শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকের বসনিয়ার মতো বাংলাদেশও ১৯৭১ সালে আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। পাকিস্তান সরকারের অধীনে নানা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়ে নানা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ যুদ্ধ জনযুদ্ধে পরিণত হয়। বসনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্ষেত্রেও একই প্রকৃতি লক্ষণীয়। সার্ব শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে বসনিয়াবাসী স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করলে সাবেক যুগোশ্লাভিয়া সরকার বসনিয়ায় গণহত্যা, লুণ্ঠন, নারী ও শিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। অবশেষে লক্ষ লোকের আত্মদান ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বসনিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে। একইভাবে বাঙালির স্বাধীনতার চেতনাকে স্তব্ধ করে দিতে পাকিস্তান সরকার নানা অপতৎপরতা চালায়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণায় উজ্জীবিত অদম্য বাঙালি পাকিস্তানি হানাদার শক্তির বিরুদ্ধে দেশের সর্বত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলে। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। কৃষক, শ্রমিক, নারী, ছাত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ সব শ্রেণির মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে একে জনযুদ্ধে রূপ দেয়। পাকিস্তান সরকার স্বাধীনতাকামী জনতাকে দমনের জন্য কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেও ব্যর্থ হয়। সব অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা তাদের পিছু হটতে বাধ্য করে। পরাজয় নিশ্চিত জেনে হানাদার বাহিনী ১৪ ডিসেম্বর এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় মেতে ওঠে। তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। প্রায় ৩০ লাখ শহিদের আত্মত্যাগ আর ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পরিশেষে বলা যায়, বসনিয়া এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং প্রকৃতি প্রায় একই ধরনের। বসনিয়ার মতো সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমেই ১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত হয় বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের চিত্র।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 6 : স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 6 : স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

যুগোশ্লাভিয়ার বসনিয়া-হার্জেগোভিনা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল। সংখ্যালঘিষ্ঠ সার্ব শাসকগোষ্ঠীর নিকট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই শোষিত ও নিষ্পেষিত হয়ে আসছিল বসনীয় জনগোষ্ঠী। ফলে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা তাদের বিক্ষুব্ধ করে তোলে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার ডাক দেয়। সার্ব-ক্রোট যৌথশক্তি এ আন্দোলন দমনে গণহত্যা, লুণ্ঠন, নারী ও শিশুদের প্রতি পাশবিক নির্যাতন চালায়।অবশেষে লক্ষ লোকের আত্মদান ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বসনিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে।

Dhaka · 2018

উত্তর

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

উত্তর

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর প্রথম স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধকে সাংগঠনিক রূপ দিতে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের দায়িত্ব ছিল দক্ষতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করে দেশকে শত্রুমুক্ত করা, দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলা, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং মুক্তাঞলে বেসামরিক প্রশাসন পরিচালনা করা। মুক্তিযুদ্ধের সফলতার পেছনে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অসামান্য।

উত্তর

উদ্দীপকের সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ওপর পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার-নির্যাতন, গণহত্যা এবং এর বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মিল রয়েছে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে। তাদের অত্যাচার- নির্যাতনে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ নানা বঞ্চনা ও শোষণের শিকার হতে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তান সরকার বাঙালির ওপর নৃশংস গণহত্যা চালায়। তাদের এ অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি আন্দোলন গড়ে তোলে এবং সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করে। উদ্দীপকে বর্ণিত বসনিয়ার ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই সার্ব শাসকগোষ্ঠীর কাছে বসনীয় জনগোষ্ঠী শোষিত, নিগৃহীত ও বঞ্চিত হতে থাকে। বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে বসনিয়াবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলন দমনে সার্ব-ক্রোট যৌথশক্তি তাদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। অবশেষে বসনিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে। একইভাবে পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তানি শাসকদের নীতি ছিল বৈষম্যমূলক। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক, সামাজিক, শিক্ষাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই এ বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করে। পাকিস্তানিরা প্রতিনিয়ত বাঙালির ন্যায়সংগত -অধিকারকে উপেক্ষা করতে থাকে যা তাদের মনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, বঞ্চনায় অতিষ্ঠ হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার পর বাঙালিরা সশস্ত্র সংগ্রাম গড়ে তোলে। পাক সরকার বাঙালিদের দমনের জন্য বাংলার অসংখ্য নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং নারী ও শিশুদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়। এতসব অত্যাচারের পরও তারা বাঙালিদের দমাতে পারেনি। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে বাঙালি তাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয়। উদ্দীপকের বসনিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামেও এ ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে।

উত্তর

উদ্দীপকের বসনিয়ার মতো বাংলাদেশও ১৯৭১ সালে আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। পাকিস্তান সরকারের অধীনে নানা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়ে নানা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে এ যুদ্ধ জনযুদ্ধে পরিণত হয়। বসনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্ষেত্রেও একই প্রকৃতি লক্ষণীয়। সার্ব শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে বসনিয়াবাসী স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করলে সাবেক যুগোশ্লাভিয়া সরকার বসনিয়ায় গণহত্যা, লুণ্ঠন, নারী ও শিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। অবশেষে লক্ষ লোকের আত্মদান ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বসনিয়া স্বাধীনতা অর্জন করে। একইভাবে বাঙালির স্বাধীনতার চেতনাকে স্তব্ধ করে দিতে পাকিস্তান সরকার নানা অপতৎপরতা চালায়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণায় উজ্জীবিত অদম্য বাঙালি পাকিস্তানি হানাদার শক্তির বিরুদ্ধে দেশের সর্বত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলে। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। কৃষক, শ্রমিক, নারী, ছাত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ সব শ্রেণির মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে একে জনযুদ্ধে রূপ দেয়। পাকিস্তান সরকার স্বাধীনতাকামী জনতাকে দমনের জন্য কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেও ব্যর্থ হয়। সব অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা তাদের পিছু হটতে বাধ্য করে। পরাজয় নিশ্চিত জেনে হানাদার বাহিনী ১৪ ডিসেম্বর এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় মেতে ওঠে। তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। প্রায় ৩০ লাখ শহিদের আত্মত্যাগ আর ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পরিশেষে বলা যায়, বসনিয়া এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং প্রকৃতি প্রায় একই ধরনের। বসনিয়ার মতো সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমেই ১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত হয় বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের চিত্র।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 6 : স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈরতলা রেল ব্রিজের পাশে একটি গণকবর আছে। এটি সম্পর্কে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে আসল মানুষের হাড়-গোর আর পঁচা লাশ। পাশাপাশি দুইটা বিশাল গর্ত। আনুমানিক তিন চারশ মানুষের মরদেহ এখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। এগুলো স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নিরপরাধ মানুষের সমাধি। হানাদার বাহিনী এবং রাজাকার আল বদরদের হাতে তারা শহিদ হয়েছেন।'

Comilla · 2017

ক
ছয় দফা কর্মসূচি কে পেশ করেন?
খ
ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকের প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য আমাদের কোন সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যের আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত নির্যাতন ও গণহত্যার বিবরণ দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈরতলা রেল ব্রিজের পাশে একটি গণকবর আছে। এটি সম্পর্কে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে আসল মানুষের হাড়-গোর আর পঁচা লাশ। পাশাপাশি দুইটা বিশাল গর্ত। আনুমানিক তিন চারশ মানুষের মরদেহ এখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। এগুলো স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নিরপরাধ মানুষের সমাধি। হানাদার বাহিনী এবং রাজাকার আল বদরদের হাতে তারা শহিদ হয়েছেন।'

Comilla · 2017

ক
ছয় দফা কর্মসূচি কে পেশ করেন?
খ
ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকের প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য আমাদের কোন সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যের আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত নির্যাতন ও গণহত্যার বিবরণ দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বুঝায়?

ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ছয় দফা কর্মসূচি কে পেশ করেন?

ছয় দফা কর্মসূচি কে পেশ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবিসংবাদিত নেতা প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলোপ এবং গণতন্ত্রের নবজাগরণের উদ্দেশ্যে গ্যাটিসবার্গ নামক স্থানে এক যুগান্তকারী ভাষণ প্রদান করেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে 'গ্যাটিসবার্গ এড্রেস' নামে খ্যাত। তার এ ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল মাত্র তিন মিনিট। ভাষণে তিনি গণতন্ত্র, শোষিত মানুষের মুক্তি ও অধিকারের কথা বলেছেন। পৃথিবীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দাস প্রথা বিলোপে এটি একটি মাইলফলক।

Comilla · 2017

ক
লাহোর প্রস্তাব কত সালে পেশ করা হয়?
খ
দ্বিজাতি তত্ত্ব বলতে কী বুঝায়?
গ
আব্রাহাম লিংকনের ভাষণের সাথে বাংলাদেশের কোন মহান নেতার ভাষণের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় উভয় নেতার ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাংলার মহান নেতার ভাষণ ছিল আরও দিক নির্দেশনামূলক ও চেতনায় উদ্দীপ্ত- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবিসংবাদিত নেতা প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলোপ এবং গণতন্ত্রের নবজাগরণের উদ্দেশ্যে গ্যাটিসবার্গ নামক স্থানে এক যুগান্তকারী ভাষণ প্রদান করেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে 'গ্যাটিসবার্গ এড্রেস' নামে খ্যাত। তার এ ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল মাত্র তিন মিনিট। ভাষণে তিনি গণতন্ত্র, শোষিত মানুষের মুক্তি ও অধিকারের কথা বলেছেন। পৃথিবীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দাস প্রথা বিলোপে এটি একটি মাইলফলক।

Comilla · 2017

ক
লাহোর প্রস্তাব কত সালে পেশ করা হয়?
খ
দ্বিজাতি তত্ত্ব বলতে কী বুঝায়?
গ
আব্রাহাম লিংকনের ভাষণের সাথে বাংলাদেশের কোন মহান নেতার ভাষণের সামঞ্জস্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় উভয় নেতার ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাংলার মহান নেতার ভাষণ ছিল আরও দিক নির্দেশনামূলক ও চেতনায় উদ্দীপ্ত- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দ্বিজাতি তত্ত্ব বলতে কী বুঝায়?

দ্বিজাতি তত্ত্ব বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.লাহোর প্রস্তাব কত সালে পেশ করা হয়?

লাহোর প্রস্তাব কত সালে পেশ করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পাহাড়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি দক্ষিণ অঞ্চলের অধিকারে ছিল। এর ফলে উন্নয়নমূলক কাজ উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি হয়েছে। স্কুল, ডাকঘর, কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ, রাস্তাঘাট, বাজার দক্ষিণভাগেই স্থাপিত হয়। এলাকার লোকজনকে যে কোনো প্রয়োজনে দক্ষিণাঞ্চলের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ প্রভাবশালী ও সেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি ও সেচ্ছাচারিতায় উত্তরাঞ্চলের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারল চেয়ারম্যান পদ উত্তরাঞ্চলের দখলে না আসা পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের অত্যাচার হতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উত্তরের সকলে জোটবদ্ধ হয়ে উত্তরের প্রার্থীকে ভোট দিল। ফলে উত্তরের প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলো। কিন্তু নানা কৌশলে দক্ষিণের লোকজন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে তার পদে বসতে বাধা দিল।

Comilla · 2017

ক
সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?
খ
অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনটি বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
বাংলাদেশের ইতিহাসে উক্ত ঐতিহাসিক নির্বাচনের গুরুত্ব পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পাহাড়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি দক্ষিণ অঞ্চলের অধিকারে ছিল। এর ফলে উন্নয়নমূলক কাজ উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে বেশি হয়েছে। স্কুল, ডাকঘর, কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ, রাস্তাঘাট, বাজার দক্ষিণভাগেই স্থাপিত হয়। এলাকার লোকজনকে যে কোনো প্রয়োজনে দক্ষিণাঞ্চলের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ প্রভাবশালী ও সেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি ও সেচ্ছাচারিতায় উত্তরাঞ্চলের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারল চেয়ারম্যান পদ উত্তরাঞ্চলের দখলে না আসা পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের অত্যাচার হতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উত্তরের সকলে জোটবদ্ধ হয়ে উত্তরের প্রার্থীকে ভোট দিল। ফলে উত্তরের প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলো। কিন্তু নানা কৌশলে দক্ষিণের লোকজন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে তার পদে বসতে বাধা দিল।

Comilla · 2017

ক
সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?
খ
অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকের নির্বাচনটি বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
বাংলাদেশের ইতিহাসে উক্ত ঐতিহাসিক নির্বাচনের গুরুত্ব পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বুঝায়?

অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?

সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যের আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত নির্যউদ্দীপকের প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য আমাদের কোন সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কঐতিহাসিক আগরতলা মামলা বলতে কী বুঝায়?ছয় দফা কর্মসূচি কে পেশ করেন?গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় উভয় নেতার ভাষণ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাংলার মহান নেতার আব্রাহাম লিংকনের ভাষণের সাথে বাংলাদেশের কোন মহান নেতার ভাষণের সামঞ্জস্য রয়েছে? বদ্বিজাতি তত্ত্ব বলতে কী বুঝায়?লাহোর প্রস্তাব কত সালে পেশ করা হয়?বাংলাদেশের ইতিহাসে উক্ত ঐতিহাসিক নির্বাচনের গুরুত্ব পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করউদ্দীপকের নির্বাচনটি বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখঅসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বুঝায়?সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।