শেয়ারFacebookWhatsApp

খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণগুলো উদ্দীপকের আলোকে চিহ্নিত করো।

উত্তর: উদ্দীপকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার জন্য কিছু কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো: বাংলাদেশের ভূমিস্বত্ব প্রথার বড় একটি ত্রুটি হলো- কৃষিখাতে ভূমিহীন কৃষকের অস্তিত্ব। ত্রুটিপূর্ণ ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থার কারণে এদেশের প্রায় এক- তৃতীয়াংশ কৃষকই ভূমিহীন। তারা খাদ্যশস্য বা অর্থের বিনিময়ে অন্যের জমি চাষ করে। চাষকৃত জমি নিজেদের না হওয়ায় তারা পূর্ণ উদ্যমের সাথে কৃষিকাজ করে না। ফলে ফলন কম হয়। এ অবস্থায় খাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়ে না এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করে। বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে বর্গাচাষ প্রথা প্রচলিত আছে। এখানে চাষকৃত জমি বর্গাচাষির না হওয়ায় এবং জমির মালিক কর্তৃক যেকোনো সময়ে জমি থেকে উৎখাত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় কৃষি উৎপাদন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় না। এজন্য খাদ্য প্রাপ্তির পরিমাণ তেমন বাড়ে না। বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলে খাদ্য গুদামজাতকরণের দারুন অভাব রয়েছে। খাদ্য গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণের অভাবে তা ঠিকমতো ও পর্যাপ্ত পরিমাণে গুদামজাত করা যায় না। সংরক্ষণজনিত ত্রুটির জন্যও গুদামজাতকৃত খাদ্যের একাংশ বিনষ্ট হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজেল ও গ্যাসের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ভাড়াও যথেষ্ট বেড়েছে। ফলে সব জায়গায় খাদ্যের যোগান ঠিকমতো দেওয়া যাচ্ছে না। খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম দিক হলো খাদ্যের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি। উপরে উল্লিখিত কারণগুলোর জন্য তা বিঘ্নিত হওয়ায় দেশে এখনও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 5 : খাদ্য নিরাপত্তা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 5 : খাদ্য নিরাপত্তা · সৃজনশীল

খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণগুলো উদ্দীপকের আলোকে চিহ্নিত করো।

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। দেশটি কৃষিপ্রধান হলেও খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। ফলে জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার শিকার। ভূমিহীন কৃষকের ব্যাপক উপস্থিতি, বর্গাচাষ প্রথা, খাদ্য গুদামজাতকরণের অভাব, অধিক পরিবহণ ব্যয় ইত্যাদি কারণে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সরকার টেকসই কৃষিব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, অচিরে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।

Barisal · 2017

উত্তর

এক খাদ্যের সাথে অন্য খাদ্য মিশ্রণ, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রণ, খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ক্ষতিকর দ্রব্য ব্যবহার, খাদ্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রং প্রয়োগ ইত্যাদি একত্রে খাদ্যে ভেজাল বা ভেজাল খাদ্য বলে পরিচিত।

উত্তর

খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খাদ্যের প্রাপ্যতা ও ক্রয়যোগ্যতা নিশ্চিতকরণের সাথে সাথে তা নিরাপদ করাও প্রয়োজন। নিরাপদ খাদ্য মানুষকে সুস্থ সবল রাখে; ফলে সে জীবনের বেশিরভাগ সময় কর্মক্ষম থাকে। খাদ্য নিরাপদ হলে রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং কর্মক্ষম থাকা সম্ভব হয়। নিরাপদ খাদ্য পুষ্টিসমৃদ্ধ হয় বলে তা থেকে পুষ্টি আহরণ সম্ভব হয় যা দেহ ও মনের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটায়। তাই খাদ্য নিরাপদ হওয়া প্রয়োজন।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার জন্য কিছু কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো: বাংলাদেশের ভূমিস্বত্ব প্রথার বড় একটি ত্রুটি হলো- কৃষিখাতে ভূমিহীন কৃষকের অস্তিত্ব। ত্রুটিপূর্ণ ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থার কারণে এদেশের প্রায় এক- তৃতীয়াংশ কৃষকই ভূমিহীন। তারা খাদ্যশস্য বা অর্থের বিনিময়ে অন্যের জমি চাষ করে। চাষকৃত জমি নিজেদের না হওয়ায় তারা পূর্ণ উদ্যমের সাথে কৃষিকাজ করে না। ফলে ফলন কম হয়। এ অবস্থায় খাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়ে না এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করে। বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে বর্গাচাষ প্রথা প্রচলিত আছে। এখানে চাষকৃত জমি বর্গাচাষির না হওয়ায় এবং জমির মালিক কর্তৃক যেকোনো সময়ে জমি থেকে উৎখাত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় কৃষি উৎপাদন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় না। এজন্য খাদ্য প্রাপ্তির পরিমাণ তেমন বাড়ে না। বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলে খাদ্য গুদামজাতকরণের দারুন অভাব রয়েছে। খাদ্য গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণের অভাবে তা ঠিকমতো ও পর্যাপ্ত পরিমাণে গুদামজাত করা যায় না। সংরক্ষণজনিত ত্রুটির জন্যও গুদামজাতকৃত খাদ্যের একাংশ বিনষ্ট হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজেল ও গ্যাসের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ভাড়াও যথেষ্ট বেড়েছে। ফলে সব জায়গায় খাদ্যের যোগান ঠিকমতো দেওয়া যাচ্ছে না। খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম দিক হলো খাদ্যের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি। উপরে উল্লিখিত কারণগুলোর জন্য তা বিঘ্নিত হওয়ায় দেশে এখনও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

উত্তর

সাম্প্রতিককালে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সরকার টেকসই কৃষিব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সরকারের এ পদক্ষেপ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য যথেষ্ট নয়; এ ব্যাপারে আরো কিছু করণীয় আছে। এগুলো নিম্নরূপ: বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল বলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে এখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের হার ও তীব্রতা উভয়ই বাড়তে পারে। এর ফলে খাদ্যোৎপাদনের পরিমাণ ও তার মজুদ অনেকটাই কমে যেতে পারে যা অবশ্যই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পথে অন্যতম অন্তরায়। এ প্রেক্ষিতে বৃহত্তর স্বার্থে চাল ও গমের বাফার স্টকের পরিমাণ বাড়ানো উচিত যাতে তার দ্বারা উদ্ভূত খাদ্য সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়। বাংলাদেশে যেহেতু নানা সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ করে খাদ্যোৎপাদন বিপুল পরিমাণে বাড়ানো সম্ভব নয়, তাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করেই বিদ্যমান জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার কর্তৃক পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করতে পারলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসবে। তখন অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করেও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করা যাবে। দেশে খাদ্যের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করতে হলে কৃষকদের খাদ্যশস্যসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উৎপাদনের উদ্ভাবিত নবতর উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। একই সাথে উৎপাদিত খাদ্য দেশে-বিদেশে যাতে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে আইসিটি মারফত কৃষকরা তাদের কম্পিউটারের সাহায্যে ঘরে বসেই আবহাওয়া, কৃষি উৎপাদন ও চাষাবাদের নতুন নতুন কৌশল, উদ্ভিদের পরিপুষ্টিকর ও পানির ব্যবহার, কৃষিপণ্যের চাহিদা, বিদ্যমান দাম, পশু-পাখির রোগ ও তার প্রতিষেধক ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এভাবে সমগ্র কৃষি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হলে তা খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে যথেষ্ট সহায়ক হবে। সুতরাং, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের জন্য উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়াও সরকার উপরিউল্লিখিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন নিশ্চিত করতে পারে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 5 : খাদ্য নিরাপত্তা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে যেয়ে দেখেন মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন মাছগুলো কবের ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। তিনি ফলবাজারে গিয়ে দেখলেন তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পোড়া। কিন্তু তিনি ভাবলেন এখন তো আমের সময় না। তিনি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন ।
ক
নিরাপদ খাদ্য কী?
খ
খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?
গ
মুরাদ সাহেব কেন মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন? ব্যাখ্যা কর ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা কী হওয়া উচিত? মতামত দাও ৷

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে যেয়ে দেখেন মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন মাছগুলো কবের ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। তিনি ফলবাজারে গিয়ে দেখলেন তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পোড়া। কিন্তু তিনি ভাবলেন এখন তো আমের সময় না। তিনি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন ।
ক
নিরাপদ খাদ্য কী?
খ
খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?
গ
মুরাদ সাহেব কেন মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন? ব্যাখ্যা কর ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা কী হওয়া উচিত? মতামত দাও ৷

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?

খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিরাপদ খাদ্য কী?

নিরাপদ খাদ্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' দেশের জনগণ দরিদ্র, উৎপাদিত খাদ্য সামগ্রীও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া দেশে প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণীঝড়ের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কিন্তু উক্ত দেশের জনগণ অতি মুনাফালোভী। শাক-সবজি, ফলমূল সংরক্ষণে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ ঘটায়। এরূপ ভেজাল খাবার খেয়ে দেশের যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকীর সম্মুখীন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার এরূপ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওরা সোচ্চার হয়ে উঠে এবং সরকারও এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে ।
ক
খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?
খ
বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?
গ
উদ্দীপক অনুসারে 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো চিহ্নিত কর ।
ঘ
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' দেশের জনগণ দরিদ্র, উৎপাদিত খাদ্য সামগ্রীও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া দেশে প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণীঝড়ের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কিন্তু উক্ত দেশের জনগণ অতি মুনাফালোভী। শাক-সবজি, ফলমূল সংরক্ষণে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ ঘটায়। এরূপ ভেজাল খাবার খেয়ে দেশের যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকীর সম্মুখীন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার এরূপ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওরা সোচ্চার হয়ে উঠে এবং সরকারও এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে ।
ক
খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?
খ
বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?
গ
উদ্দীপক অনুসারে 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো চিহ্নিত কর ।
ঘ
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?

বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?

খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রামে বসবাসকারী রহিম মিয়া একজন গরিব কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে কোনোভাবে তিনি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। বন্যার ফলে খাদ্য শস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায় দিনই না খেয়ে কাটাতে হয়। অন্যদিকে শহরে বসবাসকারী আফজাল হোসেন অসাধু মৌসুমি ফল বিক্রেতা। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সে মৌসুমি ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশায়। যা মানুষের নানারকম রোগ ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি বাড়চ্ছে ।
ক
খাদ্য নিরাপত্তা কী?
খ
খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে রহিম মিয়ার খাদ্য নিরাপত্তার কোন কোন দিক উপেক্ষিত হয়েছে?
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রামে বসবাসকারী রহিম মিয়া একজন গরিব কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে কোনোভাবে তিনি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। বন্যার ফলে খাদ্য শস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায় দিনই না খেয়ে কাটাতে হয়। অন্যদিকে শহরে বসবাসকারী আফজাল হোসেন অসাধু মৌসুমি ফল বিক্রেতা। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সে মৌসুমি ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশায়। যা মানুষের নানারকম রোগ ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি বাড়চ্ছে ।
ক
খাদ্য নিরাপত্তা কী?
খ
খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে রহিম মিয়ার খাদ্য নিরাপত্তার কোন কোন দিক উপেক্ষিত হয়েছে?
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খাদ্য নিরাপত্তা কী?

খাদ্য নিরাপত্তা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা কমুরাদ সাহেব কেন মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন? ব্যাখ্যা কর ।খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?নিরাপদ খাদ্য কী?খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তউদ্দীপক অনুসারে 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো চিহ্নিত কর ।বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নউদ্দীপকের আলোকে রহিম মিয়ার খাদ্য নিরাপত্তার কোন কোন দিক উপেক্ষিত হয়েছে?খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।খাদ্য নিরাপত্তা কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।