শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে কোন দেশের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে? এর বৈশিষ্ট্যগুলো লেখ।

উত্তর: উদ্দীপকে বাংলাদেশের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কেননা উদ্দীপকের দেশটির যেসমস্ত বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে তার সাথে বাংলাদেশের মিল রয়েছে। নিচে বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো- ১. অপ্রসারিত শিল্পখাত : বাংলাদেশের শিল্পখাত প্রসারিত ও উন্নত নয়। জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের অবদান পূর্বের তুলনায় অল্প বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে তা ১৯.৫৪ শতাংশ এবং মোট শ্রমশক্তির প্রায় ১৭.৬৫% শিল্পখাতে নিয়োজিত। তবে অতি সম্প্রতি দেশে শ্রমনিবিড় মাঝারি ও ছোট শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে । ২. জনসংখ্যাধিক্য : জনসংখ্যার আধিক্য এদেশের একটি সমস্যা। দেশের ছোট আয়তন ও স্বল্প সম্পদের তুলনায় বিশাল আকারের জনসংখ্যা সম্পদের উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারে বাধা সৃষ্টি করে। তবে জনসংখ্যার বর্তমান আয়তন বেশি হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসছে। ৩. স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান : এদেশের বার্ষিক গড় মাথাপিছু আয় ১৬০২ মার্কিন ডলার। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষের মাথাপিছু আয় এ গড় আয়ের অনেক কম। স্বল্প আয়ের জন্য অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রার মান নীচু। ৪. আর্থসামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন : বাংলাদেশের পরিবহন ও যোগাযোগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শক্তি সম্পদ, জনস্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করা হয়েছে। ৫ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন : স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে এদেশে মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু ১৮৭৫ পরবর্তী সময়ে থেকে বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে মুক্ত বাজার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অংশীদার।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

উদ্দীপকে কোন দেশের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে? এর বৈশিষ্ট্যগুল…

উদ্দীপক

একটি দেশ দীর্ঘদিন যাবৎ বিদেশিদের দ্বারা শাসিত ও শোষিত হয়েছে। দেশটি যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য তার লড়াই অব্যাহত রয়েছে। দেশটি কৃষিপ্রধান হলেও তা অনুন্নত, শিল্পে অনগ্রসর, বিপুল জনসংখ্যা কিন্তু শিক্ষার হার কম, খাদ্য ঘাটতি, অনুন্নত আর্থসামাজিক অবকাঠামো, প্রাকৃতিক সম্পদের স্বল্পতা ইত্যাদি কারণে তার কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। কিন্তু সরকার আর্থসামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আশা করা যায় দেশটি দ্রুতই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করতে সক্ষম হবে।

Dhaka · 2018

উত্তর

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে যেসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং পরিচালিত হয় সে খাতকে গ্রামীণ খাত বলে।

উত্তর

বিশ্বায়নের ফলে সৃষ্ট সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ- ১. বিশ্বায়ন নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণে সাহায্য করে। ২. বিশ্বায়ন মুক্তবাজার অর্থনীতির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে। ৩. বিশ্বায়ন বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করে। ৪. বিশ্বায়নের কারণে মূলধন ও পুঁজির অবাধ প্রবাহ সম্ভব হয়। ৫. তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের ক্ষেত্রে বিশ্বায়ন ভূমিকা পালন করে।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কেননা উদ্দীপকের দেশটির যেসমস্ত বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে তার সাথে বাংলাদেশের মিল রয়েছে। নিচে বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো- ১. অপ্রসারিত শিল্পখাত : বাংলাদেশের শিল্পখাত প্রসারিত ও উন্নত নয়। জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের অবদান পূর্বের তুলনায় অল্প বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে তা ১৯.৫৪ শতাংশ এবং মোট শ্রমশক্তির প্রায় ১৭.৬৫% শিল্পখাতে নিয়োজিত। তবে অতি সম্প্রতি দেশে শ্রমনিবিড় মাঝারি ও ছোট শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে । ২. জনসংখ্যাধিক্য : জনসংখ্যার আধিক্য এদেশের একটি সমস্যা। দেশের ছোট আয়তন ও স্বল্প সম্পদের তুলনায় বিশাল আকারের জনসংখ্যা সম্পদের উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারে বাধা সৃষ্টি করে। তবে জনসংখ্যার বর্তমান আয়তন বেশি হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসছে। ৩. স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান : এদেশের বার্ষিক গড় মাথাপিছু আয় ১৬০২ মার্কিন ডলার। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষের মাথাপিছু আয় এ গড় আয়ের অনেক কম। স্বল্প আয়ের জন্য অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রার মান নীচু। ৪. আর্থসামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন : বাংলাদেশের পরিবহন ও যোগাযোগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শক্তি সম্পদ, জনস্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করা হয়েছে। ৫ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন : স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে এদেশে মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু ১৮৭৫ পরবর্তী সময়ে থেকে বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে মুক্ত বাজার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অংশীদার।

উত্তর

বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্ভাবনাময়। হ্যাঁ, আমি এ ধারণার সাথে একমত। কেননা বর্তমান সরকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রূপকল্প ২০১০-এর আওতায় বর্তমান সরকার ২০১০-২০২১ সাল মেয়াদি একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রেক্ষিতে পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো টেকসই উন্নয়ন। দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধা সহজলভ্য করা এবং পরিবেশ বান্ধব উন্নয়ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদারকরণের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কৃষিখাতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি ঘটছে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। একই সাথে রেমিটেন্স প্রবাহের উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। যদি দেশে এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তাহলে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে বলে আশা করা যায়। সুতরাং দেখা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি যথেষ্ট সম্ভাবনাময়।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।