শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কোন বিষয়ের মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বৈতশাসনের মিল লক্ষ করা যায়। ১৭৬৪ সালে বাংলার নবাব মীর কাশিম ও অয্যেধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট পরাজিত হন। ইংরেজ গভর্নর বাংলার এ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বাংলার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা কেড়ে নেন। বক্সারের যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে অযোধ্যার নবাবের নিকট থেকে এলাহাবাদ ও কারা জেলা দুটি কেড়ে নেন এবং নগদ ৫০ লক্ষ টাকা আদায় করেন। এছাড়া দেওয়ানি সংক্রান্ত দুটি চুত্তি করেন। একটি মুঘল সম্রাট ফররুখশিয়ারের সাথে অন্যটি বাংলার নবাব নাজিমউদ্দৌলার সাথে। বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভের জন্য ইংরেজরা বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা মুঘল সম্রাটকে দেবে। আরেকটি চুক্তি করা হয় বাংলার নবাবের সাথে। ইংরেজরা নবাবের সাথে চুক্তি করে, নবাব ইংরেজদের বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা দেবে। বিনিময়ে ইংরেজরা নবাধকে বাৎসরিক ৫৩ লক্ষ টাকা দেবে। এভাবে বাংলার শাসনব্যবস্থা দুজন ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত হয়। দেওয়ানি অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা থাকে ইংরেজদের হাতে এবং ফৌজদারি অর্থাৎ দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ থাকে নবাবের হাতে। বাংলার এ অভিনব শাসন পদ্ধতি ইতিহাসে দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত। দ্বৈতশাসনের ফলে সকল অর্থনৈতিক ক্ষমতা থাকে ইংরেজদের হাতে। এছাড়া তাদের আর কোনো কাজ ছিল না। অন্যদিকে নবাবের প্রশাসনিক কাজ চালানোর জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন হলেও তার হাতে কোনো অর্থ ছিল না। ফলে তিনি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারতেন না। এ কারণে বাংলার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হয়। উপরন্তু ১৭৭০ সালে বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিলেও ইংরেজরা অধিকহারে রাজস্ব আদায় করতে থাকে। ফলে দুর্ভিক্ষ প্রকট আকার ধারণ করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারে মারা যায়। এ দুর্ভিক্ষে বাংলার অংশ মানুষ মারা যায়। পরিশেষে বলা যায়, দ্বৈতশাসনের ফলে বাংলার অর্থনীতি ভেঙে পড়েছিল।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কোন বিষয়ের মিল লক্ষ করা…

উদ্দীপক

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে ফরাসি কোম্পানি ১৮৩০ এর দশক ঔপনিবেশিক শাসনের গোড়াপত্তন করে। ফরাসি কোম্পানির শাসনে দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক ভঙ্গুরতার সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি দেশটির মারাদি, আগাদেজ ও দোসো প্রদেশে কোম্পানি একচ্ছত্র রাজস্ব আদায়ের অধিকার লাভ করে। রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা লাভ করলেও ঐ কোম্পানির কোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব ছিল না। একপর্যায়ে দেশটির রাজনৈতিক ক্ষমতাও ফরাসি কোম্পানির হাতে চলে যায়। এসব কারণে নাইজারবাসী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়ে। সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল

উত্তর

হাজি শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।

উত্তর

মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে সামরিক শাসক আইয়ুব খান প্রবর্তিত একটি অভিনব নির্বাচন পদ্ধতি। ১৯৫৯ সালে আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করেন। মৌলিক গণতন্ত্রে চারটি স্তর ছিল। নিম্ন থেকে উচ্চ পর্যন্ত স্তরগুলো ছিল- ১. ইউনিয়ন পরিষদ (গ্রাম) এবং টাউন ও ইউনিয়ন রুমিটি (শহরে); ২. থানা পরিষদ (পূর্ব বাংলায়) ও তহসিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে); ৩. জেলা পরিষদ এবং ৪. বিভাগীয় পরিষদ। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০,০০০ করে মোট ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী নিয়ে দেশের নির্বাচকমন্ডলী গঠিত হয়। এরাই প্রেসিডেন্ট, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচন করত। এই মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থাভোটে আইয়ুব খান ১৯৬০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বৈতশাসনের মিল লক্ষ করা যায়। ১৭৬৪ সালে বাংলার নবাব মীর কাশিম ও অয্যেধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট পরাজিত হন। ইংরেজ গভর্নর বাংলার এ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বাংলার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা কেড়ে নেন। বক্সারের যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে অযোধ্যার নবাবের নিকট থেকে এলাহাবাদ ও কারা জেলা দুটি কেড়ে নেন এবং নগদ ৫০ লক্ষ টাকা আদায় করেন। এছাড়া দেওয়ানি সংক্রান্ত দুটি চুত্তি করেন। একটি মুঘল সম্রাট ফররুখশিয়ারের সাথে অন্যটি বাংলার নবাব নাজিমউদ্দৌলার সাথে। বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভের জন্য ইংরেজরা বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা মুঘল সম্রাটকে দেবে। আরেকটি চুক্তি করা হয় বাংলার নবাবের সাথে। ইংরেজরা নবাবের সাথে চুক্তি করে, নবাব ইংরেজদের বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা দেবে। বিনিময়ে ইংরেজরা নবাধকে বাৎসরিক ৫৩ লক্ষ টাকা দেবে। এভাবে বাংলার শাসনব্যবস্থা দুজন ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত হয়। দেওয়ানি অর্থাৎ রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা থাকে ইংরেজদের হাতে এবং ফৌজদারি অর্থাৎ দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ থাকে নবাবের হাতে। বাংলার এ অভিনব শাসন পদ্ধতি ইতিহাসে দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত। দ্বৈতশাসনের ফলে সকল অর্থনৈতিক ক্ষমতা থাকে ইংরেজদের হাতে। এছাড়া তাদের আর কোনো কাজ ছিল না। অন্যদিকে নবাবের প্রশাসনিক কাজ চালানোর জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন হলেও তার হাতে কোনো অর্থ ছিল না। ফলে তিনি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারতেন না। এ কারণে বাংলার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হয়। উপরন্তু ১৭৭০ সালে বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিলেও ইংরেজরা অধিকহারে রাজস্ব আদায় করতে থাকে। ফলে দুর্ভিক্ষ প্রকট আকার ধারণ করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারে মারা যায়। এ দুর্ভিক্ষে বাংলার অংশ মানুষ মারা যায়। পরিশেষে বলা যায়, দ্বৈতশাসনের ফলে বাংলার অর্থনীতি ভেঙে পড়েছিল।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি নাইজারবাসীর মতো পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের লোকেরা রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান জন্মের পর থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে পশ্চিম পাকিস্তানের মুখাপেক্ষী করে রাখা হয়। গণন্ত্রকে উপেক্ষা করে স্বৈরতন্ত্র ও সামরিকতন্ত্রের মাধ্যমে তারা দেশ শাসন করতে থাকে। বাঙালি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ওপর দমন-নিপীড়ন চালিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশ অচল করে রাখে। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচিত সরকারকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করে। পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান কর্তৃক সর্বোচ্চ বৈষম্যের শিকার হয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তাদের শোষণের মাত্রা ছিল ভয়াবহ। ফলে পূর্ব পাকিস্তান কখনো অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারেনি। প্রাদেশিক সরকারের হাতে মুদ্রাব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। কেন্দ্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পূর্ব পাকিস্তানের সকল আয় পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সকল ব্যাংক, বিমা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। ফলে সহজেই সকল অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হয়ে যেত। জন্মলগ্ন থেকে পাকিস্তানে তিনটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গৃহীত হয়। প্রথমটিতে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ব্যয় ছিল যথাক্রমে ১১৩ কোটি ও ৫০০ কোটি রুপি, দ্বিতীয়টিতে বরাদ্দ ছিল ৯৫০ কোটি রুপি পূর্ব পাকিস্তানের জন্য এবং ১৩৫০ কোটি রুপি পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য। তৃতীয়টিতে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩৬% ও ৬৩%। মোট রপ্তানি আয়ে পূর্ব পাকিস্তানের অংশ ছিল ৫৪.৭%। অথচ রপ্তানি আয় বেশি করলেও পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আমদানি ব্যয় ছিল মাত্র ৩১.১%, যা শিল্পকারখানার বেশিরভাগই গড়ে তোলা হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। তাই বলা যায়, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দ্বারা পূর্ব বাংলার জনগণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।