উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতিধারা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির গতিধারা ২০১০-১১ সালে রপ্তানি আয় ছিল ২২৯২৪ মিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ব্যয় ছিল ৩৩৬৫৮ মিলিয়ন ডলার, যেখানে বাণিজ্য ঘাটতি (৩৩৬৫৮-২২৯২৪) = ১৭৩৪ মিলিয়ন ডলার। এক্ষেত্রে ওই অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রতিকূল পরিবেশ বিরাজ করেছে। কারণ আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের তুলনায় অনেক কম ছিল। ২০১১-১২ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ছিল ২৪৩০২ মিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ব্যয় ছিল ৩৫৫১৬ মিলিয়ন ডলার। এক্ষেত্রে বাণিজ্য ঘাটতি (৩৫৫১৬-২৪৩০২) = ১১২১৪ মিলিয়ন ডলার। এখানেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। কারণ রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় অনেক বেশি। ২০১২-১৩ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ১৯৭০৪ মিলিয়ন ডলার, আমদানি ব্যয় ছিল ১৯১৮০ মিলিয়ন ডলার। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয় অনেকটা সমান তথা সামান্য বাণিজ্য ঘাটতি আছে, যা অনেকটা কাম্য। একটি দেশের যখন রপ্তানি আয় আমদানি ব্যয়ের তুলনায় বেশি হয় তখন সে দেশ বৈদেশিক বাণিজ্য ভারসাম্য অর্জন করে। বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ধীরে ধীরে অনুকূল অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 8 : আন্তর্জাতিক বানিজ্য · সৃজনশীল
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতিধারা ব্যাখ্য…
উদ্দীপক
উৎস : উন্নয়ন ও পরিসংখ্যান ব্যুরো, ২০১২-১৩Chittagong · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্র : কয়েক বছরের রপ্তানি আয়ের চিত্র
চিত্রে X অক্ষে বিভিন্ন বছর ও Y অক্ষে রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ নির্দেশিত। এখানে ২০১০-২০১১ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্য হয়েছে ২২৯২৪ মিলিয়ন ডলার। ২০১১-১২ অর্থ বছরে বৈদেশিক রপ্তানি বেড়ে হয় ২৪৩০২ মিলিয়ন ডলার। ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেখা যায়, বৈদেশিক রপ্তানি বাণিজ্য হ্রাস পায় এবং তা গিয়ে ঠেকে ১৯৭০৪ মিলিয়ন ডলারে। তবে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেলে দেশে বাণিজ্যের অনূকূল পরিবেশ বিরাজ করে, যা একটি দেশের জন্য শুভ হয়। এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশে বিরাজ করেছে ২০১১-১২ অর্থবছরে।উত্তর
