উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবধান কমানোর জন্য বৈদেশিক সাহায্য নাকি বৈদেশিক বাণিজ্যকে তুমি সমর্থন করবে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবধান কমাতে আমি বৈদেশিক বাণিজ্যকে সমর্থন করি। দুটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের মধ্যে দ্রব্য ও সেবার বিনিময়কে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বা বৈদেশিক বাণিজ্য বলে। আর বিভিন্ন প্রয়োজনে অন্য দেশ থেকে খাদ্য, প্রকল্প, দান ও অনুদান সহায়তা গ্রহণ করাকে বৈদেশিক সাহায্য বলে। বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্য দুটোরই কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। তবে বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অসুবিধার চেয়ে সুবিধাই অধিক। উদ্দীপকে দেখা যায় যে, বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের চেয়ে আমদানি ব্যয় অধিক। ২০০৯-১০ অর্থবছরের তুলনায় ২০১০-১১ অর্থবছরে রপ্তানি আয় বাড়লেও বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই ঘাটতি ব্যয় মেটাতে বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভর করতে হয়। এটি দেশকে আরও পরনির্ভরশীল করে তুলছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন বৈদেশিক বাণিজ্য। যার মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করে লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। তাই বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক বাণিজ্য অধিক কার্যকর। বৈদেশিক সাহায্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক প্রভাব এবং কঠিন শর্তযুক্ত হয়। এটি দেশকে স্বাবলম্বী করার পরিবর্তে পরনির্ভরশীল করে। কিন্তু বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ সম্পদের কাম্য ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রব্য উৎপাদন ও উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়। এতে রপ্তানি আয় বাড়ে এবং বৈদেশিক নির্ভরশীলতা কমে। এভাবে বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে একটি দেশ ধীরে ধীরে আত্মনির্ভরশীল হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যবধান কমাতে বৈদেশিক সাহায্য অপেক্ষা বৈদেশিক বাণিজ্য উত্তম।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবধান কমানোর জন্য বৈদেশিক সাহায্য নাকি বৈদেশিক …
উদ্দীপক
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বাংলাদেশ ব্যাংকউত্তর
উত্তর
উত্তর
স্তম্ভচিত্রে দেখা যায়, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১৬,২০৪.৬৫ মি. ডলার এবং আমদানি ব্যয় ছিল ২৩৭৩৮.০০ মি. ডলার। এটি ২০১০-১১ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে ২২,৯২৪.৩৮ মি. ডলার ও ৩৩৬৫৮.০০ মি. ডলার হয়।উত্তর
