শেয়ারFacebookWhatsApp

বিশ্বায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্দীপকে বর্ণিত কোন কোন শিল্পকে আমদানি বিকল্প শিল্পায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা যায়- মতামত দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত পণ্য ও শিল্পসমূহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আমদানি নির্ভরতা এখনো বিদ্যমান। বিশেষ করে মূলধন দ্রব্য, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, সুতা, সার, তৈলবীজ, খাদ্যশস্য এবং ঔষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলো দেশের চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই পরিস্থিতি কমাতে আমদানি বিকল্প শিল্পায়ন অত্যন্ত জরুরি। উদ্দীপকের আলোকে যেসব শিল্পকে আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে, সেগুলো হলো—রাসায়নিক দ্রব্য শিল্প, সার উৎপাদন শিল্প, খাদ্যশস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, ঔষুধ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প এবং সুতা ও বস্ত্র শিল্প। এসব শিল্প যদি দেশীয়ভাবে শক্তিশালী করা যায়, তাহলে আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি, বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক বাজার এবং দক্ষ জনশক্তির সহজলভ্যতা ব্যবহার করে এসব শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব। বিদেশি কোম্পানির সাথে যৌথ বিনিয়োগ (joint venture), আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। প্রথমত, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। দ্বিতীয়ত, নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, যা বেকারত্ব কমাতে সাহায্য করবে। তৃতীয়ত, শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে ঔষুধ শিল্প এবং বস্ত্র শিল্প ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় অবস্থানে রয়েছে, যা আরও সম্প্রসারণ করলে রপ্তানি খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সুতরাং, বিশ্বায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এসব শিল্পকে আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে উন্নয়ন করা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য · সৃজনশীল

বিশ্বায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্দীপকে বর্ণিত কোন কোন শিল্পকে আমদানি…

উদ্দীপক

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সীমা প্রতি বছরে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাট, চা, চামড়া, তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, হিমায়িত খাদ্য, পেট্রোলিয়াম পণ্য, রাসায়নিক দ্রব্য, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, IT শিল্পসহ দক্ষ, স্বল্পদক্ষ ও অদক্ষ মানব সম্পদ রপ্তানি করছে। অন্যদিকে, মূলধন দ্রব্য, অপরিশোধিত পেট্রেলিয়াম, সুতা, সার, তৈলবীজ, খাদ্যশস্য ও ঔষুধ আমদানি করছে। প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় মেটানোর পর বর্তমানে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

উত্তর

যেসব পণ্য অতীতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল না, কিন্তু বর্তমানে রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য বলে।

উত্তর

অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য হলো একটি দেশের ভেতরে পরিচালিত পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয়, যেখানে একই মুদ্রা ও একই আইন ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হলো দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে পণ্য ও সেবার বিনিময়, যেখানে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, আইন ও নীতিমালা জড়িত থাকে। তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তুলনামূলকভাবে বেশি জটিল।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পণ্যসমূহকে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের গুরুত্ব অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করলে তিনটি প্রধান স্তর পাওয়া যায়। প্রথমত, সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক শিল্প এবং নিটওয়্যার শিল্প। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ এই দুই খাত থেকেই আসে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের চাহিদা ব্যাপক, কারণ তুলনামূলকভাবে কম খরচে উৎপাদন এবং শ্রমশক্তির প্রাচুর্য এই খাতকে শক্তিশালী করেছে। এজন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এই খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। দ্বিতীয়ত, মধ্যম পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতের মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য (বিশেষ করে মাছ ও চিংড়ি), চা এবং পাট ও পাটজাত পণ্য। এসব খাত দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি পণ্য হিসেবে পরিচিত। যদিও তৈরি পোশাক খাতের তুলনায় এদের অবদান কিছুটা কমে গেছে, তবুও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এগুলোর ভূমিকা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃতীয়ত, উদীয়মান বা ক্রমবর্ধমান রপ্তানি খাতের মধ্যে রয়েছে হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, তথ্যপ্রযুক্তি (IT) শিল্প, রাসায়নিক দ্রব্য, পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং দক্ষ, স্বল্পদক্ষ ও অদক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানি। এসব খাত বর্তমানে ধীরে ধীরে রপ্তানি আয়ে অবদান রাখছে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারে। সুতরাং, গুরুত্ব অনুযায়ী রপ্তানি পণ্যের এই শ্রেণিবিন্যাস বাংলাদেশের রপ্তানি কাঠামো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত পণ্য ও শিল্পসমূহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আমদানি নির্ভরতা এখনো বিদ্যমান। বিশেষ করে মূলধন দ্রব্য, অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, সুতা, সার, তৈলবীজ, খাদ্যশস্য এবং ঔষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলো দেশের চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই পরিস্থিতি কমাতে আমদানি বিকল্প শিল্পায়ন অত্যন্ত জরুরি। উদ্দীপকের আলোকে যেসব শিল্পকে আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে, সেগুলো হলো—রাসায়নিক দ্রব্য শিল্প, সার উৎপাদন শিল্প, খাদ্যশস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, ঔষুধ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প এবং সুতা ও বস্ত্র শিল্প। এসব শিল্প যদি দেশীয়ভাবে শক্তিশালী করা যায়, তাহলে আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি, বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক বাজার এবং দক্ষ জনশক্তির সহজলভ্যতা ব্যবহার করে এসব শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব। বিদেশি কোম্পানির সাথে যৌথ বিনিয়োগ (joint venture), আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। প্রথমত, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। দ্বিতীয়ত, নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, যা বেকারত্ব কমাতে সাহায্য করবে। তৃতীয়ত, শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে ঔষুধ শিল্প এবং বস্ত্র শিল্প ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় অবস্থানে রয়েছে, যা আরও সম্প্রসারণ করলে রপ্তানি খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সুতরাং, বিশ্বায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এসব শিল্পকে আমদানি বিকল্প শিল্প হিসেবে উন্নয়ন করা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশে বিংশ শতাব্দির শেষদিকেও রপ্তানি পণ্য বলতে হাতেগোনা কয়েকটি ছিল। কিন্তু বিংশ শতাব্দির শেষ দশকে বাংলাদেশে রফতানিক্ষেত্রে কিছু নতুন পণ্য যোগ হয়। তৈরি পোশাক এমনই একটি পণ্য। কাঁচামাল প্রাপ্তি, শ্রমিকের মজুরি, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ ইত্যাদি সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এটির ভূমিকা বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে উল্লেখযোগ্য। যদি আমরা আইটেম সংখ্যা বৃদ্ধি, শ্রম অসন্তোষ দূর এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে পারি তবে আমাদের তৈরি পোশাক বিশ্ব বাজারে ১ম স্থান দখল করবে।

Dhaka · 2017

ক
বিশ্বায়ন কী?
খ
"বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।”- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত রপ্তানি পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্যাদি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপক অনুসারে, তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশে বিংশ শতাব্দির শেষদিকেও রপ্তানি পণ্য বলতে হাতেগোনা কয়েকটি ছিল। কিন্তু বিংশ শতাব্দির শেষ দশকে বাংলাদেশে রফতানিক্ষেত্রে কিছু নতুন পণ্য যোগ হয়। তৈরি পোশাক এমনই একটি পণ্য। কাঁচামাল প্রাপ্তি, শ্রমিকের মজুরি, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ ইত্যাদি সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এটির ভূমিকা বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে উল্লেখযোগ্য। যদি আমরা আইটেম সংখ্যা বৃদ্ধি, শ্রম অসন্তোষ দূর এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে পারি তবে আমাদের তৈরি পোশাক বিশ্ব বাজারে ১ম স্থান দখল করবে।

Dhaka · 2017

ক
বিশ্বায়ন কী?
খ
"বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।”- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত রপ্তানি পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্যাদি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপক অনুসারে, তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3."বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।”- ব্যাখ্যা কর।

"বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।”- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বিশ্বায়ন কী?

বিশ্বায়ন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশে বিংশ শতাব্দীর শেষদিকেও রপ্তানিপণ্য বলতে হাতেগোনা কয়েকটি ছিল। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে বাংলাদেশে রপ্তানিক্ষেত্রে কিছু নতুন পণ্য যুক্ত হয়। তৈরি পোশাক এমনই একটি পণ্য। কাঁচামাল প্রাপ্তি, শ্রমিকের মজুরি, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ ইত্যাদি সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এটির ভূমিকা বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে উল্লেখযোগ্য। যদি আমরা আইটেম সংখ্যা বৃদ্ধি, শ্রম অসন্তোষ দূর এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে পারি, তবে আমাদের তৈরি পোশাক বিশ্ব বাজারে ১ম স্থান দখল করবে।

Barisal · 2017

ক
বিশ্বায়ন কী?
খ
'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত রপ্তানি পণ্যটির সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্যাদি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপক অনুসারে, তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশে বিংশ শতাব্দীর শেষদিকেও রপ্তানিপণ্য বলতে হাতেগোনা কয়েকটি ছিল। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে বাংলাদেশে রপ্তানিক্ষেত্রে কিছু নতুন পণ্য যুক্ত হয়। তৈরি পোশাক এমনই একটি পণ্য। কাঁচামাল প্রাপ্তি, শ্রমিকের মজুরি, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ ইত্যাদি সমস্যা থাকা সত্ত্বেও এটির ভূমিকা বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে উল্লেখযোগ্য। যদি আমরা আইটেম সংখ্যা বৃদ্ধি, শ্রম অসন্তোষ দূর এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে পারি, তবে আমাদের তৈরি পোশাক বিশ্ব বাজারে ১ম স্থান দখল করবে।

Barisal · 2017

ক
বিশ্বায়ন কী?
খ
'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত রপ্তানি পণ্যটির সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্যাদি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপক অনুসারে, তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।'- ব্যাখ্যা করো।

'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বিশ্বায়ন কী?

বিশ্বায়ন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Barisal · 2017

ক
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?
খ
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে ২নং সারিতে উল্লিখিত পণ্যটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তুমি কি মনে কর, ৩নং সারিতে উল্লিখিত খাতটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সম্ভাবনাময় খাত? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Barisal · 2017

ক
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?
খ
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে ২নং সারিতে উল্লিখিত পণ্যটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তুমি কি মনে কর, ৩নং সারিতে উল্লিখিত খাতটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সম্ভাবনাময় খাত? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন?

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপক অনুসারে, তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে বর্ণিত রপ্তানি পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্যাদি ব্যাখ্যা কর।"বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।”- ব্যাখ্যা কর।বিশ্বায়ন কী?উদ্দীপক অনুসারে, তৈরি পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে বর্ণিত রপ্তানি পণ্যটির সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্যাদি ব্যাখ্যা করো।'বাণিজ্য না হওয়ার চেয়ে কিছু বাণিজ্য ভালো।'- ব্যাখ্যা করো।বিশ্বায়ন কী?তুমি কি মনে কর, ৩নং সারিতে উল্লিখিত খাতটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সম্ভাবনাময় উদ্দীপকে ২নং সারিতে উল্লিখিত পণ্যটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন?আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

বিশ্বায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্দীপকে বর্ণিত কোন কোন শিল্পকে আমদানি… | Prosthuti