উদ্দীপকে জনাব মুনিরুজ্জামানের জমি বিক্রয়ের আয়কে কোন ধরনের আয় বলা যায় তা যুক্তিসহ লেখ।
উত্তর: উদ্দীপকে জনাব মুনিরুজ্জামানের জমি বিক্রয়ের আয়কে অনুপার্জিত আয় বলা যায়। দেশে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে, অর্থনৈতিক উন্নতি হলে, সাধারণভাবে জমির দাম অত্যধিক বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে জমির মালিক কোনো বাড়তি পরিশ্রম বা বিনিয়োগ না করে যে অতিরিক্ত আয় অর্জন করে, তাকে অনুপার্জিত আয় বলে। অর্থনীতিবিদ চ্যাপম্যান-এর মতে, “সামাজিক অগ্রগতির বিশেষ বৃদ্ধির ফলে দ্রব্যসামগ্রীর যে মূল্য বৃদ্ধি পায়, তাকে অনুপার্জিত আয় বলে ।” নিম্নোক্ত কারণে অনুপার্জিত আয়ের উদ্ভব হয়। ১. জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে জমির চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং জমির দাম বাড়ে। ২. উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যেমন- রাস্তাঘাট, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি গড়ে উঠলে জমির দাম বেড়ে যায়। ৩. নতুন নতুন এলাকায় শহর গড়ে উঠলে ওই এলাকার জমির দাম বেড়ে যায়। [চিত্র] অনুপার্জিত আয়কে চিত্রের মাধ্যমে P ব্যাখ্যা করা যায়। চিত্রে জমির দাম D অস্থিতিস্থাপক যোগান রেখা SS এবং DD জমির চাহিদা রেখা নির্দেশ করে। প্রাথমিক চাহিদা রেখা DD জমির P যোগান রেখাকে E বিন্দুতে ছেদ করায় জমির দাম নির্ধারিত হয়েছে P1। এখানে কোনো এলাকায় নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণে জমির চাহিদা রেখা DD থেকে D1 D1 এ স্থানান্তরিত হলে জমির দাম OP2 হয়। ফলে জমির মালিকের অনুপার্জিত আয়ের পরিমাণ হলো P1 P2 E1 E. চিত্রে ছায়াকৃত অঞ্চলই হলো অনুপার্জিত আয়। সুতরাং উদ্দীপকের জনাব মনিরুজ্জামানের জমি বিক্রয়ের আয়কে অনুপার্জিত আয় বলা যায়।
HSC Economics 1st Paper Chapter 8 : খাজনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 1st Paper · Chapter 8 : খাজনা · সৃজনশীল
উদ্দীপকে জনাব মুনিরুজ্জামানের জমি বিক্রয়ের আয়কে কোন ধরনের আয় বলা…
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
অনুপার্জিত আয়কে চিত্রের মাধ্যমে P ব্যাখ্যা করা যায়। চিত্রে জমির দাম D অস্থিতিস্থাপক যোগান রেখা SS এবং DD জমির চাহিদা রেখা নির্দেশ করে। প্রাথমিক চাহিদা রেখা DD জমির P যোগান রেখাকে E বিন্দুতে ছেদ করায় জমির দাম নির্ধারিত হয়েছে P1।
এখানে কোনো এলাকায় নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণে জমির চাহিদা রেখা DD থেকে D1 D1 এ স্থানান্তরিত হলে জমির দাম OP2 হয়। ফলে জমির মালিকের অনুপার্জিত আয়ের পরিমাণ হলো P1 P2 E1 E. চিত্রে ছায়াকৃত অঞ্চলই হলো অনুপার্জিত আয়।
সুতরাং উদ্দীপকের জনাব মনিরুজ্জামানের জমি বিক্রয়ের আয়কে অনুপার্জিত আয় বলা যায়।উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে জমির শ্রেণি, লম্ব অক্ষে আয় ও ব্যয় নির্দেশ করা হয়েছে। ১ম, ২য় ও ৩য় শ্রেণির জমিকে যথাক্রমে A, B ও C হিসেবে নির্দেশ করা হলো। চিত্র থেকে বোঝা যায়, A আয়তক্ষেত্র ১২০০০ টাকার আয়, B আয়তক্ষেত্র ৮০০০ টাকার আয় এবং C আয়তক্ষেত্র ৬০০০ টাকার আয় নির্দেশ করে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রেণির জমিতে উৎপাদন ব্যয় ৬০০০ টাকা হলে C শ্রেণির জমিকে প্রান্তিক জমি বলা যায়। C আয়তক্ষেত্রের সমান ক্ষেত্র A ও B ক্ষেত্র থেকে বাদ দিলে যে ছায়াকৃত অংশ পাওয়া যায়, তাই A ও B শ্রেণির জমির খাজনা। যেমন A শ্রেণির জমির খাজনা = ১২০০০ - ৬০০০ টাকা = ৬০০০ টাকা এবং B শ্রেণির জমির খাজনা = ৪০০০ - ৬০০০ টাকা = ২০০০ টাকা।

