"বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান বিকাশে ইউনেস্কোর অনস্বীকার্য"- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: "বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান বিকাশে ইউনেস্কোর ভূমিকা অনস্বীকার্য"-উক্তিটি যথার্থ এবং উদ্দীপকের আলোকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৫০-এর দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) সমাজবিজ্ঞানকে একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পেছনে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনেস্কোর অবদান ছিল প্রধান। ইউনেস্কোর বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তায় এ দেশে সমাজবিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপিত হয়। বিশেষ করে ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস এবং পিয়েরে বেসাইনি-এর অবদান এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ১৯৫৭ সালে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় বাংলাদেশে সালে সমাজবিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ১৯৫৬ সালে ইউনেস্কোর জ্ঞান একটি উপদেষ্টা দল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর করেন এবং সমাজবিজ্ঞান প্রযুক্তি বিভাগ খোলার সুপারিশ করেন। তাদের এই সুপারিশের ভিত্তিতেই বিভাগ ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ তার যাত্রা জানিক শুরু করে। ইউনেস্কো কেবল বিভাগ খুলতেই সাহায্য করেনি, বরং প্রাথমিক বালার পর্যায়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ক্ষেত্রেও ব্যাপক সহযোগিতা প্রদান করেছে। পরিশেষে বলা যায়, ইউনেস্কোর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও বিশেষজ্ঞ সহায়তার ফলেই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক শাস্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পেরেছে। উদ্দীপকে বর্ণিত মেহেদির সেমিনারের তথ্যটি মূলত ইউনেস্কোর সেই ঐতিহাসিক অবদানকেই স্বীকৃতি দেয়। ইউনেস্কোর প্রেরিত পিয়েরি বেসাইনি এবং স্থানীয় শিক্ষক ড. এ. কে. নাজমুল করিমের যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার যে ভিত্তি রচিত হয়েছিল, তা আজ এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে।
HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল
"বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান বিকাশে ইউনেস্কোর অনস্বীকার্য"- উদ্দীপকের আলো…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর