শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্ধতাংশটি বাংলাদেশের যে সংগ্রামের ঘোষণাকে ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্ধৃতাংশটি ৭ই মার্চের বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণাকে ইঙ্গিত করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলোঃ ৭ ই মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্য শোনার জন্য রমনা রেসকোর্সে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম। বেশিরভাগ লোকের হাতে ছিল প্রতিরোধের প্রতীক লাঠি। বিরামহীন জয়বাংলা শ্লোগান। সর্বত্র গগনভেদী শ্লোগান: 'জয় বাংলা; আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম; আমার দেশ তোমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ; পরিষদ না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ; বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর; ঘরে ঘরে দূর্গ গড়, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।' বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে ২৫ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের নির্ধারিত অধিবেশনে যোগদানের জন্য তিনটি শর্ত ঘোষণা করেন : (১) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে। (২) সামরিক বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে, বেসামরিক জনতার উপর সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচার তদন্ত করতে হবে এবং (৩) অনতিবিলম্বে প্রাদেশিক সরকার গঠন করার ঘোষণা দিতে হবে। তিনি ঘোষণা দেন যে, যতক্ষণ এসব দাবি মানা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সকল অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে এবং সরকারের সাথে কোনরকমের সহযোগিতা প্রদান করা হবে না। বঙ্গবন্ধু আরোও ষোষণা দেন যে, দেশ পুরোপুরি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অবৈধ সরকারকে কোনো রাজস্ব কর দেয়া হবে না এবং পূর্ববাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে কোনো টাকা পাঠানো যাবে না। তিনি প্রত্যেকটি গৃহকে প্রতিরোধের দুর্গে পরিণত করার এবং যার যা হাতিয়ার আছে তা দিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য জনগণকে নির্দেশ দেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণ শেষ করেন এই বলে: 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।'

HSC History 1st Paper Chapter 6: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 6: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ · সৃজনশীল

উদ্ধতাংশটি বাংলাদেশের যে সংগ্রামের ঘোষণাকে ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।”

Dhaka · 2021

উত্তর

আগরতলা মামলার আসামি ছিলো ৩৫ জন।

উত্তর

অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ও পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ জনগণ কর্তৃক পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন। ১ মার্চে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণার পর জনগণের স্বতস্ফুর্ত আন্দোলন শুরু হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ২ মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়ে ২৫ মার্চ পর্যন্ত চলমান থাকে। মোট ২৫ দিন স্থায়ী হয় এই আন্দোলন। আন্দোলনের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার থেকে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা। এই সময়কালে ক্রমশ পূর্ব পাকিস্তানের বেসামরিক প্রশাসনের উপর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রায় অচল হয়ে পড়ে। আন্দোলনের একপর্যায়ে সেনানিবাসের বাইরে পুরো পূর্ব পাকিস্তান কার্যত শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে চলছিল।

উত্তর

উদ্ধৃতাংশটি ৭ই মার্চের বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণাকে ইঙ্গিত করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলোঃ ৭ ই মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্য শোনার জন্য রমনা রেসকোর্সে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম। বেশিরভাগ লোকের হাতে ছিল প্রতিরোধের প্রতীক লাঠি। বিরামহীন জয়বাংলা শ্লোগান। সর্বত্র গগনভেদী শ্লোগান: 'জয় বাংলা; আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম; আমার দেশ তোমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ; পরিষদ না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ; বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর; ঘরে ঘরে দূর্গ গড়, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।' বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে ২৫ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের নির্ধারিত অধিবেশনে যোগদানের জন্য তিনটি শর্ত ঘোষণা করেন : (১) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে। (২) সামরিক বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে, বেসামরিক জনতার উপর সেনাবাহিনীর বর্বর অত্যাচার তদন্ত করতে হবে এবং (৩) অনতিবিলম্বে প্রাদেশিক সরকার গঠন করার ঘোষণা দিতে হবে। তিনি ঘোষণা দেন যে, যতক্ষণ এসব দাবি মানা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সকল অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে এবং সরকারের সাথে কোনরকমের সহযোগিতা প্রদান করা হবে না। বঙ্গবন্ধু আরোও ষোষণা দেন যে, দেশ পুরোপুরি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অবৈধ সরকারকে কোনো রাজস্ব কর দেয়া হবে না এবং পূর্ববাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে কোনো টাকা পাঠানো যাবে না। তিনি প্রত্যেকটি গৃহকে প্রতিরোধের দুর্গে পরিণত করার এবং যার যা হাতিয়ার আছে তা দিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য জনগণকে নির্দেশ দেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণ শেষ করেন এই বলে: 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।'

উত্তর

উক্ত ভাষণটি হলো সাতই মার্চের ভাষণ। নিচে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলোঃ বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চের ভাষণ বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিতি। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সাময়িক অবস্থা উপেক্ষা করে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর সামনেই ঢাকায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনের বজ্রকন্ঠে ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। এই ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সেই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ ১৯৭১ জাতির পিতা ঘোষণা করেন বাঙালি জাতির বহুকাঙ্খিত স্বাধীনতার ঘোষণা। বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চ ভাষণের সাথে সাথেই পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ আক্রমণাত্মক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা এবং দেশব্যাপী ধর্মঘট পালনের আহ্বান দেয় এবং বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের আহ্বান জানান। শেখ মুজিবুর রহমান তার ভাষণের সার্বিক বিষয় ও উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এবং বাঙালির অধিকার নিয়ে সব সময় সোচ্চার ছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান যা বিশ্বাস করতেন সেই বিশ্বাস নিয়ে দেশের এবং দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন করতেন। তার সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি ৭ ই মার্চের বক্তৃতা করেন। কারণ তৎকালীন সময়ের আন্তর্জাতিক পটভূমিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি নতুন রূপ ধারন করে এবং তার এই আন্দোলন সম্পূর্ণ বিশ্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। শেখ মুজিবুর রহমান এর এই ৭ ই মার্চের আন্দোলন স্বাধীনতাকামী বাঙালির মুক্তির আন্দোলনের রূপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এই স্বাধীনতা সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করেছিলো ৭ মার্চের ভাষণের এবং বঙ্গবন্ধুর দিকনির্দেশনার ওপর। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে চারটি শর্ত আরোপ করেন। তিনি প্রস্তাব দেন পূর্ব পাকিস্তান থেকে মার্শাল ল' প্রত্যাহার এবং সেনাবাহিনীকে তাদের নিজস্ব ব্যারাকে ফেরত নেয়া শুধুই তাই নয় তিনি আরও প্রস্তাব দেন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা এবং যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা। এই ভাষণের শেষেই তিনি বলেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এবং এর পরেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে বলেন।
HSCHistory 1st PaperChapter 6: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৬৪ সাল থেকে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা পৃথক রাষ্ট্রের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে তারা সফল হতে পারেনি। ১৯৮২ সালে তারা তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিশে সদর দফতর স্থাপন করে। প্রবাস থেকেই তারা তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

Dhaka · 2017

পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?
বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দপ্তরের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দপ্তরের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন উক্ত দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৬৪ সাল থেকে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা পৃথক রাষ্ট্রের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে তারা সফল হতে পারেনি। ১৯৮২ সালে তারা তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিশে সদর দফতর স্থাপন করে। প্রবাস থেকেই তারা তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

Dhaka · 2017

পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?
বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দপ্তরের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দপ্তরের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন উক্ত দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?

পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন তার ভাইয়ের সাথে মহানগর নাট্য থিয়েটারে নাটক দেখতে যায়।' নাটকের কাহিনীতে দেখা যায়, একটি দেশে গভীর রাতে ঘুমন্ত জনগণের ওপর দেশের সেনাবাহিনী আক্রমণ চালায়। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। বিশ্ববাসী একে গণহত্যা বলে আখ্যায়িত করে।

Rajshahi · 2018

যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে সুজনের দেখা নাটকের কাহিনীতে পঠিত বইয়ের কোন “ঘটনার প্রতিফলন দেখা যায়? বর্ণনা কর।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে—মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন তার ভাইয়ের সাথে মহানগর নাট্য থিয়েটারে নাটক দেখতে যায়।' নাটকের কাহিনীতে দেখা যায়, একটি দেশে গভীর রাতে ঘুমন্ত জনগণের ওপর দেশের সেনাবাহিনী আক্রমণ চালায়। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। বিশ্ববাসী একে গণহত্যা বলে আখ্যায়িত করে।

Rajshahi · 2018

যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে সুজনের দেখা নাটকের কাহিনীতে পঠিত বইয়ের কোন “ঘটনার প্রতিফলন দেখা যায়? বর্ণনা কর।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে—মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?

যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে ওই দেশে একটি সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। উক্ত সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করে স্বাধীনতা অর্জন করা।

Rajshahi · 2018

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?
স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে পঠিত বিষয়ে যে সরকারের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি মনে কর এ সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে ওই দেশে একটি সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। উক্ত সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করে স্বাধীনতা অর্জন করা।

Rajshahi · 2018

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?
স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে পঠিত বিষয়ে যে সরকারের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি মনে কর এ সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন উক্ত দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে উল্লিখিত দপ্তরের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দপ্তরের মিল আবুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে—মতামত দাও।উদ্দীপকে সুজনের দেখা নাটকের কাহিনীতে পঠিত বইয়ের কোন “ঘটনার প্রতিফলন দেখা যায়? মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?তুমি কি মনে কর এ সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের রূপরেখা চউদ্দীপকে পঠিত বিষয়ে যে সরকারের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।