Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় Economics 2nd Paper

HSC Economics 2nd Paper এর Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪৪৩

প্রশ্ন

Economics 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর

১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি। যেগুলো ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদের দিকটি আলোকপাত করা হয়েছে। বনজ সম্পদ যেকোনো দেশের বাণিজ্যিক উন্নতিতে সহায়তা করে থাকে। বনজ সম্পদের মাধ্যমে দেশের সার্বিক জলবায়ুর পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। এছাড়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন- বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া পরিবেশসম্মতভাবে আসবাবপত্রসহ আর বিভিন্ন কাজে বনজ সম্পদের ভূমিকা ব্যাপক। মানুষের সুস্থতার জন্য ঔষধি ফলদ ও বনজ বিভিন্ন গাছ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশে যে পরিমাণ বনজ সম্পদ প্রয়োজন বাস্তবে তার তুলনায় সম্পদ অনেক কম রয়েছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৫% বনভূমি, সেই হিসেবে এখানে রয়েছে মাত্র ১৭.৬২%। যা খুবই নগণ্য তাই অবশ্যই পরিবেশ ও জীব জাতির প্রয়োজনে বনজ সম্পদের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। উদ্দীপকে সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় ইত্যাদিসহ বিভিন্ন বনাঞ্চলের উল্লেখ আছে যা প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদকে নির্দেশ করে।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের তথা খণিজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ দেশের অধিকাংশ লোক এখনও প্রকৃত শিক্ষার আলো দ্বারা আলোকিত হতে পারেনি। যার কারণে উন্নত প্রযুক্তি এখনও আমাদের কাছে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়। তাইতো ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার আমরা এখনও সঠিকভাবে করতে পারিনি। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশ রয়েছে তাদের মূল অর্থনৈতিক মানদণ্ড তৈরি হয় খনিজ সম্পদের মাধ্যমে। তারা তাদের এই সম্পদ উত্তোলন এবং রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমানে যে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, কঠিন শিলা, খনিজ বালু, ধাতব খনিজ, সাদামাটি ও সিলিকা বালু। এছাড়া সাধারণত পাথর, চুনাপাথর এবং খনিজ তেল রয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দেশের ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। আর এ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত দ্রব্যসমূহের সঠিকরূপে ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হিসাবে পরিণত হতে পারবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর

১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি। যেগুলো ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদের দিকটি আলোকপাত করা হয়েছে। বনজ সম্পদ যেকোনো দেশের বাণিজ্যিক উন্নতিতে সহায়তা করে থাকে। বনজ সম্পদের মাধ্যমে দেশের সার্বিক জলবায়ুর পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। এছাড়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন- বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া পরিবেশসম্মতভাবে আসবাবপত্রসহ আর বিভিন্ন কাজে বনজ সম্পদের ভূমিকা ব্যাপক। মানুষের সুস্থতার জন্য ঔষধি ফলদ ও বনজ বিভিন্ন গাছ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশে যে পরিমাণ বনজ সম্পদ প্রয়োজন বাস্তবে তার তুলনায় সম্পদ অনেক কম রয়েছে। বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৫% বনভূমি, সেই হিসেবে এখানে রয়েছে মাত্র ১৭.৬২%। যা খুবই নগণ্য তাই অবশ্যই পরিবেশ ও জীব জাতির প্রয়োজনে বনজ সম্পদের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। উদ্দীপকে সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় ইত্যাদিসহ বিভিন্ন বনাঞ্চলের উল্লেখ আছে যা প্রাকৃতিক পরিবেশের বনজ সম্পদকে নির্দেশ করে।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের তথা খণিজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ দেশের অধিকাংশ লোক এখনও প্রকৃত শিক্ষার আলো দ্বারা আলোকিত হতে পারেনি। যার কারণে উন্নত প্রযুক্তি এখনও আমাদের কাছে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়। তাইতো ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার আমরা এখনও সঠিকভাবে করতে পারিনি। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশ রয়েছে তাদের মূল অর্থনৈতিক মানদণ্ড তৈরি হয় খনিজ সম্পদের মাধ্যমে। তারা তাদের এই সম্পদ উত্তোলন এবং রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমানে যে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, কঠিন শিলা, খনিজ বালু, ধাতব খনিজ, সাদামাটি ও সিলিকা বালু। এছাড়া সাধারণত পাথর, চুনাপাথর এবং খনিজ তেল রয়েছে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দেশের ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। আর এ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত দ্রব্যসমূহের সঠিকরূপে ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হিসাবে পরিণত হতে পারবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর

একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য যেসব অর্থনৈতিক উপাদান অপরিহার্য সেগুলোই হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর

...
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ, মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্য ইত্যাদি কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। ইংরেজরা প্রায় ২০০ বছর শাসন করেছে। যার ফলে আমরা এর প্রভাব আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এদেশের স্বাধীনতা উত্তরকালে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য মূলধনের স্বল্পতা প্রধান সমস্যা ছিল। তাছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে দক্ষ শ্রমশক্তি দরকার তা আমাদের ছিল না। তাছাড়া বাংলাদেশে সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা ছিল অধিক। ফলে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে উন্নয়নের জন্য সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা সহজ ছিল না। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে মূলধনের অভাব, সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন, জনসংখ্যার আধিক্য ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর

অর্থনৈতিক উন্নয়নের "ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার দারিদ্র্য হ্রাস, রপ্তানি বৃদ্ধি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানব সম্পদ উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। বর্তমান বিশ্বে একটি দেশকে টিকে থাকার জন্য অবশ্যই দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সচল রাখার জন্য দেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরের সম্পদগুলো সদ্ব্যবহার করতে হবে। দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। বেকার জনগণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। এদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দেশের জনশক্তিকে শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। দেশের উন্নয়নের জন্য সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন করতে হবে। উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে গ্রহণ করলে অর্থনৈতিক - উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর

একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য যেসব অর্থনৈতিক উপাদান অপরিহার্য সেগুলোই হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর

...
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ, মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্য ইত্যাদি কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। ইংরেজরা প্রায় ২০০ বছর শাসন করেছে। যার ফলে আমরা এর প্রভাব আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এদেশের স্বাধীনতা উত্তরকালে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য মূলধনের স্বল্পতা প্রধান সমস্যা ছিল। তাছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে দক্ষ শ্রমশক্তি দরকার তা আমাদের ছিল না। তাছাড়া বাংলাদেশে সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা ছিল অধিক। ফলে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে উন্নয়নের জন্য সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা সহজ ছিল না। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে মূলধনের অভাব, সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন, জনসংখ্যার আধিক্য ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর

অর্থনৈতিক উন্নয়নের "ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার দারিদ্র্য হ্রাস, রপ্তানি বৃদ্ধি, আমদানি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানব সম্পদ উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। বর্তমান বিশ্বে একটি দেশকে টিকে থাকার জন্য অবশ্যই দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সচল রাখার জন্য দেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরের সম্পদগুলো সদ্ব্যবহার করতে হবে। দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। বেকার জনগণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। এদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দেশের জনশক্তিকে শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। দেশের উন্নয়নের জন্য সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন করতে হবে। উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে গ্রহণ করলে অর্থনৈতিক - উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর

একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-প্রকৃতি, মাটি; জলবায়ু, নদনদী এবং খনিজ, বনজ, প্রাণিজ প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদের সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্ট পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

হ্যাঁ, মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপতার প্রধান কারণ। মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ। মূলধনের স্বল্পতার কারণেই একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল কৃষিপ্রধান দেশ। মূলধনের স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম হলে মূলধন গঠনের হারও কম হয়। মূলধনের অভাবে নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনশক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারও সম্ভব হয় না। ফলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই বলা যায়, মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উদ্দীপকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। যেগুলোতে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগ। ওই সকল স্থানে ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্র্যান্ড তৈরি হয়। যেগুলো প্রস্তুত করে অক্ষরজ্ঞানহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকেরা। শুধু এগুলোয় নয়, তারা পৃথিবীর যেকোনো দেশের পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই বানিয়ে দিতে পারে। গুণে মানে এ পণ্যগুলো বিদেশি পণ্যকেও হার মানায়। বাংলাদেশে এমন হাজারো কারখানা রয়েছে, যেগুলো এমন হাজারো গুণের অধিকারী। কিন্তু এমন গুণসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও এ সকল কারখানা রয়েছে অনাদর-অবহেলায়। শুধু এমন যন্ত্রের কারখানায় নয়, এমন আরও অনেক শিল্পের কর্তৃপক্ষ যদি যথাযথ নজর প্রদান করে এ বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে তদারকি করে তবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এগুলো যথেষ্ট প্রভাব রাখতে সক্ষম হবে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিত বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লিখিত ক্ষেত্রটির যথোপযুক্ত তদারকি সম্ভব হলে ওই খাতগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিবে বলে আমি মনে করি।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর

বর্তমান যুগ বিশ্বায়নের যুগ। বিশ্বায়ন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যা অধিক জনগণের মধ্যে অবাধ পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দ্বারা মূলধন বাজারের সমন্বয়ে পণ্য ও সেবার অবাধ লেনদেনকে বোঝায়। এর ফলে পৃথিবীব্যাপী অধিক বাজার, অধিক ব্যবসায় এবং অধিক অর্থনীতির মধ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ ঘটে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ প্রসঙ্গে বলে, বিশ্বায়ন প্রকৃতপক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ ও জাতিসমূহের আত্মনির্ভরশীলতা বোঝায়। বৈশ্বিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ফলে যেসব সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, তা হলো- বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অধিক কর্মসংস্থান, অধিক উৎপাদন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জীবনের মানোন্নয়ন, সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভব, জনশক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা। আর এখানে বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি। বৈশ্বিক অবস্থার প্রভাবে একটি দেশ বা জাতির যে-কোনো ধরনের পরিবর্তন একটি সময় সাপেক্ষ মাত্র। কেননা বৈশ্বিক অবস্থার মধ্যে সব ধরনের পরিবর্তনের অবস্থা লক্ষ্য করা যায়। পরিশেষে বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, "এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।" কথাটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর

একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-প্রকৃতি, মাটি; জলবায়ু, নদনদী এবং খনিজ, বনজ, প্রাণিজ প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদের সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্ট পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

হ্যাঁ, মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপতার প্রধান কারণ। মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ। মূলধনের স্বল্পতার কারণেই একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল কৃষিপ্রধান দেশ। মূলধনের স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম হলে মূলধন গঠনের হারও কম হয়। মূলধনের অভাবে নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনশক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারও সম্ভব হয় না। ফলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই বলা যায়, মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উদ্দীপকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। যেগুলোতে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগ। ওই সকল স্থানে ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্র্যান্ড তৈরি হয়। যেগুলো প্রস্তুত করে অক্ষরজ্ঞানহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকেরা। শুধু এগুলোয় নয়, তারা পৃথিবীর যেকোনো দেশের পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই বানিয়ে দিতে পারে। গুণে মানে এ পণ্যগুলো বিদেশি পণ্যকেও হার মানায়। বাংলাদেশে এমন হাজারো কারখানা রয়েছে, যেগুলো এমন হাজারো গুণের অধিকারী। কিন্তু এমন গুণসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও এ সকল কারখানা রয়েছে অনাদর-অবহেলায়। শুধু এমন যন্ত্রের কারখানায় নয়, এমন আরও অনেক শিল্পের কর্তৃপক্ষ যদি যথাযথ নজর প্রদান করে এ বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে তদারকি করে তবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এগুলো যথেষ্ট প্রভাব রাখতে সক্ষম হবে। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিত বলা যায়, উদ্দীপকের উল্লিখিত ক্ষেত্রটির যথোপযুক্ত তদারকি সম্ভব হলে ওই খাতগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিবে বলে আমি মনে করি।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর

বর্তমান যুগ বিশ্বায়নের যুগ। বিশ্বায়ন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যা অধিক জনগণের মধ্যে অবাধ পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দ্বারা মূলধন বাজারের সমন্বয়ে পণ্য ও সেবার অবাধ লেনদেনকে বোঝায়। এর ফলে পৃথিবীব্যাপী অধিক বাজার, অধিক ব্যবসায় এবং অধিক অর্থনীতির মধ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ ঘটে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ প্রসঙ্গে বলে, বিশ্বায়ন প্রকৃতপক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ ও জাতিসমূহের আত্মনির্ভরশীলতা বোঝায়। বৈশ্বিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ফলে যেসব সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, তা হলো- বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অধিক কর্মসংস্থান, অধিক উৎপাদন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জীবনের মানোন্নয়ন, সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভব, জনশক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা। আর এখানে বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি। বৈশ্বিক অবস্থার প্রভাবে একটি দেশ বা জাতির যে-কোনো ধরনের পরিবর্তন একটি সময় সাপেক্ষ মাত্র। কেননা বৈশ্বিক অবস্থার মধ্যে সব ধরনের পরিবর্তনের অবস্থা লক্ষ্য করা যায়। পরিশেষে বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, "এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।" কথাটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো