শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস থেকে নিকট ভবিষ্যতে এদেশের অর্থনীতির সম্ভাব্যতা বর্ণিত হয়েছে। এখান থেকে জানা যায়, এদেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ব্রিটিশ ও পরবর্তীতে পাকিস্তানিদের হাতে আবদ্ধ ছিল ইংরেজ গভর্নর লর্ড ক্লাইভের দ্বৈত শাসনব্যবস্থার মারাত্মক প্রভাব ছিল এদেশের অর্থনীতিতে। ফলে ১৭৭০ সালে ঘটে মহাদুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে অনেক জমিদার দেউলিয়া হয়ে পড়েন। পাকিস্তান আমলে লোভী ও স্বার্থপর সরকারের শোষণের ফলে কৃষির অনগ্রসরতা ও শিল্পের পশ্চাৎপদতা থেকে উত্তরণ সম্ভব হয়নি। ফলে দেশে চরম খাদ্য ঘাটতি ও অনুন্নত অবকাঠামো বিরাজ করে। সবক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জনগণ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানিদের তুলনায় পিছিয়ে থাকে। ফলে বেকারত্ব হয়ে ওঠে এদেশের প্রধান অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের একটি অংশ। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের পরিক্রমায় বর্তমানে কৃষিতে যথেষ্ট অগ্রগতি, শিল্পের বিকাশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ ক্ষেত্রসহ প্রায় সবক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে অর্থের সরবরাহ স্বাধীনতা-উত্তর সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫৭ গুণ বেশি। বর্তমানে শিল্প ও সেবাখাতে শ্রমশক্তির নিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থনীতিতে শিল্প ও সেবার অবদান বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, GDP-বৃদ্ধি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটেছে, যা ক্রমশ বর্ধমান রয়েছে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি কৃষিপ্রধান দেশ। দীর্ঘদিন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি শাসন ও শোষণ, কৃষি অনগ্রসরতা, শিল্পের পশ্চাৎপদতা, খাদ্য ঘাটতি, অনুন্নত অবকাঠামো, নিম্ন জীবনযাত্রার মান, বেকারত্ব ইত্যাদি ছিল অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। তবে সময়ের পরিক্রমায় বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তনের সাথে সাথে সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে কৃষির উন্নয়ন, শিল্পের বিকাশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন, প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ইত্যাদি আমাদেরকে আশাবাদী করেছে। আশা করা যায় 'রূপকল্প ২০২১' বাস্তবায়নের মাধ্যমে এদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

Dinajpur · 2019

উত্তর

প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান যেমন— মাটি, পানি, বাতাস, তাপ, আলো, গাছপালা, সাগর-মহাসাগর, নদী, পশুপাখি ইত্যাদি নিয়ে যে পরিবেশ গঠিত হয়, তাই হলো প্রাকৃতিক পরিবেশ।

উত্তর

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহন ও যোগাযোগ বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাঁধ, সেতু প্রভৃতি। এসব ব্যতীত অর্থনৈতিক উন্নয়ন কল্পনাও করা যায় না। এসব অবকাঠামো দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে, দামস্তর নির্ধারণ ও স্থিতিশীল করে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থনৈতিক অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস থেকে নিকট ভবিষ্যতে এদেশের অর্থনীতির সম্ভাব্যতা বর্ণিত হয়েছে। এখান থেকে জানা যায়, এদেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ব্রিটিশ ও পরবর্তীতে পাকিস্তানিদের হাতে আবদ্ধ ছিল ইংরেজ গভর্নর লর্ড ক্লাইভের দ্বৈত শাসনব্যবস্থার মারাত্মক প্রভাব ছিল এদেশের অর্থনীতিতে। ফলে ১৭৭০ সালে ঘটে মহাদুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে অনেক জমিদার দেউলিয়া হয়ে পড়েন। পাকিস্তান আমলে লোভী ও স্বার্থপর সরকারের শোষণের ফলে কৃষির অনগ্রসরতা ও শিল্পের পশ্চাৎপদতা থেকে উত্তরণ সম্ভব হয়নি। ফলে দেশে চরম খাদ্য ঘাটতি ও অনুন্নত অবকাঠামো বিরাজ করে। সবক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জনগণ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানিদের তুলনায় পিছিয়ে থাকে। ফলে বেকারত্ব হয়ে ওঠে এদেশের প্রধান অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের একটি অংশ। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের পরিক্রমায় বর্তমানে কৃষিতে যথেষ্ট অগ্রগতি, শিল্পের বিকাশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ ক্ষেত্রসহ প্রায় সবক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে অর্থের সরবরাহ স্বাধীনতা-উত্তর সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫৭ গুণ বেশি। বর্তমানে শিল্প ও সেবাখাতে শ্রমশক্তির নিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থনীতিতে শিল্প ও সেবার অবদান বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, GDP-বৃদ্ধি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটেছে, যা ক্রমশ বর্ধমান রয়েছে।

উত্তর

হ্যাঁ, বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে আমি মনে করি। আর্থসামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। কিন্তু এখনও পুরোপুরি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পেতে সক্ষম হয়নি এদেশ। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি শাসন-শোষণের কারণে যে অতল গহ্বরে ডুবেছিল এদেশের অর্থনীতি, তা থেকে পথ ফিরে পেতে যথেষ্ট সময় ও বেগ পেতে হয়েছে। স্বাধীনতার পর অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও তার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন আজও সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে কৃষির অনগ্রসরতা, কৃষি জমি হ্রাস, শিল্পে পশ্চাৎপদতা, খাদ্য ঘাটতি, অনুন্নত অর্থনৈতিক অবকাঠামো, বেকারত্ব, নিম্ন জীবনযাত্রার মান ইত্যাদি কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বেশ মন্থর। তবে এরই মধ্য দিয়ে দেশ ধীরে ধীরে এগিয়ে চলছে। ১৯৭৩ সাল থেকে এ যাবত ৬টি অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও একটি দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এসব বাস্তবমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে হলেও কৃষির উন্নয়ন ঘটেছে। পোশাক শিল্পসহ বেশকিছু শিল্পের ব্যাপক প্রসার ও শিল্পায়ন ঘটেছে। বর্তমানে দেশে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সন্তোষজনক অবস্থা রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন তথা উন্নত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার অকল্পনীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি বিকাশের সাথে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জাতীয় অর্থনীতির ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। তাই আশা করা যায়, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ কর। | Prosthuti