HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
উত্তর
১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
উত্তর
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি। যেগুলো ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদের দিকটি আলোকপাত করা হয়েছে। বনজ সম্পদ যেকোনো দেশের বাণিজ্যিক উন্নতিতে সহায়তা করে থাকে। বনজ সম্পদের মাধ্যমে দেশের সার্বিক জলবায়ুর পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। এছাড়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন- বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এছাড়া পরিবেশসম্মতভাবে আসবাবপত্রসহ আর বিভিন্ন কাজে বনজ সম্পদের ভূমিকা ব্যাপক। মানুষের সুস্থতার জন্য ঔষধি ফলদ ও বনজ বিভিন্ন গাছ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশে যে পরিমাণ বনজ সম্পদ প্রয়োজন বাস্তবে তার তুলনায় সম্পদ অনেক কম রয়েছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৫% বনভূমি, সেই হিসেবে এখানে রয়েছে মাত্র ১৭.৬২%। যা খুবই নগণ্য তাই অবশ্যই পরিবেশ ও জীব জাতির প্রয়োজনে বনজ সম্পদের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
উদ্দীপকে সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় ইত্যাদিসহ বিভিন্ন বনাঞ্চলের উল্লেখ আছে যা প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদকে নির্দেশ করে।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের তথা খণিজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ দেশের অধিকাংশ লোক এখনও প্রকৃত শিক্ষার আলো দ্বারা আলোকিত হতে পারেনি। যার কারণে উন্নত প্রযুক্তি এখনও আমাদের কাছে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়। তাইতো ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার আমরা এখনও সঠিকভাবে করতে পারিনি। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশ রয়েছে তাদের মূল অর্থনৈতিক মানদণ্ড তৈরি হয় খনিজ সম্পদের মাধ্যমে। তারা তাদের এই সম্পদ উত্তোলন এবং রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমানে যে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, কঠিন শিলা, খনিজ বালু, ধাতব খনিজ, সাদামাটি ও সিলিকা বালু। এছাড়া সাধারণত পাথর, চুনাপাথর এবং খনিজ তেল রয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দেশের ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। আর এ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত দ্রব্যসমূহের সঠিকরূপে ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হিসাবে পরিণত হতে পারবে।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো