উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়ের বৈশিষ্ট্য ও এর সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের সম্পর্ক আলোচনা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে নির্দেশিত অবৈজ্ঞানিক আরোহের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কেবল অবাধ অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরশীল এবং এর সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। প্রকৃত আরোহের গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রকরণ হলো বৈজ্ঞানিক আরোহ ও অবৈজ্ঞানিক আরোহ। অবৈজ্ঞানিক আরোহে কেবল প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির ওপর নির্ভর করে অনুকূল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ কারণে এরূপ আরোহের সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য হয়। অন্যদিকে, বৈজ্ঞানিক আরোহে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ কারণে এরূপ আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হয়। বৈজ্ঞানিক আরোহে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হলেও এখানে দৃষ্টান্তের সংখ্যার চেয়ে মানের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে দৃষ্টান্তের সংখ্যার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনেক সময় বৈজ্ঞানিক আরোহের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। মানুষ প্রথমে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বা অবৈজ্ঞানিক আরোহের মাধ্যমে কোনো ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক লক্ষ্য করে, পরবর্তীতে বিজ্ঞানের সাহায্যে তার কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করে তাকে বৈজ্ঞানিক আরোহে রূপান্তর করে। সুতরাং, অবৈজ্ঞানিক আরোহ হলো বৈজ্ঞানিক আরোহের প্রাথমিক স্তর বা সোপান। যদিও অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য, তবুও এটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ও বিজ্ঞানের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিশেষে বলা যায়, বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরোহ উভয়ই প্রকৃত আরোহের শ্রেণি হলেও এদের মধ্যে বিভিন্ন দিক দিয়ে পার্থক্য বিদ্যমান।
HSC Logic 2nd Paper Chapter 3 : আরোহের প্রকারভেদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 2nd Paper · Chapter 3 : আরোহের প্রকারভেদ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়ের বৈশিষ্ট্য ও এর সাথে বৈজ্ঞানিক আরোহের সম্প…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
