শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূলধন গঠনের সমস্যা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মূলধন গঠনের প্রক্রিয়াটি তিনটি স্তরের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। এ স্তরগুলো হলো: আর্থিক সঞ্চয় সৃষ্টি, সঞ্চয় সংগ্রহ ও আর্থিক সঞ্চয়কে বিনিয়োগ করে মূলধনী দ্রব্যে রূপান্তর। বাংলাদেশে মূলধন গঠনের স্তরগুলোতে কিছু কিছু বাধা থাকায় মূলধন গঠনে সমস্যা সৃষ্টি হয়। নিচে উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূলধন গঠনের কতিপয় সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হলো- বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান ও উন্নয়নশীল দেশে অধিকাংশ গ্রামের জনগণ রসুলগঞ্জ গ্রামের জনগণের মতোই দরিদ্র। তাদের বেশির ভাগই প্রান্তিক চাষি, ভূমিহীন কৃষক এবং মৎস্যজীবী। এদের আয় খুব কম। এরকম স্বল্প আয় ও ব্যাপক দারিদ্র্যের জন্য দেশে সঞ্চয়ের হার খুব কম। তাছাড়া নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাংকে টাকা রাখার অভ্যাস গড়ে ওঠে না। তাই সমাজের ব্যক্তিগত আর্থিক সঞ্চয়ের পরিমাণও কম। সুতরাং স্বল্প আয়, অপ্রতুল সঞ্চয়, ব্যাংকিং সেবার অভাব মূলধন গঠনকে ব্যাহত করে। রসুলগঞ্জ গ্রামের মতো বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামাঞ্চলে ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির শাখা খুবই কম। তাই পল্লি অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও বিক্ষিপ্ত আর্থিক সঞ্চয় সংগ্রহের জন্য পর্যাপ্ত সুব্যবস্থা নেই। মূলধন গঠনের এসব সমস্যার জন্য বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূলধন গঠন ব্যাহত হয়।

HSC Economics 1st Paper Chapter 5 : শ্রম বাজার CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 1st Paper · Chapter 5 : শ্রম বাজার · সৃজনশীল

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূলধন গঠনের সমস্যা উদ্দীপকের আলোকে ব্…

উদ্দীপক

সম্প্রতি রসুলগঞ্জ গ্রামে পল্লি সঞ্চয় ব্যাংকের একটি শাখা স্থাপিত হয়েছে। গ্রামটি একেবারে ছোট নয়। গ্রামের অধিকাংশ লোক প্রান্তিক চাষি ও মৎস্যজীবী। উক্ত ব্যাংকের তরুণ কর্মীরা গ্রামবাসীদের ভবিষ্যৎ দূরদৃষ্টি, সঞ্চয়ের উপকারিতা, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণের উপায়, সম্পদের সদ্ব্যবহার প্রভৃতি সম্পর্কে বোঝাতে লাগলেন। কিছুদিনের মধ্যে দেখা গেল উক্ত গ্রামের পুরুষ- মহিলারা তাদের স্বল্প সঞ্চয় ব্যাংকে জমাতে শুরু করেছেন। অল্প দিনের মধ্যে উক্ত ব্যাংকে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি শুরু হয়ে যায়।

Rajshahi · 2017

উত্তর

যে মূলধন কেবল এক জাতীয় উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয় এবং অন্য ক্ষেত্রে বা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে না তাকে নিমজ্জমান মূলধন বলে; যেমন- কাঠের লাঙল।

উত্তর

মানুষ তার আয়ের যে অংশ বর্তমানে ভোগের জন্য ব্যয় না করে ভবিষ্যতে ভোগের জন্য রেখে দেয় তাই হলো সঞ্চয়। সঞ্চিত অর্থ উৎপাদন কাজে বিনিয়োগ করা হলে মূলধনী দ্রব্য উৎপাদিত তথা মূলধন সৃষ্টি হয়। সেজন্য মূলধনের পরিমাণ বাড়াতে হলে সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ানো আবশ্যক। সুতরাং বলা যায়, মূলধন সঞ্চয় দ্বারা সৃষ্টি।

উত্তর

মূলধন গঠনের প্রক্রিয়াটি তিনটি স্তরের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। এ স্তরগুলো হলো: আর্থিক সঞ্চয় সৃষ্টি, সঞ্চয় সংগ্রহ ও আর্থিক সঞ্চয়কে বিনিয়োগ করে মূলধনী দ্রব্যে রূপান্তর। বাংলাদেশে মূলধন গঠনের স্তরগুলোতে কিছু কিছু বাধা থাকায় মূলধন গঠনে সমস্যা সৃষ্টি হয়। নিচে উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূলধন গঠনের কতিপয় সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হলো- বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান ও উন্নয়নশীল দেশে অধিকাংশ গ্রামের জনগণ রসুলগঞ্জ গ্রামের জনগণের মতোই দরিদ্র। তাদের বেশির ভাগই প্রান্তিক চাষি, ভূমিহীন কৃষক এবং মৎস্যজীবী। এদের আয় খুব কম। এরকম স্বল্প আয় ও ব্যাপক দারিদ্র্যের জন্য দেশে সঞ্চয়ের হার খুব কম। তাছাড়া নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাংকে টাকা রাখার অভ্যাস গড়ে ওঠে না। তাই সমাজের ব্যক্তিগত আর্থিক সঞ্চয়ের পরিমাণও কম। সুতরাং স্বল্প আয়, অপ্রতুল সঞ্চয়, ব্যাংকিং সেবার অভাব মূলধন গঠনকে ব্যাহত করে। রসুলগঞ্জ গ্রামের মতো বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামাঞ্চলে ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির শাখা খুবই কম। তাই পল্লি অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও বিক্ষিপ্ত আর্থিক সঞ্চয় সংগ্রহের জন্য পর্যাপ্ত সুব্যবস্থা নেই। মূলধন গঠনের এসব সমস্যার জন্য বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূলধন গঠন ব্যাহত হয়।

উত্তর

কোনো দেশে মূলধন গঠন বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। নিচে উদ্দীপকের আলোকে তা বিশ্লেষণ করা হলো: আর্থিক সঞ্চয় সৃষ্টি হলো মূলধন গঠনের প্রথম স্তর। পুঁজিবাদী ও মিশ্র সমাজে ব্যক্তিগত সঞ্চয়, কারবারি প্রতিষ্ঠানের সঞ্চয় ও সরকারি সঞ্চয় থেকে আর্থিক সঞ্চয় সৃষ্টি হয়। তবে সঞ্চয় সৃষ্টিতে ব্যক্তিগত সঞ্চয়ই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ব্যক্তি পর্যায়ের সঞ্চয় নির্ভর করে তার সঞ্চয়ের সামর্থ্য ও সঞ্চয়ের ইচ্ছার ওপর। মূলত আয়ের ওপরই মানুষের সঞ্চয়ের সামর্থ্য নির্ভর করে। আয় বেশি হলে সঞ্চয় বেশি হয়। সঞ্চয়ের সামর্থ্যের সাথে সাথে সঞ্চয়ের ইচ্ছা থাকলেই কেবল সঞ্চয় বাড়ে এবং মূলধন গঠন সম্ভব হয়। সঞ্চয়ের ইচ্ছা আবার বেশ কয়েকটি বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। এগুলো হলো: দূরদৃষ্টি, সঞ্চিত অর্থ থেকে অধিক সঞ্চয় সৃষ্টি, উচ্চাশা ও মর্যাদা লাভ, পারিবারিক স্নেহ-মমতা, জানমালের নিরাপত্তা ইত্যাদি। সঞ্চয় বৈষয়িক সমৃদ্ধি আনে এবং সমাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে বলে মর্যাদা লাভের আশায় অনেকে সঞ্চয় করে। পরিবারের প্রতি স্নেহশীল ব্যক্তিরা পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা ভেবে সঞ্চয় বৃদ্ধির চেষ্টা করে। উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়, গ্রামের পল্লি সঞ্চয় ব্যাংকের তরুণ কর্মীরা রসুলগঞ্জ গ্রামের অধিবাসীদের মধ্যে সঞ্চয়ের ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য এসব বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশে সঞ্চয় সৃষ্টি হলেই মূলধন গঠিত হয় না; যতক্ষণ না তা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সংগৃহীত ও বিনিয়োগের জন্য যোগান দেওয়া হয়। মূলধন গঠনের শেষ পর্যায়ে সঞ্চিত অর্থকে বিনিয়োগের মাধ্যমে মূলধনী দ্রব্যে রূপান্তর দরকার। এ জন্য প্রয়োজন হলো দেশে সুদৃঢ় আর্থ-সামাজিক বুনিয়াদ গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা।
HSCEconomics 1st PaperChapter 5 : শ্রম বাজার
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মজুরি শ্রমের চাহিদা শ্রমের যোগান 200 30 10 300 20 20 400 10 30 [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
ক
প্রকৃত মজুরি কী?
খ
দামস্তরের বৃদ্ধি প্রকৃত মজুরি হ্রাস করে -ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপক হতে ভারসাম্য মজুরি নির্ধারণ চিত্রের সাহায্যে- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মজুরি কোন স্তরে উক্ত অঞ্চলে বেকারত্ব দেখা দিবে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মজুরি শ্রমের চাহিদা শ্রমের যোগান 200 30 10 300 20 20 400 10 30 [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
ক
প্রকৃত মজুরি কী?
খ
দামস্তরের বৃদ্ধি প্রকৃত মজুরি হ্রাস করে -ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপক হতে ভারসাম্য মজুরি নির্ধারণ চিত্রের সাহায্যে- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মজুরি কোন স্তরে উক্ত অঞ্চলে বেকারত্ব দেখা দিবে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.দামস্তরের বৃদ্ধি প্রকৃত মজুরি হ্রাস করে -ব্যাখ্যা কর।

দামস্তরের বৃদ্ধি প্রকৃত মজুরি হ্রাস করে -ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্রকৃত মজুরি কী?

প্রকৃত মজুরি কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষিত একজন ব্যক্তি কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সময় মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতনে নিযুক্ত হন এবং দামস্তর এখানে ২৫০। একইরূপ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান মাসিক ৪০০০ মার্কিন ডলারে (এক ডলার = বাংলাদেশ ৮৫ টাকা হিসাবে) এবং সেখানে দামস্তর ২০ মার্কিন ডলার। উক্ত দুজন কর্তাব্যক্তি উভয় অর্থনীতিতে মাসিক যথাক্রমে ৬৫,০০০ টাকা এবং ৭২,০০০ মার্কিন ডলার মূল্য সংযুক্তি ঘটান। এছাড়া বাংলাদেশ অপেক্ষা মার্কিন জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা অধিক, জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং গড় আয়ুও অধিক। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা]
ক
শ্রমের চাহিদা কী?
খ
শ্রমের যোগান কী স্বল্পমেয়াদি ধারণা? বুঝিয়ে লেখ।
গ
বাংলাদেশের অর্থমূল্যে কোন দেশের শ্রমের দক্ষতা অধিক? নির্ণয় কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি কি কম? তুমি কি একমত? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষিত একজন ব্যক্তি কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সময় মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতনে নিযুক্ত হন এবং দামস্তর এখানে ২৫০। একইরূপ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান মাসিক ৪০০০ মার্কিন ডলারে (এক ডলার = বাংলাদেশ ৮৫ টাকা হিসাবে) এবং সেখানে দামস্তর ২০ মার্কিন ডলার। উক্ত দুজন কর্তাব্যক্তি উভয় অর্থনীতিতে মাসিক যথাক্রমে ৬৫,০০০ টাকা এবং ৭২,০০০ মার্কিন ডলার মূল্য সংযুক্তি ঘটান। এছাড়া বাংলাদেশ অপেক্ষা মার্কিন জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা অধিক, জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং গড় আয়ুও অধিক। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা]
ক
শ্রমের চাহিদা কী?
খ
শ্রমের যোগান কী স্বল্পমেয়াদি ধারণা? বুঝিয়ে লেখ।
গ
বাংলাদেশের অর্থমূল্যে কোন দেশের শ্রমের দক্ষতা অধিক? নির্ণয় কর।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি কি কম? তুমি কি একমত? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.শ্রমের যোগান কী স্বল্পমেয়াদি ধারণা? বুঝিয়ে লেখ।

শ্রমের যোগান কী স্বল্পমেয়াদি ধারণা? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.শ্রমের চাহিদা কী?

শ্রমের চাহিদা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রানা ও রাজু দুই বন্ধু। দুজনেই দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। রানা কোম্পানির নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা বেতন পান। অন্যদিকে রাজু তার কোম্পানি থেকে মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতন পান। রাজুকে কোম্পানি থেকে পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়। [দিনাজপুর বোর্ড ২০১৬]
ক
মজুরি কী?
খ
আর্থিক মজুরি নয়, প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়- ব্যাখ্যা কর।
গ
রানা ও রাজুর মজুরির মধ্যে পার্থক্য লেখ।
ঘ
উদ্দীপকে কার মজুরি বেশি এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রানা ও রাজু দুই বন্ধু। দুজনেই দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। রানা কোম্পানির নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা বেতন পান। অন্যদিকে রাজু তার কোম্পানি থেকে মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতন পান। রাজুকে কোম্পানি থেকে পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়। [দিনাজপুর বোর্ড ২০১৬]
ক
মজুরি কী?
খ
আর্থিক মজুরি নয়, প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়- ব্যাখ্যা কর।
গ
রানা ও রাজুর মজুরির মধ্যে পার্থক্য লেখ।
ঘ
উদ্দীপকে কার মজুরি বেশি এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আর্থিক মজুরি নয়, প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়- ব্যাখ্যা কর।

আর্থিক মজুরি নয়, প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মজুরি কী?

মজুরি কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।