শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে হারুন মিয়ার কর্মকান্ডের আলোকে হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের কৃতিত্ব মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উদ্দীপকে হারুন মিয়ার কর্মকান্ডের আলোকে হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের কৃতিত্ব মূল্যায়নের প্রয়াস পাব। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন প্রচুর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়েও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। তিনি পিছিয়ে পড়া দরিদ্র মুসলমানদের লেখাপড়া ও জনহিতকর কাজে তার অর্থ ব্যয় করার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন নিজে শিক্ষিত হলেও তৎকালীন সময়ে গরিব মুসলিমরা ছিল অশিক্ষিত। এজন্য হাজি মুহাম্মদ মোহসিন গরিব মেধাবী মুসলিম ছাত্ররা যাতে আধুনিক শিক্ষালাভ করতে পারে সেজন্য কলকাতার তৎকালীন একলক্ষ ছাপান্ন হাজার টাকা মূল্যের সম্পত্তি দিয়ে 'মোহসিন ট্রাস্ট' গঠন করেন। এছাড়াও তিনি হুগলিতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, খুলনায় বি.এল. কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর প্রভৃতি স্থানের মাদ্রাসার উন্নতির জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন এসব কার্যাবলি ছাড়াও বাংলার মুসলমান সমাজকে শিক্ষিত করার জন্য গরিব মেধাবী ছাত্রদের বৃত্তির ব্যবস্থা করেন এবং এই বৃত্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার মুসলমান তরুণ উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পায়। এছাড়াও হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের মৃত্যুর পর মোহসিন ফান্ডের টাকা দিয়ে জনগণে চিকিৎসার জন্য হুগলি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়াও হাজি মুহাম্মদ মোহসিন যেকোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান জাঁকজমকের সাথে পালন করতেন। উদ্দীপকে হারুন মিয়ার কর্মকান্ডের যেসব বিষয় পরিলক্ষিত হয় তা হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের কর্মকান্ডেও পরিলক্ষিত হয়েছে। তাই হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের এ কৃতিত্ব তাকে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকে হারুন মিয়ার কর্মকান্ডের আলোকে হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের কৃতিত…

উদ্দীপক

বাসির উদ্দিন মোল্লা অগাধ ধনসম্পত্তির মালিক ছিলেন। কিন্তু তিনি অপুত্রক হওয়ায় তার সমস্ত সম্পত্তি মৃত্যুর পূর্বে মেয়ের জামাই হারুন। মিয়াকে উইল করে দিয়ে যান। হারুন মিয়া চরাঞ্চলের একজন উচ্চশিক্ষিত মানুষ হলেও তার এলাকায় কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। তাই হারুন মিয়া প্রাপ্ত অর্থ ব্যয়ে শ্বশুরের নামে একটি কলেজ, মায়ের নামে একটি মাদ্রাসা এবং নিজের নামে একটি স্কুল অত্র এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গরিব ও মেধাবী ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার জন্য বৃত্তিরও ব্যবস্থা করেন। সকল বোর্ড ২০১৫

উত্তর

হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের পুরুষরা পারস্যের অধিবাসী ছিলেন।

উত্তর

ঔপনিবেশিক যুগে বাংলার মুসলিম সমাজে ধর্মীয় কুসংস্কার শক্ত ভিত স্থাপন করেছিল। তখন বাংলার মুসলমানরা আধুনিক শিক্ষাদীক্ষার বিরোধী ছিল এবং পাশ্চাত্য ইংরেজি শিক্ষার প্রতি মুসলমানদের মধ্যে ধর্মীয় ঘৃণা জন্মেছিল। তখন মুসলমানেরা পাশ্চ্যতা বিভিন্ন বিষয়কে নিজেদের জন্য ধর্মীয়ভাবে হারাম মনে করার পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষাকেও বিধর্মীদের শিক্ষা মনে করত। এ কারণে ঔপনিবেশিক যুগে মুসলিম সমাজ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়ে। যে কারণে ঔপনিবেশিক যুগে বাংলার মুসলিম সমাজে শিক্ষা সংস্কার প্রয়োজন হয়েছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে বাসির উদ্দিন মোল্লার সাথে হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের যে আত্মীয়ের সাদৃশ্য রয়েছে তিনি হলেন হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের বোন মুন্নুজান। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন পবিত্র হজব্রত পালনের জন্য মুসলমানদের পবিত্র স্থানগুলোতে গমন করেন। তিনি মক্কা, মদিনা, কুফা ও কারবালায় ভ্রমণ করেন। এসময়ের মধ্যে তার পিতামাতা পরলোক গমন করেন। তার একমাত্র বোন মুন্নুজানকে হুগলির দ্বিতীয় সামরিক কর্মকর্তা মির্জা সালাউদ্দিনের সাথে বিবাহ হয়। হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের এ বোন ছিলেন নিঃসন্তান। তাই তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি দেখাশুনার দায়িত্ব হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের ওপর অর্পণ করেন। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন তার পিতৃ সম্পত্তি ও বোন মুন্নুজানের সম্পত্তি দিয়ে বহুশিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থ বিতরণ করেন এবং অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হুগলির মহসিন কলেজ, খুলনার বি.এল, কলেজ অন্যতম। এছাড়াও হাজি মুহাম্মদ মোহসিন গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রবৃত্তি ও সেবামূলক কাজের জন্য তৎকালীন এক লক্ষ ছাপান্ন হাজার টাকা মূল্যের সম্পত্তি দিয়ে 'মোহসিন ট্রাস্ট' গঠন করেন। হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের এসব কার্যাবলি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে বাসির উদ্দিন মোল্লার সাথে হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের বোন মুন্নুজানের সাদৃশ্য রয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে হারুন মিয়ার কর্মকান্ডের আলোকে হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের কৃতিত্ব মূল্যায়নের প্রয়াস পাব। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন প্রচুর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়েও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। তিনি পিছিয়ে পড়া দরিদ্র মুসলমানদের লেখাপড়া ও জনহিতকর কাজে তার অর্থ ব্যয় করার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন নিজে শিক্ষিত হলেও তৎকালীন সময়ে গরিব মুসলিমরা ছিল অশিক্ষিত। এজন্য হাজি মুহাম্মদ মোহসিন গরিব মেধাবী মুসলিম ছাত্ররা যাতে আধুনিক শিক্ষালাভ করতে পারে সেজন্য কলকাতার তৎকালীন একলক্ষ ছাপান্ন হাজার টাকা মূল্যের সম্পত্তি দিয়ে 'মোহসিন ট্রাস্ট' গঠন করেন। এছাড়াও তিনি হুগলিতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, খুলনায় বি.এল. কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর প্রভৃতি স্থানের মাদ্রাসার উন্নতির জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। হাজি মুহাম্মদ মোহসিন এসব কার্যাবলি ছাড়াও বাংলার মুসলমান সমাজকে শিক্ষিত করার জন্য গরিব মেধাবী ছাত্রদের বৃত্তির ব্যবস্থা করেন এবং এই বৃত্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার মুসলমান তরুণ উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পায়। এছাড়াও হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের মৃত্যুর পর মোহসিন ফান্ডের টাকা দিয়ে জনগণে চিকিৎসার জন্য হুগলি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়াও হাজি মুহাম্মদ মোহসিন যেকোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান জাঁকজমকের সাথে পালন করতেন। উদ্দীপকে হারুন মিয়ার কর্মকান্ডের যেসব বিষয় পরিলক্ষিত হয় তা হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের কর্মকান্ডেও পরিলক্ষিত হয়েছে। তাই হাজি মুহাম্মদ মোহসিনের এ কৃতিত্ব তাকে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।