HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক
চিত্রটি লক্ষ করে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দাও :


ক
নিম খাজনার সূত্রটি লেখ।
উত্তর
সূত্র: নিম খাজনা = মোট আয় (TR) - মোট পরিবর্তনশীল ব্যয় (TVC)
খ
অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কোন খাজনা দেওয়া হয়?
উত্তর
খাজনার উৎপত্তি ও উদ্ভব সম্পর্কে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। খাজনার উৎপত্তি ও খাজনা প্রদানের কারণ সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলেও কতগুলো কারণকে সুনির্দিষ্ট করা যায়। এর মধ্যে অবস্থানগত পার্থক্য অন্যতম। জমির অবস্থানগত পার্থক্যের কারণে কাম্য জমি ব্যবহারকারীকে খাজনা দিতে হয়। দূরবর্তী জমি অপেক্ষা শহর ও বাজারের নিকটবর্তী জমি ব্যবহারকারীর নিকট চাহিদা বেশি। ফলে এ ধরনের জমির খাজনাও অধিক প্রদান করতে হয়।
গ
উপরের রেখা চিত্রে খাজনা নির্ধারণের কোন তত্ত্বটি তুলে ধরা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
উদ্দীপকের রেখাচিত্রটি খাজনা নির্ধারণে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্বটি তুলে ধরেছে।
সুপণ্ডিত ধর্মযাজক ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ টমাস রবার্ট ম্যালথাস-এর জনসংখ্যা তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে অধ্যাপক ডেভিড রিকার্ডো তাঁর খাজনা তত্ত্বটি প্রকাশ করেন। তিনি ১৯১৭ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Principle of এ খাজনা সম্পর্কে যে মত প্রকাশ করেন তাই তাঁর নামানুসারে রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব নামে পরিচিত। তিনি বলেন, খাজনা হচ্ছে জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর ক্ষমতার প্রতিদান। এ ক্ষমতা বলতে তিনি জমির উর্বরাশক্তিকেই নির্দেশ করেন। তাঁর মতে, সব জমির উর্বরাশক্তি সমান নয়। এক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্ট জমি রয়েছে। এর উৎপন্ন ফসলের পর্যাপ্ততার ওপরই খাজনা নির্ভর করে। রিকার্ডোর মতে, যে জমির উৎপাদন খরচ ও আয় পরস্পর সমান সেই জমিকে খাজনাবিহীন জমি বা প্রান্তিক জমি বলে। সুতরাং বিভিন্ন প্রকার উর্বরাশক্তির পার্থক্যের কারণেই খাজনা সৃষ্টি হয়। এজন্য তিনি খাজনাকে উৎপাদকের উদ্বৃত্ত বা পার্থক্যজনিত প্রাপ্তি বলে অভিহিত করেন।
উপরিউক্ত আলোচনাটিতে মূলত রিকার্ডের খাজনা তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
ঘ
চিত্রে খাজনার পরিমাণ কত এবং কীভাবে খাজনা নির্ধারিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
উদ্দীপকের ভিত্তিতে যে খাজনা তত্ত্বটি চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করার কথা বলা হয়েছে সেটি হলো রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব।
চিত্রে ভূমি অক্ষে জমির পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে আয়-ব্যয় নির্দেশ করা হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণির জমিকে A. B ও C দ্বারা নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্র থেকে বোঝা যায় A আয়তক্ষেত্রে ৬০০ টাকার আয়, B আয়তক্ষেত্রে ৫০০ টাকা আয় এবং C আয়তক্ষেত্রে ৪০০ টাকা আয় নির্দেশ করে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রেণির জমিতে উৎপাদন ব্যয় ৪০০ টাকা হলে C শ্রেণি বা তৃতীয় শ্রেণির জমিতে কোনো উদ্বৃত্ত থাকে না। কারণ এ জমিতে আয়-ব্যয় সমান হয়। রিকার্ডোর মতে, এ জমিকে প্রান্তিক জমি বা খাজনাবিহীন জমি বলে। C আয়তক্ষেত্র সমানক্ষেত্র A ও B ক্ষেত্র থেকে বাদ দিলে যে ছায়াবৃত্ত অংশ পাওয়া যায়, তাই A ও B শ্রেণির জমির খাজনা ৬০০-৪০০ = ২০০ টাকা এবং B বা দ্বিতীয় শ্রেণির জমির খাজনা ৫০০-৪০০ = ১০০ টাকা।
সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো



