শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপক অনুসারে ২০২১ সালে কী কী সূচককে কেন্দ্র করে 'M [গণিত] দেশকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: জাতিসংঘের 'উন্নয়ন নীতিমালা কমিটি' (CDP) মূলত তিনটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে একটি দেশ স্বল্পোন্নত (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে কি না তা নির্ধারণ করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ এই তিনটি সূচকেই প্রয়োজনীয় লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করেছে: ১. মাথাপিছু আয় (GNI Per Capita): উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতির জন্য নির্দিষ্ট মাথাপিছু আয়ের সীমা অতিক্রম করতে হয়। ২০২১ সালের মূল্যায়নের সময় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার (১২২২ মার্কিন ডলার) চেয়ে অনেক বেশি ছিল। ২. মানবসম্পদ সূচক (Human Assets Index - HAI): এই সূচকে পুষ্টি, স্বাস্থ্য, মৃত্যুহার এবং শিক্ষার হার বিবেচনা করা হয়। সূচকের মান ৬৬ বা তার বেশি হতে হয়, যেখানে বাংলাদেশ অনেক আগেই ৭০-এর ওপর স্কোর অর্জন করেছে। ৩. অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক (Economic Vulnerability Index - EVI): একটি দেশের অর্থনীতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বিশ্ববাজারের ধাক্কা কতটা সামলাতে পারে, তা এখানে দেখা হয়। এই সূচকে ৩২-এর নিচে স্কোর থাকা ভালো; বাংলাদেশ এখানেও সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। বিশ্লেষণ: বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যে কি না এই তিনটি সূচকের সবকটিতেই যোগ্যতা প্রমাণ করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক উন্নয়নের একটি বিরাট স্বীকৃতি। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বদরবারে পরিচিতি পাবে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

উদ্দীপক অনুসারে ২০২১ সালে কী কী সূচককে কেন্দ্র করে 'M দেশকে উন্নয়ন…

উদ্দীপক

M′M^{\prime} দেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। 'M′M^{\prime} দেশের ঐতিহাসিক পটভূমি পর্যালোচনা করে তিনটি সময়কাল পাওয়া যায়। যথা- ক. ১২০০-১৭৫৭ সাল, খ. ১৭৫৭-১৯৪৭ সাল এবং গ. ১৯৪৭-১৯৭১ সাল, বর্তমানে 'M′M^{\prime} দেশটি একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র। জাতিসংঘ ২০২১ সালে 'M′M^{\prime} দেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

উত্তর

বাংলাদেশ এশিয়ার মহাদেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ভৌগোলিকভাবে এটি ২০∘৩৪′২০^{\circ}৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬∘৩৮′২৬^{\circ}৩৮' উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮∘০১′৮৮^{\circ}০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২∘৪১′৯২^{\circ}৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। দেশটির তিন দিকে ভারত, দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

উত্তর

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ, তাই এদেশের অর্থনীতি অনেকাংশেই নদ-নদীর ওপর নির্ভরশীল। এর প্রভাবগুলো হলো: কৃষিকাজ: নদীর পলিমাটি জমিকে উর্বর করে, যা প্রধান ফসল উৎপাদনে সহায়ক। এছাড়া সেচ কাজে নদীর পানি অপরিহার্য। পরিবহন ও বাণিজ্য: পণ্য পরিবহনের জন্য জলপথ সবচেয়ে সাশ্রয়ী। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসার বড় অংশ নদীপথেই সম্পন্ন হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে নদী থেকে নবায়নযোগ্য শক্তি পাওয়া যায়। মৎস্য সম্পদ: নদী আমাদের আমিষের বড় উৎস এবং অনেক মানুষের জীবিকার প্রধান মাধ্যম।

উত্তর

উদ্দীপকের 'M′M^{\prime} দেশের তিনটি ঐতিহাসিক শাসন আমল হলো: ১. ক-আমল (১২০০-১৭৫৭ সাল): সুলতানি ও মুঘল আমল (মুসলিম শাসন)। ২. খ-আমল (১৭৫৭-১৯৪৭ সাল): ব্রিটিশ শাসন আমল। ৩. গ-আমল (১৯৪৭-১৯৭১ সাল): পাকিস্তান শাসন আমল। 'খ' নং অর্থাৎ ব্রিটিশ শাসন আমলের (১৭৫৭-১৯৪৭) বিবরণ: ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। শুরুতে এটি ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন, যা ১৮৫৮ সালে সরাসরি ব্রিটিশ রাজমুকুটের অধীনে চলে যায়। এই আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে নতুন জমিদারি প্রথা চালু হয়। ব্রিটিশরা তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থে নীল চাষ ও অন্যান্য শোষণমূলক নীতি গ্রহণ করে। তবে এই আমলেই ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটে এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা (যেমন- রেলওয়ে) ও প্রশাসনিক কাঠামোর গোড়াপত্তন হয়। দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারত উপমহাদেশ ত্যাগ করে।

উত্তর

জাতিসংঘের 'উন্নয়ন নীতিমালা কমিটি' (CDP) মূলত তিনটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে একটি দেশ স্বল্পোন্নত (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে কি না তা নির্ধারণ করে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ এই তিনটি সূচকেই প্রয়োজনীয় লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করেছে: ১. মাথাপিছু আয় (GNI Per Capita): উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতির জন্য নির্দিষ্ট মাথাপিছু আয়ের সীমা অতিক্রম করতে হয়। ২০২১ সালের মূল্যায়নের সময় বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার (১২২২ মার্কিন ডলার) চেয়ে অনেক বেশি ছিল। ২. মানবসম্পদ সূচক (Human Assets Index - HAI): এই সূচকে পুষ্টি, স্বাস্থ্য, মৃত্যুহার এবং শিক্ষার হার বিবেচনা করা হয়। সূচকের মান ৬৬ বা তার বেশি হতে হয়, যেখানে বাংলাদেশ অনেক আগেই ৭০-এর ওপর স্কোর অর্জন করেছে। ৩. অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক (Economic Vulnerability Index - EVI): একটি দেশের অর্থনীতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বিশ্ববাজারের ধাক্কা কতটা সামলাতে পারে, তা এখানে দেখা হয়। এই সূচকে ৩২-এর নিচে স্কোর থাকা ভালো; বাংলাদেশ এখানেও সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। বিশ্লেষণ: বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যে কি না এই তিনটি সূচকের সবকটিতেই যোগ্যতা প্রমাণ করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের সুপারিশ পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক উন্নয়নের একটি বিরাট স্বীকৃতি। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বদরবারে পরিচিতি পাবে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।