শেয়ারFacebookWhatsApp

দৃশ্যপট-২ যুগটির 'সমাজ ও সভ্যতা বিকাশের ক্ষেত্রে অবদান অনস্বীকার্য'- মতামতসহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: দৃশ্যপট-২ এর যুগটি হলো নব্য প্রস্তর যুগ। "সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে এ যুগের অবদান অনস্বীকার্য" বলে আমি মনে করি। প্রস্তর যুগের শেষ ধাপ হচ্ছে নব্য প্রস্তর যুগ। এ যুগের মানুষেরা উন্নতমানের হাতিয়ার তৈরিতে পারদর্শী ছিল। ফলে হাতিয়ারগুলো ছিল যথেষ্ট তীক্ষ্ণ, মসৃণ ও ধারালো। এ যুগের উল্লেখযোগ্য হাতিয়ারগুলো হচ্ছে চাকু, কান্তে কুঠার, কোঁদাল, গাঁইতি, বর্শা, তীর ইত্যাদি। গর্ডন চাইল্ডের যুক্তি হলো, একবার যেই নব্য প্রস্তর যুগে হাতিয়ার তৈরি শুরু হয়ে গেল, অমনি জমি চাষ অনেক সহজ হলো। এ যুগে কৃষিকাজ ও পশুপালন অর্থনীতির উদ্ভব হলে সর্বপ্রথম খাদ্যে নিশ্চয়তা আসে। খাদ্যের সঠিক যোগান, প্রাকৃতিক পরিবেশের অনুকূল অবস্থা এ যুগের মানুষকে সভ্য জীবন গঠনের সুযোগ করে দিয়েছিল। এ যুগেই মানুষ যাযাবর জীবন ত্যাগ করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে এবং সমাজে পারিবারিক কাঠামো গড়ে তোলে। সাংস্কৃতিক বিকাশ যেকোনো সমাজ বা গোষ্ঠীর অন্যতম দিক। নব্য প্রস্তর যুগেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। এ যুগের সাংস্কৃতিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য সংযোজনের মধ্যে রয়েছে মৃৎপাত্র তৈরি, কৃষিকাজে বিভিন্ন হাতিয়ারের ব্যবহার, বয়নশিল্প ও স্থাপত্যশিল্পের উদ্ভব, স্থায়ী বসতি নির্মাণ কৌশল, বাগিচা বা উদ্যান চাষাবাদ, বিনিময় ব্যবস্থা অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস, সম্পত্তির চেতনা ইত্যাদি। অনেক প্রত্নতাত্ত্বিকের ধারণা, পশুকে পোশ মানানো ও কৃষির উন্নতিই ছিল নব্য প্রস্তর যুগের প্রকৃত ভিত্তি। এ যুগের মানুষ আত্মার ধারণায় বিশ্বাস করতো। তাদের ধারণা ছিল আত্মা বা প্রেতাত্মা মানুষের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য তারা আত্মা-প্রেতাত্মা বা অতিপ্রাকৃতশক্তির হাত থেকে বাচার জন্য নানারকম আচার অনুষ্ঠান পালন করতো। এসবের পাশাপাশি এ যুগের মানুষেরা প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের (গাছপালা, নদীনালা, পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি) পূজাও করতো। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, নব্য প্রস্তর যুগ মানবসমাজের ইতিহাসে পরিবর্তনের দিক থেকে একটি বৈপ্লবিক যুগ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ যুগের বিভিন্ন পর্যায়ক্রমিক ধারা বর্তমান সমাজ ও সভ্যতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

HSC Sociology 2nd Paper Chapter 3 : প্রত্নতত্ত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 3 : প্রত্নতত্ত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতা · সৃজনশীল

দৃশ্যপট-২ যুগটির 'সমাজ ও সভ্যতা বিকাশের ক্ষেত্রে অবদান অনস্বীকার্য'…

উদ্দীপক

দৃশ্যপট-১ : সমাজবিজ্ঞান ক্লাসে স্যার মানবসমাজের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তিনি বলেন যে, লিখন-পূর্ব মানবসমাজ ছিল যাযাবর। হাতিয়ার ছিল অমসৃণ ও ভোতা। সে যুগের মানুষ আগুনের ব্যবহার, পোশাক পরিধান শিখলেও উৎপাদন ব্যবস্থা ছিল সংগ্রহমূলক। দৃশ্যপট-২: পরের দিন স্যার আরেকটি যুগের বৈশিষ্ট্য পড়াচ্ছিলেন। যেখানে কৃষির উদ্ভব, হাতিয়ার আবিষ্কার, সাংস্কৃতিক বিকাশ, পরিবারের উৎপত্তিসহ ধর্মীয় জীবন শুরুর মধ্য দিয়ে সমাজ এগিয়ে যায়।

Jessore · 2025

উত্তর

নৃগোষ্ঠী বলতে মানব প্রজাতির এমন এক উপবিভাগকে বোঝায় যারা কিছু অভিন্ন দৈহিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে থাকে।

উত্তর

আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি হচ্ছে লৌহ। বর্তমান যুগে হাতিয়ার ও যন্ত্রপাতি প্রধানত লৌহনির্মিত। যানবাহন তৈরিতে লৌহ ব্যবহারের ফলে যানবাহন ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি ঘটে। ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, রাস্তাঘাট, পুল নির্মাণে লোহার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। লৌহ দ্বারা নির্মিত প্রেস ও অক্ষর আবিষ্কৃত হওয়ায় ছাপাশিল্পের অভূতপূর্ণ অগ্রগতি দেখা দেয়। মানবসভ্যতার অভাবনীয় উন্নতিতে লোহার ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। এজন্য লৌহকে আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১ এ স্যার প্রাচীন প্রস্তর যুগ সম্পর্কে ছাত্রদের পড়াচ্ছিলেন। প্রস্তর যুগের প্রথম পর্যায় হচ্ছে প্রাচীন প্রস্তর যুগ। প্রস্তর যুগের মধ্যে এটি সবচেয়ে দীর্ঘ। প্রাচীন প্রস্তর যুগের মানুষ ছিল অক্ষর জ্ঞানহীন। তারা জীবিকা নির্বাহের জন্য জোটবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন শব্দের সাহায্যে ও আকার ইঙ্গিতের মাধ্যমে তাদের মনেরভাব প্রকাশ করতো। এ যুগের মানুষেরা খাদ্য সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তাই তারা যখন যো অঞ্চলে যেতো সেই অঞ্চলেই আবাসস্থল গড়ে তুলতো। এককথায় তাদের জীবন ছিল যাযাবর প্রকৃতির। শিকারের জন্য জন্য তারা বর্শা, ছুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র তৈরি করেছিল। যা ছিল ভোতা ও অমসৃণ। বলা হয়ে থাকে, এ যুগের প্রাথমিক পর্যায়ে মানুষ উলঙ্গ থাকত। পরবর্তীতে লজ্জা নিবারণের জন্য তারা গাছের ছাল, বাকল, পাতা ইত্যাদি ব্যবহার করতো। এ যুগের মানুষেরা প্রাথমিক পর্যায়ে আগুন তৈরি করতে জানত না বলে বাইরে থেকে আগুন নিয়ে এসে গুহার মধ্যে জ্বালিয়ে রাখত। এরপর তারা পাথর ঠুকে বা কাঠে কাঠ ঘয়ে আগুন জ্বালানোর কৌশল আয়ত্ব করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সমাজবিজ্ঞান ক্লাসে স্যার মানবসমাজের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করছিলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি বলেন, লিখনপূর্ব মানবসমাজ ছিল যাযাবর প্রকৃতির। তাদের হাতিয়ার ছিল অমসৃণ ও ভোতা। সে যুগের মানুষ আগুনের ব্যবহার, পোশাক পরিধান শিখলেও তাদের উৎপাদন ব্যবস্থা ছিল সংগ্রহমূলক। স্যারের এই আলোচনা ওপরে বর্ণিত প্রাচীন প্রস্তর যুগের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-১ এ স্যার ছাত্রদের প্রাচীন প্রস্তর যুগ সম্পর্কেই পড়াচ্ছিলেন।

উত্তর

দৃশ্যপট-২ এর যুগটি হলো নব্য প্রস্তর যুগ। "সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে এ যুগের অবদান অনস্বীকার্য" বলে আমি মনে করি। প্রস্তর যুগের শেষ ধাপ হচ্ছে নব্য প্রস্তর যুগ। এ যুগের মানুষেরা উন্নতমানের হাতিয়ার তৈরিতে পারদর্শী ছিল। ফলে হাতিয়ারগুলো ছিল যথেষ্ট তীক্ষ্ণ, মসৃণ ও ধারালো। এ যুগের উল্লেখযোগ্য হাতিয়ারগুলো হচ্ছে চাকু, কান্তে কুঠার, কোঁদাল, গাঁইতি, বর্শা, তীর ইত্যাদি। গর্ডন চাইল্ডের যুক্তি হলো, একবার যেই নব্য প্রস্তর যুগে হাতিয়ার তৈরি শুরু হয়ে গেল, অমনি জমি চাষ অনেক সহজ হলো। এ যুগে কৃষিকাজ ও পশুপালন অর্থনীতির উদ্ভব হলে সর্বপ্রথম খাদ্যে নিশ্চয়তা আসে। খাদ্যের সঠিক যোগান, প্রাকৃতিক পরিবেশের অনুকূল অবস্থা এ যুগের মানুষকে সভ্য জীবন গঠনের সুযোগ করে দিয়েছিল। এ যুগেই মানুষ যাযাবর জীবন ত্যাগ করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে এবং সমাজে পারিবারিক কাঠামো গড়ে তোলে। সাংস্কৃতিক বিকাশ যেকোনো সমাজ বা গোষ্ঠীর অন্যতম দিক। নব্য প্রস্তর যুগেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। এ যুগের সাংস্কৃতিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য সংযোজনের মধ্যে রয়েছে মৃৎপাত্র তৈরি, কৃষিকাজে বিভিন্ন হাতিয়ারের ব্যবহার, বয়নশিল্প ও স্থাপত্যশিল্পের উদ্ভব, স্থায়ী বসতি নির্মাণ কৌশল, বাগিচা বা উদ্যান চাষাবাদ, বিনিময় ব্যবস্থা অতি প্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস, সম্পত্তির চেতনা ইত্যাদি। অনেক প্রত্নতাত্ত্বিকের ধারণা, পশুকে পোশ মানানো ও কৃষির উন্নতিই ছিল নব্য প্রস্তর যুগের প্রকৃত ভিত্তি। এ যুগের মানুষ আত্মার ধারণায় বিশ্বাস করতো। তাদের ধারণা ছিল আত্মা বা প্রেতাত্মা মানুষের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য তারা আত্মা-প্রেতাত্মা বা অতিপ্রাকৃতশক্তির হাত থেকে বাচার জন্য নানারকম আচার অনুষ্ঠান পালন করতো। এসবের পাশাপাশি এ যুগের মানুষেরা প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের (গাছপালা, নদীনালা, পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি) পূজাও করতো। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, নব্য প্রস্তর যুগ মানবসমাজের ইতিহাসে পরিবর্তনের দিক থেকে একটি বৈপ্লবিক যুগ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ যুগের বিভিন্ন পর্যায়ক্রমিক ধারা বর্তমান সমাজ ও সভ্যতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
HSCSociology 2nd PaperChapter 3 : প্রত্নতত্ত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুখেন দাস তার জীবিকার প্রয়োজনে হাস-মুরগি, গরু-ছাগল লালন পালন করে। এর পাশাপাশি তার নিজস্ব জমিতে ধান, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে থাকে। এটাই তার পেশা। তার স্ত্রী সংসারের কাজের ফাঁকে স্বামী ও সন্তানের মঙ্গল কামনায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করে থাকে যা তার কাছে খুবই পছন্দের কাজ।

Dinajpur · 2017

ক
চাকার আবিষ্কার হয় কোন যুগে?
খ
ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে কোন ধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? বুঝিয়ে বল।
গ
উদ্দীপকে সুখেন দাসের স্ত্রীর পছন্দের কাজটির সাথে সিন্ধু সভ্যতার সমাজ জীবনের কোন দিকটি মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুখেন দাসের পেশা সিন্ধু সভ্যতার অর্থনৈতিক ব্যবস্থারই প্রতিচ্ছবি। তুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুখেন দাস তার জীবিকার প্রয়োজনে হাস-মুরগি, গরু-ছাগল লালন পালন করে। এর পাশাপাশি তার নিজস্ব জমিতে ধান, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে থাকে। এটাই তার পেশা। তার স্ত্রী সংসারের কাজের ফাঁকে স্বামী ও সন্তানের মঙ্গল কামনায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করে থাকে যা তার কাছে খুবই পছন্দের কাজ।

Dinajpur · 2017

ক
চাকার আবিষ্কার হয় কোন যুগে?
খ
ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে কোন ধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? বুঝিয়ে বল।
গ
উদ্দীপকে সুখেন দাসের স্ত্রীর পছন্দের কাজটির সাথে সিন্ধু সভ্যতার সমাজ জীবনের কোন দিকটি মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুখেন দাসের পেশা সিন্ধু সভ্যতার অর্থনৈতিক ব্যবস্থারই প্রতিচ্ছবি। তুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে কোন ধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? বুঝিয়ে বল।

ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে কোন ধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? বুঝিয়ে বল।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.চাকার আবিষ্কার হয় কোন যুগে?

চাকার আবিষ্কার হয় কোন যুগে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
উয়ারি-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
খ
প্রত্নতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানের ক্ষেত্রে কোন উপাদানকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'উক্ত উপাদানটিকে আধুনিক সভ্যতার মূলভিত্তি বলা হয়'- তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? যুক্তিসহ আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
উয়ারি-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
খ
প্রত্নতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানের ক্ষেত্রে কোন উপাদানকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'উক্ত উপাদানটিকে আধুনিক সভ্যতার মূলভিত্তি বলা হয়'- তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? যুক্তিসহ আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রত্নতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

প্রত্নতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.উয়ারি-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?

উয়ারি-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শফিক গত ঈদের ছুটিতে নরসিংদীতে বেড়াতে গিয়ে বেলাব থানা সদর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পরিদর্শন করেছে।

Rajshahi · 2018

ক
মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?
খ
লৌহকে কেন আধুনিক যুগের ভিত্তি বলা হয়? বুঝিয়ে দাও।
গ
উদ্দীপকে শফিকের পরিদর্শনকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কোনটি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
বাংলাদেশের সামাজিক ইতিহাস রচনায় উক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শফিক গত ঈদের ছুটিতে নরসিংদীতে বেড়াতে গিয়ে বেলাব থানা সদর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পরিদর্শন করেছে।

Rajshahi · 2018

ক
মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?
খ
লৌহকে কেন আধুনিক যুগের ভিত্তি বলা হয়? বুঝিয়ে দাও।
গ
উদ্দীপকে শফিকের পরিদর্শনকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কোনটি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
বাংলাদেশের সামাজিক ইতিহাস রচনায় উক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.লৌহকে কেন আধুনিক যুগের ভিত্তি বলা হয়? বুঝিয়ে দাও।

লৌহকে কেন আধুনিক যুগের ভিত্তি বলা হয়? বুঝিয়ে দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?

মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুখেন দাসের পেশা সিন্ধু সভ্যতার অর্থনৈতিক ব্যবস্থারই প্রতিচ্ছবি। তুমি কি একমত? উউদ্দীপকে সুখেন দাসের স্ত্রীর পছন্দের কাজটির সাথে সিন্ধু সভ্যতার সমাজ জীবনের কোন ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে কোন ধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়? বুঝিয়ে বল।চাকার আবিষ্কার হয় কোন যুগে?'উক্ত উপাদানটিকে আধুনিক সভ্যতার মূলভিত্তি বলা হয়'- তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমতউদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানের ক্ষেত্রে কোন উপাদানকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা কর।প্রত্নতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?উয়ারি-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?বাংলাদেশের সামাজিক ইতিহাস রচনায় উক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটির গুরুত্ব বিশ্লেষউদ্দীপকে শফিকের পরিদর্শনকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কোনটি? ব্যাখ্যা করো।লৌহকে কেন আধুনিক যুগের ভিত্তি বলা হয়? বুঝিয়ে দাও।মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।