শেয়ারFacebookWhatsApp

'নজরুল সাহেবের উৎপাদিত চিংড়ি 'মাছ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে প্রচুরি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সংঘটিত বাজারই আন্তর্জাতিক বাজার। চিংড়ির বাজার বলতে মূলত আন্তর্জাতিক বাজারকে বোঝায়। কারণ দেশে সাধারণ মাছের দামের তুলনায় চিংড়ি মাছের দাম অনেক বেশি। যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই দেশের উৎপাদিত চিংড়ির সিংহ ভাগই রপ্তানি করা হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়। উদ্দীপকের খুলনার মৎস্যজীবী নজরুলের মতো দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অনেকেই চিংড়ি চাষ করে লাভবান হচ্ছে। উৎপাদিত চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে। চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অর্থকরী সম্পদ। ৭০ এর দশক থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে চিংড়ির চাষ এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে গলদা ও বাগদা চিংড়ি রপ্তানি করে প্রায় ৪০৭.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। তাই চিংড়িকে White Gold বা সাদা সোনা বলা হয়।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 2 : বাংলাদেশের কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 2 : বাংলাদেশের কৃষি · সৃজনশীল

'নজরুল সাহেবের উৎপাদিত চিংড়ি 'মাছ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে'-…

উদ্দীপক

খুলনার মৎস্যজীবী নজরুল সাহেব দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য চাষ করেন। তিনি চিংড়ি মাছ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন।

Dinajpur · 2021

উত্তর

দেশীয় সীমানার ভেতরে সাধারণত একই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার বিনিময়কে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলে।

উত্তর

পারস্পরিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দুই বা ততোধিক দেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। পৃথিবীতে প্রত্যেক দেশেরই বিদ্যমান সম্পদ ও উৎপাদন ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। কোনো দেশই তার প্রয়োজনের সবটুকু উৎপাদন করতে পারে না। কোনো দেশ কোনো বিশেষ দ্রব্য দেশীয় চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদন করতে পারে আবার কোনো দ্রব্য উৎপাদন করতে পারলেও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লাভবান না হওয়ায় তা উৎপাদনের পরিবর্তে আমদানি করে থাকে। এভাবে উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি ও প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয়। তাছাড়া কোনো দেশের অর্থনীতিকে সম্প্রসারিত ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয়।

উত্তর

আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে প্রচুরি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সংঘটিত বাজারই আন্তর্জাতিক বাজার। চিংড়ির বাজার বলতে মূলত আন্তর্জাতিক বাজারকে বোঝায়। কারণ দেশে সাধারণ মাছের দামের তুলনায় চিংড়ি মাছের দাম অনেক বেশি। যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই দেশের উৎপাদিত চিংড়ির সিংহ ভাগই রপ্তানি করা হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়। উদ্দীপকের খুলনার মৎস্যজীবী নজরুলের মতো দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অনেকেই চিংড়ি চাষ করে লাভবান হচ্ছে। উৎপাদিত চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে। চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অর্থকরী সম্পদ। ৭০ এর দশক থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে চিংড়ির চাষ এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে গলদা ও বাগদা চিংড়ি রপ্তানি করে প্রায় ৪০৭.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। তাই চিংড়িকে White Gold বা সাদা সোনা বলা হয়।

উত্তর

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চিংড়ি চাষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বলতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ দেশের অর্থনীতির ধারা ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার, রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রভৃতির উন্নয়ন হলো আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। উদ্দীপকের নজরুল সাহেব চিংড়ি মাছ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন। চিংড়ি মাছ বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। হিমায়িত খাদ্য হিসেবে চিংড়ি রপ্তানি করা হয়। আবার, শুকনো চিংড়ি, টিনের প্যাকিং করা চিংড়ি, গুড়ো করা চিংড়ি হিসেবেও রপ্তানি করা হয়। প্রতিবছর বাংলাদেশে রপ্তানিকৃত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের প্রায় ৪৬ শতাংশই চিগুঁড় থেকে আসে। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ১০ শতাংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই খাতের সাথে সম্পর্কিত। দেশের অশিক্ষিত, স্বল্প শিক্ষিত জনগোষ্ঠী চিংড়ি চাষে নিয়োজিত থেকে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। আবার শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ চিংড়ি চাষের মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থান গড়ে তুলছে। ফলে বেকারত্ব কমে যাচ্ছে। চিংড়ি চাষের মাধ্যমে দেশের লবণাক্ত ও পতিত জমি উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। চিংড়ির সম্প্রসারিত বাজারের ফলে, রাস্তাঘাট, পরিবহন, বন্দরসহ প্রভৃতি অবকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে। বর্তমানে দেশে চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ ও রপ্তানির জন্য প্রায় ৭৮টি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চিংড়ি চাষের ভূমিকা অপরিসীম।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 2 : বাংলাদেশের কৃষি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. রফিক একটি কারখানা পরিচালনা করেন। সেই কারখানাটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। এ শিল্পের নিয়োজিত শ্রমিকের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই দরিদ্র ও অদক্ষ মহিলা। মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ ভাগ এই শিল্প থেকে অর্জিত হয়। নানা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে বিশ্ব বাজারে এ শিল্পটি স্থান করে নিয়েছে।
ক
হাইটেক শিল্প কী?
খ
সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত শিল্প কি একই? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. রফিকের শিল্প প্রতিষ্ঠানটির ধরন কীরূপ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্পটি বাংলাদেশের অধিক সম্ভাবনাময়ী শিল্প- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. রফিক একটি কারখানা পরিচালনা করেন। সেই কারখানাটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। এ শিল্পের নিয়োজিত শ্রমিকের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই দরিদ্র ও অদক্ষ মহিলা। মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ ভাগ এই শিল্প থেকে অর্জিত হয়। নানা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে বিশ্ব বাজারে এ শিল্পটি স্থান করে নিয়েছে।
ক
হাইটেক শিল্প কী?
খ
সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত শিল্প কি একই? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. রফিকের শিল্প প্রতিষ্ঠানটির ধরন কীরূপ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্পটি বাংলাদেশের অধিক সম্ভাবনাময়ী শিল্প- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত শিল্প কি একই? ব্যাখ্যা কর।

সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত শিল্প কি একই? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.হাইটেক শিল্প কী?

হাইটেক শিল্প কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশের কৃষির দুটি উপখাতের GDP-এর খাতওয়ারি প্রবৃদ্ধির হার নিচে দেওয়া হলো- question image
ক
কৃষি বিপণন কী?
খ
চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহয্যে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের GDP-তে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক বর্ণনা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশের কৃষির দুটি উপখাতের GDP-এর খাতওয়ারি প্রবৃদ্ধির হার নিচে দেওয়া হলো- question image
ক
কৃষি বিপণন কী?
খ
চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহয্যে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের GDP-তে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক বর্ণনা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন?

চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কৃষি বিপণন কী?

কৃষি বিপণন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের কৃষি অনেকটাই প্রকৃতিনির্ভর। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, পানির স্তরের নিম্নমুখিতা, নদী-নালায় নাব্যতার অভাব ইত্যাদি কারণে এদেশের কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জলবায়ু উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রকল্প, বনায়ন প্রকল্পের ন্যায় বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Barisal · 2017

ক
শস্য বহুমুখীকরণ কাকে বলে?
খ
কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কম পায় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো কৃষিকে কীভাবে প্রভাবিত করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
পরিবেশ দূষণে বিরূপ প্রভাব থেকে কৃষিকে রক্ষার জন্য উদ্দীপকের উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো কি যথেষ্ট? মতামতসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের কৃষি অনেকটাই প্রকৃতিনির্ভর। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, পানির স্তরের নিম্নমুখিতা, নদী-নালায় নাব্যতার অভাব ইত্যাদি কারণে এদেশের কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জলবায়ু উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ প্রকল্প, বনায়ন প্রকল্পের ন্যায় বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Barisal · 2017

ক
শস্য বহুমুখীকরণ কাকে বলে?
খ
কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কম পায় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো কৃষিকে কীভাবে প্রভাবিত করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
পরিবেশ দূষণে বিরূপ প্রভাব থেকে কৃষিকে রক্ষার জন্য উদ্দীপকের উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো কি যথেষ্ট? মতামতসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কম পায় কেন?

কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কম পায় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.শস্য বহুমুখীকরণ কাকে বলে?

শস্য বহুমুখীকরণ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্পটি বাংলাদেশের অধিক সম্ভাবনাময়ী শিল্প- ব্যাখ্যা করো।মি. রফিকের শিল্প প্রতিষ্ঠানটির ধরন কীরূপ? ব্যাখ্যা করো।সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত শিল্প কি একই? ব্যাখ্যা কর।হাইটেক শিল্প কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের GDP-তে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক বর্ণনা দাও।উদ্দীপকে উল্লিখিত বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহয্যে দেখাও।চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন?কৃষি বিপণন কী?পরিবেশ দূষণে বিরূপ প্রভাব থেকে কৃষিকে রক্ষার জন্য উদ্দীপকের উল্লিখিত পদক্ষেপগুলোউদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো কৃষিকে কীভাবে প্রভাবিত করে? ব্যাখ্যা করো।কৃষকরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ কম পায় কেন?শস্য বহুমুখীকরণ কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।