উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি বাংলাদেশের সাথে কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
উত্তর: বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি অনেকাংশে কার্যকর। ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বে দেখানো হয়েছে, দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার খাদ্য উৎপাদনের হারের তুলনায় অনেক বেশি। কারণ জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেলেও জমির স্বল্পতা থাকায় খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ানো সম্ভব হয় না। তাই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যায়। উদ্দীপকে ১৯৪৫ সাল থেকে ২০২০ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২, ৪, ৮, ১৬ হারে। অর্থাৎ 'B [গণিত] দেশটির জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, একইসময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ২, ৩, ৪ ও ৫ ... হারে। অর্থাৎ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে গাণিতিক হারে। জনসংখ্যা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির এ সম্পর্ক ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ। ১৯৬১ সালে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ৫.০৮ কোটি। ১৯৯১ সালে তথা ৩০ বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১১.১৪ কোটি হয়। অর্থাৎ জনসংখ্যা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ম্যালথাসের তত্ত্বকে সমর্থন করে। কিন্তু ২০১১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৪.৯৮ কোটি। এক্ষেত্রে ৩০ বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও দ্বিগুণ হয়নি। আর বর্তমানে দেশের উৎপাদন বৃদ্ধির হার ০.৬৫ শতাংশ। এটি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অপেক্ষা অনেক কম। সুতরাং বলা যায়, ম্যালথাসের জনসংখ্যা তত্ত্বটি বাংলাদেশের জনসংখ্যার ক্ষেত্রে অনেকাংশ কার্যকর।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 4 : জনসংখ্যা, মানবসম্পদ এবং আত্মকর্মসংস্থান · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বটি বাংলাদেশের সাথে কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর