শেয়ারFacebookWhatsApp

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বে ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: নেতৃত্ব হচ্ছে সামাজিক গুণ। সমাজ ও রাষ্ট্রকে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করাই নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে জর্জরিত সমাজ ও রাষ্ট্রে সুযোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। কেননা সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া কোনো জাতি বা রাষ্ট্র অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে না। সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলো নেতৃত্বের গুণেই সুনিয়ন্ত্রিত ও সুচারুরূপে পরিচালিত হয়। পরিবর্তনশীল সমাজকে সুযোগ্য নেতৃত্বই প্রগতির পথে এগিয়ে নিতে পারেন, জাতীয় একাত্মতার সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারেন। সুযোগ্য নেতৃত্ব একটি জনসমাজকে জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, স্বাধীন জাতি হিসেবে সুসংগঠিত করে তুলতে পারেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এরূপ নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বের ভূমিকা নিম্নরূপ: ১. দলীয় নীতি নির্ধারণ: নেতৃত্বের প্রথম কাজ হলো নিজ দলের নীতি নির্ধারণ। নীতি নির্ধারণের ওপর সংগঠনের সাফল্য নির্ভর করে। তবে দলীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা সুশাসনের সহায়ক হয়। ২. রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ: নেতৃত্বের অন্যতম কাজ হলো রাষ্ট্রীয় নীতি সম্পর্কে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি স্থির করা। ভবিষ্যতে দল ক্ষমতায় গেলে কীভাবে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করা হবে এবং সেক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পাবে এবং তা সুশাসনকে ত্বরান্বিত করবে কীনা সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা কার্যকর করত হবে। ৩. সুষ্ঠু জনমত গঠন: জনমত গঠনে নেতৃত্বের ভূমিকা অসামান্য। সুস্থ, সুন্দর, সুষ্ঠু ও কল্যাণকামী জনমত গঠন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথকে প্রশস্ত করতে নেতৃত্ব যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে। ৪. রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: নেতাদের বক্তব্য জনগণকে রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত ও সচেতন করে তোলে। জনগণের রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সুশাসনও নিশ্চিত হয়। ৫. সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন: নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে দলকে শক্তিশালী করা, নির্বাচনে জয়লাভ এবং সরকার গঠন করা। সুযোগ্য নেতৃত্ব জয়যুক্ত হয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও সঠিক ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তৎপর হন। ৬. জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ়করণ: সুযোগ্য নেতৃত্ব বক্তব্য-বিবৃতি এবং প্রচার-প্রচারণা দ্বারা জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করে তোলেন। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ৭. সমন্বয় সাধন: সুযোগ্য নেতৃত্ব বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটিয়ে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ঘটান এবং সুশাসন নিশ্চিত করেন। ৮. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণ: সুযোগ্য নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখে। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ও ব্যক্তি স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা, দ্বায়িত্বশীলতা ৩ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

HSC Civics 1st Paper Chapter 6 : রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · Chapter 6 : রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন · সৃজনশীল

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বে ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

আধুনিক যুগকে বলা হয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের স্বর্ণযুগ। জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে শাসন কাজে অংশগ্রহণ করে। এইজন্য প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে দলীয় সরকার ও বলা চলে। জাহিদ সাহেব 'ক' রাজনৈতিক দলের একজন নেতা। তিনি অত্যন্ত সৎ, দক্ষ এবং অভিজ্ঞ, পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি সব সময় তা নির্বাচনী এলাকার জনগণের পাশে থাকেন। জনগণও তাকে পছন্দ করে এবং ভোট দিয়ে জয়ী করে। তিনি জনগণ ও সরকারের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।

উত্তর

রাজনৈতিক দল ব্যাবস্থা ৩ প্রকার।

উত্তর

যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাষ্ট্রের রাজা বা রানি উত্তরাধিকার সূত্রে বা নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্রপ্রধান হন, তাকে নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র বলে। কিন্তু তিনি সীমিত ক্ষমতা ভোগ করেন। রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনক্ষমতা থাকে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে। রাজতন্ত্র একটি সুপ্রাচীন শাসনব্যবস্থা। গণতন্ত্রের বিপরীতধর্মী শাসনব্যবস্থা হলো রাজতন্ত্র । এ ধরনের শাসনব্যবস্থায় সংবাদপত্রের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা। হয় এবং রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা সহ্য করা হয় না। রাজতন্ত্রের সংজ্ঞা সাধারণ অর্থে রাজতন্ত্র হলো এমন শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকারের সমস্ত ক্ষমতা এক ব্যক্তি বা একনায়কের হাতে কুক্ষিগত থাকে রাজতন্ত্রের মূলনীতি হলো " এক জাতি, এক দল, এক নেতা।"

উত্তর

উদ্দীপকে জাহিদ সাহেব ক রাজনৈতিক দলের একজন নেতা তিনি অত্যন্ত সৎ দক্ষ অভিজ্ঞ পরিশ্রমের দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচিত।জাহিদ সাহেবের গুণাবলীর আলোকে একজন যোগ্য নেতার প্রয়োজনীয় গুণাবলী নিম্ন আলোচনা করা হলো: নেতৃত্ব হলো সামাজিক ও নৈতিক গুণ-বিশিষ্ট। নেতৃত্বের আবশ্যকীয় গুণাবলি নিম্নরূপ: ১.সৎ: নেতারসততার মধ্যে থাকতে হবে। সততা একজন নেতাকে আরব ব্যক্তিতের অধিকারী করে তেলে। সৎ থাকলে তিনি আরও বেশি সম্মানিত হবেন। ২.দক্ষতা: একজন নেতাকে বেশ দক্ষতার সঙ্গে সকম কাজ শেষ করার মনোভাব রাখতে হবে। দক্ষতা তাকে বিশেষ মানুষ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত করবে। ৩. পরিশ্রমী: নেতাকে অত্যন্ত পরিশ্রম করার ইচ্ছা রাখতে হবে। ৪. ব্যক্তিত্ব: নেতাকে ব্যক্তিত্বের গুণে একক ও অনন্য ভাবমূর্তির অধিকারী হতে হয়। তাকে হতে হয় গাম্ভীর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। চরিত্রের মাধুর্য, নমনীয়তা, তেজস্বিতা প্রভৃতি গুণ নেতাকে ব্যক্তিত্বের অধিকারী করে তোলে। ব্যক্তিত্বই একজন মানুষকে নেতৃত্বের পদে আসীন হতে সাহায্য করে। নেতাকে এজন্য আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হয়। ৫. বুদ্ধিমত্তা: বুদ্ধিমত্তা নেতৃত্বের আবশ্যকীয় গুণ। নেতার বোধশক্তি হবে তীক্ষ্ণ। সমস্যা সমাধানে বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নেতা জনগণের নিকট নিজেকে সম্মান ও শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত করেন। নির্বোধ বা বুদ্ধিহীন মানুষ ভালো নেতা হতে পারেন না। ৬. মানসিক ও দৈহিক সুস্থতা: নেতাকে সুস্থ দেহ-মনের অধিকারী হতে হয়। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী না হলে তার পক্ষে জটিল দায়িত্ব পালনের জন্য নিরলস পরিশ্রম করা সম্ভব নয়। সুস্থ মনের জন্যও চাই সুস্থ দেহ। কেননা সুস্থ দেহে সুস্থ মন বিরাজ করে। নেতা কতটা কর্মদক্ষ ও কষ্টসহিষ্ণু হবেন তা অনেকটা নির্ভর করে তার মানসিক ও দৈহিক সুস্থতার ওপর। ৭. অভিজ্ঞতা: নেতাকে অভিজ্ঞ হতে হয়। কেননা নেতার সাফল্য অসাফল্যের ওপর গোটা জাতি বা দেশের সাফল্য- অসাফল্য নির্ভর করে। যে নেতা যে বিষয়ে নেতৃত্ব প্রদান করেন তাকে সে বিষয়ে অভিজ্ঞতার অধিকারী হতে হয়। ৮.শিক্ষা: নেতা হবেন নিজস্ব বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা ও বিশেষ প্রজ্ঞার অধিকারী। অশিক্ষিত ব্যক্তি সাধারণত ভালো নেতা হন না। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ে, রাজনীতির তত্ত্বগত এবং প্রায়োগিক দিক সম্পর্কেও রাজনৈতিক নেতার পড়াশোনা থাকতে হবে। জ্ঞান আহরণের জন্য থাকবে নেতার গভীর আগ্রহ। ৯.দূরদৃষ্টি: জটিল সমস্যাসমূহের সমাধানের জন্য প্রয়োজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের। নেতাকে অতীতের আলোকে বর্তমানের মূল্যায়ন করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ করণীয় স্থির করতে হবে। দূরদর্শী নেতার অভাবে জাতি হয় বিভ্রান্ত। জাতীয় জীবনে নেমে আসে হতাশা। ১০. চারিত্রিক কঠোরতা ও কোমলতা নেতার চরিত্র হবে একদিকে কোমল, অপরদিকে প্রয়োজনবোধে কঠোর। চরিত্রের কোমলতা নেতাকে যেমন জনগণের ভালবাসা ও শ্রদ্ধাভক্তি অর্জনে সাহায্য করবে, তেমনি চরিত্রের কঠোরতা ও দৃঢ়তা নেতার প্রতি জনগণের আনুগত্য, শ্রদ্ধা, ভয় ও শৃঙ্খলাবোধকে জাগিয়ে তুলবে।

উত্তর

নেতৃত্ব হচ্ছে সামাজিক গুণ। সমাজ ও রাষ্ট্রকে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করাই নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে জর্জরিত সমাজ ও রাষ্ট্রে সুযোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। কেননা সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া কোনো জাতি বা রাষ্ট্র অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে না। সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলো নেতৃত্বের গুণেই সুনিয়ন্ত্রিত ও সুচারুরূপে পরিচালিত হয়। পরিবর্তনশীল সমাজকে সুযোগ্য নেতৃত্বই প্রগতির পথে এগিয়ে নিতে পারেন, জাতীয় একাত্মতার সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারেন। সুযোগ্য নেতৃত্ব একটি জনসমাজকে জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, স্বাধীন জাতি হিসেবে সুসংগঠিত করে তুলতে পারেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এরূপ নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বের ভূমিকা নিম্নরূপ: ১. দলীয় নীতি নির্ধারণ: নেতৃত্বের প্রথম কাজ হলো নিজ দলের নীতি নির্ধারণ। নীতি নির্ধারণের ওপর সংগঠনের সাফল্য নির্ভর করে। তবে দলীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা সুশাসনের সহায়ক হয়। ২. রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ: নেতৃত্বের অন্যতম কাজ হলো রাষ্ট্রীয় নীতি সম্পর্কে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি স্থির করা। ভবিষ্যতে দল ক্ষমতায় গেলে কীভাবে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করা হবে এবং সেক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পাবে এবং তা সুশাসনকে ত্বরান্বিত করবে কীনা সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা কার্যকর করত হবে। ৩. সুষ্ঠু জনমত গঠন: জনমত গঠনে নেতৃত্বের ভূমিকা অসামান্য। সুস্থ, সুন্দর, সুষ্ঠু ও কল্যাণকামী জনমত গঠন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথকে প্রশস্ত করতে নেতৃত্ব যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে। ৪. রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: নেতাদের বক্তব্য জনগণকে রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত ও সচেতন করে তোলে। জনগণের রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সুশাসনও নিশ্চিত হয়। ৫. সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন: নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে দলকে শক্তিশালী করা, নির্বাচনে জয়লাভ এবং সরকার গঠন করা। সুযোগ্য নেতৃত্ব জয়যুক্ত হয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও সঠিক ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তৎপর হন। ৬. জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ়করণ: সুযোগ্য নেতৃত্ব বক্তব্য-বিবৃতি এবং প্রচার-প্রচারণা দ্বারা জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করে তোলেন। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। ৭. সমন্বয় সাধন: সুযোগ্য নেতৃত্ব বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটিয়ে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ঘটান এবং সুশাসন নিশ্চিত করেন। ৮. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণ: সুযোগ্য নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখে। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ও ব্যক্তি স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা, দ্বায়িত্বশীলতা ৩ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
HSCCivics 1st PaperChapter 6 : রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শামীম সাহেব একজন আইনজীবী। তিনি এমন একটি জাতীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত যার সদস্যদের ব্যক্তিগত স্বার্থ আলাদা। তার ব্যবসায়ী বন্ধু এমন একটি সংগঠনের সাথে যুক্ত যার সকল সদস্যের ব্যক্তিগত স্বার্থ একই।

Barisal · 2017

ক
নেতৃত্বের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
খ
রাজনৈতিক দল বলতে কী বোঝায়?
গ
শামীম সাহেব যে সংগঠনের সাথে যুক্ত তার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠন দুটির নাম কী কী? উভয় প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শামীম সাহেব একজন আইনজীবী। তিনি এমন একটি জাতীয় সংগঠনের সাথে যুক্ত যার সদস্যদের ব্যক্তিগত স্বার্থ আলাদা। তার ব্যবসায়ী বন্ধু এমন একটি সংগঠনের সাথে যুক্ত যার সকল সদস্যের ব্যক্তিগত স্বার্থ একই।

Barisal · 2017

ক
নেতৃত্বের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
খ
রাজনৈতিক দল বলতে কী বোঝায়?
গ
শামীম সাহেব যে সংগঠনের সাথে যুক্ত তার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠন দুটির নাম কী কী? উভয় প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাজনৈতিক দল বলতে কী বোঝায়?

রাজনৈতিক দল বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নেতৃত্বের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

নেতৃত্বের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উমং পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন। একদিন তিনি শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার পর এলাকার লোকজন তাকে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা জানালেন। এরপর উমং স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এসব সমস্যার কথা জানিয়ে ব্যর্থ হলেন। তারপর তিনি দাবি আদায়ের জন্য এমন একটি সংগঠনে যোগদান করেন, যেটি জনগণের সমস্যা সমাধানের জন্য বৈধ উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।

Jessore · 2017

ক
জনমত কী?
খ
রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত উমং এর সংগঠনের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উমং এর মতো যোগ্য ব্যক্তির ভূমিকা অপরিসীম'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উমং পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন। একদিন তিনি শহর থেকে গ্রামে যাওয়ার পর এলাকার লোকজন তাকে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা জানালেন। এরপর উমং স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এসব সমস্যার কথা জানিয়ে ব্যর্থ হলেন। তারপর তিনি দাবি আদায়ের জন্য এমন একটি সংগঠনে যোগদান করেন, যেটি জনগণের সমস্যা সমাধানের জন্য বৈধ উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।

Jessore · 2017

ক
জনমত কী?
খ
রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত উমং এর সংগঠনের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উমং এর মতো যোগ্য ব্যক্তির ভূমিকা অপরিসীম'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়?

রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জনমত কী?

জনমত কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'ক' একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জনপ্রিয় নেতা। বিগত ২টি জাতীয় নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। উদার, নিরপেক্ষ ও সহনশীল আচরণ দ্বারা তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সাথেও সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। ফলে তাঁর এলাকায় কোনো রাজনৈতিক হানাহানি নেই। তাছাড়াও এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে সবসময় জনগণের পাশে থাকেন। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার সকল মানুষের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।

Jessore · 2017

ক
নেতৃত্ব কী?
খ
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'ক' এর ভূমিকাকে কী বলে? এর প্রয়োজনীয় গুণাবলি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"জনাব 'ক' এর ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব 'ক' একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জনপ্রিয় নেতা। বিগত ২টি জাতীয় নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। উদার, নিরপেক্ষ ও সহনশীল আচরণ দ্বারা তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সাথেও সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। ফলে তাঁর এলাকায় কোনো রাজনৈতিক হানাহানি নেই। তাছাড়াও এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে সবসময় জনগণের পাশে থাকেন। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার সকল মানুষের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।

Jessore · 2017

ক
নেতৃত্ব কী?
খ
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'ক' এর ভূমিকাকে কী বলে? এর প্রয়োজনীয় গুণাবলি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"জনাব 'ক' এর ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নেতৃত্ব কী?

নেতৃত্ব কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠন দুটির নাম কী কী? উভয় প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বিশ্শামীম সাহেব যে সংগঠনের সাথে যুক্ত তার বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করো।রাজনৈতিক দল বলতে কী বোঝায়?নেতৃত্বের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?'সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উমং এর মতো যোগ্য ব্যক্তির ভূমিকা অপরিসীম'- উক্তিটি বিশ্লউদ্দীপকে বর্ণিত উমং এর সংগঠনের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়?জনমত কী?"জনাব 'ক' এর ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব 'ক' এর ভূমিকাকে কী বলে? এর প্রয়োজনীয় গুণাবলি ব্যাখ্যা করো।চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে কী বোঝায়?নেতৃত্ব কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।