শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ছক-১-এর বিষয়সমূহ বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের কোন দিকটি নির্দেশ করেছে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে ছক-১-এর বিষয়সমূহ বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমিকে নির্দেশ করছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো: ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজচিন্তা সম্পর্কিত প্রথম আলোচনা লক্ষ্য করা যায় মৌর্য যুগের কূটনীতিবিদ কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র' শীর্ষক রচনায়। পরবর্তীকালে মুঘল যুগের ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের 'আইন-ই-আকবরী' ও 'আকবরনামা' গ্রন্থেও উপমহাদেশের সমাজের চমৎকার বর্ণনা পাওয়া যায়। ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার সাথে অন্যান্য অঞ্চলের পার্থক্য উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাজ বিশ্লেষণ করে স্কটিশ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম উইলসন হান্টার সম্পাদিত 'দি ইমপেরিয়াল গেজেটীয়ার' গ্রন্থ প্রকাশ হয়। ব্রিটিশ প্রশাসক ও বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি ভারতীয় সমাজতাত্ত্বিকরাও এ অঞ্চলের সমাজব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে নানা গ্রন্থ রচনা করেন। ভারতবর্ষের সমাজবিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পুরোধা অধ্যাপক রাধাকমল মুখার্জির নাম এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। তিনি 'দি ল্যান্ড প্রোবলেমস্ অব ইন্ডিয়া (১৯২৭)', 'দি ইন্ডিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস (১৯৪৫)' ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করে ভারতবর্ষ তথা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সমাজচিন্তাবিদের রচিত গ্রন্থ বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পথকে সুগম করে তোলে । উদ্দীপকে ছক-১-এ অর্থশাস্ত্র, আইন-ই-আকবরি, দি ইমপেরিয়াল গেজেটিয়ার, দি ইন্ডিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস, দি ল্যান্ড প্রোবলেমস্ অব ইন্ডিয়া প্রভৃতি গ্রন্থের উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রন্থ গুলোর বিষয়বস্তু ও সময়কাল বিবেচনা করে বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লিখিত গ্রন্থ গুলো দিয়ে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমিকে নির্দেশ করা হয়েছে।

HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ছক-১-এর বিষয়সমূহ বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের কোন দিকটি নির্দ…

উদ্দীপক

ছক-১: অর্থশাস্ত্র → ভারততত্ত্ব → আইন-ই-আকবরি। ছক-২: অজিত কুমার সেন → এ. কে. নাজমুল করিম → ক্লদ লেভি স্ট্রস।

উত্তর

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান চালু হয় ২০১২ সালে।

উত্তর

বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য পাঁচজন হলেন- ১. ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্লদ লেভি স্ট্রস, ২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিম, ৩. ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ও ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ড. পিয়েরি বেসাইনি, ৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক অজিত কুমার সেন এবং ৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক রংগলাল সেন।

উত্তর

উদ্দীপকে ছক-১-এর বিষয়সমূহ বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমিকে নির্দেশ করছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো: ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজচিন্তা সম্পর্কিত প্রথম আলোচনা লক্ষ্য করা যায় মৌর্য যুগের কূটনীতিবিদ কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র' শীর্ষক রচনায়। পরবর্তীকালে মুঘল যুগের ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের 'আইন-ই-আকবরী' ও 'আকবরনামা' গ্রন্থেও উপমহাদেশের সমাজের চমৎকার বর্ণনা পাওয়া যায়। ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার সাথে অন্যান্য অঞ্চলের পার্থক্য উপস্থাপনের মাধ্যমে সমাজ বিশ্লেষণ করে স্কটিশ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম উইলসন হান্টার সম্পাদিত 'দি ইমপেরিয়াল গেজেটীয়ার' গ্রন্থ প্রকাশ হয়। ব্রিটিশ প্রশাসক ও বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি ভারতীয় সমাজতাত্ত্বিকরাও এ অঞ্চলের সমাজব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে নানা গ্রন্থ রচনা করেন। ভারতবর্ষের সমাজবিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পুরোধা অধ্যাপক রাধাকমল মুখার্জির নাম এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। তিনি 'দি ল্যান্ড প্রোবলেমস্ অব ইন্ডিয়া (১৯২৭)', 'দি ইন্ডিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস (১৯৪৫)' ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করে ভারতবর্ষ তথা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সমাজচিন্তাবিদের রচিত গ্রন্থ বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পথকে সুগম করে তোলে । উদ্দীপকে ছক-১-এ অর্থশাস্ত্র, আইন-ই-আকবরি, দি ইমপেরিয়াল গেজেটিয়ার, দি ইন্ডিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস, দি ল্যান্ড প্রোবলেমস্ অব ইন্ডিয়া প্রভৃতি গ্রন্থের উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রন্থ গুলোর বিষয়বস্তু ও সময়কাল বিবেচনা করে বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লিখিত গ্রন্থ গুলো দিয়ে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমিকে নির্দেশ করা হয়েছে।

উত্তর

বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশের ছক-২-এর ব্যক্তিবর্গ প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : ১৯৫০ সালে ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস ইউনেস্কো কমিশনের সদস্য হয়ে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন-পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ঢাকায় আসেন। তার সাথে সাক্ষাৎ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক অজিত কুমার সেন ও এ.কে. নাজমুল করিম অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি পান। প্রসঙ্গগত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সমাজবিজ্ঞান কোর্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন অধ্যাপক অজিত কুমার সেন। ১৯৫১-৫২ শিক্ষাবর্ষে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করতে এ.কে. নাজমুল করিম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় যান। দেশে ফিরে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সমাজবিজ্ঞানের একটি বাধ্যতামূলক কোর্স চালু করেন। এভাবে নানামুখী প্রচেষ্টার পর ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগে সমাজবিজ্ঞান নামে নতুন একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। উদ্দীপকে ছক-২-এ অজিত কুমার সেন, এ.কে. নাজমুল করিম ও ক্লদ লেবি স্টসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। উপরের আলোচনা অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশে সমাজ বিজ্ঞানের বিকাশে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন। পরিশেষে বলা যায় , ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অধীনে সমাজবিজ্ঞানের অধ্যয়ন শুরু হলেও মূলত ছক-২-এর ব্যক্তিবর্গের প্রত্যক্ষ ভূমিকায় স্বতন্ত্র সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হাওয়ায় বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের চর্চা দ্রুত বিকশিত হয়েছে ।
HSCSociology 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লসুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আল"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ কউক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বউদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জসমাজবিজ্ঞানের জনক কে?একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠনউদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।'Positive Philosophy [গণিত] গ্রন্থটি কার লেখা?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।