উল্লিখিত পরিস্থিতিতে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? তোমার মতামত লেখো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপ ছাড়াও, টাকার মূল্যমান যৌক্তিকীকরণ, দ্রব্যের মান উন্নয়ন, রপ্তানি দ্রব্যের প্রচার ও সম্প্রসারণে আরও অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন। আর এই বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধির জন্য রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। রপ্তানি আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করাই বাংলাদেশ সরকারের মূল্য লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপও গ্রহণ করেছে। উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকার রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন: শুল্ককর রেয়াত, আমদানি নীতি উদারীকরণ, ভর্তুকি প্রদান, আয়কর সুবিধা, সহজ ঋণ সুবিধা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ইত্যাদি। এছাড়া রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে টাকার মূল্যমান যৌক্তিকীকরণ করাও দরকার। এ উদ্দেশ্যে টাকার সঠিক রূপান্তরকরণের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও দ্রব্যের মান উন্নয়ন করে রপ্তানি বৃদ্ধি করা যায়। দ্রব্যের মানের উন্নয়ন হলে দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এতে করে রপ্তানি বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটে। সরকার ও রপ্তানিকারকগণ রপ্তানিজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা প্রচার করতে পারে। ফলে রপ্তানিজাত দ্রব্যের বহির্বিশ্বে প্রসার ঘটবে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া রপ্তানির বৃদ্ধির জন্য সরকার বিভিন্ন দেশে বাজার খুঁজতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করতে পারে। এটি রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। আবার দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধির চেষ্টা করা যায়। অর্থাৎ, রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য · সৃজনশীল
উল্লিখিত পরিস্থিতিতে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে আর কী কী পদক্ষেপ গ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
