Chapter 5 : খাদ্য নিরাপত্তা Economics 2nd Paper

HSC Economics 2nd Paper এর Chapter 5 : খাদ্য নিরাপত্তা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৯৩

প্রশ্ন

Economics 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে যেয়ে দেখেন মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন মাছগুলো কবের ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। তিনি ফলবাজারে গিয়ে দেখলেন তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পোড়া। কিন্তু তিনি ভাবলেন এখন তো আমের সময় না। তিনি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন ।
ক
নিরাপদ খাদ্য কী?

উত্তর

মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এবং ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত খাদ্য হলো নিরাপদ খাদ্য ।
খ
খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?

উত্তর

খাদ্য একটা পচনশীল দ্রব্য। সঠিকভাবে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ করা না হলে খাদ্য নষ্ট হয়ে যায়, পুষ্টিগুণ থাকে না । তাই খাদ্য নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা, পুষ্টিগুণ ধরে রাখা এসব কারণে খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন ।
গ
মুরাদ সাহেব কেন মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন? ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর

উদ্দীপকের মুরাদ সাহেব খাদ্যে ভেজাল মেশানোর বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরে মাছ ও ফল না কিনেই বাড়ি ফিরলেন । এক খাদ্যের সাথে অন্য খাদ্যের মিশ্রণ, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন রাসায়নিক পদার্থ খাদ্যে মেশানো, খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ক্ষতিকর দ্রব্য ব্যবহার, খাদ্যকে আকর্ষণীয় করে তুলতে রং প্রয়োগ ইত্যাদি বিষয় একত্রে খাদ্যে ভেজাল বলে পরিচিত। এসব খাদ্য মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। উদ্দীপকের মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে গিয়ে দেখেন যে, মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন মাছগুলো কবে ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। ফলবাজারে গিয়েও তিনি দেখলেন যে, তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পাড়া হয়েছে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মাছ ও ফল এত টাটকা থাকার কথা নয়। তার মনে খাদ্যে ভেজাল সম্পর্কিত সন্দেহ কাজ করায় তিনি এগুলো না কিনেই বাড়ি ফিরলেন। বর্তমানে শিশু খাদ্য থেকে শুরু করে ফলমূল, শাক- সবজি, মাছ-মাংস, দুধ, মিষ্টি ইত্যাদি প্রায় সব ধরনের খাবারে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। এসব রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে রয়েছে— ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, কাপড়ের রং, কীটনাশক ইত্যাদি। এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে খাবারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয় এবং খাদ্যদ্রব্যকে কৃত্রিম উপায়ে সতেজ রাখার অপচেষ্টা চালানো হয়। এ ধরনের খাবার মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই সুস্থ থাকতে হলে এসব ভেজাল খাবার পরিহার করা আবশ্যক ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা কী হওয়া উচিত? মতামত দাও ৷

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ভেজাল খাদ্য সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা সচেতন ও কার্যকরী হওয়া উচিত । মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্যের অবস্থান সর্বাগ্রে। কিন্তু এ খাদ্যে- ভেজাল মিশিয়ে মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী । খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের ভেজাল খাবার পরিহার করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্দীপকের মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে গিয়ে দেখেন মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন যে, মাছগুলো কবে ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। আবার, ফল বাজারে গিয়ে দেখলেন তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পাড়া হয়েছে। কিন্তু তিনি ভাবলেন এখন তো আমের সময় না । তার মনে সন্দেহের উদ্রেক হওয়ায় তিনি মাছ ও ফল না কিনেই বাড়ি ফিরলেন। খাদ্যে ভেজালের এ সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের উচিত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে BSTI-কে আরও গতিশীল করা, ভ্ৰাম্যমাণ আদালত গঠন করে একে সক্রিয় করা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা বৃদ্ধি করা, পর্যাপ্ত পরীক্ষাগার স্থাপন করা এবং ভেজাল মেশানোর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শণাক্ত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা। ব্যবসায়ী মহলেরও এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত। নৈতিক মূল্যবোধ ও বিবেকের বিবেচনায় অসৎপথ পরিহার করে সঠিক পথ অবলম্বন করে চলা উচিত। আর জনসাধারণকেও ভেজাল খাদ্যের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। জনগণ যদি ভেজাল খাদ্য পরিহার করে কিংবা সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ ব্যাপারে অবগত করে তবে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ অনেকাংশে নিশ্চিত হবে ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে যেয়ে দেখেন মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন মাছগুলো কবের ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। তিনি ফলবাজারে গিয়ে দেখলেন তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পোড়া। কিন্তু তিনি ভাবলেন এখন তো আমের সময় না। তিনি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন ।
ক
নিরাপদ খাদ্য কী?

উত্তর

মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এবং ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত খাদ্য হলো নিরাপদ খাদ্য ।
খ
খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?

উত্তর

খাদ্য একটা পচনশীল দ্রব্য। সঠিকভাবে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ করা না হলে খাদ্য নষ্ট হয়ে যায়, পুষ্টিগুণ থাকে না । তাই খাদ্য নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা, পুষ্টিগুণ ধরে রাখা এসব কারণে খাদ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন ।
গ
মুরাদ সাহেব কেন মাছ ও ফল না কিনে বাড়ি ফিরলেন? ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর

উদ্দীপকের মুরাদ সাহেব খাদ্যে ভেজাল মেশানোর বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরে মাছ ও ফল না কিনেই বাড়ি ফিরলেন । এক খাদ্যের সাথে অন্য খাদ্যের মিশ্রণ, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন রাসায়নিক পদার্থ খাদ্যে মেশানো, খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ক্ষতিকর দ্রব্য ব্যবহার, খাদ্যকে আকর্ষণীয় করে তুলতে রং প্রয়োগ ইত্যাদি বিষয় একত্রে খাদ্যে ভেজাল বলে পরিচিত। এসব খাদ্য মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। উদ্দীপকের মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে গিয়ে দেখেন যে, মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন মাছগুলো কবে ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। ফলবাজারে গিয়েও তিনি দেখলেন যে, তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পাড়া হয়েছে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মাছ ও ফল এত টাটকা থাকার কথা নয়। তার মনে খাদ্যে ভেজাল সম্পর্কিত সন্দেহ কাজ করায় তিনি এগুলো না কিনেই বাড়ি ফিরলেন। বর্তমানে শিশু খাদ্য থেকে শুরু করে ফলমূল, শাক- সবজি, মাছ-মাংস, দুধ, মিষ্টি ইত্যাদি প্রায় সব ধরনের খাবারে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। এসব রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে রয়েছে— ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, কাপড়ের রং, কীটনাশক ইত্যাদি। এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে খাবারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয় এবং খাদ্যদ্রব্যকে কৃত্রিম উপায়ে সতেজ রাখার অপচেষ্টা চালানো হয়। এ ধরনের খাবার মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই সুস্থ থাকতে হলে এসব ভেজাল খাবার পরিহার করা আবশ্যক ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা কী হওয়া উচিত? মতামত দাও ৷

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ভেজাল খাদ্য সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা সচেতন ও কার্যকরী হওয়া উচিত । মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্যের অবস্থান সর্বাগ্রে। কিন্তু এ খাদ্যে- ভেজাল মিশিয়ে মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী । খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের ভেজাল খাবার পরিহার করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্দীপকের মুরাদ সাহেব ঢাকার কাওরান বাজারে রাতে মাছ কিনতে গিয়ে দেখেন মাছগুলো সব তাজা ও সতেজ। তিনি মাছওয়ালাকে প্রশ্ন করলেন যে, মাছগুলো কবে ধরা হয়েছে? মাছওয়ালা উত্তর দিল গতকাল। আবার, ফল বাজারে গিয়ে দেখলেন তাজা তাজা আম যেন এখন গাছ থেকে পাড়া হয়েছে। কিন্তু তিনি ভাবলেন এখন তো আমের সময় না । তার মনে সন্দেহের উদ্রেক হওয়ায় তিনি মাছ ও ফল না কিনেই বাড়ি ফিরলেন। খাদ্যে ভেজালের এ সমস্যা সমাধান করার জন্য সরকার, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের উচিত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে BSTI-কে আরও গতিশীল করা, ভ্ৰাম্যমাণ আদালত গঠন করে একে সক্রিয় করা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভূমিকা বৃদ্ধি করা, পর্যাপ্ত পরীক্ষাগার স্থাপন করা এবং ভেজাল মেশানোর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শণাক্ত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা। ব্যবসায়ী মহলেরও এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত। নৈতিক মূল্যবোধ ও বিবেকের বিবেচনায় অসৎপথ পরিহার করে সঠিক পথ অবলম্বন করে চলা উচিত। আর জনসাধারণকেও ভেজাল খাদ্যের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। জনগণ যদি ভেজাল খাদ্য পরিহার করে কিংবা সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ ব্যাপারে অবগত করে তবে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ অনেকাংশে নিশ্চিত হবে ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'ক' দেশের জনগণ দরিদ্র, উৎপাদিত খাদ্য সামগ্রীও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া দেশে প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণীঝড়ের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কিন্তু উক্ত দেশের জনগণ অতি মুনাফালোভী। শাক-সবজি, ফলমূল সংরক্ষণে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ ঘটায়। এরূপ ভেজাল খাবার খেয়ে দেশের যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকীর সম্মুখীন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার এরূপ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওরা সোচ্চার হয়ে উঠে এবং সরকারও এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে ।
ক
খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?

উত্তর

খাদ্যের প্রাপ্যতা হলো সামঞ্জস্য বা প্রয়োজনের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা।
খ
বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?

উত্তর

বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা বেশ সক্রিয়ভাবে প্রভাবিত হয় । খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকার একদিকে যেমন উৎপাদন বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তেমনি অন্যদিকে খাদ্য আমদানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করছে। দেশে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশে খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা যায় না বলে বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই বলা যায়, বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে প্রভাবিত হয় ।
গ
উদ্দীপক অনুসারে 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো চিহ্নিত কর ।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো হলো— (১) খাদ্যের প্রাপ্যতা, (২) খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা ও (৩) খাদ্যের ব্যবহার। সাধারণভাবে খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝায় সহজে খাদ্যপ্রাপ্তি এবং তার ক্রয়যোগ্যতাকে। একটি পরিবারকে তখনই খাদ্য নিরাপত্তার অধীন বলা যাবে যখন তার সদস্যরা অনাহারে থাকবে না কিংবা তাদের দুর্ভিক্ষে পতিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। আর উপরিউক্ত বিষয়গুলো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকের 'ক' দেশের জনগণ দরিদ্র। উৎপাদিত খাদ্যসামগ্রীও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল । এছাড়া দেশে প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এসব কারণে তাদের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো বিঘ্নিত হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত পরিমাণ উৎপাদন, খাদ্যের নিট আমদানি, বৈদেশিক খাদ্য সাহায্য এবং দেশের খাদ্য মজুদ পরিস্থিতির ওপর খাদ্যের প্রাপ্যতা নির্ভর করে। খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা নির্ভর করে মানুষের আয়ের স্তর ও খাদ্যপ্রাপ্তির ওপর। মানুষের আয় স্তর বেশি থাকলে তথা খাদ্য ক্রয় করার মতো ক্ষমতা থাকলে খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হয়। এর পাশাপাশি খাদ্য ভোগ বা ব্যবহারের মাধ্যমে দেহের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি যোগান দেওয়াও খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান শর্ত । কোনো দেশে এসব দিক যথাযথভাবে উপস্থিত থাকলে সেখানে, খাদ্য নিরাপত্তা উপস্থিত রয়েছে বলা যায় ৷
ঘ
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকের পরিস্থিতি বিবেচনায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের ভূমিকা অত্যন্ত কঠোর ও কার্যকরী হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি । আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্য অন্যতম। এই খাদ্য যদি নিরাপদ না হয় তবে তা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। আর নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও জনগণকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্দীপকের 'ক' দেশের জনগণ অত্যন্ত মুনাফালোভী। শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি সংরক্ষণে তারা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ ঘটায়। এ ধরনের ভেজালমিশ্রিত খাবার খেয়ে দেশের যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার এরূপ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওরা সোচ্চার হয়ে উঠে সরকারও এ ব্যাপারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও যদি গ্রামের মানুষদের নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং খাদ্যে ভেজাল মেশানোর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তাদেরকে অবগত করে তবে তারা ভেজাল খাদ্য গ্রহণ ও খাদ্যে ভেজাল দেওয়া থেকে বিরত থাকতে পারে। এছাড়া এসব সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান ভেজাল খাদ্য চিহ্নিতকরণের মাপকাঠি বা নির্দেশক উদ্ভাবন করে সস্তায় গ্রাহকদের কাছে পৌছে দিতে পারে। আবার, জনগণ যদি ভেজাল খাদ্য পরিহার করে কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালত, ডিসিসির কর্তৃত্বপ্রাপ্ত টিম অথবা সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে অবগত করতে পারে তাহলেও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ অনেকাংশে নিশ্চিত হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের ভূমিকা এরূপ হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

'ক' দেশের জনগণ দরিদ্র, উৎপাদিত খাদ্য সামগ্রীও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া দেশে প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণীঝড়ের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কিন্তু উক্ত দেশের জনগণ অতি মুনাফালোভী। শাক-সবজি, ফলমূল সংরক্ষণে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ ঘটায়। এরূপ ভেজাল খাবার খেয়ে দেশের যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকীর সম্মুখীন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার এরূপ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওরা সোচ্চার হয়ে উঠে এবং সরকারও এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে ।
ক
খাদ্যের প্রাপ্যতা কী?

উত্তর

খাদ্যের প্রাপ্যতা হলো সামঞ্জস্য বা প্রয়োজনের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা।
খ
বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে প্রভাবিত হয় ?

উত্তর

বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা বেশ সক্রিয়ভাবে প্রভাবিত হয় । খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকার একদিকে যেমন উৎপাদন বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তেমনি অন্যদিকে খাদ্য আমদানিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করছে। দেশে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশে খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা যায় না বলে বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই বলা যায়, বৈদেশিক বাণিজ্য দ্বারা খাদ্যের প্রাপ্যতা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে প্রভাবিত হয় ।
গ
উদ্দীপক অনুসারে 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো চিহ্নিত কর ।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' দেশের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো হলো— (১) খাদ্যের প্রাপ্যতা, (২) খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা ও (৩) খাদ্যের ব্যবহার। সাধারণভাবে খাদ্য নিরাপত্তা বলতে বোঝায় সহজে খাদ্যপ্রাপ্তি এবং তার ক্রয়যোগ্যতাকে। একটি পরিবারকে তখনই খাদ্য নিরাপত্তার অধীন বলা যাবে যখন তার সদস্যরা অনাহারে থাকবে না কিংবা তাদের দুর্ভিক্ষে পতিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। আর উপরিউক্ত বিষয়গুলো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকের 'ক' দেশের জনগণ দরিদ্র। উৎপাদিত খাদ্যসামগ্রীও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল । এছাড়া দেশে প্রতিবছর বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এসব কারণে তাদের খাদ্য নিরাপত্তার দিকগুলো বিঘ্নিত হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত পরিমাণ উৎপাদন, খাদ্যের নিট আমদানি, বৈদেশিক খাদ্য সাহায্য এবং দেশের খাদ্য মজুদ পরিস্থিতির ওপর খাদ্যের প্রাপ্যতা নির্ভর করে। খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা নির্ভর করে মানুষের আয়ের স্তর ও খাদ্যপ্রাপ্তির ওপর। মানুষের আয় স্তর বেশি থাকলে তথা খাদ্য ক্রয় করার মতো ক্ষমতা থাকলে খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হয়। এর পাশাপাশি খাদ্য ভোগ বা ব্যবহারের মাধ্যমে দেহের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি যোগান দেওয়াও খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান শর্ত । কোনো দেশে এসব দিক যথাযথভাবে উপস্থিত থাকলে সেখানে, খাদ্য নিরাপত্তা উপস্থিত রয়েছে বলা যায় ৷
ঘ
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের কী ভূমিকা হওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকের পরিস্থিতি বিবেচনায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের ভূমিকা অত্যন্ত কঠোর ও কার্যকরী হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি । আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্য অন্যতম। এই খাদ্য যদি নিরাপদ না হয় তবে তা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। আর নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও জনগণকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্দীপকের 'ক' দেশের জনগণ অত্যন্ত মুনাফালোভী। শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি সংরক্ষণে তারা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ ঘটায়। এ ধরনের ভেজালমিশ্রিত খাবার খেয়ে দেশের যুবসমাজের স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার এরূপ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওরা সোচ্চার হয়ে উঠে সরকারও এ ব্যাপারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও যদি গ্রামের মানুষদের নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং খাদ্যে ভেজাল মেশানোর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তাদেরকে অবগত করে তবে তারা ভেজাল খাদ্য গ্রহণ ও খাদ্যে ভেজাল দেওয়া থেকে বিরত থাকতে পারে। এছাড়া এসব সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান ভেজাল খাদ্য চিহ্নিতকরণের মাপকাঠি বা নির্দেশক উদ্ভাবন করে সস্তায় গ্রাহকদের কাছে পৌছে দিতে পারে। আবার, জনগণ যদি ভেজাল খাদ্য পরিহার করে কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালত, ডিসিসির কর্তৃত্বপ্রাপ্ত টিম অথবা সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে অবগত করতে পারে তাহলেও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ অনেকাংশে নিশ্চিত হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের ভূমিকা এরূপ হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্রামে বসবাসকারী রহিম মিয়া একজন গরিব কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে কোনোভাবে তিনি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। বন্যার ফলে খাদ্য শস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায় দিনই না খেয়ে কাটাতে হয়। অন্যদিকে শহরে বসবাসকারী আফজাল হোসেন অসাধু মৌসুমি ফল বিক্রেতা। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সে মৌসুমি ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশায়। যা মানুষের নানারকম রোগ ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি বাড়চ্ছে ।
ক
খাদ্য নিরাপত্তা কী?

উত্তর

খাদ্য নিরাপত্তা হলো সকলের জন্য সবসময় পর্যাপ্ত পরিমাণ, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য সরবরাহ করা যা শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করে ।
খ
খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাদ্যের মজুদ না থাকলে খাদ্যের প্রাপ্যতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় খাদ্যের প্রাপ্যতা মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয় । খাদ্য মজুদ না থাকলে এর প্রাপ্যতাও অনিশ্চিত ও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমাদের কৃষি উৎপাদন প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে থাকে। প্রাকৃতিক আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে তবে খাদ্য উৎপাদন যথেষ্ট বেড়ে যায় এবং নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে পরবর্তী সময়ের জন্য মজুদও করা যায়। এর ফলে খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত হয় । আর তা না হলে খাদ্য প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এভাবেই খাদ্যের প্রাপ্যতা মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
গ
উদ্দীপকের আলোকে রহিম মিয়ার খাদ্য নিরাপত্তার কোন কোন দিক উপেক্ষিত হয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকের রহিম মিয়ার ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং খাদ্য ক্রয়যোগ্যতা অর্জনের দিকগুলো উপেক্ষিত হয়েছে। যেসব বিষয় খাদ্য নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করে তাদের সমন্বিত রূপকে খাদ্য নিরাপত্তার দিক বলে। এসব দিকের মধ্যে রয়েছে- খাদ্যের প্রাপ্যতা, খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা ও খাদ্যের ব্যবহার। এসব বিষয় নিশ্চিত হলে খাদ্য নিরাপত্তার অনেকটা নিশ্চিত হয়। উদ্দীপকের রহিম মিয়া একজন গরিব কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে তিনি কোনো রকমে পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার ফসল ডুবে যাওয়ায় খাদ্যশস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায়ই না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। রহিম মিয়ার ক্ষেত্রে খাদ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে খাদ্য প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা থাকায় এবং দারিদ্র্যের কারণে তার খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা না থাকায়। আমাদের দেশে কৃষি উৎপাদন মূলত প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে খাদ্য উৎপাদন কমে যায় এবং খাদ্য প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। আবার খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা থাকাও আবশ্যক । আমাদের দেশে অনেক দরিদ্র মানুষের খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা থাকে না । তাদের আয় স্তর এত নিম্ন যে, প্রচলিত বাজারে তারা খাদ্য কিনতে পারে না। তাদের চাষাবাদের জন্য নিজস্ব কোনো জমিও থাকে না। এ দরিদ্র শ্রেণির লোকেদের ক্ষেত্রে তাই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না ।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় উৎপাদিত খাদ্যের প্রাপ্যতা অনেক কম। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে সরকারের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষদের খাদ্য প্রাপ্তিতে সহায়তা করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের দরিদ্র কৃষক রহিম মিয়া অন্যের জমিতে চাষ করে দিনাতিপাত করে। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। আবার খাদ্যশস্যের দামও বেশি হওয়ায় রহিম মিয়া তা ক্রয়ে অসমর্থ। এ পরিস্থিতিতে তার খাদ্য প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আবার মুনাফার লোভে অসাধু মৌসুমি ফল বিক্রেতাকে ফলে রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশাতে দেখা যায়, যা নানারকম রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ায়। এ অবস্থায় সরকার নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে যে ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আমি মনে করি তা হলো— দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা, খোলা বাজারে খাদ্য বিক্রির ব্যবস্থা করার মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খাদ্য প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি করা, গ্রামীণ যোগাযোগ, অবকাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ঘটানো, দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া, খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা, সম্পূরক খাদ্যের যোগান বৃদ্ধি করা, ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে ভেজালকারীদের শনাক্ত করা, পর্যাপ্ত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন, BSTI এর নজরদারি জোরদার করা ইত্যাদি। সরকার যদি উপরিউক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়ন করতে পারে তবে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান করা যাবে বলে আমি মনে করি ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্রামে বসবাসকারী রহিম মিয়া একজন গরিব কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে কোনোভাবে তিনি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। বন্যার ফলে খাদ্য শস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায় দিনই না খেয়ে কাটাতে হয়। অন্যদিকে শহরে বসবাসকারী আফজাল হোসেন অসাধু মৌসুমি ফল বিক্রেতা। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সে মৌসুমি ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশায়। যা মানুষের নানারকম রোগ ব্যাধি হওয়ার ঝুঁকি বাড়চ্ছে ।
ক
খাদ্য নিরাপত্তা কী?

উত্তর

খাদ্য নিরাপত্তা হলো সকলের জন্য সবসময় পর্যাপ্ত পরিমাণ, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য সরবরাহ করা যা শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করে ।
খ
খাদ্যের প্রাপ্যতা কীভাবে মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

খাদ্যের মজুদ না থাকলে খাদ্যের প্রাপ্যতা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় খাদ্যের প্রাপ্যতা মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয় । খাদ্য মজুদ না থাকলে এর প্রাপ্যতাও অনিশ্চিত ও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমাদের কৃষি উৎপাদন প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে থাকে। প্রাকৃতিক আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে তবে খাদ্য উৎপাদন যথেষ্ট বেড়ে যায় এবং নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে পরবর্তী সময়ের জন্য মজুদও করা যায়। এর ফলে খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত হয় । আর তা না হলে খাদ্য প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এভাবেই খাদ্যের প্রাপ্যতা মজুদ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
গ
উদ্দীপকের আলোকে রহিম মিয়ার খাদ্য নিরাপত্তার কোন কোন দিক উপেক্ষিত হয়েছে?

উত্তর

উদ্দীপকের রহিম মিয়ার ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং খাদ্য ক্রয়যোগ্যতা অর্জনের দিকগুলো উপেক্ষিত হয়েছে। যেসব বিষয় খাদ্য নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করে তাদের সমন্বিত রূপকে খাদ্য নিরাপত্তার দিক বলে। এসব দিকের মধ্যে রয়েছে- খাদ্যের প্রাপ্যতা, খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা ও খাদ্যের ব্যবহার। এসব বিষয় নিশ্চিত হলে খাদ্য নিরাপত্তার অনেকটা নিশ্চিত হয়। উদ্দীপকের রহিম মিয়া একজন গরিব কৃষক। অন্যের জমি চাষ করে তিনি কোনো রকমে পরিবারের ভরণপোষণ করেন। এ বছর বন্যার পানিতে তার ফসল ডুবে যাওয়ায় খাদ্যশস্যের দামও বেশি। ফলে রহিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রায়ই না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। রহিম মিয়ার ক্ষেত্রে খাদ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে খাদ্য প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা থাকায় এবং দারিদ্র্যের কারণে তার খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা না থাকায়। আমাদের দেশে কৃষি উৎপাদন মূলত প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে খাদ্য উৎপাদন কমে যায় এবং খাদ্য প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। আবার খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা থাকাও আবশ্যক । আমাদের দেশে অনেক দরিদ্র মানুষের খাদ্যের ক্রয়যোগ্যতা থাকে না । তাদের আয় স্তর এত নিম্ন যে, প্রচলিত বাজারে তারা খাদ্য কিনতে পারে না। তাদের চাষাবাদের জন্য নিজস্ব কোনো জমিও থাকে না। এ দরিদ্র শ্রেণির লোকেদের ক্ষেত্রে তাই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না ।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় উৎপাদিত খাদ্যের প্রাপ্যতা অনেক কম। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে সরকারের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষদের খাদ্য প্রাপ্তিতে সহায়তা করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের দরিদ্র কৃষক রহিম মিয়া অন্যের জমিতে চাষ করে দিনাতিপাত করে। এ বছর বন্যার পানিতে তার জমির ফসল ডুবে যায়। আবার খাদ্যশস্যের দামও বেশি হওয়ায় রহিম মিয়া তা ক্রয়ে অসমর্থ। এ পরিস্থিতিতে তার খাদ্য প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আবার মুনাফার লোভে অসাধু মৌসুমি ফল বিক্রেতাকে ফলে রাসায়নিক দ্রব্যাদি মেশাতে দেখা যায়, যা নানারকম রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ায়। এ অবস্থায় সরকার নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানে যে ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আমি মনে করি তা হলো— দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা, খোলা বাজারে খাদ্য বিক্রির ব্যবস্থা করার মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খাদ্য প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি করা, গ্রামীণ যোগাযোগ, অবকাঠামো ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ঘটানো, দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া, খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা, সম্পূরক খাদ্যের যোগান বৃদ্ধি করা, ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে ভেজালকারীদের শনাক্ত করা, পর্যাপ্ত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন, BSTI এর নজরদারি জোরদার করা ইত্যাদি। সরকার যদি উপরিউক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়ন করতে পারে তবে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান করা যাবে বলে আমি মনে করি ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো