শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উক্ত ঘটনা তথা মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না জানা শহিদের অমর স্মৃতি জাতীয় স্মৃতিসৌধ আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ঢাকা শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকার স্তম্ভটি আসলে আমাদের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক। এই স্তম্ভের পাশেই রয়েছে গণকবর, যাদের অমূল্য জীবনের বিনিময়ে এদেশ শত্রুমুক্ত হয়েছে। মূল স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল, মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীক। এই রাজনৈতিক ঘটনাগুলো হলো- ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিহিত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ঘটনার ফলেই পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ বারবার আমাদের সেই মহান শহিদদের কথাই মনে করিয়ে দেয়। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, জাতীয় স্মৃতিসৌধ আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

HSC History 1st Paper Chapter 6: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 1st Paper · Chapter 6: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ · সৃজনশীল

উক্ত ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে মূল্য…

উদ্দীপক

question image

উত্তর

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

উত্তর

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জনগণ প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে যুদ্ধের অবস্থা সম্পর্কে অবহিত হয়। এক্ষেত্রে চট্টগ্রামস্থ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ছিল ব্যাপক। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ইত্যাদি প্রচার করে। বিদেশি প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশে পাক বাহিনীর গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা তুলে ধরে। এভাবে প্রচার মাধ্যম মুক্তিযুদ্ধে গণমুখী ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সমর্থ হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের ছবিটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না জানা শহিদদের আত্মত্যাগের ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। আমাদের জাতীয় ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম অধ্যায় হলো একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। এ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম লাভ করে আমাদের সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হওয়ার পর থেকে নানা বৈষম্য, শাসন-শোষণের পর ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় আমাদের রক্তক্ষত স্বাধীনতা। আর এই স্বাধীনতার মূর্তপ্রতীক এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ। সাতটি স্তম্ভ দিয়ে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। যার প্রত্যেকটি স্তম্ভ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বহন করে। যেমন- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ সালের শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস নিহিত। লাখো শহীদের রক্তে গড়া এই স্মৃতিসৌধ। এটি আমাদের গৌরব, মর্যাদা আর স্বাধীনতার প্রতীক। অতএব বলা যায়, এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নাম না জানা লাখো শহিদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

উত্তর

উক্ত ঘটনা তথা মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না জানা শহিদের অমর স্মৃতি জাতীয় স্মৃতিসৌধ আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ঢাকা শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকার স্তম্ভটি আসলে আমাদের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক। এই স্তম্ভের পাশেই রয়েছে গণকবর, যাদের অমূল্য জীবনের বিনিময়ে এদেশ শত্রুমুক্ত হয়েছে। মূল স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল, মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীক। এই রাজনৈতিক ঘটনাগুলো হলো- ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিহিত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ঘটনার ফলেই পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ বারবার আমাদের সেই মহান শহিদদের কথাই মনে করিয়ে দেয়। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, জাতীয় স্মৃতিসৌধ আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
HSCHistory 1st PaperChapter 6: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৬৪ সাল থেকে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা পৃথক রাষ্ট্রের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে তারা সফল হতে পারেনি। ১৯৮২ সালে তারা তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিশে সদর দফতর স্থাপন করে। প্রবাস থেকেই তারা তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

Dhaka · 2017

ক
পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?
খ
বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দপ্তরের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দপ্তরের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন উক্ত দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

১৯৬৪ সাল থেকে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা পৃথক রাষ্ট্রের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে তারা সফল হতে পারেনি। ১৯৮২ সালে তারা তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিশে সদর দফতর স্থাপন করে। প্রবাস থেকেই তারা তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

Dhaka · 2017

ক
পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?
খ
বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দপ্তরের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দপ্তরের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন উক্ত দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? তোমার মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?

পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন তার ভাইয়ের সাথে মহানগর নাট্য থিয়েটারে নাটক দেখতে যায়।' নাটকের কাহিনীতে দেখা যায়, একটি দেশে গভীর রাতে ঘুমন্ত জনগণের ওপর দেশের সেনাবাহিনী আক্রমণ চালায়। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। বিশ্ববাসী একে গণহত্যা বলে আখ্যায়িত করে।

Rajshahi · 2018

ক
যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
খ
মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে সুজনের দেখা নাটকের কাহিনীতে পঠিত বইয়ের কোন “ঘটনার প্রতিফলন দেখা যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে—মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন তার ভাইয়ের সাথে মহানগর নাট্য থিয়েটারে নাটক দেখতে যায়।' নাটকের কাহিনীতে দেখা যায়, একটি দেশে গভীর রাতে ঘুমন্ত জনগণের ওপর দেশের সেনাবাহিনী আক্রমণ চালায়। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়। বিশ্ববাসী একে গণহত্যা বলে আখ্যায়িত করে।

Rajshahi · 2018

ক
যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
খ
মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে সুজনের দেখা নাটকের কাহিনীতে পঠিত বইয়ের কোন “ঘটনার প্রতিফলন দেখা যায়? বর্ণনা কর।
ঘ
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে—মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?

যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে ওই দেশে একটি সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। উক্ত সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করে স্বাধীনতা অর্জন করা।

Rajshahi · 2018

ক
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?
খ
স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে পঠিত বিষয়ে যে সরকারের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর এ সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে ওই দেশে একটি সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। উক্ত সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করে স্বাধীনতা অর্জন করা।

Rajshahi · 2018

ক
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?
খ
স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে পঠিত বিষয়ে যে সরকারের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর এ সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন উক্ত দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু ছিল? তোমার মতামত দাও।উদ্দীপকে উল্লিখিত দপ্তরের সাথে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দপ্তরের মিল আবুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।পাক-সেনাদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রথম কোন বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে?উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে ওঠে—মতামত দাও।উদ্দীপকে সুজনের দেখা নাটকের কাহিনীতে পঠিত বইয়ের কোন “ঘটনার প্রতিফলন দেখা যায়? মুক্তিযুদ্ধে প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।যুক্তফ্রন্ট কত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?তুমি কি মনে কর এ সরকার গঠনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের রূপরেখা চউদ্দীপকে পঠিত বিষয়ে যে সরকারের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রবাসীদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।