শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের প্রথমে উল্লেখিত সরকারের অঙ্গটির গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে প্রথমে উল্লিখিত সরকারের অঙ্গটি হলো আইন বিভাগ। সরকারের যে বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে তাকে আইন বিভাগ বলে। উদ্দীপকে একটি বিভাগকে আইন তৈরির কারখানা বলে অভিহিত করা হয়েছে। বিভাগটি দেশে প্রচলিত আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধনের ব্যবস্থা করে থাকে। প্রফেসর রাইসুল ইসলামের এ আলোচনায় আইন বিভাগের ধারণাই প্রতিফলিত হয়। আইন বিভাগের গঠনপ্রক্রিয়া নিম্নরূপ: গঠন কাঠামোর দিক থেকে বর্তমান সময়ের আইনসভাগুলো দুই প্রকারের। যথা- এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা। একটি রাষ্ট্রের আইনসভা যখন একমাত্র কক্ষ বা পরিষদ নিয়ে গঠিত হয় তখন তাকে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বলে। যেমন- বাংলাদেশের আইনসভা অর্থাৎ জাতীয় সংসদ। দুই কক্ষ বা পরিষদ নিয়ে যখন আইন সভা তৈরী হয় তাকে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা বলে। এরূপ আইনসভার প্রথম কক্ষকে 'নিম্নকক্ষ' এবং দ্বিতীয় কক্ষকে 'উচ্চকক্ষ' বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ভারত প্রভৃতি রাষ্ট্রে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উপরিউক্ত গঠন প্রক্রিয়া হলো আইন বিভাগের গঠন প্রক্রিয়া।

HSC Civics 1st Paper Chapter 10 : দেশপ্রেম ও জাতীয়তা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · Chapter 10 : দেশপ্রেম ও জাতীয়তা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের প্রথমে উল্লেখিত সরকারের অঙ্গটির গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

প্রফেসর রাইসুল ইসলাম শ্রেণিকক্ষে সরকারের অঙ্গসমূহ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। একটি বিভাগকে তিনি আইন তৈরির কারখানা বলে অভিহিত করলেন। এমন কি বিভাগটি দেশে প্রচলিত আইন পরিবর্তন-পরিবর্ধন বা সংশোধনের ব্যবস্থাও করে থাকে। তবে দেশের আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং জননিরাপত্তা বিধান করা আরেকটি বিভাগের প্রধান কাজ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Sylhet · 2019

উত্তর

সংখ্যাগরিষ্ঠের যুক্তিসিদ্ধ ও সুচিন্তিত মতামতই জনমত, যা সরকার ও জনগণকে প্রভাবিত করতে পারে।

উত্তর

দেশের প্রতি মমত্ববোধ, অকৃত্রিম ভালোবাসা, আবেগ ও অনুভূতিকেই দেশপ্রেম বলা হয়। দেশের মানুষ, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং মাটি, সম্পদ, পরিবেশ ও প্রতিবেশ তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা এসব কিছুই দেশপ্রেমের অংশ। দেশ ঠিক মায়ের মতোই। জন্মভূমির থেকে বড় কিছু নাই। নিজের দেশের জন্য একজন নাগরিক তাই প্রাণ দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না। নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসার এই আবেগ ও অনুভূতিকেই বলে দেশাত্মবোধ, স্বদেশপ্রেম বা দেশপ্রেম। দেশের মাটি ও মানুষকে আপন করে ভাবার অনুভূতিই হলো দেশপ্রেম।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রথমে উল্লিখিত সরকারের অঙ্গটি হলো আইন বিভাগ। সরকারের যে বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে তাকে আইন বিভাগ বলে। উদ্দীপকে একটি বিভাগকে আইন তৈরির কারখানা বলে অভিহিত করা হয়েছে। বিভাগটি দেশে প্রচলিত আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধনের ব্যবস্থা করে থাকে। প্রফেসর রাইসুল ইসলামের এ আলোচনায় আইন বিভাগের ধারণাই প্রতিফলিত হয়। আইন বিভাগের গঠনপ্রক্রিয়া নিম্নরূপ: গঠন কাঠামোর দিক থেকে বর্তমান সময়ের আইনসভাগুলো দুই প্রকারের। যথা- এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা। একটি রাষ্ট্রের আইনসভা যখন একমাত্র কক্ষ বা পরিষদ নিয়ে গঠিত হয় তখন তাকে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বলে। যেমন- বাংলাদেশের আইনসভা অর্থাৎ জাতীয় সংসদ। দুই কক্ষ বা পরিষদ নিয়ে যখন আইন সভা তৈরী হয় তাকে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা বলে। এরূপ আইনসভার প্রথম কক্ষকে 'নিম্নকক্ষ' এবং দ্বিতীয় কক্ষকে 'উচ্চকক্ষ' বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ভারত প্রভৃতি রাষ্ট্রে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, উপরিউক্ত গঠন প্রক্রিয়া হলো আইন বিভাগের গঠন প্রক্রিয়া।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারের দুটি বিভাগ হলো আইন ও শাসন বিভাগ। উক্ত বিভাগ দুটির সম্পর্ক নিবিড়। আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ নিয়ে সরকার গঠিত হয়। এ তিনটি বিভাগ পৃথক কাজের উদ্দেশ্যে গঠিত হলেও নিজেদের মূল কাজ ছাড়াও অন্য বিভাগের কাজও করে থাকে। এ সকল কাজ করার মধ্য দিয়ে বিভাগসমূহের মধ্য পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আইন বিভাগ রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য আইন প্ৰণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে থাকে। এটি আইন বিভাগের প্রধান কাজ। আবার আইন বিভাগ কিছু শাসন বিভাগীয় কাজও করে। আইন বিভাগের আস্থার উপর মন্ত্রিপরিষদ তথা শাসন বিভাগের ক্ষমতা নির্ভরশীল। এ কাজের মধ্য দিয়ে আইন ও শাসন বিভাগের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্যদিকে, শাসন বিভাগ আইন অনুযায়ী শাসনকার্য পরিচালনা করে। শাসন বিভাগ শাসন কাজ পরিচালনা করার জন্য রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে, শাসন বিভাগের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্র প্রধান আইনসভা আহ্বান, স্থগিত, বাণী প্রেরণ ও বিলে সম্মতি প্রদান করেন। শাসন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে আইনসভার সদস্যরাই দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। তাই মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের আইন ও শাসন বিভাগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শাসনবিভাগ বর্তমানকালে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠেছে। তাই শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন বিভাগের নিকট তাদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এভাবেই আইন ও শাসন বিভাগের মধ্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যকার সম্পর্ক শাসন ক্ষেত্রে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করে।
HSCCivics 1st PaperChapter 10 : দেশপ্রেম ও জাতীয়তা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাফিজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মানুষের নিপীড়ন তাকে দুঃখ দেয়। যখন শত্রুরা ১২০০ মাইল দূর হতে এসে অসহায় মানুষকে আক্রমণ করে, তখন সে শপথ করে "আমি দেশকে মুক্ত করবো।" তাই মাতৃভাষাকে বাঁচাতে, অর্থনৈতিক শোষণ দূর করতে সে যুদ্ধক্ষেত্রে গেল। দেশ স্বাধীন হলো কিন্তু নাফিজ তার মায়ের কাছে ফিরে এলো না।

Jessore · 2017

ক
দেশপ্রেম কী?
খ
বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে জাতীয়তার কোন কোন উপাদান কার্যকর ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত নাফিজের আত্মত্যাগের কারণটির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাফিজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মানুষের নিপীড়ন তাকে দুঃখ দেয়। যখন শত্রুরা ১২০০ মাইল দূর হতে এসে অসহায় মানুষকে আক্রমণ করে, তখন সে শপথ করে "আমি দেশকে মুক্ত করবো।" তাই মাতৃভাষাকে বাঁচাতে, অর্থনৈতিক শোষণ দূর করতে সে যুদ্ধক্ষেত্রে গেল। দেশ স্বাধীন হলো কিন্তু নাফিজ তার মায়ের কাছে ফিরে এলো না।

Jessore · 2017

ক
দেশপ্রেম কী?
খ
বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে জাতীয়তার কোন কোন উপাদান কার্যকর ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত নাফিজের আত্মত্যাগের কারণটির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?

বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দেশপ্রেম কী?

দেশপ্রেম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাফিজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মানুষের নিপীড়ন তাকে দুঃখ দেয়। যখন শত্রুরা ১২০০ মাইল দূর হতে এসে অসহায় মানুষকে আক্রমণ করে, তখন সে শপথ করে "আমি দেশকে মুক্ত করবো।" তাই মাতৃভাষাকে বাঁচাতে, অর্থনৈতিক শোষণ দূর করতে সে যুদ্ধক্ষেত্রে গেল। দেশ স্বাধীন হলো কিন্তু নাফিজ তার মায়ের কাছে ফিরে এলো না।

Sylhet · 2017

ক
দেশপ্রেম কী?
খ
বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে জাতীয়তার কোন কোন উপাদান কার্যকর ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত নাফিজের আত্মত্যাগের কারণটির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নাফিজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মানুষের নিপীড়ন তাকে দুঃখ দেয়। যখন শত্রুরা ১২০০ মাইল দূর হতে এসে অসহায় মানুষকে আক্রমণ করে, তখন সে শপথ করে "আমি দেশকে মুক্ত করবো।" তাই মাতৃভাষাকে বাঁচাতে, অর্থনৈতিক শোষণ দূর করতে সে যুদ্ধক্ষেত্রে গেল। দেশ স্বাধীন হলো কিন্তু নাফিজ তার মায়ের কাছে ফিরে এলো না।

Sylhet · 2017

ক
দেশপ্রেম কী?
খ
বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে জাতীয়তার কোন কোন উপাদান কার্যকর ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত নাফিজের আত্মত্যাগের কারণটির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?

বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দেশপ্রেম কী?

দেশপ্রেম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুদানের একটি অংশ ছিল দক্ষিণ সুদান। দক্ষিণ সুদানের জনগণ অধিকাংশই খ্রিষ্টান। আর উত্তর সুদানসহ সমগ্র সুদানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। দক্ষিণ সুদানের জনগণ আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি করে। অনেক সংঘাত ও দ্বন্দ্ব শেষে জাতিসংঘের উদ্যোগে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। জনগণ আলাদা রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মত দিলে সুদান সরকার তা মেনে নেয়। দক্ষিণ সুদান আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

Chittagong · 2017

ক
জাতীয়তার প্রধান উপাদান কোনটি?
খ
জাতীয়তা কখন জাতিতে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা করো।
গ
দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা লাভে কোন উপাদানটি কাজ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্র গঠনে যে উপাদানটি কাজ করেছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুদানের একটি অংশ ছিল দক্ষিণ সুদান। দক্ষিণ সুদানের জনগণ অধিকাংশই খ্রিষ্টান। আর উত্তর সুদানসহ সমগ্র সুদানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। দক্ষিণ সুদানের জনগণ আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি করে। অনেক সংঘাত ও দ্বন্দ্ব শেষে জাতিসংঘের উদ্যোগে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। জনগণ আলাদা রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মত দিলে সুদান সরকার তা মেনে নেয়। দক্ষিণ সুদান আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

Chittagong · 2017

ক
জাতীয়তার প্রধান উপাদান কোনটি?
খ
জাতীয়তা কখন জাতিতে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা করো।
গ
দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা লাভে কোন উপাদানটি কাজ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্র গঠনে যে উপাদানটি কাজ করেছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতীয়তা কখন জাতিতে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা করো।

জাতীয়তা কখন জাতিতে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.জাতীয়তার প্রধান উপাদান কোনটি?

জাতীয়তার প্রধান উপাদান কোনটি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে বর্ণিত নাফিজের আত্মত্যাগের কারণটির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে জাতীয়তার কোন কোন উপাদান কার্যকর ছিল? ব্যাখ্যা করো।বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?দেশপ্রেম কী?উদ্দীপকে বর্ণিত নাফিজের আত্মত্যাগের কারণটির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে জাতীয়তার কোন কোন উপাদান কার্যকর ছিল? ব্যাখ্যা করো।বংশগত ঐক্য বলতে কী বোঝায়?দেশপ্রেম কী?দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্র গঠনে যে উপাদানটি কাজ করেছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা লাভে কোন উপাদানটি কাজ করেছে? ব্যাখ্যা করো।জাতীয়তা কখন জাতিতে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা করো।জাতীয়তার প্রধান উপাদান কোনটি?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।