Chapter 5 : শ্রম বাজার Economics 1st Paper

HSC Economics 1st Paper এর Chapter 5 : শ্রম বাজার অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩১৩

প্রশ্ন

Economics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মজুরি শ্রমের চাহিদা শ্রমের যোগান 200 30 10 300 20 20 400 10 30 [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
ক
প্রকৃত মজুরি কী?

উত্তর

কোনো শ্রমিক তার আর্থিক মজুরি দ্বারা যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম ব্যয় করে এবং তার কর্মক্ষেত্র থেকে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এদের সমষ্টিই প্রকৃত মজুরি।
খ
দামস্তরের বৃদ্ধি প্রকৃত মজুরি হ্রাস করে -ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আর্থিক মজুরির পরিমাণ স্থির থাকলে দামস্তরের পরিবর্তনের ফলে প্রকৃত মজুরি পরিবর্তিত হয়। দ্রব্যের দাম বাড়লে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় বলে প্রকৃত মজুরি কমে যায়। পক্ষান্তরে, দাম কমলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে ও প্রকৃত মজুরি বেশি হয়। এভাবে দামস্তর প্রকৃত মজুরিকে প্রভাবিত করে।
গ
উদ্দীপক হতে ভারসাম্য মজুরি নির্ধারণ চিত্রের সাহায্যে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে রেখাচিত্রে শ্রমের বাজারে ভারসাম্য দেখিয়ে মজুরির পরিমাণ নির্দেশ করা হলো। শ্রমবাজারে শ্রমের চাহিদা ও যোগানের সমতা দ্বারা যে মজুরি নির্ধারিত হয়, তাই ভারসাম্য মজুরি। তাই বলা যায়, শ্রমবাজারে ভারসাম্য অর্জিত হয় যখন DL = SL হয়। উদ্দীপকের সূচিতে প্রাপ্ত মানসমূহকে চিত্রে বসিয়ে ভারসাম্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নিম্নোক্ত চিত্র রূপ পাওয়া যায়- question image চিত্রে OX অক্ষে শ্রমের চাহিদা ও যোগান এবং OY অক্ষে শ্রমের মজুরি পরিমাপ করা হলো। সূচিতে প্রাপ্ত মানের ভিত্তিতে শ্রমের চাহিদা DLD'L ও শ্রমের যোগান রেখা SLS'L পাওয়া যায়। চিত্রানুযায়ী E বিন্দুতে শ্রমের চাহিদা ও শ্রমের যোগান রেখা পরস্পর মিলিত হয়ে ভারসাম্য অর্জিত হয়েছে। ভারসাম্য বিন্দু অনুযায়ী শ্রমের চাহিদা ও যোগান 20 একক এবং ভারসাম্য মজুরি 300 টাকা।
ঘ
মজুরি কোন স্তরে উক্ত অঞ্চলে বেকারত্ব দেখা দিবে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বেকারত্ব বলতে বোঝায় শ্রমের মজুরি অপেক্ষা শ্রমের যোগানের আধিক্যকে। উক্ত তথ্যানুযায়ী বেকারত্বের অঞ্চলটুকু একটি চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো: question image উল্লেখিত চিত্রে OY অক্ষে মজুরি ও OX অক্ষে শ্রমের চাহিদা ও যোগানের পরিমাপ নির্দেশিত E হচ্ছে ভারসাম্য মজুরি 300 টাকা এবং ভারসাম্য শ্রমের চাহিদা ও যোগান 20 একক। কিন্তু শ্রমের যোগান 10 হলে মজুরি বেড়ে হয় 400 টাকা। তখনই সৃষ্টি হয় বেকারত্বের তাহলে উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী প্রদত্ত সূচক থেকে বেকারত্বের অঞ্চলটি বিন্দু ab। এক্ষেত্রে দেখা যায় শ্রমের চাহিদার তুলনায় যোগান ab পরিমাণ বেশি। অর্থাৎ ab পরিমাণ বেকার থাকবে। অর্থাৎ ab অঞ্চলে উক্ত ফার্মটির বেকারত্বের সৃষ্টি হবে। তাই উক্ত সূচি অনুযায়ী মজুরি স্তর 400 টাকায় গেলে বেকারত্বের সৃষ্টি হবে অর্থাৎ ভারসাম্য হারাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মজুরি শ্রমের চাহিদা শ্রমের যোগান 200 30 10 300 20 20 400 10 30 [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
ক
প্রকৃত মজুরি কী?

উত্তর

কোনো শ্রমিক তার আর্থিক মজুরি দ্বারা যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম ব্যয় করে এবং তার কর্মক্ষেত্র থেকে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এদের সমষ্টিই প্রকৃত মজুরি।
খ
দামস্তরের বৃদ্ধি প্রকৃত মজুরি হ্রাস করে -ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আর্থিক মজুরির পরিমাণ স্থির থাকলে দামস্তরের পরিবর্তনের ফলে প্রকৃত মজুরি পরিবর্তিত হয়। দ্রব্যের দাম বাড়লে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় বলে প্রকৃত মজুরি কমে যায়। পক্ষান্তরে, দাম কমলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে ও প্রকৃত মজুরি বেশি হয়। এভাবে দামস্তর প্রকৃত মজুরিকে প্রভাবিত করে।
গ
উদ্দীপক হতে ভারসাম্য মজুরি নির্ধারণ চিত্রের সাহায্যে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে রেখাচিত্রে শ্রমের বাজারে ভারসাম্য দেখিয়ে মজুরির পরিমাণ নির্দেশ করা হলো। শ্রমবাজারে শ্রমের চাহিদা ও যোগানের সমতা দ্বারা যে মজুরি নির্ধারিত হয়, তাই ভারসাম্য মজুরি। তাই বলা যায়, শ্রমবাজারে ভারসাম্য অর্জিত হয় যখন DL = SL হয়। উদ্দীপকের সূচিতে প্রাপ্ত মানসমূহকে চিত্রে বসিয়ে ভারসাম্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নিম্নোক্ত চিত্র রূপ পাওয়া যায়- question image চিত্রে OX অক্ষে শ্রমের চাহিদা ও যোগান এবং OY অক্ষে শ্রমের মজুরি পরিমাপ করা হলো। সূচিতে প্রাপ্ত মানের ভিত্তিতে শ্রমের চাহিদা DLD'L ও শ্রমের যোগান রেখা SLS'L পাওয়া যায়। চিত্রানুযায়ী E বিন্দুতে শ্রমের চাহিদা ও শ্রমের যোগান রেখা পরস্পর মিলিত হয়ে ভারসাম্য অর্জিত হয়েছে। ভারসাম্য বিন্দু অনুযায়ী শ্রমের চাহিদা ও যোগান 20 একক এবং ভারসাম্য মজুরি 300 টাকা।
ঘ
মজুরি কোন স্তরে উক্ত অঞ্চলে বেকারত্ব দেখা দিবে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বেকারত্ব বলতে বোঝায় শ্রমের মজুরি অপেক্ষা শ্রমের যোগানের আধিক্যকে। উক্ত তথ্যানুযায়ী বেকারত্বের অঞ্চলটুকু একটি চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো: question image উল্লেখিত চিত্রে OY অক্ষে মজুরি ও OX অক্ষে শ্রমের চাহিদা ও যোগানের পরিমাপ নির্দেশিত E হচ্ছে ভারসাম্য মজুরি 300 টাকা এবং ভারসাম্য শ্রমের চাহিদা ও যোগান 20 একক। কিন্তু শ্রমের যোগান 10 হলে মজুরি বেড়ে হয় 400 টাকা। তখনই সৃষ্টি হয় বেকারত্বের তাহলে উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী প্রদত্ত সূচক থেকে বেকারত্বের অঞ্চলটি বিন্দু ab। এক্ষেত্রে দেখা যায় শ্রমের চাহিদার তুলনায় যোগান ab পরিমাণ বেশি। অর্থাৎ ab পরিমাণ বেকার থাকবে। অর্থাৎ ab অঞ্চলে উক্ত ফার্মটির বেকারত্বের সৃষ্টি হবে। তাই উক্ত সূচি অনুযায়ী মজুরি স্তর 400 টাকায় গেলে বেকারত্বের সৃষ্টি হবে অর্থাৎ ভারসাম্য হারাবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষিত একজন ব্যক্তি কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সময় মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতনে নিযুক্ত হন এবং দামস্তর এখানে ২৫০। একইরূপ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান মাসিক ৪০০০ মার্কিন ডলারে (এক ডলার = বাংলাদেশ ৮৫ টাকা হিসাবে) এবং সেখানে দামস্তর ২০ মার্কিন ডলার। উক্ত দুজন কর্তাব্যক্তি উভয় অর্থনীতিতে মাসিক যথাক্রমে ৬৫,০০০ টাকা এবং ৭২,০০০ মার্কিন ডলার মূল্য সংযুক্তি ঘটান। এছাড়া বাংলাদেশ অপেক্ষা মার্কিন জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা অধিক, জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং গড় আয়ুও অধিক। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা]
ক
শ্রমের চাহিদা কী?

উত্তর

একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট মজুরিতে নিয়োগকারিগণ যে শ্রমিক নিয়োগ করতে ইচ্ছুক তাই শ্রমের চাহিদা।
খ
শ্রমের যোগান কী স্বল্পমেয়াদি ধারণা? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

শ্রমের যোগান স্বল্পমেয়াদি ধারণা। একটি নির্দিষ্ট মজুরিতে কতজন শ্রমিক শ্রমদানে রাজি থাকে তাই শ্রমের যোগান। কর্মক্ষম জনসংখ্যার আয়তন ও দামের ওপর শ্রমের যোগান নির্ভর করে। শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান, কাজের প্রকৃতি, শ্রমিক সংঘের শক্তি ইত্যাদির ওপর শ্রমের যোগান নির্ভর করে। দামের সাথে শ্রমের যোগানের সমমুখী সম্পর্কের কারণে শ্রমের যোগান স্বল্পমেয়াদি।
গ
বাংলাদেশের অর্থমূল্যে কোন দেশের শ্রমের দক্ষতা অধিক? নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থমূল্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমের দক্ষতা বেশি। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে শ্রমের দক্ষতার, নির্ধারকসমূহ উপস্থিত। নিচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারকগুলো আলোচনা করা হলো যা তার শ্রমিকের দক্ষতা নির্ধারণে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। ⦿ সামাজিক নিরাপত্তা: কারখানায় কাজের সময় কোনো দুর্ঘটনায় শ্রমিক পঙ্গু বা অসুস্থ হয়ে কর্মহীন হতে পারে বা তার মৃত্যুও ঘটতে পারে। এমতাবস্থায় আর্থিক নিরাপত্তা থাকা বাঞ্ছনীয়। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ দান, বিমা, পেনশন প্রভৃতি প্রচলিত থাকলে শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটে। ফলে শ্রমের দক্ষতা বাড়ে। ⦿ জীবনযাত্রা উন্নত: শ্রমিকের বর্তমান জীবনযাত্রার মান বলতে চলমান অবস্থায় ওই স্থানের সার্বিক জীবনযাত্রার অবস্থাকে বোঝায়, যা শ্রমিকের শ্রমের দক্ষতায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। ⦿ গড় আয়ু : গড় আয়ু শ্রমিকের মৃত্যুঝুঁকি বা মৃত্যুপ্রবণতা কমিয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে দেয়। গড় আয়ু বেশি হলে শ্রমের দক্ষতা বেশি হয় এবং গড় আয়ু কম হলে শ্রমের দক্ষতা কম হয়। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উদ্দীপকের নির্ধারকগুলোর প্রভাবে ওই দেশের শ্রমের দক্ষতা বাংলাদেশের তুলনায় বেশি।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি কি কম? তুমি কি একমত? মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের প্রদত্ত তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম। নিচে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মজুরি বাংলাদেশি মূল্যে নির্ণয় করা হলো- এখানে, W = আর্থিক মজুরি OA = আর্থিক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা C = অনার্থিক অন্যান্য সুবিধা আমরা জানি, শ্রমের প্রকৃত মজুরি = =W+OAP+C=\frac{W+O A}{P}+C উদ্দীপক অনুযায়ী, এখানে, W = ৪০০০০ টাকা P = ২৫০ টাকা OA = ০ C = ০ বাংলাদেশের শ্রমের প্রকৃত মজুরি, WPB=৪০০০০+০২৫০+০\frac{\mathrm{W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}=\frac{৪০০০০+০}{২৫০}+০ =৪০০০০২৫০=\frac{৪০০০০}{২৫০} ∴ WPB\therefore \frac{\mathrm{~W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}= ১৬০ টাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মজুরি, বাংলাদেশের অর্থে শ্রমের আর্থিক মজুরি = (৪০০০ × ৮৫) টাকা = ৩৪০০০০ টাকা ∴ বাংলাদেশের অর্থে দামস্তর P = (২০× ৮৫) টাকা = ১৭০০ টাকা ∴ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মজুরি  WPB\frac{\mathrm{~W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}= এখানে, W = ৩৪০০০০ টাকা P = ১৭০০ টাকা OA = ০ C = o WPB=৩৪০০০০+০১৭০০+০\frac{\mathrm{W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}=\frac{৩৪০০০০+০}{১৭০০}+০ =৩৪০০০০১৭০০=\frac{৩৪০০০০}{১৭০০} ∴ WPB\therefore \frac{\mathrm{~W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}= ২০০ টাকা এখানে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের শ্রমের প্রকৃত মজুরি ১৬০ টাকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ টাকা। পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষিত একজন ব্যক্তি কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সময় মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতনে নিযুক্ত হন এবং দামস্তর এখানে ২৫০। একইরূপ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান মাসিক ৪০০০ মার্কিন ডলারে (এক ডলার = বাংলাদেশ ৮৫ টাকা হিসাবে) এবং সেখানে দামস্তর ২০ মার্কিন ডলার। উক্ত দুজন কর্তাব্যক্তি উভয় অর্থনীতিতে মাসিক যথাক্রমে ৬৫,০০০ টাকা এবং ৭২,০০০ মার্কিন ডলার মূল্য সংযুক্তি ঘটান। এছাড়া বাংলাদেশ অপেক্ষা মার্কিন জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা অধিক, জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং গড় আয়ুও অধিক। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা]
ক
শ্রমের চাহিদা কী?

উত্তর

একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট মজুরিতে নিয়োগকারিগণ যে শ্রমিক নিয়োগ করতে ইচ্ছুক তাই শ্রমের চাহিদা।
খ
শ্রমের যোগান কী স্বল্পমেয়াদি ধারণা? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

শ্রমের যোগান স্বল্পমেয়াদি ধারণা। একটি নির্দিষ্ট মজুরিতে কতজন শ্রমিক শ্রমদানে রাজি থাকে তাই শ্রমের যোগান। কর্মক্ষম জনসংখ্যার আয়তন ও দামের ওপর শ্রমের যোগান নির্ভর করে। শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান, কাজের প্রকৃতি, শ্রমিক সংঘের শক্তি ইত্যাদির ওপর শ্রমের যোগান নির্ভর করে। দামের সাথে শ্রমের যোগানের সমমুখী সম্পর্কের কারণে শ্রমের যোগান স্বল্পমেয়াদি।
গ
বাংলাদেশের অর্থমূল্যে কোন দেশের শ্রমের দক্ষতা অধিক? নির্ণয় কর।

উত্তর

উদ্দীপক অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থমূল্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমের দক্ষতা বেশি। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে শ্রমের দক্ষতার, নির্ধারকসমূহ উপস্থিত। নিচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারকগুলো আলোচনা করা হলো যা তার শ্রমিকের দক্ষতা নির্ধারণে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। ⦿ সামাজিক নিরাপত্তা: কারখানায় কাজের সময় কোনো দুর্ঘটনায় শ্রমিক পঙ্গু বা অসুস্থ হয়ে কর্মহীন হতে পারে বা তার মৃত্যুও ঘটতে পারে। এমতাবস্থায় আর্থিক নিরাপত্তা থাকা বাঞ্ছনীয়। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ দান, বিমা, পেনশন প্রভৃতি প্রচলিত থাকলে শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার অবসান ঘটে। ফলে শ্রমের দক্ষতা বাড়ে। ⦿ জীবনযাত্রা উন্নত: শ্রমিকের বর্তমান জীবনযাত্রার মান বলতে চলমান অবস্থায় ওই স্থানের সার্বিক জীবনযাত্রার অবস্থাকে বোঝায়, যা শ্রমিকের শ্রমের দক্ষতায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। ⦿ গড় আয়ু : গড় আয়ু শ্রমিকের মৃত্যুঝুঁকি বা মৃত্যুপ্রবণতা কমিয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে দেয়। গড় আয়ু বেশি হলে শ্রমের দক্ষতা বেশি হয় এবং গড় আয়ু কম হলে শ্রমের দক্ষতা কম হয়। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উদ্দীপকের নির্ধারকগুলোর প্রভাবে ওই দেশের শ্রমের দক্ষতা বাংলাদেশের তুলনায় বেশি।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি কি কম? তুমি কি একমত? মতামত দাও।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের প্রদত্ত তথ্যানুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম। নিচে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মজুরি বাংলাদেশি মূল্যে নির্ণয় করা হলো- এখানে, W = আর্থিক মজুরি OA = আর্থিক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা C = অনার্থিক অন্যান্য সুবিধা আমরা জানি, শ্রমের প্রকৃত মজুরি = =W+OAP+C=\frac{W+O A}{P}+C উদ্দীপক অনুযায়ী, এখানে, W = ৪০০০০ টাকা P = ২৫০ টাকা OA = ০ C = ০ বাংলাদেশের শ্রমের প্রকৃত মজুরি, WPB=৪০০০০+০২৫০+০\frac{\mathrm{W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}=\frac{৪০০০০+০}{২৫০}+০ =৪০০০০২৫০=\frac{৪০০০০}{২৫০} ∴ WPB\therefore \frac{\mathrm{~W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}= ১৬০ টাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মজুরি, বাংলাদেশের অর্থে শ্রমের আর্থিক মজুরি = (৪০০০ × ৮৫) টাকা = ৩৪০০০০ টাকা ∴ বাংলাদেশের অর্থে দামস্তর P = (২০× ৮৫) টাকা = ১৭০০ টাকা ∴ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত মজুরি  WPB\frac{\mathrm{~W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}= এখানে, W = ৩৪০০০০ টাকা P = ১৭০০ টাকা OA = ০ C = o WPB=৩৪০০০০+০১৭০০+০\frac{\mathrm{W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}=\frac{৩৪০০০০+০}{১৭০০}+০ =৩৪০০০০১৭০০=\frac{৩৪০০০০}{১৭০০} ∴ WPB\therefore \frac{\mathrm{~W}}{\mathrm{P}_{\mathrm{B}}}= ২০০ টাকা এখানে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের শ্রমের প্রকৃত মজুরি ১৬০ টাকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ টাকা। পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রকৃত মজুরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রানা ও রাজু দুই বন্ধু। দুজনেই দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। রানা কোম্পানির নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা বেতন পান। অন্যদিকে রাজু তার কোম্পানি থেকে মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতন পান। রাজুকে কোম্পানি থেকে পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়। [দিনাজপুর বোর্ড ২০১৬]
ক
মজুরি কী?

উত্তর

অর্থনীতিতে শ্রমিক তার শারীরিক ও মানসিক শ্রমের বিনিময়ে যে পারিশ্রমিক লাভ করে তাকে মজুরি বলে।
খ
আর্থিক মজুরি নয়, প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

শ্রমিক তার আর্থিক মজুরি দিয়ে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করে এবং চাকরিস্থল থেকে যেসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করে এই দুইয়ের সমষ্টিকে প্রকৃত মজুরি বলে। কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বলতে বিনামূল্যে বাসস্থান, পোশাক পরিচ্ছদ, ওষুধপত্র, যানবাহন ইত্যাদি বোঝায়। সুতরাং প্রকৃত মজুরির মানদ্র হলো দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম। একজন শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা তার আর্থিক মজুরির ওপর নির্ভর করে না বরং প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে।
গ
রানা ও রাজুর মজুরির মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে দুই ধরনের মজুরির ধারণা পাওয়া যায়- আর্থিক মজুরি ও প্রকৃত মজুরি। এখানে রানার মজুরি আর্থিক মজুরি এবং রাজুর মজুরি প্রকৃত মজুরি। এ দুই মজুরির মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। পার্থক্যসমূহ নিম্নরূপ- আর্থিক মজুরি প্রকৃত মজুরি ১. একজন শ্রমিক উৎপাদন কাজে অংশগ্রহণের জন্য যে পরিমাণ অর্থ লাভ করে তাই আর্থিক মজুরি। ১. প্রকৃত মজুরি হলো শ্রমিকের আর্থিক মজুরি ও প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধার সমষ্টির সমান। ২. আর্থিক মজুরি পরিমাপের মাপকাঠি হলো অর্থ। ২. প্রকৃত মজুরি পরিমাপের মাপকাঠি হলো অর্থ ছাড়াও দ্রব্য ও সেবা। ৩. আর্থিক মজুরি দ্বারা শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান বিচার করা যায় না। ৩. প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে তার সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য ও জীবনযাত্রার মান। ৪. কোনো কাজের প্রতি আগ্রহ বা আকর্ষণ সাধারণত আর্থিক মজুরির ওপর নির্ভর করে না। ৪. কোন কাজের প্রতি আগ্রহ বা আকর্ষণ প্রধানত প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে। ৫. আর্থিক মজুরির আওতা সংকীর্ণ। ৫. প্রকৃত মজুরির আওতা ব্যাপক।
ঘ
উদ্দীপকে কার মজুরি বেশি এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকে রাজু মজুরি বেশি পায়। এখানে আমরা দেখতে পাই, রানা যে কোম্পানিতে চাকরি করে সেখানে শুধু মাসিক বেতন পায়। বেতন ছাড়া অন্যান্য কোনো সুযোগ সুবিধা যেমন, পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা পায় না। অন্যদিকে রাজু মাসিক বেতন ছাড়াও পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা পায়। এক্ষেত্রে দেখা যায় রাজুর প্রকৃত মজুরি রানার চাইতে বেশি। আমরা জানি কোনো ব্যক্তি কাজের প্রতি কতটুকু আকর্ষণ তা প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে। যে ব্যক্তির প্রকৃত মজুরি বেশি সে ব্যক্তি তার কাজের প্রতি অধিক আগ্রহী থাকে। আর যে ব্যক্তির প্রকৃত মজুরি কম সে ব্যক্তি তার কাজের প্রতি কম আগ্রহী থাকবে। অধ্যাপক মার্শাল যথার্থই বলেছেন, কোনো কাজের প্রতি আকর্ষণ অধিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বরং প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভরশীল হয়। সুতরাং উক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, রাজুর প্রকৃত মজুরি রানার প্রকৃত মজুরির চেয়ে বেশি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রানা ও রাজু দুই বন্ধু। দুজনেই দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। রানা কোম্পানির নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা বেতন পান। অন্যদিকে রাজু তার কোম্পানি থেকে মাসিক ৪০,০০০ টাকা বেতন পান। রাজুকে কোম্পানি থেকে পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়। [দিনাজপুর বোর্ড ২০১৬]
ক
মজুরি কী?

উত্তর

অর্থনীতিতে শ্রমিক তার শারীরিক ও মানসিক শ্রমের বিনিময়ে যে পারিশ্রমিক লাভ করে তাকে মজুরি বলে।
খ
আর্থিক মজুরি নয়, প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

শ্রমিক তার আর্থিক মজুরি দিয়ে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করে এবং চাকরিস্থল থেকে যেসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করে এই দুইয়ের সমষ্টিকে প্রকৃত মজুরি বলে। কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বলতে বিনামূল্যে বাসস্থান, পোশাক পরিচ্ছদ, ওষুধপত্র, যানবাহন ইত্যাদি বোঝায়। সুতরাং প্রকৃত মজুরির মানদ্র হলো দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম। একজন শ্রমিকের প্রকৃত অবস্থা তার আর্থিক মজুরির ওপর নির্ভর করে না বরং প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে।
গ
রানা ও রাজুর মজুরির মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর

উদ্দীপকে দুই ধরনের মজুরির ধারণা পাওয়া যায়- আর্থিক মজুরি ও প্রকৃত মজুরি। এখানে রানার মজুরি আর্থিক মজুরি এবং রাজুর মজুরি প্রকৃত মজুরি। এ দুই মজুরির মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। পার্থক্যসমূহ নিম্নরূপ- আর্থিক মজুরি প্রকৃত মজুরি ১. একজন শ্রমিক উৎপাদন কাজে অংশগ্রহণের জন্য যে পরিমাণ অর্থ লাভ করে তাই আর্থিক মজুরি। ১. প্রকৃত মজুরি হলো শ্রমিকের আর্থিক মজুরি ও প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধার সমষ্টির সমান। ২. আর্থিক মজুরি পরিমাপের মাপকাঠি হলো অর্থ। ২. প্রকৃত মজুরি পরিমাপের মাপকাঠি হলো অর্থ ছাড়াও দ্রব্য ও সেবা। ৩. আর্থিক মজুরি দ্বারা শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান বিচার করা যায় না। ৩. প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে তার সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য ও জীবনযাত্রার মান। ৪. কোনো কাজের প্রতি আগ্রহ বা আকর্ষণ সাধারণত আর্থিক মজুরির ওপর নির্ভর করে না। ৪. কোন কাজের প্রতি আগ্রহ বা আকর্ষণ প্রধানত প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে। ৫. আর্থিক মজুরির আওতা সংকীর্ণ। ৫. প্রকৃত মজুরির আওতা ব্যাপক।
ঘ
উদ্দীপকে কার মজুরি বেশি এবং কেন?

উত্তর

উদ্দীপকে রাজু মজুরি বেশি পায়। এখানে আমরা দেখতে পাই, রানা যে কোম্পানিতে চাকরি করে সেখানে শুধু মাসিক বেতন পায়। বেতন ছাড়া অন্যান্য কোনো সুযোগ সুবিধা যেমন, পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা পায় না। অন্যদিকে রাজু মাসিক বেতন ছাড়াও পরিবহন সুবিধা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সুবিধা পায়। এক্ষেত্রে দেখা যায় রাজুর প্রকৃত মজুরি রানার চাইতে বেশি। আমরা জানি কোনো ব্যক্তি কাজের প্রতি কতটুকু আকর্ষণ তা প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভর করে। যে ব্যক্তির প্রকৃত মজুরি বেশি সে ব্যক্তি তার কাজের প্রতি অধিক আগ্রহী থাকে। আর যে ব্যক্তির প্রকৃত মজুরি কম সে ব্যক্তি তার কাজের প্রতি কম আগ্রহী থাকবে। অধ্যাপক মার্শাল যথার্থই বলেছেন, কোনো কাজের প্রতি আকর্ষণ অধিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বরং প্রকৃত মজুরির ওপর নির্ভরশীল হয়। সুতরাং উক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, রাজুর প্রকৃত মজুরি রানার প্রকৃত মজুরির চেয়ে বেশি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো