উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য লক্ষ করা যায়। কোনো দেশে এক বছরে দৃশ্যমান রপ্তানি আয় অপেক্ষা দৃশ্যমান রপ্তানি ব্যয় কম হলে তাকে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য বলে। এ অবস্থায় B₁ = (X - M) <0। অর্থাৎ এখানে রপ্তানি আয় থেকে আমদানি ব্যয় বাদ দিলে যে মান পাওয়া যায়, তা শূন্য থেকে কম। যা বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি বা প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য নির্দেশ করে। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২৭,৫৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আমদানি ব্যয় ৫৯,৯১৫ মিলিয়ন, মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এখানে (৫৯,৯১৫ - ২৭,৫৬৩) = ৩২,৩৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান। পরবর্তীতে অর্থবছরেও অনুরূপ বাণিজ্য ঘাটতি লক্ষ করা যায়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে রপ্তানি আয় ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ব্যয় ৫২৭১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এখানে (৫২.৭১৩ - ৩৭,০৭৮) = ১৫৬৩৫ মিলিয়ন ডলার বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান। যা প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্যকে নির্দেশ করে। তাই আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রতিকূল বাণিজ্য ভারসাম্য বিদ্যমান।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য · সৃজনশীল
উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি বিশ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
