শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে যে বিজ্ঞানের কথা বলা হয়েছে, তার ঐতিহাসিক পটভূমি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞান তথা সমাজবিজ্ঞানের ঐতিহাসিক পটভূমিতে বিভিন্ন মনীষীর অবদান রয়েছে। গ্রিক দার্শনিক প্লেটো ও অ্যারিস্টটল পাশ্চাত্য সমাজে সর্বপ্রথম সমাজ সম্পর্কিত ধারাবাহিক চিন্তা-ভাবনা ও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যার সূত্রপাত ঘটান। দার্শনিক প্লেটো যেমন তার The Republic [গণিত] গ্রন্থে আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পান, তেমনি তার ছাত্র অ্যারিস্টটল 'The Politics [গণিত] গ্রন্থে সামাজিক সমস্যার ক্ষেত্রে অধিকতর বাস্তবতার নিরিখে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে আদর্শ সমাজব্যবস্থা রূপায়ণে 'চেষ্টা করেন। মুসলিম দার্শনিক ইবনে খালদুন তার বিখ্যাত আল-মুকাদ্দিমা' গ্রন্থে সামাজিক ঘটনাবলি 'Umran [গণিত] প্রত্যয় দ্বারা ব্যাখ্যা করেন। এছাড়া দার্শনিক ভিকো এবং মন্টেস্কু তাদের গবেষণায় সামাজিক সমস্যার দিকটিকে গুরুত্বারোপ করেন। এরপর ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁৎ সমাজ সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেন এবং তিনিই প্রথম ১৮৩৯ সালে 'Sociology [গণিত] শব্দটি চয়ন করেন। এজন্য তাকে সমাজবিজ্ঞানে জনক বলা হয়। আর বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের উদ্ভব হয়, অধ্যাপক নাজমুল করিম, লেডি স্ট্রস ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে সমাজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সমাজবিজ্ঞানের ঐতিহাসিক পটভূমিতে বিভিন্ন সমাজচিন্তাবিদ, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও দার্শনিকের অবদান অনস্বীকার্য।

HSC Sociology 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে যে বিজ্ঞানের কথা বলা হয়েছে, তার ঐতিহাসিক পটভূমি বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনেস্কোর যৌথ সহযোগিতা ও সাহায্যে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'A′A^{\prime} একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।

উত্তর

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি সমাজে দেখা যায় নানাবিধ স্তরবিন্যাস। মানুষ সমাজে বসবাস করতে গিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে বিভিন্ন পেশা, শ্রেণি, লিঙ্গ, বর্ণতে বিভক্ত হয়। ফলে সমাজে উদ্ভব হয় নানাবিধ জটিল সমস্যার। সমাজবিজ্ঞান এ সামাজিক স্তরবিন্যাস ও সৃষ্ট সমস্যাবলির কারণ এবং কীভাবে এ থেকে মুক্ত হওয়া যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করে। এজন্য সামাজিক স্তরবিন্যাস সম্পর্কে জানতে হলে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

উত্তর

উদ্দীপকে 'A′A^{\prime} তে সমাজবিজ্ঞানের কথা বলা হয়েছে। সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে এমন একটি শাস্ত্র যা সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান ও আলোচনা করে। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অধ্যাপক নাজমুল করিম ও ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেডি স্ট্রসের আগ্রহ ও প্রচেষ্টা এবং ইউনেস্কোর সহযোগিতায় ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনেস্কোর যৌথ সহযোগিতায় ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে 'A′A^{\prime} আত্মপ্রকাশ করে। এসব বৈশিষ্ট্য উপরে আলোচিত সমাজবিজ্ঞানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, 'A′A^{\prime} দ্বারা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কথা বলা হয়েছে। সমাজবিজ্ঞানের কিছু স্বতন্ত্র প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। সমাজবিজ্ঞান হলো সমাজের বিজ্ঞানভিত্তিক পূর্ণঙ্গ পাঠ। এটি সমাজস্থ মানুষের আচার-আচরণ, আদর্শ, রীতিনীতি, মূল্যবোধ, ব্যক্তি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্কসহ গোটা সমাজকে বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে। এক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান তার বৈজ্ঞানিক চরিত্র বজায় রাখতে গিয়ে গবেষণার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ থাকে। এছাড়া সমাজবিজ্ঞান প্রকৃতিগতভাবে একটি তাত্ত্বিক বিজ্ঞান, ব্যবহারিক বিজ্ঞান নয়। তাছাড়া এটি একই সাথে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতার বিজ্ঞান। এটি যেমন পরিবার, ধর্ম, বিবাহ, শিক্ষা, রাজনীতি প্রভৃতি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের আলোচনা করে; তেমনিভাবে এসব সামাজিক প্রতিষ্ঠান কালের পরিক্রমায় কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তা নিয়েও আলোচান করে।

উত্তর

উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞান তথা সমাজবিজ্ঞানের ঐতিহাসিক পটভূমিতে বিভিন্ন মনীষীর অবদান রয়েছে। গ্রিক দার্শনিক প্লেটো ও অ্যারিস্টটল পাশ্চাত্য সমাজে সর্বপ্রথম সমাজ সম্পর্কিত ধারাবাহিক চিন্তা-ভাবনা ও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাখ্যার সূত্রপাত ঘটান। দার্শনিক প্লেটো যেমন তার The Republic′Republic^{\prime} গ্রন্থে আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পান, তেমনি তার ছাত্র অ্যারিস্টটল 'The Politics′Politics^{\prime} গ্রন্থে সামাজিক সমস্যার ক্ষেত্রে অধিকতর বাস্তবতার নিরিখে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে আদর্শ সমাজব্যবস্থা রূপায়ণে 'চেষ্টা করেন। মুসলিম দার্শনিক ইবনে খালদুন তার বিখ্যাত আল-মুকাদ্দিমা' গ্রন্থে সামাজিক ঘটনাবলি 'Umran′Umran^{\prime} প্রত্যয় দ্বারা ব্যাখ্যা করেন। এছাড়া দার্শনিক ভিকো এবং মন্টেস্কু তাদের গবেষণায় সামাজিক সমস্যার দিকটিকে গুরুত্বারোপ করেন। এরপর ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁৎ সমাজ সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেন এবং তিনিই প্রথম ১৮৩৯ সালে 'Sociology′Sociology^{\prime} শব্দটি চয়ন করেন। এজন্য তাকে সমাজবিজ্ঞানে জনক বলা হয়। আর বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের উদ্ভব হয়, অধ্যাপক নাজমুল করিম, লেডি স্ট্রস ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে সমাজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সমাজবিজ্ঞানের ঐতিহাসিক পটভূমিতে বিভিন্ন সমাজচিন্তাবিদ, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও দার্শনিকের অবদান অনস্বীকার্য।
HSCSociology 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার বিকাশ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন যে বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিল সেখানে সমাজের সামগ্রিক দিক নিয়ে আলোচনা ছিল, যেমন- পরিবার, বিবাহ, রাষ্ট্র, ক্ষমতা, সামাজিক রীতি-নীতি, সামাজিক সমস্যা ইত্যাদি। তাই সুমন তার অর্জিত জ্ঞান গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য গ্রামে গেল। কিন্তু কাজের শুরুতেই সমাজের মানুষের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অসচেতনতা এবং ক্ষমতার দম্ভ তাকে বাধাগ্রস্ত করল। তবু দমে না গিয়ে সে তার অর্জিত জ্ঞান দিয়ে যুবকদের সচেতন করে তুলল। কারণ সে ভেবেছে, ঐ জ্ঞানই মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে তা কার্যকর হবে।

Dinajpur · 2017

ক
কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?
খ
"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।
গ
সুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয় রুনা। বিষয়টির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্রের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি সর্বপ্রথম স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী।

Dhaka · 2017

ক
সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?
খ
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।
গ
উদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির 'বাংলাদেশের জনক' বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

Rajshahi · 2018

ক
'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?
খ
নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

'Positive Philosophy′Philosophy^{\prime} গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুমনের ভাবনা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বকেই তুলে ধরে- বিশ্লসুমনের পঠিত বিষয়টির বাংলাদেশে গোড়াপত্তনের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর ভূমিকা উদ্দীপকের আল"সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কের বিজ্ঞান"- বুঝিয়ে লেখ।কত সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে সমাজবিজ্ঞান আত্মপ্রকাশ কউক্ত বিষয়টি অধ্যয়ন করে কী কী জ্ঞান অর্জন করা যাবে বলে তুমি মনে কর? তোমার মতামত বউদ্দীপকে রুনা যে বিষয়টি অধ্যয়ন করার জন্য ভর্তি হয়েছে তার বিকাশ ধারা ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে পাঁচ জসমাজবিজ্ঞানের জনক কে?একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠনউদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখ।'Positive Philosophy [গণিত] গ্রন্থটি কার লেখা?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।