শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে যে চিন্তাবিদের কথা বলা হয়েছে তার অবদান মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উদ্দীপকে যে চিন্তাবিদের কথা বলা হয়েছে তিনি হলেন ড. এ. কে. নাজমুল করিম। নিম্নে তার অবদান মূল্যায়ন করা হলো : ১৯৫৪ সালে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক বাংলাদেশ ক্লদ লেভি স্ট্রস বাংলাদেশে সফরে আসলে অধ্যাপক ডক্টর এ কে নাজমুল করিম এবং অধ্যাপক অজিত কুমার সেন তার সাথে দেখা করেন। এ সময় তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান নামে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠায় এ. কে. নাজমুল করিমের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। অধ্যাপক নাজমুল করিম প্রথম বাঙালি চিন্তাবিদ হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের উপর একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনা করেন। তার লিখিত Changing Society in India, Pakistan, Bangladesh গ্রন্থটি এখনো সমাজবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পুস্তক হিসেবে সবার কাছে সমাদৃত। এছাড়াও তিনি সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক The Dynamics of Bangladesh, সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন। অধ্যাপক নাজমুল করিমে নিজের এবং তার ছাত্র-ছাত্রীদের ঐকান্তিক সাধনার ফলেই এদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বিভাগীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা, মনোগ্রাফ লেখার ব্যবস্থা, গ্রামীণ প্রশ্নমালা পূরণের কার্যক্রম সবই তার অবদান। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজ বিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে অধ্যাপক নাজমুল করিমের অবদান অপরিসীম।

HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে যে চিন্তাবিদের কথা বলা হয়েছে তার অবদান মূল্যায়ন কর।

উদ্দীপক

রাজু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিষয়টি অধ্যয়ন করছে তা ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। উক্ত বিষয়টির বিকাশে একজন প্রথিতযশা চিন্তাবিদের অবদান অনস্বীকার্য। যাকে বাংলাদেশে ওই বিষয়ের জনক বলা হয়।

উত্তর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা, প্রতিবন্ধকতা এবং সম্ভাব্য ফলাফল জানতে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন। সামাজিক বাস্তবতার আলোকে প্রণীত না হলে কোন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অথবা কোন সমস্যার সমাধান হয় না। মূলত সমাজে বিদ্যমান সমস্যা, এই সমস্যা সমাধানে বাধা এবং এর মাধ্যমে কোন শ্রেণীর মানুষ কতটা উপকৃত হবে, পাশাপাশি সেই গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কি কি বাধা রয়েছে এবং কিভাবে তা দূর করা যায় এ সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন।

উত্তর

উদ্দীপকের রাজুর পঠিত বিষয়টি হচ্ছে সমাজবিজ্ঞান। নিম্নে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশ ধারা বর্ণনা করা হলো : উদ্দীপকের রাজু যে বিষয়ে অধ্যয়ন করছে, সেটি ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বস্তুত, ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ টি আনুষ্ঠানিকভাবে যেতে যাত্রা শুরু করে। তাই উদ্দীপকে রাজুর পঠিত বিষয়টি হচ্ছে সমাজবিজ্ঞান। আর বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশ দ্বারা একটি ধারাবাহিক ও সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষা ও গবেষণা শুরু হয়। তবে সেসময় এটি স্বতন্ত্র একটি বিষয় হিসেবে পঠিত না হয়ে অর্থনীতিবিভাগের এমএ কোর্সের একটি পত্র হিসেবে অধ্যয়ন করা হতো। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বর্তমান বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার নতুন ধার উন্মোচিত হয়। প্রথমদিকে ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে দর্শন বিভাগের এমএ কোর্সে সমাজ বিজ্ঞান পঠন শুরু হয়। এছাড়াও পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আওতায় ও সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয় পড়ানো হতো। অবশেষে ইউনেস্কো ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে এ যাত্রা শুরু করে।

উত্তর

উদ্দীপকে যে চিন্তাবিদের কথা বলা হয়েছে তিনি হলেন ড. এ. কে. নাজমুল করিম। নিম্নে তার অবদান মূল্যায়ন করা হলো : ১৯৫৪ সালে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক বাংলাদেশ ক্লদ লেভি স্ট্রস বাংলাদেশে সফরে আসলে অধ্যাপক ডক্টর এ কে নাজমুল করিম এবং অধ্যাপক অজিত কুমার সেন তার সাথে দেখা করেন। এ সময় তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান নামে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠায় এ. কে. নাজমুল করিমের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। অধ্যাপক নাজমুল করিম প্রথম বাঙালি চিন্তাবিদ হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের উপর একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনা করেন। তার লিখিত Changing Society in India, Pakistan, Bangladesh গ্রন্থটি এখনো সমাজবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পুস্তক হিসেবে সবার কাছে সমাদৃত। এছাড়াও তিনি সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক The Dynamics of Bangladesh, সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন। অধ্যাপক নাজমুল করিমে নিজের এবং তার ছাত্র-ছাত্রীদের ঐকান্তিক সাধনার ফলেই এদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বিভাগীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা, মনোগ্রাফ লেখার ব্যবস্থা, গ্রামীণ প্রশ্নমালা পূরণের কার্যক্রম সবই তার অবদান। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজ বিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে অধ্যাপক নাজমুল করিমের অবদান অপরিসীম।
HSCSociology 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লসুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আল"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ কউক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বউদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জসমাজবিজ্ঞানের জনক কে?একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠনউদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।'Positive Philosophy [গণিত] গ্রন্থটি কার লেখা?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।