শেয়ারFacebookWhatsApp

ডেভিড এর রাষ্ট্রের নির্বাচনে নাগরিকদের ভূমিকা কি যথাযথ? তা উল্লেখপূর্বক উক্ত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক উন্নয়নে রাষ্ট্রের জনগণের আচরণের পরিবর্তনের বিকল্প নেই-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ডেভিডের রাষ্ট্রের নির্বাচনে নাগরিকদের ভূমিকা যথাযথ নয় এবং উক্ত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক উন্নয়নে জনগণের আচরণের পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক। নাগরিকরা যদি তাদের রাজনৈতিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন না হয় এবং যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে অনাগ্রহী থাকে, তবে সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয় না। রাজনৈতিক উন্নয়ন মূলত জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর নির্ভর করে। উদ্দীপকে ডেভিডের রাষ্ট্র সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, সেখানকার জনগণ তাদের রাজনৈতিক অধিকার বা কর্তব্য নিয়ে সচেতন নয়। এমনকি তারা প্রার্থী সম্পর্কে ভালোভাবে জানতেও আগ্রহী নয়। নাগরিক হিসেবে এটি একটি নেতিবাচক আচরণ। যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে না পারলে অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিরা ক্ষমতায় আসার সুযোগ পায়, যা রাষ্ট্রের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। ডেভিডের দেশে ভোটাধিকারের বয়স ২১ বছর এবং ভোটদান প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ নয়, যা আধুনিক গণতন্ত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ডেভিডের রাষ্ট্রের রাজনৈতিক উন্নয়নের জন্য জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। নাগরিকদের বুঝতে হবে যে, ভোট প্রদান কেবল একটি অধিকার নয়, বরং এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব। প্রার্থী সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া এবং রাষ্ট্রের শাসনকাজে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্র রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল হতে পারে। জনগণের এই উদাসীনতা বজায় থাকলে রাষ্ট্রটি কখনোই একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো লাভ করতে পারবে না। পরিশেষে বলা যায়, ডেভিডের রাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক স্থবিরতা কাটাতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন এবং দায়িত্বশীলতাই পারে ওই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 8 : বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 8 : বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা · সৃজনশীল

ডেভিড এর রাষ্ট্রের নির্বাচনে নাগরিকদের ভূমিকা কি যথাযথ? তা উল্লেখপূ…

উদ্দীপক

ডেভিড তার বন্ধু জাফরের দেশে বেড়াতে এসে দেখে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বন্ধু জাফর খুব উৎফুল্ল। সে তার বন্ধু ডেভিডকে বলে, এবারই সে প্রথম ভোট দেবে। কারণ তার ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। ডেভিড বলে, আমাদের দেশে ২১ বছর না হলে ভোট দেয়া যায় না। নির্বাচনের দিন ডেভিড লক্ষ করে, সবাই দল বেঁধে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাচ্ছে। ভোট প্রদান শেষে জাফরের কাছে ভোট প্রদান প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ডেভিড জানতে পারে, পৃথক একটি কক্ষে গিয়ে নির্বাচনি প্রতীক নির্ধারণের মাধ্যমে ভোট সম্পন্ন করায় কেউ কারো পছন্দ সম্পর্কে জানতে পারে না। সব শুনে ডেভিড বলে আমাদের দেশে হয় তার উল্টো। তাছাড়া আমাদের দেশের জনগণ তাদের রাজনৈতিক অধিকার বা কর্তব্য নিয়ে খুব সচেতনও নয়। এমনকি প্রার্থী সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হতেও আগ্রহী নয়।

উত্তর

যে প্রক্রিয়ায় নাগরিকগণ তাদের পছন্দমতো প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাকে নির্বাচন বলে।

উত্তর

'এক ব্যক্তি এক ভোট' নীতি রাজনৈতিক সমতা নিশ্চিত করে বলে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মর্যাদা সমান। এই নীতি অনুযায়ী একজন নাগরিকের সামাজিক বা অর্থনৈতিক অবস্থান যাই হোক না কেন, নির্বাচনে তার ভোটের মূল্য অন্য সবার সমান। এটি সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা করে এবং কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা শ্রেণির আধিপত্য রোধ করে জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে সাহায্য করে।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত জাফরের দেশের নির্বাচনের সাথে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার সাদৃশ্য রয়েছে। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং এখানে সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রত্যেক নাগরিক ভোটাধিকার লাভকরেন। এছাড়া বাংলাদেশে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা প্রচলিত, যা ভোটারের পছন্দের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, জাফরের বয়স ১৮ বছর হওয়ায় সে প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছে, যা বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার ন্যূনতম বয়সের সাথে মিলে যায়। জাফরের বর্ণনা অনুযায়ী, তাদের দেশে পৃথক কক্ষে গিয়ে নির্বাচনি প্রতীক নির্ধারণের মাধ্যমে ভোট সম্পন্ন করা হয় যাতে কেউ কারো পছন্দ জানতে না পারে। বাংলাদেশের নির্বাচন পদ্ধতিতেও ঠিক একইভাবে গোপন কক্ষে ব্যালট পেপারে সিল মেরে বা ইভিএম-এর মাধ্যমে গোপনীয়তা রক্ষা করে ভোট প্রদান করা হয়। এই অভিন্ন বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই জাফরের দেশের নির্বাচনের সাথে বাংলাদেশের নির্বাচনের গভীর সাদৃশ্য বিদ্যমান।

উত্তর

ডেভিডের রাষ্ট্রের নির্বাচনে নাগরিকদের ভূমিকা যথাযথ নয় এবং উক্ত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক উন্নয়নে জনগণের আচরণের পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক। নাগরিকরা যদি তাদের রাজনৈতিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন না হয় এবং যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে অনাগ্রহী থাকে, তবে সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয় না। রাজনৈতিক উন্নয়ন মূলত জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর নির্ভর করে। উদ্দীপকে ডেভিডের রাষ্ট্র সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, সেখানকার জনগণ তাদের রাজনৈতিক অধিকার বা কর্তব্য নিয়ে সচেতন নয়। এমনকি তারা প্রার্থী সম্পর্কে ভালোভাবে জানতেও আগ্রহী নয়। নাগরিক হিসেবে এটি একটি নেতিবাচক আচরণ। যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে না পারলে অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিরা ক্ষমতায় আসার সুযোগ পায়, যা রাষ্ট্রের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। ডেভিডের দেশে ভোটাধিকারের বয়স ২১ বছর এবং ভোটদান প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ নয়, যা আধুনিক গণতন্ত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ডেভিডের রাষ্ট্রের রাজনৈতিক উন্নয়নের জন্য জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। নাগরিকদের বুঝতে হবে যে, ভোট প্রদান কেবল একটি অধিকার নয়, বরং এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব। প্রার্থী সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া এবং রাষ্ট্রের শাসনকাজে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্র রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল হতে পারে। জনগণের এই উদাসীনতা বজায় থাকলে রাষ্ট্রটি কখনোই একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো লাভ করতে পারবে না। পরিশেষে বলা যায়, ডেভিডের রাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক স্থবিরতা কাটাতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন এবং দায়িত্বশীলতাই পারে ওই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 8 : বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে একটি স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ছবিসহ একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। মরিয়ম ১৮ বছর বয়স হওয়ায় এবার প্রথম ভোটার হয়। পরে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে একটি গোপন বুথে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়।
ক
১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
খ
১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার কোন কোন বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে? দেখাও।
ঘ
বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার এ ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য। রয়েছে- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে একটি স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ছবিসহ একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। মরিয়ম ১৮ বছর বয়স হওয়ায় এবার প্রথম ভোটার হয়। পরে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে একটি গোপন বুথে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়।
ক
১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
খ
১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার কোন কোন বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে? দেখাও।
ঘ
বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার এ ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য। রয়েছে- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?

১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শ্রীলঙ্কার নাগরিক চামিন্দা কুমারাতুঙ্গার কাছে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৫ সম্পর্কে একটি টিভি চ্যানেল জানতে চেয়েছিল। উত্তরে সে বলে, মহিন্দ সরকারকে আমরা দীর্ঘদিন দেখেছি কিন্তু তারা তাদের কার্যক্রমে শ্রীলঙ্কার জনগণের কাঙ্ক্ষিত আশা- আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। অপরদিকে মৈত্রীপাল সিরিসেন কলম্বোর মেয়র থাকাকালে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং অর্থনীতিকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। এজন্য শ্রীলংকার ৫৫ শতাংশ নাগরিক পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মৈত্রীপাল সিরিসেন- এর ওপর আস্থা রেখেছেন।
ক
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
খ
নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।
গ
উল্লিখিত উদ্দীপকে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি গণতন্ত্রকে সফল করে তোলে- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শ্রীলঙ্কার নাগরিক চামিন্দা কুমারাতুঙ্গার কাছে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৫ সম্পর্কে একটি টিভি চ্যানেল জানতে চেয়েছিল। উত্তরে সে বলে, মহিন্দ সরকারকে আমরা দীর্ঘদিন দেখেছি কিন্তু তারা তাদের কার্যক্রমে শ্রীলঙ্কার জনগণের কাঙ্ক্ষিত আশা- আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। অপরদিকে মৈত্রীপাল সিরিসেন কলম্বোর মেয়র থাকাকালে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং অর্থনীতিকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। এজন্য শ্রীলংকার ৫৫ শতাংশ নাগরিক পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মৈত্রীপাল সিরিসেন- এর ওপর আস্থা রেখেছেন।
ক
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
খ
নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।
গ
উল্লিখিত উদ্দীপকে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি গণতন্ত্রকে সফল করে তোলে- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছিলেন যে, আধুনিক যুগ নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার যুগ। গ্রহণযোগ্য ও কারচুপিবিহীন নির্বাচন সকলের নিকট কাম্য। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এবং সমাদৃত হয়। অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত সরকার গণতন্ত্রের সমার্থক। বক্তব্য শুনে ফাহমিদার মনে হলো ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা। তার মতে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে এরূপ এটি নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক
নির্বাচন কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।
গ
'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
১৯৭৩ সালের নির্বাচন বিষয়ে ফাহমিদার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছিলেন যে, আধুনিক যুগ নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার যুগ। গ্রহণযোগ্য ও কারচুপিবিহীন নির্বাচন সকলের নিকট কাম্য। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এবং সমাদৃত হয়। অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত সরকার গণতন্ত্রের সমার্থক। বক্তব্য শুনে ফাহমিদার মনে হলো ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা। তার মতে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে এরূপ এটি নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক
নির্বাচন কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।
গ
'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
১৯৭৩ সালের নির্বাচন বিষয়ে ফাহমিদার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নির্বাচন কাকে বলে?

নির্বাচন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার এ ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য। রয়েছে- কথাটি বিশ্লেষণ কউদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার কোন কোন বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে? দেখাও।১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?উক্ত বিষয়টি গণতন্ত্রকে সফল করে তোলে- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।উল্লিখিত উদ্দীপকে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?১৯৭৩ সালের নির্বাচন বিষয়ে ফাহমিদার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।নির্বাচন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।