শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে মিয়ানমারের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনুসৃত বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বর্ণনা কর।

উত্তর: মিয়ানমারের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সবগুলো বৈশিষ্ট্যই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি বহিঃবিশ্বের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার সাথে সংগতিপূর্ণ। এ নীতির একটি অন্যতম দিক হলো আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান। উদ্দীপকে বর্ণিত মিয়ানমারের সাথে বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে আমরা এ নীতির প্রতিফলন দেখতে পাই। বঙ্গোপসাগরে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘ ৩৮ বছর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে আসছিল। এ দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশের অধিকার স্বতঃসিদ্ধ জানা সত্ত্বেও দেশটি মিয়ানমারের প্রতি কোনো ধ্বংসাত্মক নীতি গ্রহণ করেনি। বরং ন্যায্য অধিকার পেতে দেশটি সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে। পরে শান্তিপূর্ণ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এ সংগঠনটি বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ নিজ দেশের সমৃদ্ধি অর্জন ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষার পাশপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ওপর সমানভাবে শ্রদ্ধাশীল। তাই আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দেশটি শক্তিপ্রয়োগ পরিহার করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানে প্রয়াসী হয়। উদ্দীপকের ঘটনাটি যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

HSC Civics 2nd Paper Chapter 9 : বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 2nd Paper · Chapter 9 : বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে মিয়ানমারের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনুসৃত বা…

উদ্দীপক

দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেও বাংলাদেশ মিয়ানমারের সাথে বঙ্গোপসাগরের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ মিটাতে পারেনি। অবশেষে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এ বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে যায়। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ১৪ মার্চ ২০১২ তারিখে এক ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে। তাতে বাংলাদেশের অধিকার অর্জিত হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আশা করেন যে, বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গেই শান্তিপূর্ণ উপায়ে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব।

Dinajpur · 2017

উত্তর

১৯৪৯ সালে কমনওয়েলথ গঠিত হয়।

উত্তর

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতিকে সামনে রেখে পারস্পরিক সহযোগিতাই হলো সার্কের উদ্দেশ্য। সার্ক সনদে ৮টি লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করা হয়। সেগুলো হলো- দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের মানুষের কল্যাণ সাধন ও জীবনমান উন্নয়ন। দেশগুলোর মধ্যে যৌথভাবে আত্মনির্ভরশীলতা জোরদার করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ, সমস্যার নিষ্পত্তি ও পারস্পরিক বিশ্বাস স্থাপন করা। সদস্য দেশগুলোর বিভিন্ন অগ্রগতির জন্য যৌথভাবে কার্যক্রম স্থির ও রূপায়ন করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন ও সহযোগিতা জোরদার করা। সার্কভুক্ত ৮টি দেশ পারস্পরিক সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার নীতি মেনে চলবে এবং একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে অটল থাকবে।

উত্তর

মিয়ানমারের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সবগুলো বৈশিষ্ট্যই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি বহিঃবিশ্বের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার সাথে সংগতিপূর্ণ। এ নীতির একটি অন্যতম দিক হলো আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান। উদ্দীপকে বর্ণিত মিয়ানমারের সাথে বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে আমরা এ নীতির প্রতিফলন দেখতে পাই। বঙ্গোপসাগরে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘ ৩৮ বছর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে আসছিল। এ দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশের অধিকার স্বতঃসিদ্ধ জানা সত্ত্বেও দেশটি মিয়ানমারের প্রতি কোনো ধ্বংসাত্মক নীতি গ্রহণ করেনি। বরং ন্যায্য অধিকার পেতে দেশটি সমুদ্রসীমা বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে। পরে শান্তিপূর্ণ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এ সংগঠনটি বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ নিজ দেশের সমৃদ্ধি অর্জন ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষার পাশপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ওপর সমানভাবে শ্রদ্ধাশীল। তাই আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দেশটি শক্তিপ্রয়োগ পরিহার করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানে প্রয়াসী হয়। উদ্দীপকের ঘটনাটি যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উত্তর

আলাপ-আলোচনা যেকোনো বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান দিতে সক্ষম। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন যার বাস্তব উদাহরণ। আর এ প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর আশাবাদ পুরণে শান্তিপূর্ণ আলাপ-আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ দেশ স্বার্থগত কারণে নানা ধরনের দ্বন্দ্ব- সংঘাতে জড়িত। এসব দেশ যদি শক্তি প্রয়োগ নীতি পরিহার করে বাংলাদেশের মতো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি গ্রহণ করে তবে দেশের ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই একটি উপযুক্ত ও কার্যকর সমাধান পেতে পারে। সমস্যা সমাধানে আলাপ-আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। আলোচনা যেকোনো বিষয়কেই সহজ এবং যৌক্তিকভাবে উপস্থাপনের সুযোগ করে দেয়। এক্ষেত্রে শত্রুতা নয় বরং মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পারস্পরিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হলে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের অধিকার অর্জন করেছেন এবং তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, যেকোনো দেশই এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সফল হতে পারে। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূলকথা হলো- পৃথিবীর সকল জাতির সাথে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলা। অন্যদিকে নিজেদের অধিকার, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ পুরোপুরি সচেতন। এক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ নীতি পরিহার করে আলোচনার নীতি অনুসরণের ওপরই প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়েছেন। আর তার এ আশাবাদ পূরণে বিশ্বের বিরোধপূর্ণ দেশগুলো বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ বৈদেশিক নীতির অনুসরণ করতে পারে।
HSCCivics 2nd PaperChapter 9 : বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. 'X′X^{\prime} সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রণয়ন ও নির্বাচনি ব্যয় পর্যবেক্ষণ করে। অপরদিকে, মি. 'Y′Y^{\prime} প্রজাতন্ত্রের পক্ষে আইনের জটিল প্রশ্নে মত প্রকাশ করেন।
ক
'দুদক' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
ন্যায়পাল কী?
গ
মি. 'X′X^{\prime} এর সাথে তোমার পঠিত যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মিল খুঁজে পাও তার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মি. 'Y′Y^{\prime} এর প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. 'X′X^{\prime} সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রণয়ন ও নির্বাচনি ব্যয় পর্যবেক্ষণ করে। অপরদিকে, মি. 'Y′Y^{\prime} প্রজাতন্ত্রের পক্ষে আইনের জটিল প্রশ্নে মত প্রকাশ করেন।
ক
'দুদক' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
ন্যায়পাল কী?
গ
মি. 'X′X^{\prime} এর সাথে তোমার পঠিত যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মিল খুঁজে পাও তার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মি. 'Y′Y^{\prime} এর প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ন্যায়পাল কী?

ন্যায়পাল কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'দুদক' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

'দুদক' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রসারের লক্ষ্যে ষাটের দশকের পরে আঞ্চলিক সংগঠন বিস্তৃতি লাভ কর। তেমনিভাবে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় একটি আঞ্চলিক সহযোগী সংস্থা। আন্তঃরক্ষীয় বাণিজ্য বিস্তার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক মিথষ্ক্রিয়া সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে সংস্থাটি এখনও লক্ষ্যে পৌছাতে পারেনি। [চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম]
ক
EU কী?
খ
বৈদেশিক নীতি বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত সংস্থাটি কীভাবে আঞ্চলিক স্বার্থকে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে- তোমার সুচিন্তিত মতামত দাও।
ঘ
দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধানে উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থাটির অবদান মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রসারের লক্ষ্যে ষাটের দশকের পরে আঞ্চলিক সংগঠন বিস্তৃতি লাভ কর। তেমনিভাবে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় একটি আঞ্চলিক সহযোগী সংস্থা। আন্তঃরক্ষীয় বাণিজ্য বিস্তার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক মিথষ্ক্রিয়া সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে সংস্থাটি এখনও লক্ষ্যে পৌছাতে পারেনি। [চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম]
ক
EU কী?
খ
বৈদেশিক নীতি বলতে কী বোঝ?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত সংস্থাটি কীভাবে আঞ্চলিক স্বার্থকে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে- তোমার সুচিন্তিত মতামত দাও।
ঘ
দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধানে উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থাটির অবদান মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বৈদেশিক নীতি বলতে কী বোঝ?

বৈদেশিক নীতি বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.EU কী?

EU কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকের আলোকে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image [খুলনা পাবলিক কলেজ]
ক
উক্ত সংস্থার নাম কী?
খ
ওআইসি গঠনের প্রেক্ষাপট কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থায় বাংলাদেশের ভূমিকা বর্ণনা কর।
ঘ
আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে উক্ত সংস্থার সফলতা ও ব্যর্থতা তুলে ধর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকের আলোকে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image [খুলনা পাবলিক কলেজ]
ক
উক্ত সংস্থার নাম কী?
খ
ওআইসি গঠনের প্রেক্ষাপট কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থায় বাংলাদেশের ভূমিকা বর্ণনা কর।
ঘ
আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে উক্ত সংস্থার সফলতা ও ব্যর্থতা তুলে ধর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ওআইসি গঠনের প্রেক্ষাপট কী ছিল?

ওআইসি গঠনের প্রেক্ষাপট কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উক্ত সংস্থার নাম কী?

উক্ত সংস্থার নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।