শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত নির্বাচন কীভাবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত নির্বাচন অর্থাৎ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি বৈধ সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরে আসে। ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসের শেষের দিকে যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মেয়াদ শেষে ক্ষমতা ত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে দায়িত্ব অর্পণ করে, তখন থেকেই দেশে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়। তৎকালীন সংবিধান অনুযায়ী বিধান ছিল যে, কোনো দল ক্ষমতা হস্তান্তরের ৯০ দিন পর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মধ্যবর্তী ৯০ দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনি প্রক্রিয়া তদারকি করবে। কিন্তু তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের পদত্যাগের পর ফখরুদ্দীন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৯০ দিন পর, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কারণে সে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় প্রায় দুই বছর পর। আর এভাবে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। এ অসহনীয় অবস্থার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা। এ নির্বাচন সংক্রান্ত সব আশঙ্কা ও গুজবকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বস্তুত এ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশের জনগণ দীর্ঘ দুই বছর পর আবার গণতান্ত্রিক শাসনে ফিরে যাবার সুযোগ লাভ করে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অবসান ঘটিয়ে একটি সুষ্ঠ-সুশৃঙ্খল নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আবার গণতান্ত্রিক অবস্থা ফিরে আসে।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 8 : বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 8 : বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত নির্বাচন কীভাবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস…

উদ্দীপক

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলির মধ্যে একটি নির্বাচন হয়েছিল ডিসেম্বর মাসে। সে নির্বাচনে একটি বড় রাজনৈতিক দলের স্লোগান ছিল 'দিন বদলের ডাক'। অন্য একটি বড় রাজনৈতিক দলের স্লোগান ছিল 'দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও'। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রদান প্রভৃতি নতুন উদ্যোগে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেয় এদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে এবং দীর্ঘ দুই বছরের রাজনৈতিক সংকটের অবসান হয়ে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ফিরে আসে।

Comilla · 2017

উত্তর

নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, গ্রাম-শহর, ধনী-গরীব, পেশা নির্বিশেষে প্রাপ্ত বয়স্ক সকল নাগরিকের ভোটাধিকার প্রাপ্তিকেই সর্বজনীন ভোটাধিকার বলে।

উত্তর

আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন পরিচালিত। নাগরিকগণ তাদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে প্রতিনিধি নিবার্চন করে আইন প্রণয়ন এবং সরকার পরিচালনায় অংশ্রহণ করে থাকে। আর প্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ জনগণ তথা নাগরিকদের পক্ষেই শাসন পরিচালনা করে থাকে। আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সফলতার পূর্বশর্তই হচ্ছে নির্বাচন। এজন্যই বর্তমান প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচনে নাগরিকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের অর্থাৎ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত নির্বাচনে একটি বড় রাজনৈতিক দলের স্লোগান ছিল, 'দিন বদলের ডাক'। অন্য একটি বড় দলের স্লোগান ছিল 'দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও'। এ নির্বাচনেই প্রথম ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। এখানে মূলত বাংলাদেশের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। কেননা আমরা জানি, ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর শুরু হয় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব জোট ও দলের নির্বাচনি প্রচারণা। আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনি ইশতেহারে চাল-ডাল-তেল-সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে। নির্বাচনি ইশতেহারে শেখ হাসিনা 'দিন বদলের ডাক' দেন। বিএনপি ও চার দলীয় জোটের নির্বাচনি স্লোগান ছিল 'দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও'। এ বারই প্রথম দেশের কোনো নির্বাচনে মিছিল, শ্লোগান, শোডাউন ছাড়া নির্বাচনি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। এছাড়া এ নির্বাচনেই প্রথমবারের মতো স্বচ্ছ ব্যলট বাক্স প্রদান করা হয়। এ নির্বাচন নিয়ে যাবতীয় আশঙ্কা ও অনিশ্চয়তা দূর করে ২৯ ডিসেম্বর পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর উদ্দীপকেও এ নির্বাচনের চিত্রই প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত নির্বাচন অর্থাৎ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি বৈধ সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরে আসে। ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসের শেষের দিকে যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মেয়াদ শেষে ক্ষমতা ত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে দায়িত্ব অর্পণ করে, তখন থেকেই দেশে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়। তৎকালীন সংবিধান অনুযায়ী বিধান ছিল যে, কোনো দল ক্ষমতা হস্তান্তরের ৯০ দিন পর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মধ্যবর্তী ৯০ দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনি প্রক্রিয়া তদারকি করবে। কিন্তু তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের পদত্যাগের পর ফখরুদ্দীন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ৯০ দিন পর, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কারণে সে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় প্রায় দুই বছর পর। আর এভাবে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। এ অসহনীয় অবস্থার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা। এ নির্বাচন সংক্রান্ত সব আশঙ্কা ও গুজবকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বস্তুত এ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশের জনগণ দীর্ঘ দুই বছর পর আবার গণতান্ত্রিক শাসনে ফিরে যাবার সুযোগ লাভ করে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অবসান ঘটিয়ে একটি সুষ্ঠ-সুশৃঙ্খল নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আবার গণতান্ত্রিক অবস্থা ফিরে আসে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 8 : বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে একটি স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ছবিসহ একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। মরিয়ম ১৮ বছর বয়স হওয়ায় এবার প্রথম ভোটার হয়। পরে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে একটি গোপন বুথে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়।
ক
১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
খ
১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার কোন কোন বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে? দেখাও।
ঘ
বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার এ ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য। রয়েছে- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে একটি স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ছবিসহ একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। মরিয়ম ১৮ বছর বয়স হওয়ায় এবার প্রথম ভোটার হয়। পরে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে একটি গোপন বুথে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়।
ক
১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
খ
১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার কোন কোন বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে? দেখাও।
ঘ
বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার এ ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য। রয়েছে- কথাটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?

১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শ্রীলঙ্কার নাগরিক চামিন্দা কুমারাতুঙ্গার কাছে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৫ সম্পর্কে একটি টিভি চ্যানেল জানতে চেয়েছিল। উত্তরে সে বলে, মহিন্দ সরকারকে আমরা দীর্ঘদিন দেখেছি কিন্তু তারা তাদের কার্যক্রমে শ্রীলঙ্কার জনগণের কাঙ্ক্ষিত আশা- আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। অপরদিকে মৈত্রীপাল সিরিসেন কলম্বোর মেয়র থাকাকালে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং অর্থনীতিকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। এজন্য শ্রীলংকার ৫৫ শতাংশ নাগরিক পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মৈত্রীপাল সিরিসেন- এর ওপর আস্থা রেখেছেন।
ক
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
খ
নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।
গ
উল্লিখিত উদ্দীপকে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি গণতন্ত্রকে সফল করে তোলে- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শ্রীলঙ্কার নাগরিক চামিন্দা কুমারাতুঙ্গার কাছে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৫ সম্পর্কে একটি টিভি চ্যানেল জানতে চেয়েছিল। উত্তরে সে বলে, মহিন্দ সরকারকে আমরা দীর্ঘদিন দেখেছি কিন্তু তারা তাদের কার্যক্রমে শ্রীলঙ্কার জনগণের কাঙ্ক্ষিত আশা- আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। অপরদিকে মৈত্রীপাল সিরিসেন কলম্বোর মেয়র থাকাকালে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং অর্থনীতিকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। এজন্য শ্রীলংকার ৫৫ শতাংশ নাগরিক পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মৈত্রীপাল সিরিসেন- এর ওপর আস্থা রেখেছেন।
ক
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
খ
নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।
গ
উল্লিখিত উদ্দীপকে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত বিষয়টি গণতন্ত্রকে সফল করে তোলে- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছিলেন যে, আধুনিক যুগ নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার যুগ। গ্রহণযোগ্য ও কারচুপিবিহীন নির্বাচন সকলের নিকট কাম্য। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এবং সমাদৃত হয়। অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত সরকার গণতন্ত্রের সমার্থক। বক্তব্য শুনে ফাহমিদার মনে হলো ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা। তার মতে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে এরূপ এটি নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক
নির্বাচন কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।
গ
'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
১৯৭৩ সালের নির্বাচন বিষয়ে ফাহমিদার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছিলেন যে, আধুনিক যুগ নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার যুগ। গ্রহণযোগ্য ও কারচুপিবিহীন নির্বাচন সকলের নিকট কাম্য। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এবং সমাদৃত হয়। অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত সরকার গণতন্ত্রের সমার্থক। বক্তব্য শুনে ফাহমিদার মনে হলো ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা। তার মতে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে এরূপ এটি নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক
নির্বাচন কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।
গ
'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
১৯৭৩ সালের নির্বাচন বিষয়ে ফাহমিদার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নির্বাচন কাকে বলে?

নির্বাচন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার এ ছাড়াও আরও অনেক বৈশিষ্ট্য। রয়েছে- কথাটি বিশ্লেষণ কউদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থার কোন কোন বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে? দেখাও।১৯৯১ সালের নির্বাচনের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?উক্ত বিষয়টি গণতন্ত্রকে সফল করে তোলে- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।উল্লিখিত উদ্দীপকে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?১৯৭৩ সালের নির্বাচন বিষয়ে ফাহমিদার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর।'অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন' সম্পর্কে বক্তার মন্তব্যটি ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা কর।নির্বাচন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।