Chapter 8 : খাজনা Economics 1st Paper

HSC Economics 1st Paper এর Chapter 8 : খাজনা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৫৩

প্রশ্ন

Economics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

চিত্রটি লক্ষ করে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও : question image
ক
নিম খাজনার সূত্রটি লেখ।

উত্তর

সূত্র: নিম খাজনা = মোট আয় (TR) - মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় (TVC)
খ
অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কোন খাজনা দেওয়া হয়?

উত্তর

খাজনার উৎপত্তি ও উদ্ভব সম্পর্কে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। খাজনার উৎপত্তি ও খাজনা প্রদানের কারণ সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলেও কতগুলো কারণকে সুনির্দিষ্ট করা যায়। এর মধ্যে অবস্থানগত পার্থক্য অন্যতম। জমির অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কাম্য জমি ব্যবহারকারীকে খাজনা দিতে হয়। দূরবর্তী জমি অপেক্ষা শহর ও বাজারের নিকটবর্তী জমি ব্যবহারকারীর নিকট চাহিদা বেশি। ফলে এ ধরনের জমির খাজনাও অধিক প্রদান করতে হয়।
গ
উপরের রেখা চিত্রে খাজনা নির্ধারণের কোন তত্ত্বটি তুলে ধরা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রেখাচিত্রটি খাজনা নির্ধারণে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বটি তুলে ধরেছে। সুপণ্ডিত ধর্মযাজক ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ টমাস রবার্ট ম্যালথাস-এর জনসংখ্যা তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে অধ্যাপক ডেভিড রিকার্ডো তাঁর খাজনা তত্ত্বটি প্রকাশ করেন। তিনি ১৯১৭ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Principle of Economics′Economics^{\prime} এ খাজনা সম্পর্কে যে মত প্রকাশ করেন তাই তাঁর নামানুসারে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব নামে পরিচিত। তিনি বলেন, খাজনা হচ্ছে জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর ক্ষমতার প্রতিদান। এ ক্ষমতা বলতে তিনি জমির উর্বরাশক্তিকেই নির্দেশ করেন। তাঁর মতে, সব জমির উর্বরাশক্তি সমান নয়। এক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্ট জমি রয়েছে। এর উৎপন্ন ফসলের পর্যাপ্ততার ওপরই খাজনা নির্ভর করে। রিকার্ডোর মতে, যে জমির উৎপাদন খরচ ও আয় পরস্পর সমান সেই জমিকে খাজনাবিহীন জমি বা প্রান্তিক জমি বলে। সুতরাং বিভিন্ন প্রকার উর্বরাশক্তির পার্থক্যের কারণেই খাজনা সৃষ্টি হয়। এজন্য তিনি খাজনাকে উৎপাদকের উদ্বৃত্ত বা পার্থক্যজনিত প্রাপ্তি বলে অভিহিত করেন। উপরিউক্ত আলোচনাটিতে মূলত রিকার্ডের খাজনা তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
ঘ
চিত্রে খাজনার পরিমাণ কত এবং কীভাবে খাজনা নির্ধারিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ভিত্তিতে যে খাজনা তত্ত্বটি চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করার কথা বলা হয়েছে সেটি হলো রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব। চিত্রে ভূমি অক্ষে জমির পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে আয়-ব্যয় নির্দেশ করা হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণির জমিকে A. B ও C দ্বারা নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্র থেকে বোঝা যায় A আয়তক্ষেত্রে ৬০০ টাকার আয়, B আয়তক্ষেত্রে ৫০০ টাকা আয় এবং C আয়তক্ষেত্রে ৪০০ টাকা আয় নির্দেশ করে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রেণির জমিতে উৎপাদন ব্যয় ৪০০ টাকা হলে C শ্রেণি বা তৃতীয় শ্রেণির জমিতে কোনো উদ্বৃত্ত থাকে না। কারণ এ জমিতে আয়-ব্যয় সমান হয়। রিকার্ডোর মতে, এ জমিকে প্রান্তিক জমি বা খাজনাবিহীন জমি বলে। C আয়তক্ষেত্র সমানক্ষেত্র A ও B ক্ষেত্র থেকে বাদ দিলে যে ছায়াবৃত্ত অংশ পাওয়া যায়, তাই A ও B শ্রেণির জমির খাজনা ৬০০-৪০০ = ২০০ টাকা এবং B বা দ্বিতীয় শ্রেণির জমির খাজনা ৫০০-৪০০ = ১০০ টাকা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

চিত্রটি লক্ষ করে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও : question image
ক
নিম খাজনার সূত্রটি লেখ।

উত্তর

সূত্র: নিম খাজনা = মোট আয় (TR) - মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় (TVC)
খ
অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কোন খাজনা দেওয়া হয়?

উত্তর

খাজনার উৎপত্তি ও উদ্ভব সম্পর্কে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। খাজনার উৎপত্তি ও খাজনা প্রদানের কারণ সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলেও কতগুলো কারণকে সুনির্দিষ্ট করা যায়। এর মধ্যে অবস্থানগত পার্থক্য অন্যতম। জমির অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কাম্য জমি ব্যবহারকারীকে খাজনা দিতে হয়। দূরবর্তী জমি অপেক্ষা শহর ও বাজারের নিকটবর্তী জমি ব্যবহারকারীর নিকট চাহিদা বেশি। ফলে এ ধরনের জমির খাজনাও অধিক প্রদান করতে হয়।
গ
উপরের রেখা চিত্রে খাজনা নির্ধারণের কোন তত্ত্বটি তুলে ধরা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রেখাচিত্রটি খাজনা নির্ধারণে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বটি তুলে ধরেছে। সুপণ্ডিত ধর্মযাজক ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ টমাস রবার্ট ম্যালথাস-এর জনসংখ্যা তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে অধ্যাপক ডেভিড রিকার্ডো তাঁর খাজনা তত্ত্বটি প্রকাশ করেন। তিনি ১৯১৭ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Principle of Economics′Economics^{\prime} এ খাজনা সম্পর্কে যে মত প্রকাশ করেন তাই তাঁর নামানুসারে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব নামে পরিচিত। তিনি বলেন, খাজনা হচ্ছে জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর ক্ষমতার প্রতিদান। এ ক্ষমতা বলতে তিনি জমির উর্বরাশক্তিকেই নির্দেশ করেন। তাঁর মতে, সব জমির উর্বরাশক্তি সমান নয়। এক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্ট জমি রয়েছে। এর উৎপন্ন ফসলের পর্যাপ্ততার ওপরই খাজনা নির্ভর করে। রিকার্ডোর মতে, যে জমির উৎপাদন খরচ ও আয় পরস্পর সমান সেই জমিকে খাজনাবিহীন জমি বা প্রান্তিক জমি বলে। সুতরাং বিভিন্ন প্রকার উর্বরাশক্তির পার্থক্যের কারণেই খাজনা সৃষ্টি হয়। এজন্য তিনি খাজনাকে উৎপাদকের উদ্বৃত্ত বা পার্থক্যজনিত প্রাপ্তি বলে অভিহিত করেন। উপরিউক্ত আলোচনাটিতে মূলত রিকার্ডের খাজনা তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
ঘ
চিত্রে খাজনার পরিমাণ কত এবং কীভাবে খাজনা নির্ধারিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ভিত্তিতে যে খাজনা তত্ত্বটি চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করার কথা বলা হয়েছে সেটি হলো রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব। চিত্রে ভূমি অক্ষে জমির পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে আয়-ব্যয় নির্দেশ করা হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণির জমিকে A. B ও C দ্বারা নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্র থেকে বোঝা যায় A আয়তক্ষেত্রে ৬০০ টাকার আয়, B আয়তক্ষেত্রে ৫০০ টাকা আয় এবং C আয়তক্ষেত্রে ৪০০ টাকা আয় নির্দেশ করে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রেণির জমিতে উৎপাদন ব্যয় ৪০০ টাকা হলে C শ্রেণি বা তৃতীয় শ্রেণির জমিতে কোনো উদ্বৃত্ত থাকে না। কারণ এ জমিতে আয়-ব্যয় সমান হয়। রিকার্ডোর মতে, এ জমিকে প্রান্তিক জমি বা খাজনাবিহীন জমি বলে। C আয়তক্ষেত্র সমানক্ষেত্র A ও B ক্ষেত্র থেকে বাদ দিলে যে ছায়াবৃত্ত অংশ পাওয়া যায়, তাই A ও B শ্রেণির জমির খাজনা ৬০০-৪০০ = ২০০ টাকা এবং B বা দ্বিতীয় শ্রেণির জমির খাজনা ৫০০-৪০০ = ১০০ টাকা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপকটি পড় এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image
ক
নিম খাজনা কাকে বলে?

উত্তর

মনুষ্য সৃষ্ট উৎপাদনের উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্পকালে প্রাপ্ত আয় এবং মোট পরিবর্তনীয় ব্যয়ের পার্থক্য থেকে সৃষ্ট উদ্বৃত্ত হলো নিম খাজনা।
খ
ভূমির উর্বরতার পার্থক্যের কারণে কেন খাজনা সৃষ্টি হয়?

উত্তর

জমির উর্বরতার পার্থক্যের জন্যও খাজনার উদ্ভব ঘটে। সকল ভূমি সমান উর্বর নয়। কোনো ভূমি বেশি উর্বর, আবার কোনো ভূমি কম উর্বর। ভূমির এরূপ পার্থক্যহেতু কোনো ভূমিতে বেশি ফসল এবং কোনো ভূমিতে কম ফসল উৎপন্ন হয়। ফলে উর্বরতায় পার্থক্যের জন্য সৃষ্ট এ উদ্বৃত্ত আয় খাজনা হিসেবে দেওয়া হয়।
গ
উদ্দীপকে q1 উৎপাদনে খাজনার পরিমাণ নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রটি দ্বারা আধুনিক খাজনা তথ্যকে নির্দেশ করছে। আধুনিক অর্থনীতিবিদগণের মতে, কোনো একটি উপাদান এককের যোগান সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপকতার কম বা কিছুটা স্থিতিস্থাপক এর অর্থ হলো ওই উপাদানের সব এককের ন্যূনতম যোগান দাম সব ক্ষেত্রে সমান নয়। এ অবস্থায় উপাদানের কোনো একক তার ন্যূনতম যোগান দাম অপেক্ষা বর্তমানে নিয়োজিত ক্ষেত্রে যে পরিমাণ বেশি বা অতিরিক্ত আয় করে তাকেই খাজনা বলে। অর্থাৎ অর্থনৈতিক খাজনা = বর্তমান ক্ষেত্র থেকে অর্জিত আয়ের ন্যূনতম যোগান দাম। question image চিত্রে ভূমি অক্ষে পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে দাম নির্দেশ করা হয়েছে। DD হলো উপকরণের চাহিদা রেখা এবং SS হলো উপকরণের যোগান রেখা। এক্ষেত্রে SS রেখার উপরে দাম রেখা (P0) পর্যন্ত খাজনা নির্ধারিত হবে। q1 উৎপাদনে খাজনার পরিমাণ হলো SP∘abS P_{\circ} a b পরিমাণ।
ঘ
উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্ব ও রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পাও কি? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্বটি হলো আধুনিক খাজনা তত্ত্ব। আধুনিক খাজনা তত্ত্ব ও উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্বের মধ্যে অনেক পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়। রিকার্ডোর মতে, জমির আদি ও অক্ষয় শক্তি ব্যবহারের জন্য খাজনা দেওয়া হয়। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর ক্ষমতা ফলে কিছু নেই। কেননা একই জমি বার বার চাষ করলে তার উৎপাদিত শক্তি হ্রাস পায়। রিকার্ডোর মতে, প্রান্তিক জমির কোনো খাজনা নেই। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদের মতে এ ধারণা ঠিক নয়। সকল প্রকার জমির জন্যই কমবেশি খাজনা দিতে হয়। বাস্তবে রিকার্ডোর খাজনাবিহীন প্রান্তিক জমির কোনো অস্তিত্ব নেই। রিকার্ডোর মতে, কেবল জমি ব্যবহারের জন্য খাজনা দিতে হয় কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে যেকোনো দুষ্প্রাপ্য উপকরণের ক্ষেত্রে খাজনার উদ্ভব হতে পারে। রিকার্ডোর মতে, দ্রব্যের দাম খাজনাকে প্রভাবিত করে কিন্তু খাজনা দ্রব্যের দামকে প্রভাবিত করে না। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে এ কথা সর্বদা সত্য নয়। অনেক সময় খাজনা বেশি ফলে দ্রব্যের দাম বেশি হয়। এ অবস্থায় খাজনা দামের অন্তর্ভুক্ত হয়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনাটিই রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের সাথে উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্বের পার্থক্য নির্দেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপকটি পড় এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : question image
ক
নিম খাজনা কাকে বলে?

উত্তর

মনুষ্য সৃষ্ট উৎপাদনের উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্পকালে প্রাপ্ত আয় এবং মোট পরিবর্তনীয় ব্যয়ের পার্থক্য থেকে সৃষ্ট উদ্বৃত্ত হলো নিম খাজনা।
খ
ভূমির উর্বরতার পার্থক্যের কারণে কেন খাজনা সৃষ্টি হয়?

উত্তর

জমির উর্বরতার পার্থক্যের জন্যও খাজনার উদ্ভব ঘটে। সকল ভূমি সমান উর্বর নয়। কোনো ভূমি বেশি উর্বর, আবার কোনো ভূমি কম উর্বর। ভূমির এরূপ পার্থক্যহেতু কোনো ভূমিতে বেশি ফসল এবং কোনো ভূমিতে কম ফসল উৎপন্ন হয়। ফলে উর্বরতায় পার্থক্যের জন্য সৃষ্ট এ উদ্বৃত্ত আয় খাজনা হিসেবে দেওয়া হয়।
গ
উদ্দীপকে q1 উৎপাদনে খাজনার পরিমাণ নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রটি দ্বারা আধুনিক খাজনা তথ্যকে নির্দেশ করছে। আধুনিক অর্থনীতিবিদগণের মতে, কোনো একটি উপাদান এককের যোগান সম্পূর্ণ স্থিতিস্থাপকতার কম বা কিছুটা স্থিতিস্থাপক এর অর্থ হলো ওই উপাদানের সব এককের ন্যূনতম যোগান দাম সব ক্ষেত্রে সমান নয়। এ অবস্থায় উপাদানের কোনো একক তার ন্যূনতম যোগান দাম অপেক্ষা বর্তমানে নিয়োজিত ক্ষেত্রে যে পরিমাণ বেশি বা অতিরিক্ত আয় করে তাকেই খাজনা বলে। অর্থাৎ অর্থনৈতিক খাজনা = বর্তমান ক্ষেত্র থেকে অর্জিত আয়ের ন্যূনতম যোগান দাম। question image চিত্রে ভূমি অক্ষে পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে দাম নির্দেশ করা হয়েছে। DD হলো উপকরণের চাহিদা রেখা এবং SS হলো উপকরণের যোগান রেখা। এক্ষেত্রে SS রেখার উপরে দাম রেখা (P0) পর্যন্ত খাজনা নির্ধারিত হবে। q1 উৎপাদনে খাজনার পরিমাণ হলো SP∘abS P_{\circ} a b পরিমাণ।
ঘ
উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্ব ও রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পাও কি? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্বটি হলো আধুনিক খাজনা তত্ত্ব। আধুনিক খাজনা তত্ত্ব ও উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্বের মধ্যে অনেক পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়। রিকার্ডোর মতে, জমির আদি ও অক্ষয় শক্তি ব্যবহারের জন্য খাজনা দেওয়া হয়। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর ক্ষমতা ফলে কিছু নেই। কেননা একই জমি বার বার চাষ করলে তার উৎপাদিত শক্তি হ্রাস পায়। রিকার্ডোর মতে, প্রান্তিক জমির কোনো খাজনা নেই। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদের মতে এ ধারণা ঠিক নয়। সকল প্রকার জমির জন্যই কমবেশি খাজনা দিতে হয়। বাস্তবে রিকার্ডোর খাজনাবিহীন প্রান্তিক জমির কোনো অস্তিত্ব নেই। রিকার্ডোর মতে, কেবল জমি ব্যবহারের জন্য খাজনা দিতে হয় কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে যেকোনো দুষ্প্রাপ্য উপকরণের ক্ষেত্রে খাজনার উদ্ভব হতে পারে। রিকার্ডোর মতে, দ্রব্যের দাম খাজনাকে প্রভাবিত করে কিন্তু খাজনা দ্রব্যের দামকে প্রভাবিত করে না। কিন্তু আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে এ কথা সর্বদা সত্য নয়। অনেক সময় খাজনা বেশি ফলে দ্রব্যের দাম বেশি হয়। এ অবস্থায় খাজনা দামের অন্তর্ভুক্ত হয়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনাটিই রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বের সাথে উদ্দীপকের খাজনা তত্ত্বের পার্থক্য নির্দেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]
ক
খাজনা কী?

উত্তর

ভূমি বা সীমাবদ্ধ যোগান বিশিষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের জন্য তার মালিক 'যে অর্থ প্রদান করা হয় তাই খাজনা।
খ
উর্বরতার কারণে খাজনার উদ্ভব হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ভূমির উর্বরাশক্তির পার্থক্যের কারণে খাজনার 'উদ্ভব হয়। উর্বরতার দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখা যায় সকল জমি উর্বর নয়। উর্বর জমি হতে বেশি খাজনা পাওয়া যায় এবং অনুর্বর থেকে কম পাওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে অনুর্বর জমিতে খাজনা শূন্যও হয়ে থাকে। তাই বলা যায় ভূমির উর্বরতার কারণে খাজনার উদ্ভব।
গ
'খ' চিত্রের খাজনার যে ধারণাটি বর্ণনা করা হয়েছে তার পরিমাণ নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'খ' চিত্রে নিম খাজনার ধারণাটি বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নে চিত্রের বর্ণনার মাধ্যমে নিম খাজনার পরিমাণ নির্দেশ করা হলো: স্বল্পকালে উৎপাদনের উপকরণগুলোর যোগান অস্থিতিস্থাপক। ফলে এসব উপকরণ থেকে স্বল্পকালে আয় অপেক্ষা যে অতিরিক্ত আয় পাওয়া যায়, সেই আয়কে নিম খাজনা বলে। অর্থাৎ মানবসৃষ্ট উৎপাদনের উপকরণ থেকে স্বল্পকালে যে অতিরিক্ত আয় পাওয়া যায়, তাকে নিম খাজনা বলে। question image চিত্রে ভূমি অক্ষে উৎপাদনের পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে দামও নিম খাজনা নির্দেশিত। স্বল্পকালীন গড় পরিবর্তনশীল খরচ রেখা AVC, প্রান্তিক ব্যয় রেখা MC। চিত্রে E বিন্দুতে ভারসাম্যে শর্ত MR = MC এবং MC রেখা নিচ দিক থেকে MR রেখাকে ছেদ করেছে। তাহলে E বিন্দুতে ভারসাম্য দাম 20 এবং ভারসাম্য পরিমাণ 20 একক। ∴ মোট আয় (TR) = ভারসাম্য দাম × ভারসাম্য উৎপাদন = 20 × 20 = 400 ∴ মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় TVC = AVC × Q = 15 × 20 = 300 ∴ নিম খাজনা QR = TR - TVC = 400-300 = 100 অতএব, 'খ' চিত্রে নিম খাজনার ধারণা বর্ণনা করা হয়েছে। যেখানে নিম খাজনা QR = 100 |
ঘ
'ক' ও 'খ' হতে প্রাপ্ত খাজনাদ্বয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে। কি? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকে প্রদত্ত 'ক' ও 'খ' চিত্র থেকে প্রাপ্ত খাজনাদ্বয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। 'ক' চিত্রে খাজনা এবং 'খ' চিত্রে নিম খাজনা প্রদর্শিত। নিম্নে নিম খাজনা ও খাজনার পার্থক্য আলোচনা করা হলো: সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক যোগানের কারণে ভূমি থেকে যে অতিরিক্ত আয় পাওয়া যায় তাকে খাজনা বলে। পক্ষান্তরে, মানুষের তৈরি উৎপাদনের উপকরণের যোগান স্বল্পকালে অস্থিতিস্থাপক হলে অতিরিক্ত চাহিদার জন্য যেসব উপকরণ স্বাভাবিক আয় অপেক্ষা যে অতিরিক্ত আয় করে তাকে নিম খাজনা বলে। খাজনা ও নিম খাজনা দুই-ই সীমাবদ্ধ যোগানবিশিষ্ট উপকরণ থেকে সৃষ্টি হয়। জমিসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের যোগান সবসময় স্থির ও নির্দিষ্ট বলে স্বল্প ও দীর্ঘ উভয় সময়েই খাজনার উৎপত্তি ঘটে। কিন্তু মানুষের তৈরি উপকরণের যোগান স্বল্পকালে স্থির হলেও দীর্ঘকালে তার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে বলে নিম খাজনা স্বল্পকালে পাওয়া গেলেও দীর্ঘকালে তা লোপ পায়। উৎপাদন ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত আয় হলো খাজনা। তাই খাজনা উৎপাদন ব্যয় বা দামের অংশ নয়। কিন্তু নিম খাজনাকে স্বল্পকালে উদ্বৃত্ত আয় হিসেবে গণ্য করা হলেও দীর্ঘকালে তা পরিবর্তনীয় ব্যয়ের প্রেক্ষিতে উৎপাদন খরচের অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই দীর্ঘকালে নিম খাজনার অস্তিত্ব থাকে না। খাজনার সূত্র হলো, TR - TC বা AR - AC কিন্তু নিম খাজনার সূত্র হলো, TR- TVC বা AR - AVC রাষ্ট্র কোনো কারণে খাজনা বাজেয়াপ্ত করলে জমির যোগান অপরিবর্তিত থাকে। কিন্তু নিম খাজনা বাজেয়াপ্ত করা হলে মানুষের তৈরি উপকরণের যোগান হ্রাস পায়। বিশুদ্ধ-খাজনা একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা। কিন্তু নিম খাজনা একটি অপূর্ণ ধারণা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]
ক
খাজনা কী?

উত্তর

ভূমি বা সীমাবদ্ধ যোগান বিশিষ্ট প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের জন্য তার মালিক 'যে অর্থ প্রদান করা হয় তাই খাজনা।
খ
উর্বরতার কারণে খাজনার উদ্ভব হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ভূমির উর্বরাশক্তির পার্থক্যের কারণে খাজনার 'উদ্ভব হয়। উর্বরতার দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখা যায় সকল জমি উর্বর নয়। উর্বর জমি হতে বেশি খাজনা পাওয়া যায় এবং অনুর্বর থেকে কম পাওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে অনুর্বর জমিতে খাজনা শূন্যও হয়ে থাকে। তাই বলা যায় ভূমির উর্বরতার কারণে খাজনার উদ্ভব।
গ
'খ' চিত্রের খাজনার যে ধারণাটি বর্ণনা করা হয়েছে তার পরিমাণ নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'খ' চিত্রে নিম খাজনার ধারণাটি বর্ণনা করা হয়েছে। নিম্নে চিত্রের বর্ণনার মাধ্যমে নিম খাজনার পরিমাণ নির্দেশ করা হলো: স্বল্পকালে উৎপাদনের উপকরণগুলোর যোগান অস্থিতিস্থাপক। ফলে এসব উপকরণ থেকে স্বল্পকালে আয় অপেক্ষা যে অতিরিক্ত আয় পাওয়া যায়, সেই আয়কে নিম খাজনা বলে। অর্থাৎ মানবসৃষ্ট উৎপাদনের উপকরণ থেকে স্বল্পকালে যে অতিরিক্ত আয় পাওয়া যায়, তাকে নিম খাজনা বলে। question image চিত্রে ভূমি অক্ষে উৎপাদনের পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে দামও নিম খাজনা নির্দেশিত। স্বল্পকালীন গড় পরিবর্তনশীল খরচ রেখা AVC, প্রান্তিক ব্যয় রেখা MC। চিত্রে E বিন্দুতে ভারসাম্যে শর্ত MR = MC এবং MC রেখা নিচ দিক থেকে MR রেখাকে ছেদ করেছে। তাহলে E বিন্দুতে ভারসাম্য দাম 20 এবং ভারসাম্য পরিমাণ 20 একক। ∴ মোট আয় (TR) = ভারসাম্য দাম × ভারসাম্য উৎপাদন = 20 × 20 = 400 ∴ মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় TVC = AVC × Q = 15 × 20 = 300 ∴ নিম খাজনা QR = TR - TVC = 400-300 = 100 অতএব, 'খ' চিত্রে নিম খাজনার ধারণা বর্ণনা করা হয়েছে। যেখানে নিম খাজনা QR = 100 |
ঘ
'ক' ও 'খ' হতে প্রাপ্ত খাজনাদ্বয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে। কি? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকে প্রদত্ত 'ক' ও 'খ' চিত্র থেকে প্রাপ্ত খাজনাদ্বয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। 'ক' চিত্রে খাজনা এবং 'খ' চিত্রে নিম খাজনা প্রদর্শিত। নিম্নে নিম খাজনা ও খাজনার পার্থক্য আলোচনা করা হলো: সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক যোগানের কারণে ভূমি থেকে যে অতিরিক্ত আয় পাওয়া যায় তাকে খাজনা বলে। পক্ষান্তরে, মানুষের তৈরি উৎপাদনের উপকরণের যোগান স্বল্পকালে অস্থিতিস্থাপক হলে অতিরিক্ত চাহিদার জন্য যেসব উপকরণ স্বাভাবিক আয় অপেক্ষা যে অতিরিক্ত আয় করে তাকে নিম খাজনা বলে। খাজনা ও নিম খাজনা দুই-ই সীমাবদ্ধ যোগানবিশিষ্ট উপকরণ থেকে সৃষ্টি হয়। জমিসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের যোগান সবসময় স্থির ও নির্দিষ্ট বলে স্বল্প ও দীর্ঘ উভয় সময়েই খাজনার উৎপত্তি ঘটে। কিন্তু মানুষের তৈরি উপকরণের যোগান স্বল্পকালে স্থির হলেও দীর্ঘকালে তার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে বলে নিম খাজনা স্বল্পকালে পাওয়া গেলেও দীর্ঘকালে তা লোপ পায়। উৎপাদন ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত আয় হলো খাজনা। তাই খাজনা উৎপাদন ব্যয় বা দামের অংশ নয়। কিন্তু নিম খাজনাকে স্বল্পকালে উদ্বৃত্ত আয় হিসেবে গণ্য করা হলেও দীর্ঘকালে তা পরিবর্তনীয় ব্যয়ের প্রেক্ষিতে উৎপাদন খরচের অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই দীর্ঘকালে নিম খাজনার অস্তিত্ব থাকে না। খাজনার সূত্র হলো, TR - TC বা AR - AC কিন্তু নিম খাজনার সূত্র হলো, TR- TVC বা AR - AVC রাষ্ট্র কোনো কারণে খাজনা বাজেয়াপ্ত করলে জমির যোগান অপরিবর্তিত থাকে। কিন্তু নিম খাজনা বাজেয়াপ্ত করা হলে মানুষের তৈরি উপকরণের যোগান হ্রাস পায়। বিশুদ্ধ-খাজনা একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা। কিন্তু নিম খাজনা একটি অপূর্ণ ধারণা।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো