শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশে উদ্দীপকে বিষয়টির বিকাশধারা পর্যালোচনা কর।

উত্তর: বাংলাদেশে উক্ত বিষয়টি তথা সমাজবিজ্ঞান বিকাশের রয়েছে একটি সুনির্দিস্ট পথপরিক্রমা। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশদারা শুরু হয় ১৯৫৭ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরর্বতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ১৯৬৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৭০ সালে সম্মান কোর্স শুরু হয়। একই বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে সিলেটে অবস্থিত হযরত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। ২০০২ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এবং ২০১২ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য বিভিন্ন কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও ডিগ্রি কোর্সে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়) স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সমাজবিজ্ঞান চালু হয়। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনের কলেজগুলোতে সমাজবিজ্ঞান স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং সমাজবিজ্ঞানের পরিচর্যা চলছে। এছাড়া সমাজবিজ্ঞানকে ঘিরে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে। নতুন নতুন ম্যাগাজিন ও পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এর সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করছে।

HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল

বাংলাদেশে উদ্দীপকে বিষয়টির বিকাশধারা পর্যালোচনা কর।

উদ্দীপক

প্রাচীনকালে হাম্বুরাবী, কৌটিল্য, হিয়েন সাঙ, আল বেরুনী, ইবনে বতুতা, আবুল ফজল প্রমুখ এদেশের সমাজজীবন নিয়ে আলোচনা করেন কিন্তু এদেশে সমাজ সম্পর্কে পঠনপাঠন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এতে এ. কে. নাজমুল করিম, ইউনেস্কো, লেভি স্ট্রস, পেরি বেসাইনি পথিকৃত ভূমিকা পালন করেন।

উত্তর

'Changing Society in India, Pakistan & Bangladesh′Bangladesh^{\prime} গ্রন্থটি ড. এ. কে. নাজমুল করিমের লেখা।

উত্তর

ক্লদ লেভি স্ট্রস ছিলেন একজন ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান বিকাশে ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ও ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ক্লদ লেভি স্ট্রসের অবদান অপরিসীম। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ইউনেস্কো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। তার রচনাবলি কাঠামোবাদী নৃবিজ্ঞানের মূলসূত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের বিষয়টি তথা সমাজবিজ্ঞানের বাংলাদেশে একাডেমিক চর্চায় রয়েছে সুদীর্ঘ ইতিহাস। ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান পাঠ শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষা ও গবেষণা শুরু হয়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ১৯২৬ সালে দর্শন বিভাগের এম.এ কোর্সে 'Ethics and Sociology′Sociology^{\prime} শিরোনামে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়। এ পটভূমিতে ১৯৫০ সালে প্রখ্যাত ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ও ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ক্লদ লেভি স্ট্রস ঢাকায় আসলে অধ্যাপক নাজমুল করিম ও অজিত কুমার সেন তার সাথে দেখা করে বাংলাদেশে স্বতন্ত্র সমাজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার সহযোগিতা চান। পরবর্তীতে লেভিস্ট্রসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও ইউনেস্কোর সহযোগিতায় ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। নব্য প্রতিষ্ঠিত এ বিভাগের প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন পেরি বেসাইনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোকে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও সমাজবিজ্ঞানের একাডেমিক চর্চা শুরু হয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সমাজজীবন সম্পর্কে বাংলাদেশে গঠন-পাঠন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এতে নাজমুল করিম, ইউনেস্কো, লেভি স্ট্রস, পেরি বেসাইনি প্রমুখ পথিকৃত ভূমিকা পালন করেন। এসব বৈশিষ্ট্য সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর সমাজবিজ্ঞানের একাডেমিক চর্চার সুদীর্ঘ ইতিহাস পূর্বোক্ত আলোচনার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।

উত্তর

বাংলাদেশে উক্ত বিষয়টি তথা সমাজবিজ্ঞান বিকাশের রয়েছে একটি সুনির্দিস্ট পথপরিক্রমা। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশদারা শুরু হয় ১৯৫৭ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরর্বতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ১৯৬৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৭০ সালে সম্মান কোর্স শুরু হয়। একই বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে সিলেটে অবস্থিত হযরত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। ২০০২ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এবং ২০১২ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য বিভিন্ন কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও ডিগ্রি কোর্সে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়) স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সমাজবিজ্ঞান চালু হয়। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনের কলেজগুলোতে সমাজবিজ্ঞান স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং সমাজবিজ্ঞানের পরিচর্যা চলছে। এছাড়া সমাজবিজ্ঞানকে ঘিরে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে। নতুন নতুন ম্যাগাজিন ও পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এর সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করছে।
HSCSociology 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লসুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আল"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ কউক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বউদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জসমাজবিজ্ঞানের জনক কে?একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠনউদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।'Positive Philosophy [গণিত] গ্রন্থটি কার লেখা?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।