'ক' দেশের নিট অভিবাসন হারের ভিত্তিতে উক্ত দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
উত্তর: ক দেশের নিট অভিবাসন হারের ভিত্তিতে আর্থ সামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণ করা হলো। আমরা জানি, নিট অভিবাসন হার = বহিরাগমন - বহির্গমন মোট জনসংখ্যা ×১০০০ [চিত্র] [গণিত] = - ১.৭৮। এক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, নেট অভিবাসনের হার ঋণাত্মক। নিট অভিবাসন হার ঋণাত্মক হওয়ার মানে হলো, দেশ থেকে বেশি মানুষ বাইরে চলে যাচ্ছে। এটি আর্থসামাজিক সমস্যা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ সংকটের পরিচায়ক। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের অভাব, নিম্ন জীবনমান, এবং সামাজিক নিরাপত্তার ঘাটতি মানুষকে অভিবাসনে প্ররোচিত করে। এমনকি শিক্ষিত ও দক্ষ শ্রমিকদের অভিবাসনের ফলে দেশে মেধা ক্ষরণ (brain drain) হতে পারে। তবে, অভিবাসনের একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। প্রবাসে কর্মরত ব্যক্তিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায় এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে। উদাহরণস্বরূপ, এই রেমিট্যান্স দেশের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগে সাহায্য করতে পারে। সুতরাং, 'ক' দেশের নিট অভিবাসন হার দেশের আর্থসামাজিক সমস্যার স্পষ্ট প্রতিফলন, যা সমাধানের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং জীবনমান উন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান · সৃজনশীল
'ক' দেশের নিট অভিবাসন হারের ভিত্তিতে উক্ত দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
\end{if}]-->\end{if}]-->
= ১২২০ জন/বর্গকিমি।
অশোধিত জন্মহার মোট জীবিত জন্মসংখ্যাকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে ১০০০ দিয়ে গুণ করলে অশোধিত জন্মহার পাওয়া যায়। সুতরাং,
\end{if}]-->\end{if}]-->
\end{if}]-->\end{if}]--> ১০০০।
\end{if}]-->\end{if}]-->
\end{if}]-->\end{if}]-->
= ১৩.৮
সুতরাং, 'ক' দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ১২২০ জন/বর্গকিমি এবং অশোধিত জন্মহার ১৩.৮।উত্তর
\end{if}]-->\end{if}]-->
= - ১.৭৮।
এক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, নেট অভিবাসনের হার ঋণাত্মক। নিট অভিবাসন হার ঋণাত্মক হওয়ার মানে হলো, দেশ থেকে বেশি মানুষ বাইরে চলে যাচ্ছে। এটি আর্থসামাজিক সমস্যা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ সংকটের পরিচায়ক। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের অভাব, নিম্ন জীবনমান, এবং সামাজিক নিরাপত্তার ঘাটতি মানুষকে অভিবাসনে প্ররোচিত করে। এমনকি শিক্ষিত ও দক্ষ শ্রমিকদের অভিবাসনের ফলে দেশে মেধা ক্ষরণ (brain drain) হতে পারে।
তবে, অভিবাসনের একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। প্রবাসে কর্মরত ব্যক্তিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায় এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে। উদাহরণস্বরূপ, এই রেমিট্যান্স দেশের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগে সাহায্য করতে পারে।
সুতরাং, 'ক' দেশের নিট অভিবাসন হার দেশের আর্থসামাজিক সমস্যার স্পষ্ট প্রতিফলন, যা সমাধানের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং জীবনমান উন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন।