শেয়ারFacebookWhatsApp

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় উক্ত সংস্থাটি কতটুকু সফল বলে তুমি মনে কর? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানে উক্ত সংগঠন অর্থাৎ জাতিসংঘ তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। তবে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের পূর্বে সরকারিভাবে কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। তবে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে প্রবল জনমত সৃষ্টি হয়। এর ফলে ১৯৭১ সালের মে মাসে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে যে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তাতে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এটিও ছিল এক ধরনের স্বীকৃতি। এ বৈঠকে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চেয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট-এর কাছে একটি পত্র দেন। পত্রটি নিরাপত্তা পরিষদে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট হিসেবে নথিভুক্ত হয়। তবে বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধিকে অধিবেশনে অংশ নেওয়া কিংবা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ কার্যকর কোনো ভূমিকা নিতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সশস্ত্র যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমেই তার স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হয়েছিল। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সামনে যে সমস্যাটি ছিল তা হলো এর সনদের ২/৭ ধারা। এই ধারায় কোনো রাষ্ট্রের জনগণের মানবাধিকার বা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার নীতির মধ্যে সীমারেখা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম দেশগুলো পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বীকৃতির বিরোধিতা করে। অপরপক্ষে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারত, পোল্যান্ড ইত্যাদি রাষ্ট্র পাকিস্তানি বর্বরতা ও গণহত্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু জাতিসংঘ রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার যুক্তির প্রশ্নে বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।

HSC History 2nd Paper Chapter 6: জাতিসংঘ এবং বিশ্বশান্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 6: জাতিসংঘ এবং বিশ্বশান্তি · সৃজনশীল

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় উক্ত সংস্থাটি কতটুকু সফল বলে তুমি মন…

উদ্দীপক

বিশ্বব্যাপী কার্যক্রমে বৃহৎ ভূমিকা পালনকারী দেশগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ। ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত (২৩ মে ২০২৩) ১,৮৮,৫৫৮ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ৪০টি দেশে ৬৩টি শান্তি মিশনে অংশ নিয়েছেন। বর্তমানে ৭,৪৩৮ জন ইউনিফর্ম পরিহিত শান্তিরক্ষী ১৩টি দেশে কর্মরত রয়েছেন।

উত্তর

জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি।

উত্তর

জাতিসংঘের প্রধানত ৬টি শাখা বা অঙ্গসংস্থা আছে। যেমন- ১. সাধারণ পরিষদ, ২. নিরাপত্তা পরিষদ, ৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ ৪. অছি পরিষদ ৫. আন্তর্জাতিক বিচারালয় ও ৬. সচিবালয়

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের যে আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে তা হলো জাতিসংঘ। বিশ্ব ইতিহাসে এক দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার আশার আলো প্রজ্বলিত করে জাতিসংঘ জন্মলাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস গঠিত হয়। কিন্তু ১৯৩৮ সালের মধ্যেই লীগের রাজনৈতিক অস্তিত্ব এক প্রকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। একদিকে জাপান, ইতালি ও জার্মানির আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ এবং অপরদিকে যৌথ নিরাপত্তার দায়বদ্ধতা পালনে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ব্যর্থতা, যুক্তরাষ্ট্রর বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি এবং সোভিয়েত রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে বাইরে থাকার নীতি প্রভৃতি কারণে লীগের সমাধি হয়। ১৯৩৯ সালের মধ্যে বৃহৎ শক্তিবর্গ বিভিন্ন জোট গঠন করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। স্বাভাবিকভাবেই এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকতর ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে মানুষ আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যৎ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চিন্তান্বিত হয়ে পড়ে। ফলে বিশ্ববাসী একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই মিত্রশক্তির নেতারা একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা ভাবতে থাকেন। তারা ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও তার ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ আলোচনার ভিত্তিতে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে এক বিশ্ব সম্মেলনে জাতিসংঘের সনদ উত্থাপিত হয়। পরিশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ৫১টি দেশ জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষর করে এবং এ চার্টার স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথে জাতিসংঘ কার্যকরী রূপলাভ করে।

উত্তর

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানে উক্ত সংগঠন অর্থাৎ জাতিসংঘ তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। তবে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের পূর্বে সরকারিভাবে কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। তবে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে প্রবল জনমত সৃষ্টি হয়। এর ফলে ১৯৭১ সালের মে মাসে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে যে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তাতে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এটিও ছিল এক ধরনের স্বীকৃতি। এ বৈঠকে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চেয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট-এর কাছে একটি পত্র দেন। পত্রটি নিরাপত্তা পরিষদে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট হিসেবে নথিভুক্ত হয়। তবে বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধিকে অধিবেশনে অংশ নেওয়া কিংবা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ কার্যকর কোনো ভূমিকা নিতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সশস্ত্র যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমেই তার স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হয়েছিল। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সামনে যে সমস্যাটি ছিল তা হলো এর সনদের ২/৭ ধারা। এই ধারায় কোনো রাষ্ট্রের জনগণের মানবাধিকার বা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার নীতির মধ্যে সীমারেখা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম দেশগুলো পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বীকৃতির বিরোধিতা করে। অপরপক্ষে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারত, পোল্যান্ড ইত্যাদি রাষ্ট্র পাকিস্তানি বর্বরতা ও গণহত্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু জাতিসংঘ রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার যুক্তির প্রশ্নে বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
HSCHistory 2nd PaperChapter 6: জাতিসংঘ এবং বিশ্বশান্তি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। উভয় রাষ্ট্রই আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। দুটি রাষ্ট্রই একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রতিকার চায়। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেটির ভূমিকা প্রশংসনীয়।

Comilla · 2017

ক
উড্রো উইলসন কে ছিলেন?
খ
নিরাপত্তা পরিষদের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান কোনটি? পরিচয় দাও।
ঘ
উত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড কমবেশি সফল হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। উভয় রাষ্ট্রই আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। দুটি রাষ্ট্রই একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রতিকার চায়। শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেটির ভূমিকা প্রশংসনীয়।

Comilla · 2017

ক
উড্রো উইলসন কে ছিলেন?
খ
নিরাপত্তা পরিষদের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান কোনটি? পরিচয় দাও।
ঘ
উত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড কমবেশি সফল হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিরাপত্তা পরিষদের কাজ লেখ।

নিরাপত্তা পরিষদের কাজ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উড্রো উইলসন কে ছিলেন?

উড্রো উইলসন কে ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানব সভ্যতার শুরু থেকেই শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের চিন্তাভাবনা করে চলেছে মানুষ। মাত্র দুই দশক সময়ের ব্যবধানে দু'টি মানবসভ্যতা বিধ্বংসী যুদ্ধ মানুষের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল। ফলে বিশ শতকের মধ্যভাগে একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্ম হয়।

Dhaka · 2017

ক
রুজভেল্ট কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
খ
ভেটো কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে যে আন্তর্জাতিক সংস্থার কথা বলা হয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার অঙ্গ সংগঠন সম্পর্কে আলোচনা কর।
ঘ
বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় উক্ত বৃহৎ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানব সভ্যতার শুরু থেকেই শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের চিন্তাভাবনা করে চলেছে মানুষ। মাত্র দুই দশক সময়ের ব্যবধানে দু'টি মানবসভ্যতা বিধ্বংসী যুদ্ধ মানুষের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল। ফলে বিশ শতকের মধ্যভাগে একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্ম হয়।

Dhaka · 2017

ক
রুজভেল্ট কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
খ
ভেটো কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে যে আন্তর্জাতিক সংস্থার কথা বলা হয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার অঙ্গ সংগঠন সম্পর্কে আলোচনা কর।
ঘ
বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় উক্ত বৃহৎ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভেটো কী? ব্যাখ্যা কর।

ভেটো কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রুজভেল্ট কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?

রুজভেল্ট কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলাম-পূর্ব যুগে আরবের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ লেগে থাকত। এতে বিভিন্ন গোত্র যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো তেমনি অনেক প্রাণহানি ঘটত। বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে শত্রুতা লেগেই থাকত। হযরত মোহাম্মদ (সা.) এ সংঘর্ষ হতে বিরত রাখার জন্য তৈরি করলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামক একটি শান্তি সংঘ ৷

Combined · 2018

ক
আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?
খ
ভেটো ক্ষমতা বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত হিলফুল ফুজুল এর সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়ের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।”— তোমার মতামত দাও ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসলাম-পূর্ব যুগে আরবের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ লেগে থাকত। এতে বিভিন্ন গোত্র যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো তেমনি অনেক প্রাণহানি ঘটত। বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে শত্রুতা লেগেই থাকত। হযরত মোহাম্মদ (সা.) এ সংঘর্ষ হতে বিরত রাখার জন্য তৈরি করলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামক একটি শান্তি সংঘ ৷

Combined · 2018

ক
আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?
খ
ভেটো ক্ষমতা বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত হিলফুল ফুজুল এর সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়ের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।”— তোমার মতামত দাও ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ভেটো ক্ষমতা বলতে কী বোঝ?

ভেটো ক্ষমতা বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?

আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড কমবেশি সফল হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান কোনটি? পরিচয় দাও।নিরাপত্তা পরিষদের কাজ লেখ।উড্রো উইলসন কে ছিলেন?বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় উক্ত বৃহৎ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চউদ্দীপকে যে আন্তর্জাতিক সংস্থার কথা বলা হয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার অঙ্গ সংভেটো কী? ব্যাখ্যা কর।রুজভেল্ট কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?“সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।”— তোমার মতাউদ্দীপকে বর্ণিত হিলফুল ফুজুল এর সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়ের মিল আছে? ব্ভেটো ক্ষমতা বলতে কী বোঝ?আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।