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়নি, সেখানে মুসলমানদের জন্য 'স্টেটস' (States) বা একাধিক রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু অবাঙালি মুসলিম নেতাদের চাপে একটিমাত্র রাষ্ট্র পাকিস্তান গঠিত হয়। এ কারণে অনেকে মনে করেন যে, লাহোর প্রস্তাবে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বীজও নিহিত ছিল। উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, ভারতবর্ষের ইতিহাসে' লাহোর প্রস্তাবের ভূমিকা ছিল সুদূরপ্রসারী।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।