শেয়ারFacebookWhatsApp

নিয়াজ সাহেবের বক্তব্যের আলোকে উক্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট ইতিহাস বিখ্যাত যুদ্ধের তাৎপর্য পর্যালোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত নিয়াজ সাহেবের বক্তব্যের আলোকে পলাশী যুদ্ধের তাৎপর্য পর্যালোচনা করা হলো- ভারতবর্ষের ইতিহাসে পলাশীর যুদ্ধ একটি বেদনাবহুল খন্ডযুদ্ধ হলেও এ যুদ্ধের তাৎপর্য ছিল সুদূরপ্রসারী। রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের পাশাপাশি বিশেষ করে ইংরেজদের অর্থনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় এ যুদ্ধের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। যেমন- প্রথমত, পলাশী যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার অকালমৃত্যু হলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য দীর্ঘদিনের জন্য অন্তমিত হয়। দ্বিতীয়ত, মীর জাফরও যুদ্ধের ফলে নামেমাত্র নবাব হলেন। কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতা রয়ে গেল ইংরেজদের হাতেই। তৃতীয়ত, ভারতবর্ষে পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজদের সার্বভৌমত্ব স্থাপিত না হলেও তারা নতুন নবাবের কাছ থেকে নগদ দেড় কোটি টাকা এবং চব্বিশ পরগনার বিশাল জমিদারি লাভ করে। ফলে ইংরেজদের বাংলার রাজনীতিতে যখন তখন হস্তক্ষেপের পথ সুগম হয়। চতুর্থত, ইংরেজরা এ যুদ্ধের ফলে বাংলায় একচেটিয়া বাণিজ্যিক অধিকার লাভ করে। ফলে এদেশীয় বণিকদের সমাধি রচিত হয। পঞ্চমত, ইংরেজরা এ যুদ্ধের ফলে বাংলাসহ দাক্ষিণাত্যে প্রভাব বিস্তার করে ফরাসি বণিকদের বিতাড়িত করে এবং একচেটিয়াভাবে ভারতবর্ষের সম্পদ আহরণ ও ইংল্যান্ডে প্রেরণের ফলে এদেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ষষ্ঠত, এ যুদ্ধের ফলে ইংরেজদের সামরিক শক্তি ও প্রতিপত্তি সম্পর্কে জনগণের মনে উচ্চ ধারণার সৃষ্টি হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির মর্যাদাও বৃদ্ধি পায়। সপ্তমত, পলাশীর যুদ্ধের পর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে সাথে ভারতবর্ষের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তন সাধিত হয়। মূলত ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন তারিখেই ভারতবর্ষের মধ্যযুগ শেষে আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছিল। ঐতিহাসিক আর. সি. মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, পলাশীর যুদ্ধ বাংলা তথা সমগ্র ভারতবর্ষে ইংরেজদের বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। কালক্রমে ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দের বক্সারের যুদ্ধে তারা নবাব মীর কাশিম ও ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিপাহি বিদ্রোহে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে পরাজিত করে সমগ্র ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করে।"" সর্বোপরি, পলাশীর যুদ্ধের, ফলে ইংরেজ কর্মকর্তারা বিপুল ধনসম্পদের মালিক হয়, যা পরবর্তীতে তাদের ভারতবর্ষব্যাপী বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপনে সহায়ক হয়েছিল।

HSC Islamic History 2nd paper অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · অধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) · সৃজনশীল

নিয়াজ সাহেবের বক্তব্যের আলোকে উক্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট ইতিহাস বিখ্যা…

উদ্দীপক

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে জনাব 'ক' পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হাত থেকে রূপগঞ্জ ঘাঁটি দখল নিতে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করে। 'ক' এর ঘটনা শুনে নিয়াজ সাহেব বলেন, ইংরেজরাও 'ক' এর মতো লোকদের সাহায্য পেয়ে বাংলা দখল করেছিল। যার রেশ ২০০ বছর পর্যন্ত ছিল। সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল

উত্তর

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

উত্তর

অফুরন্ত ধন-সম্পদ দেখে ভারতবর্ষের ওপর ইংরেজদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল। ভারত হচ্ছে রূপকথার সেই স্বর্ণের ডিম পাড়া রাজহাঁসের ন্যায়। এর ধনসম্পদ ছিল অফুরন্ত। ইউরোপের পরিব্রাজক মার্কোপোলো চীন ও ভারতে এসেছিলেন। দেশে ফিরে গিয়ে তিনি একটি বই লিখেন, যেখানে ভারতকে অফুরন্ত ধনসম্পদের ভান্ডার বলে উল্লেখ করেন। এর ফলে ইউরোপের বণিকগণ ভারতে আসে বাশিল্যের জন্য। ভারতের ধনসম্পদ দেখে তাদের চোখ ঝলসে যায়। তাই ভারতে তারা স্থায়ী হওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে এবং শেষপর্যন্ত ১৭৫৭ সালে তারা সফল হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'ক' এর সাথে বাংলার ইতিহাসে মীর জাফরের চরিত্রের মিল রয়েছে। বিশ্বাসঘাতক মীর জাফর ছিলেন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। ইংরেজরা বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ খুঁজছিল এবং একসময় তা পেয়েও যায়। ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ছিলেন পূর্ববর্তী নবাব আলীবর্দী খানের ছোট মেয়ে আমেনার সন্তান। কিন্তু সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনে বসাকে তার অন্যান্য আত্মীয়স্বজন বিশেষ করে তার খালা ঘসেটি বেগম মেনে নেননি। তিনি চেয়েছিলেন তার ছেলে শওকত জং নবাব যোক। আর এ কাজ করার জন্য তিনি ইংরেজদের শরণাপন্ন হন। ইংরেজরা একে মোক্ষম সুযোগ মনে করে। যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করার জন্য তারা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়। ইংরেজরা নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীর জাফরকে তাদের পক্ষে নেওয়ার জন্য প্রলোভন দেখায়। মীর জাফর নিজের স্বার্থের জন্য বাংলার স্বার্থকে বিসর্জন দেয়। তিনি ইংরেজদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ ও নবাবের বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ বাঁধলে মীর জাফর ও তার অনুগত সৈন্য যুদ্ধ করা থেকে বিরত থাকে। তারপরও নবাবের জয় যখন অবশ্যম্ভাবী তখন মীর জাফর নবাবকে যুদ্ধ বন্ধ করার পরামর্শ দেন। নবাব মীর জাফরের দূরভিসন্ধি বুঝতে না পেরে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা। দেন। ফলে যুদ্ধ বন্ধ করে নবাবের বাহিনী বিশ্রাম নিচ্ছিল। এমন সময় বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরের ইঙ্গিতে ইংরেজ বাহিনী নবাবের সৈন্যদের ওপর আক্রমণ চালায়। ফলে নবাবের অপ্রস্তুত সৈন্যদের পরাজয় ঘটে। নবাব যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে পলায়ন করেন। কিন্তু পথিমধ্যে তিনি বন্দী হন এবং তাকে হত্যা করা হয়। এভাবে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বাংলার পরাজয় ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলা দখল করে। পরিশেষে বলা যায়, মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ইংরেজরা বাংলা দখল করতে সক্ষম হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত নিয়াজ সাহেবের বক্তব্যের আলোকে পলাশী যুদ্ধের তাৎপর্য পর্যালোচনা করা হলো- ভারতবর্ষের ইতিহাসে পলাশীর যুদ্ধ একটি বেদনাবহুল খন্ডযুদ্ধ হলেও এ যুদ্ধের তাৎপর্য ছিল সুদূরপ্রসারী। রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের পাশাপাশি বিশেষ করে ইংরেজদের অর্থনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় এ যুদ্ধের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। যেমন- প্রথমত, পলাশী যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার অকালমৃত্যু হলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য দীর্ঘদিনের জন্য অন্তমিত হয়। দ্বিতীয়ত, মীর জাফরও যুদ্ধের ফলে নামেমাত্র নবাব হলেন। কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতা রয়ে গেল ইংরেজদের হাতেই। তৃতীয়ত, ভারতবর্ষে পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজদের সার্বভৌমত্ব স্থাপিত না হলেও তারা নতুন নবাবের কাছ থেকে নগদ দেড় কোটি টাকা এবং চব্বিশ পরগনার বিশাল জমিদারি লাভ করে। ফলে ইংরেজদের বাংলার রাজনীতিতে যখন তখন হস্তক্ষেপের পথ সুগম হয়। চতুর্থত, ইংরেজরা এ যুদ্ধের ফলে বাংলায় একচেটিয়া বাণিজ্যিক অধিকার লাভ করে। ফলে এদেশীয় বণিকদের সমাধি রচিত হয। পঞ্চমত, ইংরেজরা এ যুদ্ধের ফলে বাংলাসহ দাক্ষিণাত্যে প্রভাব বিস্তার করে ফরাসি বণিকদের বিতাড়িত করে এবং একচেটিয়াভাবে ভারতবর্ষের সম্পদ আহরণ ও ইংল্যান্ডে প্রেরণের ফলে এদেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ষষ্ঠত, এ যুদ্ধের ফলে ইংরেজদের সামরিক শক্তি ও প্রতিপত্তি সম্পর্কে জনগণের মনে উচ্চ ধারণার সৃষ্টি হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির মর্যাদাও বৃদ্ধি পায়। সপ্তমত, পলাশীর যুদ্ধের পর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে সাথে ভারতবর্ষের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তন সাধিত হয়। মূলত ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন তারিখেই ভারতবর্ষের মধ্যযুগ শেষে আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছিল। ঐতিহাসিক আর. সি. মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, পলাশীর যুদ্ধ বাংলা তথা সমগ্র ভারতবর্ষে ইংরেজদের বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। কালক্রমে ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দের বক্সারের যুদ্ধে তারা নবাব মীর কাশিম ও ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিপাহি বিদ্রোহে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে পরাজিত করে সমগ্র ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করে।"" সর্বোপরি, পলাশীর যুদ্ধের, ফলে ইংরেজ কর্মকর্তারা বিপুল ধনসম্পদের মালিক হয়, যা পরবর্তীতে তাদের ভারতবর্ষব্যাপী বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপনে সহায়ক হয়েছিল।
HSCIslamic History 2nd paperঅধ্যায় ৪: বাংলায় কোম্পানি ও ঔপনিবেশিক শাসন (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও শোষিত না হলে কখনো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে না। ইংরেজরা ভারতীয়দের ওপর যে রাজস্বনীতি গ্রহণ করেছিল তাতে কৃষকদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে পড়ে। ফলে কৃষকরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া খাজনা বৃদ্ধি, পথকর ও জলকর প্রভৃতি কর আরোপের কারণে ভারতীয়রা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।
ক
১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?
খ
১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর
গ
উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দাও
ঘ
নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের অভয়নগর উপজেলাটি আয়তনে বিশাল এবং এর জনসংখ্যাও অনেক। যার ফলশ্রুতিতে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কাজে এটি ভেঙে দুটি উপজেলা করার দাবি ওঠে। সরকার ন্যায্য দাবি মনে করে উপজেলাটিকে দু অংশে ভাগ করে দুটি উপজেলা ঘোষণা করে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ নিজেদের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য, অখণ্ডতার দাবির পক্ষে জোরালো আবেদন করে। এতে করে সরকার পুনরায় দু উপজেলাকে একটি উপজেলায় পরিণত করে। যার ফলে অত্র অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ স্থায়ী ক্ষতির মুখে পতিত হয়।
ক
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
খ
হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?
গ
উদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানদের অপরিমেয় ক্ষতি সাধিত হয়- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঝিনাইদহ জেলার শংকরপুর ইউনিয়ন একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। হরিশচন্দ্র দেব ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। সে এলাকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চালাত এবং মুসলমানদের ধর্মীয় কার্যাদিতে বাধা প্রদান করত। শংকরপুরের মুসলমানদেরকে অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে রক্ষার তাগিদে আমজাদ আলী এগিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন ধর্মভীরু ও সমাজ সংস্কারক। তিনি হিন্দু চেয়ারম্যানের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষার জন্য শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলেন। তার এ আন্দোলন মুসলমানদের ওপর নির্যাতন রক্ষার্থে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। এ মহৎ কাজের জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি অমর হয়ে আছেন।
ক
ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
খ
রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পালন করেছিল তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

রবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নানা কারণে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় - বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের যে কারণটির প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সামরিক কারণ ব্যাখ্যা কর১৮৫৭ সালে কত তারিখে সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করা হয়?বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলার মুসলমানেরা লাভবান হয়; আবার এটি রদের ফলে পূর্ব বাংলারউদ্দীপকের ঘটনাটি বাংলার ইতিহাসের কোন ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করতে থাকে কেন?বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল কোথায়?আমজাদ আলীর আন্দোলন শংকরপুরের মুসলমানদের ওপর অত্যাচার থেকে রক্ষার্থে যে ভূমিকা পাউদ্দীপকের আমজাদ আলীর আন্দোলনের সাথে ভারতের কোন আন্দোলনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? বর্ণরবার্ট ক্লাইভের পরিচয় দাও।ভারত কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

নিয়াজ সাহেবের বক্তব্যের আলোকে উক্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট ইতিহাস বিখ্যা… | Prosthuti