শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি কী বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য? তোমার মতামতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি হলো ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব। আর ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের জন্য আংশিক প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি। ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব পর্যবেক্ষণ করলে বাংলাদেশে আমরা অনেক বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। বৈশিষ্ট্যগুলো হলো বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন অপেক্ষা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। বর্তমানে এ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩% এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাময়িক হিসাব অনুযায়ী খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে ৫১৩.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন। বাংলাদেশের একজন লোকের ভরণপোষণের জন্য ১.২ হতে ১.৮০ একর জমির প্রয়োজন। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রায় দুর্ভিক্ষ, মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি দেখা যায়। অনাহার, অর্ধাহার, রোগব্যাধি বাংলাদেশের জনগণের নিত্য সহচর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের জন্মহার ও মৃত্যুহার উভয়ই অধিক। প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৯.৪ এবং স্থূল মৃত্যুহার ৬.১ জন। তাছাড়া বর্তমান মোট শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ বেকার। বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় মাত্র ২৭৮৪ মার্কিন ডলার। ফলে জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত নিম্ন। এখন প্রায় ১৮.৭ ভাগ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। উদ্দীপকে 'A [গণিত] নামের একটি উন্নয়নশীল দেশের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এখানে দেখা যায়, দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে জ্যামিতিক হারে (৪,৮,১৬,৩২) এবং খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে গাণিতিক হারে (২,৩,৪)। এ তথ্যটি ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের জন্য আংশিক কার্যকর বলে আমি মনে করি।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি কী বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য? তোমার মতামত…

উদ্দীপক

'A′A^{\prime} একটি উন্নয়নশীল দেশ। নিম্নে 'A′A^{\prime} দেশের জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ দেখানো হলো- question image

উত্তর

জনসংখ্যার ঘনত্ব বলতে প্রতি বর্গমাইলে বা প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে তাকেই বোঝায়। কোনো দেশে জনসংখ্যাকে সে দেশের মোট আয়তন দ্বারা ভাগ করলে জনসংখ্যার ঘনত্ব পাওয়া যায়।

উত্তর

মানবসম্পদ উন্নয়ন বলতে বোঝায়—একটি দেশের জনগণকে দক্ষ, উৎপাদনশীল ও কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা। এতে স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত না হলে মানুষ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে না। স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নের সম্পর্ক: কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি: সুস্থ মানুষই শারীরিক ও মানসিকভাবে কর্মক্ষম থাকে, যা উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। শিক্ষায় অংশগ্রহণ: সুস্বাস্থ্য শিক্ষাগ্রহণে সহায়ক, ফলে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে ওঠে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন: সুস্থ জনগণ শ্রমবাজারে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, যা অর্থনীতিকে গতিশীল করে। দারিদ্র্য হ্রাস: স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় কম হলে পরিবারগুলো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। সুতরাং, স্বাস্থ্যসেবা মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি মৌলিক উপাদান, যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক।

উত্তর

উদ্দীপকের তথ্যসমূহ ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকে ১৭৯৮ সালে ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত ধর্মযাজক ও অর্থনীতিবিদ টমাস রবার্ট ম্যালথাস তার জনসংখ্যা তত্ত্বটি প্রচার করেন। এ তত্ত্বের মূলকথা হলো- অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় জনসংখ্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে এবং খাদ্য উৎপাদন বাড়ে গাণিতিক হারে। জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো- ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪ ইত্যাদি হারে। আর গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো- ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ইত্যাদি হারে। জমির যোগান সীমাবদ্ধ হওয়ায় জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পায় খাদ্য উৎপাদন সে হারে বৃদ্ধি পায় না। ম্যালথাসের মতে, প্রতিটি দেশেই প্রতি ২৫ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়। কিন্তু জমিতে ক্রমহ্রাসমান উৎপাদন বিধি কার্যকর বলে খাদ্য উৎপাদন দ্রুত বাড়তে পারে না। ফলে একটি পর্যায়ে জনসংখ্যার পরিমাণ খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণকে ছাড়িয়ে যায় এবং দেশে জনাধিক্য সমস্যা দেখা দেয়। উদ্দীপকে 'A′A^{\prime} নামের একটি উন্নয়নশীল দেশের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এখানে দেখা যায়, ১৯৪৫, ১৯৭০ ও ২০২০ সালে দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে জ্যামিতিক হারে (৪,৮,৩২) এবং খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে গাণিতিক হারে (২,৩,৪)। এ তথ্যটি ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি হলো ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব। আর ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের জন্য আংশিক প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি। ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্ব পর্যবেক্ষণ করলে বাংলাদেশে আমরা অনেক বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। বৈশিষ্ট্যগুলো হলো বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন অপেক্ষা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। বর্তমানে এ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩% এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাময়িক হিসাব অনুযায়ী খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে ৫১৩.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন। বাংলাদেশের একজন লোকের ভরণপোষণের জন্য ১.২ হতে ১.৮০ একর জমির প্রয়োজন। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রায় দুর্ভিক্ষ, মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি দেখা যায়। অনাহার, অর্ধাহার, রোগব্যাধি বাংলাদেশের জনগণের নিত্য সহচর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের জন্মহার ও মৃত্যুহার উভয়ই অধিক। প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৯.৪ এবং স্থূল মৃত্যুহার ৬.১ জন। তাছাড়া বর্তমান মোট শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ বেকার। বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় মাত্র ২৭৮৪ মার্কিন ডলার। ফলে জীবনযাত্রার মান অত্যন্ত নিম্ন। এখন প্রায় ১৮.৭ ভাগ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। উদ্দীপকে 'A′A^{\prime} নামের একটি উন্নয়নশীল দেশের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এখানে দেখা যায়, দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে জ্যামিতিক হারে (৪,৮,১৬,৩২) এবং খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে গাণিতিক হারে (২,৩,৪)। এ তথ্যটি ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের জন্য আংশিক কার্যকর বলে আমি মনে করি।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন ও সুমন বাল্যবন্ধু। ছাত্রজীবন শেষে সুজন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে এবং সুমন অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে একদিন তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সুজন পরিসংখ্যানিক উপাত্ত দিয়ে বলেন, জনসংখ্যার ঘনত্ব, কর্মসংস্থানের সুযোগ, কৃষিজমির পরিমাণ এসব বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত জনসংখ্যা অভিশাপস্বরূপ। অন্যদিকে, সুমন মনে করেন, অতিরিক্ত জনসংখ্যা সবসময় অভিশাপ নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়।

Dhaka · 2017

ক
আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?
খ
কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?
গ
জনসংখ্যা সম্পর্কিত সুজনের মতামত ব্যাখ্যা করো।
ঘ
কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে অভিশাপ থেকে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন ও সুমন বাল্যবন্ধু। ছাত্রজীবন শেষে সুজন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে এবং সুমন অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে একদিন তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সুজন পরিসংখ্যানিক উপাত্ত দিয়ে বলেন, জনসংখ্যার ঘনত্ব, কর্মসংস্থানের সুযোগ, কৃষিজমির পরিমাণ এসব বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত জনসংখ্যা অভিশাপস্বরূপ। অন্যদিকে, সুমন মনে করেন, অতিরিক্ত জনসংখ্যা সবসময় অভিশাপ নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়।

Dhaka · 2017

ক
আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?
খ
কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?
গ
জনসংখ্যা সম্পর্কিত সুজনের মতামত ব্যাখ্যা করো।
ঘ
কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে অভিশাপ থেকে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?

কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?

আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন ও সুমন বাল্যবন্ধু। ছাত্রজীবন শেষে সুজন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে এবং সুমন অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে একদিন তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সুজন পরিসংখ্যানিক উপাত্ত দিয়ে বলেন, জনসংখ্যার ঘনত্ব, কর্মসংস্থানের সুযোগ, কৃষি জমির পরিমাণ এসব বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত জনসংখ্যা অভিশাপস্বরূপ। অন্যদিকে, সুমন মনে করেন, অতিরিক্ত জনসংখ্যা সবসময় অভিশাপ নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়।

Barisal · 2017

ক
আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?
খ
'কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?
গ
জনসংখ্যা সম্পর্কিত সুজনের মতামত ব্যাখ্যা করো।
ঘ
কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে অভিশাপ থেকে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুজন ও সুমন বাল্যবন্ধু। ছাত্রজীবন শেষে সুজন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে এবং সুমন অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা সমস্যা নিয়ে একদিন তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সুজন পরিসংখ্যানিক উপাত্ত দিয়ে বলেন, জনসংখ্যার ঘনত্ব, কর্মসংস্থানের সুযোগ, কৃষি জমির পরিমাণ এসব বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত জনসংখ্যা অভিশাপস্বরূপ। অন্যদিকে, সুমন মনে করেন, অতিরিক্ত জনসংখ্যা সবসময় অভিশাপ নয়, বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়।

Barisal · 2017

ক
আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?
খ
'কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?
গ
জনসংখ্যা সম্পর্কিত সুজনের মতামত ব্যাখ্যা করো।
ঘ
কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে অভিশাপ থেকে আশীর্বাদে পরিণত করা যায়? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?

'কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?

আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. জাকির বৃত্তি নিয়ে ইউরোপে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে যান। তিনি সেখানে দেখতে পান যে, শীতপ্রধান ইউরোপে জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং গড় আয়ুষ্কাল বেশি। কিন্তু বাংলাদেশে খাদ্যাভ্যাস, আবহাওয়া, বাল্যবিবাহ ইত্যাদি কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি এবং জীবনযাত্রার মান নিম্ন। বর্তমানে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস করেছে। উপরন্তু কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে জনগণকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। এতে মাথাপিছু আয় বাড়ছে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নও হচ্ছে।

Barisal · 2017

ক
কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের সূত্রটি লেখ।
খ
শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে প্রভাবিত করে?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সরকার আরো কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. জাকির বৃত্তি নিয়ে ইউরোপে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে যান। তিনি সেখানে দেখতে পান যে, শীতপ্রধান ইউরোপে জীবনযাত্রার মান উন্নত এবং গড় আয়ুষ্কাল বেশি। কিন্তু বাংলাদেশে খাদ্যাভ্যাস, আবহাওয়া, বাল্যবিবাহ ইত্যাদি কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি এবং জীবনযাত্রার মান নিম্ন। বর্তমানে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস করেছে। উপরন্তু কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে জনগণকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। এতে মাথাপিছু আয় বাড়ছে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নও হচ্ছে।

Barisal · 2017

ক
কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের সূত্রটি লেখ।
খ
শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে প্রভাবিত করে?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সরকার আরো কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে প্রভাবিত করে?

শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে প্রভাবিত করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের সূত্রটি লেখ।

কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের সূত্রটি লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে অভিশাপ থেকে আশীর্বাদে পরিণত করাজনসংখ্যা সম্পর্কিত সুজনের মতামত ব্যাখ্যা করো।কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে অভিশাপ থেকে আশীর্বাদে পরিণত করাজনসংখ্যা সম্পর্কিত সুজনের মতামত ব্যাখ্যা করো।'কোনো কোনো দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (০)'- কীভাবে সম্ভব?আত্মকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে সরকার আরো কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? মতামত দাও।উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো।শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে প্রভাবিত করে?কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের সূত্রটি লেখ।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।