উদ্দীপকে বর্ণিত বিজ্ঞানের ব্যাপক চর্চা বাংলাদেশে শুরু হয় ১৭৫৭সালে পলাশী যুদ্ধের পর, যা আজও চলমান- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে নির্দেশিত শাস্ত্র তথা সমাজবিজ্ঞানের চর্চা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বহুকাল আগে হলেও বাংলাদেশে এর পাঠ শুরু হয় ১৭৫৭ সালের পলাশি যুদ্ধের পর। ১৭৫৭ সালে পলাশি যুদ্ধের মাধ্যমে ইংরেজরা ভারতবর্ষের ক্ষমতা দখল করে। ইংরেজরা এদেশের মানুষকে শাসনের নামে সুদীর্ঘকাল শোষণ করে। তাদের শাসনের অনেক নেতিবাচক দিক থাকলেও ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশেষ করে ভারতবর্ষে আধুনিক চিন্তা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারে ব্রিটিশদের অবদান কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না। বিশেষ করে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ, বিধবা বিবাহ চালু, জমিদারি ব্যবস্থার পরিবর্তন ইত্যাদি সমাজকে বদলে দেয়। ইংরেজ শাসনের প্রভাবেই ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫০-এর দশকে কলকাতা, মাদ্রাজ ও বোম্বে শহরে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমেই বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার আনুষ্ঠানিক পথ উন্মুক্ত হয়। পাশাপাশি ইংরেজ প্রশাসকরা শাসনতান্ত্রিক প্রয়োজনে যেসব গেজেট এবং রিপোর্ট প্রকাশ করেন সেগুলোও ভারতীয় উপমহাদেশের সমাজ বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল। ইংরেজ শাসকদের পাশাপাশি ব্রিটিশ বুদ্ধিজীবীরাও উপমহাদেশের সমাজ বিশ্লেষণ সম্পর্কিত নানা গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। এসব গ্রন্থ নিঃসন্দেহে উপমহাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশকে ত্বরান্বিত করেছে। বস্তুত বর্তমানে সমাজবিজ্ঞানের যে চর্চা চলমান তার ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল ব্রিটিশ আমলেই। উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, ১৭৫৭ সালে পলাশি যুদ্ধের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরই উপমহাদেশে সমাজবিজ্ঞানের চর্চা শুরু হয়, যা আজও চলমান।
HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত বিজ্ঞানের ব্যাপক চর্চা বাংলাদেশে শুরু হয় ১৭৫৭সালে প…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর