শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধ অবসানে মিখাইল গর্বাচেভের ভূমিকা— আলোচনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধের সাথে স্নায়ুযুদ্ধ সাদৃশ্যপূর্ণ। স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে মিখাইল গর্বাচেভের ভূমিকা অপরিসীম । কোনো পরিস্থিতিই বিশ্বে চিরস্থায়িত্ব লাভ করে না। সময়ের পরিক্রমায় নিয়মের অধীনেই স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে। স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে যার অবদান অবিস্মরণীয় তিনি হলেন মিখাইল গর্বাচেভ। মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতা লাভ করে স্থবির অর্থনীতি, শাসক দলের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, সোভিয়েত সমাজব্যবস্থার অবক্ষয়, সমাজতন্ত্রের বিকৃতি, স্নায়ুযুদ্ধের ভয়াবহ রূপ প্রভৃতি লক্ষ করেন। গর্বাচেভ এ সমস্যা মোকাবিলার জন্য 'গ্লাসনস্ত' (উদারনীতি) ও 'পেরেস্ত্রোইকা (পুনর্গঠন) কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তার কর্মসূচি পশ্চিমা বিশ্বে সমাদৃত হলে স্নায়ুযুদ্ধের আবহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমতে শুরু করে। ১৯৯১ সালের জুন মাসে গর্বাচেভ অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও পররাষ্ট্রনীতির কৌশলগত পরিবর্তনের মাধ্যমে পশ্চিমা বিশ্বকে জানান যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন পশ্চিমের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে আগ্রহী। এ সময় তাকে লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৃহৎ সাতটি শিল্পোন্নত দেশের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এভাবে গর্বাচেভ পশ্চিমা বিশ্বের সাথে চিরাচরিত কমিউনিস্টদের সংঘাতের নীতি পরিবর্তন করে স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে সহায়তা করেন, যার চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সাথে মাল্টায় অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ বৈঠকে স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের সরকারি ঘোষণা দেন। পরিশেষে বলা যায়, এত কম সময়ের মাধ্যমে ইতিহাসে কোনো ব্যক্তির অবদান মূল্যায়ন করা প্রায় অসম্ভব হলেও এ কথা বলা যায় যে, মিখাইল গর্বাচেভের মতো গণতন্ত্রমনা শাসক যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতায় না আসতেন তাহলে এখনও হয়তো বিশ্ববাসী স্নায়ুযুদ্ধের অকল্পনীয় আতঙ্কের মধ্যে বাস করত।

HSC History 2nd Paper Chapter 7: স্নায়ুযুদ্ধ: পুঁজিবাদ ও সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের দ্বন্দ্ব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 7: স্নায়ুযুদ্ধ: পুঁজিবাদ ও সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের দ্বন্দ্ব · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধ অবসানে মিখাইল গর্বাচেভের ভূমিকা— আলোচনা কর।

উদ্দীপক

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি রাজ্যের মধ্যে প্রবল যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দেয়। আগে থেকেই তাদের মধ্যে মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব বিরাজমান ছিল। দুই শক্তির দ্বন্দ্বের কারণে সমগ্র অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। শেষপর্যন্ত একটি শক্তির পতনের মধ্য দিয়ে এর অবসান ঘটে।

উত্তর

বার্লিন প্রাচীর ভাঙা হয় ১৯৮৯ সালে ।

উত্তর

মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ রাষ্ট্রপতি টুম্যান সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিরোধের যে নীতি ঘোষণা করেন তাই ট্রুম্যানের নীতি বলে বিবেচিত। ট্রুম্যান গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্ট প্রভাব ধ্বংস এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা নির্মূল করার জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলার সাহায্য দান এবং সামরিক মিশন প্রেরণের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন দাবি করেন। টুম্যান ঘোষণা করেন, যেসব স্বাধীন মানুষ দেশের অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংখ্যালঘু এবং বাইরের চাপ প্রতিরোধ করছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাহায্য করবে। ট্রুম্যানের এ ঘোষণা সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিপন্থি ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এ ঘোষণা বিশ্ব ইতিহাসে ট্রুম্যানের নীতি হিসেবে খ্যাত।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধের সাথে স্নায়ুযুদ্ধ সাদৃশ্যপূর্ণ। স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে মিখাইল গর্বাচেভের ভূমিকা অপরিসীম । কোনো পরিস্থিতিই বিশ্বে চিরস্থায়িত্ব লাভ করে না। সময়ের পরিক্রমায় নিয়মের অধীনেই স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে। স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে যার অবদান অবিস্মরণীয় তিনি হলেন মিখাইল গর্বাচেভ। মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতা লাভ করে স্থবির অর্থনীতি, শাসক দলের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, সোভিয়েত সমাজব্যবস্থার অবক্ষয়, সমাজতন্ত্রের বিকৃতি, স্নায়ুযুদ্ধের ভয়াবহ রূপ প্রভৃতি লক্ষ করেন। গর্বাচেভ এ সমস্যা মোকাবিলার জন্য 'গ্লাসনস্ত' (উদারনীতি) ও 'পেরেস্ত্রোইকা (পুনর্গঠন) কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তার কর্মসূচি পশ্চিমা বিশ্বে সমাদৃত হলে স্নায়ুযুদ্ধের আবহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমতে শুরু করে। ১৯৯১ সালের জুন মাসে গর্বাচেভ অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও পররাষ্ট্রনীতির কৌশলগত পরিবর্তনের মাধ্যমে পশ্চিমা বিশ্বকে জানান যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন পশ্চিমের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে আগ্রহী। এ সময় তাকে লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৃহৎ সাতটি শিল্পোন্নত দেশের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এভাবে গর্বাচেভ পশ্চিমা বিশ্বের সাথে চিরাচরিত কমিউনিস্টদের সংঘাতের নীতি পরিবর্তন করে স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে সহায়তা করেন, যার চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সাথে মাল্টায় অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ বৈঠকে স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের সরকারি ঘোষণা দেন। পরিশেষে বলা যায়, এত কম সময়ের মাধ্যমে ইতিহাসে কোনো ব্যক্তির অবদান মূল্যায়ন করা প্রায় অসম্ভব হলেও এ কথা বলা যায় যে, মিখাইল গর্বাচেভের মতো গণতন্ত্রমনা শাসক যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতায় না আসতেন তাহলে এখনও হয়তো বিশ্ববাসী স্নায়ুযুদ্ধের অকল্পনীয় আতঙ্কের মধ্যে বাস করত।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত যুদ্ধের সাথে স্নায়ুযুদ্ধের সাদৃশ্য রয়েছে। স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায় হলো সূচনা পর্ব । স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায় ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৯৪৫ সালে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী ক্রিমিয়ার ইয়ান্টা নগরীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহৎ শক্তিগুলো মিলিত হয়। এ সম্মেলনের প্রভাবশালী তিন বিশ্বনেতা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী চার্চিল এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্ট্যালিন। এ সম্মেলনে রাশিয়ার নানা প্রস্তাব ইঙ্গ-মার্কিন নেতৃবৃন্দ নীতিগতভাবে মেনে নিলেও কার্যত সমর্থন করেননি। ফলশ্রুতিতে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে রুশ দখলদারিত্ব বৃদ্ধি পেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে প্রতিরক্ষা নীতি গ্রহণ করে তা স্নায়ুযুদ্ধকে এগিয়ে নেয়। এরপর ১৯৪৬ সালের ৫ মার্চ প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল তার এক বক্তৃতায় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর ওপর থেকে সোভিয়েত প্রভাবমুক্ত করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেন। চার্চিলের এ বক্তৃতা ফুলটন বক্তৃতা নামে পরিচিত। ফুলটন বক্তৃতার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মার্কিন প্রশাসন কমিউনিস্ট আতঙ্কে সোভিয়েত আগ্রাসন প্রতিরোধে নড়েচড়ে বসে। এমন সময় মার্কিন দূতাবাসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জর্জ কিন্নানের থিসিস প্রকাশিত হয়। কিন্নানের থিসিসে মস্কোর প্রভাব বলয়কে নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার তথা বোতল বন্দি করার কথা বলা হয়। কিন্নানের থিসিসের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ট্রুম্যান ডকট্রিন ঘোষণা করেন এবং ইরান, ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে বোতলবন্দি তত্ত্বের সফল প্রয়োগ ঘটিয়ে মস্কোকে পশ্চাদপসরণে বাধ্য করেন। ট্রুম্যান নীতির পর গ্রিস ও তুরস্কে মার্কিন নীতি, মার্শাল পরিকল্পনা, ন্যাটো গঠন, কোরীয় যুদ্ধ এবং চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে মার্কিন বিরোধিতা প্রভৃতি স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায়কে আলোচিত করেছিল। সর্বোপরি বলা যায়, বিভিন্ন ঘটনাবলির জন্য স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম পর্যায় ছিল উল্লেখযোগ্য ।
HSCHistory 2nd PaperChapter 7: স্নায়ুযুদ্ধ: পুঁজিবাদ ও সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের দ্বন্দ্ব
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুটি বিবদমান রাষ্ট্র। এ দুটি রাষ্ট্রের সংঘাত আরব-ইসরায়েল সংঘাত নামে পরিচিত। এ সংঘাতে দেশি- বিদেশি অনেক রাষ্ট্র জড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল মনে করে ফিলিস্তিন সংগঠন 'হামাস' একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। অপরপক্ষে, ফিলিস্তিন মনে করে, ইসরায়েল পৃথিবীর সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। এ দু'রাষ্ট্রের স্বন্দ্ব ভবিষ্যতে বড় কোনো সংঘাতের সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্ববাসী আতঙ্কিত।

Dhaka · 2017

ক
Cold War′War^{\prime} শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেছেন?
খ
পেরেস্ত্রোইকা কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে বৃহৎ সংঘাতের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখা কর।
ঘ
দুটি বৃহৎ রাষ্ট্রের মতাদর্শগত পার্থক্য উক্ত সংঘাতের মূল কারণ- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুটি বিবদমান রাষ্ট্র। এ দুটি রাষ্ট্রের সংঘাত আরব-ইসরায়েল সংঘাত নামে পরিচিত। এ সংঘাতে দেশি- বিদেশি অনেক রাষ্ট্র জড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল মনে করে ফিলিস্তিন সংগঠন 'হামাস' একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। অপরপক্ষে, ফিলিস্তিন মনে করে, ইসরায়েল পৃথিবীর সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। এ দু'রাষ্ট্রের স্বন্দ্ব ভবিষ্যতে বড় কোনো সংঘাতের সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্ববাসী আতঙ্কিত।

Dhaka · 2017

ক
Cold War′War^{\prime} শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেছেন?
খ
পেরেস্ত্রোইকা কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে বৃহৎ সংঘাতের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখা কর।
ঘ
দুটি বৃহৎ রাষ্ট্রের মতাদর্শগত পার্থক্য উক্ত সংঘাতের মূল কারণ- মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.পেরেস্ত্রোইকা কী? বুঝিয়ে লেখ।

পেরেস্ত্রোইকা কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.Cold War′War^{\prime} শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেছেন?

Cold War′War^{\prime} শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেছেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্প্রতি কাশ্মির সীমান্তের সমস্যা নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। দুটি দেশের শাসকগোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করে। দুটি দেশের প্রচার মাধ্যমগুলোও পরস্পরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। দুটি দেশের জনগণ যুদ্ধের আশঙ্কায় সময় কাটায়। দেশ দুটির সেনাবাহিনী সামরিক মহড়া দিলেও শেষপর্যন্ত যুদ্ধ হয়নি।

Combined · 2018

ক
'NATO′−NATO^{\prime}-এর পূর্ণরূপ কী?
খ
'গ্লাসনস্ত' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টির সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কোন বিষয়ের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“উক্ত বিষয়টি সমগ্র বিশ্বকে দুটি পৃথক শিবিরে বিভক্ত করে।” —উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সম্প্রতি কাশ্মির সীমান্তের সমস্যা নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। দুটি দেশের শাসকগোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করে। দুটি দেশের প্রচার মাধ্যমগুলোও পরস্পরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। দুটি দেশের জনগণ যুদ্ধের আশঙ্কায় সময় কাটায়। দেশ দুটির সেনাবাহিনী সামরিক মহড়া দিলেও শেষপর্যন্ত যুদ্ধ হয়নি।

Combined · 2018

ক
'NATO′−NATO^{\prime}-এর পূর্ণরূপ কী?
খ
'গ্লাসনস্ত' বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টির সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কোন বিষয়ের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“উক্ত বিষয়টি সমগ্র বিশ্বকে দুটি পৃথক শিবিরে বিভক্ত করে।” —উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'গ্লাসনস্ত' বলতে কী বোঝায়?

'গ্লাসনস্ত' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'NATO′−NATO^{\prime}-এর পূর্ণরূপ কী?

'NATO′−NATO^{\prime}-এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আদর্শগত বিরোধ থাকলে অনেক সময় বন্ধুর সাথে বন্ধুর দ্বন্দ্ব লেগে যায় । স্বপন ও সুদীপ্তর ক্ষেত্রে সেটাই ঘটেছিল। স্বপন সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের অনুসারী, অপরদিকে সুদীপ্ত এটাকে অপছন্দ করে। ফলে তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

Combined · 2019

ক
কত সালে SEATO গঠিত হয়?
খ
চেকোশ্লোভাকিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দুটি দেশের আদর্শের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দুটি দেশের আদর্শগত দ্বন্দ্বের কারণে পৃথিবীতে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে— তোমার যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আদর্শগত বিরোধ থাকলে অনেক সময় বন্ধুর সাথে বন্ধুর দ্বন্দ্ব লেগে যায় । স্বপন ও সুদীপ্তর ক্ষেত্রে সেটাই ঘটেছিল। স্বপন সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের অনুসারী, অপরদিকে সুদীপ্ত এটাকে অপছন্দ করে। ফলে তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

Combined · 2019

ক
কত সালে SEATO গঠিত হয়?
খ
চেকোশ্লোভাকিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
গ
উদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দুটি দেশের আদর্শের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দুটি দেশের আদর্শগত দ্বন্দ্বের কারণে পৃথিবীতে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে— তোমার যুক্তি দেখাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.চেকোশ্লোভাকিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

চেকোশ্লোভাকিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কত সালে SEATO গঠিত হয়?

কত সালে SEATO গঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

দুটি বৃহৎ রাষ্ট্রের মতাদর্শগত পার্থক্য উক্ত সংঘাতের মূল কারণ- মতামত দাও।উদ্দীপকে যে বৃহৎ সংঘাতের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ বপেরেস্ত্রোইকা কী? বুঝিয়ে লেখ।Cold War [গণিত] শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেছেন?“উক্ত বিষয়টি সমগ্র বিশ্বকে দুটি পৃথক শিবিরে বিভক্ত করে।” —উক্তিটির যথার্থতা নিরউদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টির সাথে তোমার পাঠ্যপুস্তকের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কো'গ্লাসনস্ত' বলতে কী বোঝায়?'NATO [গণিত] -এর পূর্ণরূপ কী?উক্ত দুটি দেশের আদর্শগত দ্বন্দ্বের কারণে পৃথিবীতে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে— তোমাউদ্দীপকের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দুটি দেশের আদর্শের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।চেকোশ্লোভাকিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?কত সালে SEATO গঠিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।