শেয়ারFacebookWhatsApp

'ব্রিটিশ সরকারের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ নীতিই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার মূল কারণ'- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ১৭৫৭ সালের পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলায় শুরু হয়েছিল ইংরেজ শাসন। ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রায় ২০০ বছর শোষণ করে। ব্রিটিশ শাসন আমলে বাংলার কাঁচামাল দ্বারা তারা ইংল্যান্ডে শিল্পকারখানা গড়ে তুলেছিল। আর এদেশ ছিল তাদের শিল্পজাত দ্রব্য বিক্রয়ের স্থায়ী বাজার। বিশ্বখ্যাত মসলিনের বুননকারীদের হাত ও আঙুল কেটে তারা এ শিল্পকে ধ্বংস করে দেয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে ব্রিটিশরা এদেশের কৃষকদের জোরপূর্বক নীল চাষ করিয়ে ছিল। এর ফলে এদেশে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পেয়েছিল। উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠীর ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে এদেশের অর্থনীতি মেরুদণ্ডহীন হয়েছিল। মূলত, ব্রিটিশ সরকারের শোষণ নীতির ফলে বাংলার অর্থনীতি প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। ইংরেজদের দ্বৈতশাসন, অত্যাচার ও কোম্পানি শাসন ও শোষণের মাধ্যমে বাংলার শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বলা যায়, ব্রিটিশ সরকারের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ নীতিই এদেশের অর্থনীতি পিছিয়ে থাকার মূল কারণ।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

'ব্রিটিশ সরকারের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ নীতিই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অ…

উদ্দীপক

ব্রিটিশ ও পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে এদেশের অর্থনীতি মেরুদণ্ডহীন হয়েছিল। আর তাই ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসতে বাংলাদেশকে অনেক পিছিয়ে পড়তে হয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশে শিল্পোন্নয়নসহ সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে।

Sylhet · 2017

উত্তর

বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার।

উত্তর

বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত। বাংলাদেশ উত্তরে ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং পূর্বে ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ দ্রাঘিমাংশে বিস্তৃত। এদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাছাড়া বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মায়ানমার এবং দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগার অবস্থিত। এদেশের মোট আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গকিলোমিটার।

উত্তর

১৭৫৭ সালের পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলায় শুরু হয়েছিল ইংরেজ শাসন। ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রায় ২০০ বছর শোষণ করে। ব্রিটিশ শাসন আমলে বাংলার কাঁচামাল দ্বারা তারা ইংল্যান্ডে শিল্পকারখানা গড়ে তুলেছিল। আর এদেশ ছিল তাদের শিল্পজাত দ্রব্য বিক্রয়ের স্থায়ী বাজার। বিশ্বখ্যাত মসলিনের বুননকারীদের হাত ও আঙুল কেটে তারা এ শিল্পকে ধ্বংস করে দেয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে ব্রিটিশরা এদেশের কৃষকদের জোরপূর্বক নীল চাষ করিয়ে ছিল। এর ফলে এদেশে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পেয়েছিল। উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠীর ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে এদেশের অর্থনীতি মেরুদণ্ডহীন হয়েছিল। মূলত, ব্রিটিশ সরকারের শোষণ নীতির ফলে বাংলার অর্থনীতি প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। ইংরেজদের দ্বৈতশাসন, অত্যাচার ও কোম্পানি শাসন ও শোষণের মাধ্যমে বাংলার শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বলা যায়, ব্রিটিশ সরকারের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ নীতিই এদেশের অর্থনীতি পিছিয়ে থাকার মূল কারণ।

উত্তর

ব্রিটিশদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে পাকিস্তান সরকারও বৈষম্য ও শোষণ নীতি অবলম্বন করে বাংলাদেশকে তাদের অস্থায়ী কলোনি হিসেবে গড়ে তুলেছিল। নিচে পাকিস্তান আমলের শোষণ, বঞ্চনা ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরা হলো। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়। যার দুটি প্রদেশ হলো পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ)। কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে পূর্ব পাকিস্তানের আয় পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যেত। পাকিস্তান আমলে রাজস্ব আয়ের বেশি অংশ অর্জন হতো পূর্ব পাকিস্তান হতে। অথচ, তার সিংহভাগ ব্যয় হতো পশ্চিম পাকিস্তানে। যেমন- ১৯৪৭-৪৮ থেকে ১৯৬০-৬১ অর্থবছর পর্যন্ত মোট রাজস্ব ব্যয়ের মাত্র ১২% পূর্ব পাকিস্তানে ব্যয় করা হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানে বেসরকারি বিনিয়োগ কোনো সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পায়নি। রাজধানী পশ্চিম পাকিস্তানে হওয়ায় সেখানকার ২২টি পরিবারের হাতে বেসরকারি বিনিয়োগের ৮০ ভাগ চলে যায়। ১৯৬৯-৭০ অর্থবছরে পূর্ব পাকিস্তানে মাথাপিছু আয় ছিল ৩৩৯ টাকা, কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানে তা ছিল ৫০০ টাকা। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর শোষণের ফলে এদেশে প্রবৃদ্ধির হারও পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় কম ছিল। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শোষণ, বঞ্চনার মাত্রা ছিল অসহনীয়। যার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম হয়।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।