শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে - উক্তিটি মূল্যায়ন কর

উত্তর: উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। নিম্নে উক্তিটি মূল্যায়ন করা হলো : সমাজ বিজ্ঞান অধ্যয়নের মাধ্যমে সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানা যায়। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ, তাদের সম্পর্ক, গোষ্ঠী, আচরণ, প্রভৃতি সম্পর্কে জানতে ও সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজন সমাজের মানুষের আচার-আচরণ, অনুষ্ঠান, রীতিনীতি, মূল্যবোধ, প্রথা-প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে গভীর অনুসন্ধানের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন। এছাড়াও পরিবার বিবাহ ও জ্ঞাতি সম্পর্কে এর ভূমিকা অনুধাবনেও সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান বিশেষ প্রয়োজন। পাশাপাশি কোন ঘটনার বা সামাজিক সমস্যার স্বরূপ উদঘাটন এবং তা সমাধানের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান সহায়তা করে। দারিদ্র দূরীকরণ এবং এ সম্পর্কে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ও সমাজবিজ্ঞান ভূমিকা রাখে। সমাজবিজ্ঞান অধ্যয়নের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের গতি-প্রকৃতি অনুধাবন করা যায়। সর্বোপরি মানুষকে তার অধিকার ও দায়িত্ববোধের বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি সুনাগরিক গুণাবলী অর্জনে সমাজ বিজ্ঞান ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে এ আধুনিক কালের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রবণতা এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানতে সমাজবিজ্ঞান কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞানের মাধ্যমে যেকোনো সামাজিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব। সমাজবিজ্ঞানের শুধু এই কতিপয় গুরুত্ব উদ্দীপকে তুলে ধরা হলেও সামগ্রিকভাবে সমাজবিজ্ঞানের ব্যাপ্তি আরও বেশি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় নি।

HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে…

উদ্দীপক

রফিক সাহেব ক্লাসে এমন কিছু চিন্তাবিদের নাম বললেন, যাদের গবেষণা কিংবা চিন্তা চেতনা বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি জানতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসন আমলে এ ধারা আরও সমৃদ্ধ হয়। আধুনিককালে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরাধপ্রবণতা সম্পর্কে জানতে এই বিষয়টি কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। এ বিষয়ের জ্ঞান দ্বারাই সমাজের যেকোনো পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব।

Dhaka · 2022

উত্তর

বাংলাদেশের সমাজ বিজ্ঞানের জনক অধ্যাপক এ. কে. নাজমুল করিম।

উত্তর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার চূড়ান্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি রচিত হয়। ১৯৫৭-৫৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমামবিজ্ঞান বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভহগটি যাত্রা শুরু করার পর বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চায় ব্যাপক দ্বার উন্নত উন্মোচিত হয়। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক পঠন-পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। তাই বলা যায় বাংলাদেশের সমাজ বিজ্ঞান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তর

বাংলাদেশে সমাজ বিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নিম্নে উদ্দীপকের আলোকে তুলে ধরা হলো : আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজে চিন্তার ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরের পুরনো। মৌর্য যুগের কূটনীতিবিদ কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, গুপ্ত যুগের দার্শনিক বাৎসায়নের কামসূত্র, পারস্যের পন্ডিত আবু রাইয়ান আলবেরুনীর ভারততত্ত্ব, সুলতান মাহমুদের সভাসদ, মুঘল যুগের ইতিহাসবিদ আবুল ফজল এর আইন ই আকবরী, আকবর নামা ইত্যাদি গ্রন্থে সমাজ ও সংস্কৃতির চমৎকার বিবরণ পাওয়া যায়। এছাড়াও ব্রিটিশ আমলে ইতিহাসবিদ ও ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের সদস্য উইলিয়াম উইলসন হান্টার এর সামাজিক তথ্যের আকর গ্রন্থ The Imperial Gazetteer প্রকাশিত হলে উপমহাদেশে সমাজ নিয়ে চিন্তাভাবনা নতুন গতি লাভ করে। তাদের পাশাপাশি বাঙালি বুদ্ধিজীবীরাও সমকালীন রাজনীতি , অর্থনীতি, ইতিহাস ও প্রথাপদ্ধতির ছবি ফুটিয়ে তুলেছিলেন। যেমন বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়ের “লোক রহস্য”, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের “বোধোদন” ইত্যাদি। বিশের দশকে প্রতিষ্ঠিত শিখা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত লেখকদের রচনাও আমাদের দেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার একটি পটভূমি তৈরি করেছিল। উদ্দীপকেও দেখা যায় রফিক স্যার সমাজবিজ্ঞানের চর্চার পটভূমিতে এমন কিছু চিন্তাবিদদের কথা ইঙ্গিত করেছেন। কেননা তাদের চিন্তা-ভাবনা আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতি স্বরূপ জানতে সহায়তা করেছে।

উত্তর

উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। নিম্নে উক্তিটি মূল্যায়ন করা হলো : সমাজ বিজ্ঞান অধ্যয়নের মাধ্যমে সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানা যায়। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ, তাদের সম্পর্ক, গোষ্ঠী, আচরণ, প্রভৃতি সম্পর্কে জানতে ও সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজন সমাজের মানুষের আচার-আচরণ, অনুষ্ঠান, রীতিনীতি, মূল্যবোধ, প্রথা-প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে গভীর অনুসন্ধানের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন। এছাড়াও পরিবার বিবাহ ও জ্ঞাতি সম্পর্কে এর ভূমিকা অনুধাবনেও সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান বিশেষ প্রয়োজন। পাশাপাশি কোন ঘটনার বা সামাজিক সমস্যার স্বরূপ উদঘাটন এবং তা সমাধানের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান সহায়তা করে। দারিদ্র দূরীকরণ এবং এ সম্পর্কে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ও সমাজবিজ্ঞান ভূমিকা রাখে। সমাজবিজ্ঞান অধ্যয়নের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের গতি-প্রকৃতি অনুধাবন করা যায়। সর্বোপরি মানুষকে তার অধিকার ও দায়িত্ববোধের বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি সুনাগরিক গুণাবলী অর্জনে সমাজ বিজ্ঞান ভূমিকা পালন করে। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে এ আধুনিক কালের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রবণতা এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানতে সমাজবিজ্ঞান কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞানের মাধ্যমে যেকোনো সামাজিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব। সমাজবিজ্ঞানের শুধু এই কতিপয় গুরুত্ব উদ্দীপকে তুলে ধরা হলেও সামগ্রিকভাবে সমাজবিজ্ঞানের ব্যাপ্তি আরও বেশি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় নি।
HSCSociology 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লসুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আল"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ কউক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বউদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জসমাজবিজ্ঞানের জনক কে?একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠনউদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।'Positive Philosophy [গণিত] গ্রন্থটি কার লেখা?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।