শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ উদ্দীপকের আলোকে চিহ্নিত কর।

উত্তর: উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ হলো— ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু ও বৃষ্টিপাত, মৃত্তিকা । বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের এসব উপাদান দেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভূপ্রকৃতি : বাংলাদেশের ভূপৃষ্ঠের ভূমিরূপ সর্বত্র একরূপ নয়। ভূ- প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি প্রধানত দুই ধরনের (সমভূমি ও পাহাড়ি) হলেও এর মধ্যে ভিন্নতা বা বিভিন্নতা রয়েছে। কোনো স্থানের ভূপ্রকৃতি পার্বত্য, সমভূমি, বনভূমি, বরেন্দ্রভূমি এবং কোথাও মাটির রং লাল বা জলাশয়, হাওর-বিল প্রভৃতি বিদ্যমান। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল; রাজশাহী অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি; মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিন কালের চত্বর ভূমি বা সোপান, যা প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বে গঠিত। এছাড়াও রয়েছে খুলনা, রংপুর ও দিনাজপুর এলাকার বনভূমি। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পার্বত্য অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং চাও উৎপাদন হয়। নদনদী : মানুষের অর্থনৈতিক জীবনে নদীর প্রভাব খুবই তাৎপর্যপূর্ণ । পানীয় জলের অভাব পূরণ, কৃষিক্ষেত্রে পানিসেচ, জলপথে ব্যবসায় বাণিজ্যের সুবিধা, মৎস্য আহরণ, পানি-বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদির মাধ্যমে নদী মানুষের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা হলো বাংলাদেশের প্রধান নদী। এছাড়া শাখানদী, উপনদীসহ ২০০-এর অধিক নদনদীর পলিবিধৌত উর্বর ভূমির দেশ বাংলাদেশ । জলবায়ু ও বৃষ্টিপাত : জলবায়ুর তারতম্যের ফলে বিভিন্ন স্থানের মানুষের বাসস্থান, পেশা, অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ ইত্যাদির মধ্যে পার্থক্য হয়ে থাকে। মানুষের দৈহিক গঠন ও কাঠামো, কর্মদক্ষতা ইত্যাদিও জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন । গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। গড় বৃষ্টিপাত ১২০-৩৪৫.৪ সে.মি., বাতাসের গড় আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৯% এবং সর্বনিম্ন ৩৬% । মৃত্তিকা : মৃত্তিকার গুণাগুণের ওপর কৃষির সাফল্য নির্ভর করে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের ভূমির বেশিরভাগ নদী বিধৌত পলি দ্বারা গঠিত। এখানকার মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই নাইট্রিক ও ফসফরিক এসিড থাকায় জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উর্বর মৃত্তিকাযুক্ত এ অঞ্চলে কৃষির উন্নতি এবং কৃষি নির্ভরশীল শিল্প বিকশিত হচ্ছে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ উদ্দীপকের আলোকে চিহ্নিত কর।

উদ্দীপক

জনাব রশিদ রসুলপুর গ্রামের কৃষক। তাঁর এলাকাটি সমতল। গ্রামটির একদিকে হাওড় আর অন্যদিকে নদী। নদী দিয়ে নৌকা চলে । পাশেই জেলেপল্লি । নদীর চর, হাওর আর সমতল মাঠে গরু, মহিষ ও ছাগল চরে বেড়ায়। বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় তিনি ধান চাষে সেচ সুবিধা পেয়ে থাকেন। শীতকালে আবার রবিশস্যও ফলানো সম্ভব হয়। এই এলাকায় পাট, বাঁশ, বেত ইত্যাদিও প্রচুর জন্মে। বনভূমির কথা বাদ দিলে রসুলপুর গ্রাম যেন বাংলাদেশের আসল চেহারা।

Sylhet · 2019

উত্তর

প্রাচীন বাংলার রপ্তানি পণ্যগুলো হলো- সুতি বস্ত্র, রেশমি বস্ত্ৰ, চিনি, লবণ, গুড়, মসলা ইত্যাদি।

উত্তর

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপরিশোধিত বর্জ্য (কৃত্রিম আঁশ ও বিভিন্ন সিনথেটিক দ্রব্য) পরিবেশ দূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রতি পুনরায় বিশ্ব সমাজের আগ্রহ ও চাহিদা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। বাংলাদেশে পাট শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল ও যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। তাই বলা যায়, “আগামী দিনে পাটই হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত।'

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ হলো— ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু ও বৃষ্টিপাত, মৃত্তিকা । বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের এসব উপাদান দেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভূপ্রকৃতি : বাংলাদেশের ভূপৃষ্ঠের ভূমিরূপ সর্বত্র একরূপ নয়। ভূ- প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি প্রধানত দুই ধরনের (সমভূমি ও পাহাড়ি) হলেও এর মধ্যে ভিন্নতা বা বিভিন্নতা রয়েছে। কোনো স্থানের ভূপ্রকৃতি পার্বত্য, সমভূমি, বনভূমি, বরেন্দ্রভূমি এবং কোথাও মাটির রং লাল বা জলাশয়, হাওর-বিল প্রভৃতি বিদ্যমান। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল; রাজশাহী অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি; মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিন কালের চত্বর ভূমি বা সোপান, যা প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বে গঠিত। এছাড়াও রয়েছে খুলনা, রংপুর ও দিনাজপুর এলাকার বনভূমি। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পার্বত্য অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং চাও উৎপাদন হয়। নদনদী : মানুষের অর্থনৈতিক জীবনে নদীর প্রভাব খুবই তাৎপর্যপূর্ণ । পানীয় জলের অভাব পূরণ, কৃষিক্ষেত্রে পানিসেচ, জলপথে ব্যবসায় বাণিজ্যের সুবিধা, মৎস্য আহরণ, পানি-বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদির মাধ্যমে নদী মানুষের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা হলো বাংলাদেশের প্রধান নদী। এছাড়া শাখানদী, উপনদীসহ ২০০-এর অধিক নদনদীর পলিবিধৌত উর্বর ভূমির দেশ বাংলাদেশ । জলবায়ু ও বৃষ্টিপাত : জলবায়ুর তারতম্যের ফলে বিভিন্ন স্থানের মানুষের বাসস্থান, পেশা, অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ ইত্যাদির মধ্যে পার্থক্য হয়ে থাকে। মানুষের দৈহিক গঠন ও কাঠামো, কর্মদক্ষতা ইত্যাদিও জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন । গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। গড় বৃষ্টিপাত ১২০-৩৪৫.৪ সে.মি., বাতাসের গড় আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৯% এবং সর্বনিম্ন ৩৬% । মৃত্তিকা : মৃত্তিকার গুণাগুণের ওপর কৃষির সাফল্য নির্ভর করে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের ভূমির বেশিরভাগ নদী বিধৌত পলি দ্বারা গঠিত। এখানকার মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই নাইট্রিক ও ফসফরিক এসিড থাকায় জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উর্বর মৃত্তিকাযুক্ত এ অঞ্চলে কৃষির উন্নতি এবং কৃষি নির্ভরশীল শিল্প বিকশিত হচ্ছে।

উত্তর

প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহ— ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, মৃত্তিকা ইত্যাদি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। নিচে এর ব্যাখ্যা করা হলো- ভূপ্রকৃতি : ব্যবসায় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভূপ্রকৃতির প্রভাবও অপরিসীম। বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে রাস্তাঘাট ও রেলপথ নির্মাণ ব্যয়বহুল ও কষ্টকর, নদীগুলো খরস্রোতা বলে নাব্য নয়। সে কারণে পার্বত্য অঞ্চলে পরিবহন ব্যবস্থা খুবই অনুন্নত। ফলে ব্যবসায় বাণিজ্যের প্রসার ঘটেনি। অন্যদিকে সমভূমিতে রাস্তাঘাট নির্মাণ করা সহজ, নদীগুলো খরস্রোতা নয় বলে নৌ-চলাচলের পক্ষে যথেষ্ট উপযোগী বিধায় বাংলাদেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য সমভূমিকেন্দ্রিক। এক্ষেত্রে সড়কপথ, রেলপথ, নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে । জলবায়ু : জলবায়ু দেশের ব্যবসায় বাণিজ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকে । জলবায়ুর পার্থক্যের দরুন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা প্রকার ফসল উৎপন্ন হয়। এ কারণে দেশের কোনো অঞ্চল বা কোনো দেশ সব ধরনের দ্রব্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই প্রত্যেক অঞ্চল বা দেশ নিজ নিজ ঘাটতি পূরণের জন্য বাণিজ্য বা বৈদেশিক বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। নদনদী : ব্যবসায় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, নদনদীর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদীপথে স্বল্প খরচে পণ্যদ্রব্য আমদানি ও রপ্তানি করা যায়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে বেসরকারি খাতের প্রায় ৯৫ শতাংশ যাত্রী ও মালামাল পরিবাহিত হয়ে থাকে। মৃত্তিকা : মাটির গুণাবলির পার্থক্যের কারণে এক এক অঞ্চলে এক এক প্রকার ফসল উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশের মাটিতে উন্নতমানের পাট প্রচুর পরিমাণে জন্মে বলে বৈদেশিক বাণিজ্যে পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া বাঁশ, বেত ইত্যাদিও প্রচুর পরিমাণে জন্মে । ফলে এখানে তাঁত, কুটির ও মৃৎশিল্পের প্রসার ঘটেছে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।