শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসনামলের নামসহ অর্থনৈতিক বৈষম্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসনামল দুটি হলো ব্রিটিশ শাসনামল এবং পাকিস্তানি শাসনামল। ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে সমগ্র উপমহাদেশে শুরু হয়েছিল ইংরেজ শাসন। ইংরেজ শাসকরা প্রায় ২০০ বছর ধরে বাংলাদেশকে শাসন ও শোষণ করে। আর ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তানি শাসনামলে পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তান ভোগ করত। এটি চরম বৈষম্য সৃষ্টি করে। উদ্দীপকে মিসেস পারমিতা শ্রেণিকক্ষে শোষণ-বঞ্চনার ঐতিহাসিক পটভূমি পড়াতে গিয়ে দুটি শাসনামল ক. ১৭৫৭-১৯৪৭ খ্রি. ও খ. ১৯৪৭-১৯৭১ খ্রি.-এর ব্যাখ্যা করেন। এখানে প্রথমটি মূলত ব্রিটিশ ও দ্বিতীয়টি পাকিস্তানি শাসনামলের অর্থনৈতিক বৈষম্যকে নির্দেশ করে। ব্রিটিশ শাসনামলে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি রাজস্ব আদায়ের নামে এদেশের চাষিদের ওপর জুলুম করত। ফলে ১৭৭০ সালের (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) সময়ে দুর্ভিক্ষ দেখা যায়। ফলে দেশের এক-তৃতীয়াংশ লোক খাদ্যের অভাবে মৃত্যুবরণ করে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি শাসনামলে বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ পূর্ব পাকিস্তান অর্জন করত। কিন্তু মোট আমদানিকৃত দ্রব্যের শতকরা ৭০ ভাগ পশ্চিম পাকিস্তান ভোগ করত। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি শাসনামলে এ অঞ্চলের জনগণ অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছিল।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসনামলের নামসহ অর্থনৈতিক বৈষম্য বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

মিসেস পারমিতা শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাংলাদেশের শোষণ-বঞ্চনার ঐতিহাসিক পটভূমি পড়াতে গিয়ে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী দুটি শাসনামল (ক) ১৭৫৭-১৯৪৭ খ্রি. পর্যন্ত এবং (খ) ১৯৪৭-১৯৭১ খ্রি. পর্যন্ত এর বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে বাংলাদেশে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, শক্তি ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধিসহ পূর্বপেক্ষা। শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

উত্তর

মানুষের দ্বারা সৃষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশই হলো সামাজিক পরিবেশ।

উত্তর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ নানাভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনুকূল। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের মূল উপাদান হলো ভূ-প্রকৃতি, মৃত্তিকা, নদ-নদী, জলবায়ু, খনিজ সম্পদ, তাপমাত্রা প্রভৃতি। এদেশের বেশির ভাগ এলাকা উর্বর পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চল। তাই এখানে ধান, পাট, ইক্ষু ও অন্যান্য কৃষিজাত ফসল প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়। আবার এদেশ নদীমাতৃক হওয়ায় ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। পাশাপাশি পণ্যসামগ্রীর পরিবহণ ও সহজতর হয়েছে; যা সার্বিকভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে। সুতরাং, প্রাকৃতিক পরিবেশ বিভিন্নভাবে এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনুকূল ভূমিকা পালন করেছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাসনামল দুটি হলো ব্রিটিশ শাসনামল এবং পাকিস্তানি শাসনামল। ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে সমগ্র উপমহাদেশে শুরু হয়েছিল ইংরেজ শাসন। ইংরেজ শাসকরা প্রায় ২০০ বছর ধরে বাংলাদেশকে শাসন ও শোষণ করে। আর ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তানি শাসনামলে পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ পশ্চিম পাকিস্তান ভোগ করত। এটি চরম বৈষম্য সৃষ্টি করে। উদ্দীপকে মিসেস পারমিতা শ্রেণিকক্ষে শোষণ-বঞ্চনার ঐতিহাসিক পটভূমি পড়াতে গিয়ে দুটি শাসনামল ক. ১৭৫৭-১৯৪৭ খ্রি. ও খ. ১৯৪৭-১৯৭১ খ্রি.-এর ব্যাখ্যা করেন। এখানে প্রথমটি মূলত ব্রিটিশ ও দ্বিতীয়টি পাকিস্তানি শাসনামলের অর্থনৈতিক বৈষম্যকে নির্দেশ করে। ব্রিটিশ শাসনামলে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি রাজস্ব আদায়ের নামে এদেশের চাষিদের ওপর জুলুম করত। ফলে ১৭৭০ সালের (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) সময়ে দুর্ভিক্ষ দেখা যায়। ফলে দেশের এক-তৃতীয়াংশ লোক খাদ্যের অভাবে মৃত্যুবরণ করে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি শাসনামলে বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ পূর্ব পাকিস্তান অর্জন করত। কিন্তু মোট আমদানিকৃত দ্রব্যের শতকরা ৭০ ভাগ পশ্চিম পাকিস্তান ভোগ করত। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি শাসনামলে এ অঞ্চলের জনগণ অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে। আবার, দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য 'রূপকল্প-২০৪১' ঘোষণা করেছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি এবং শক্তি ও জ্বালানি খাতে সমৃদ্ধি অর্জনের ওপর জোর দিয়েছে। এটি একটি উন্নত অর্থনীতির পূর্বশর্ত। উদ্দীপকে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। যেমন: গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, শক্তি ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধি এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন। এগুলো উন্নত দেশে পদার্পণের মূল ভিত্তি। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কৃষির কাঠামোগত পরিবর্তন, শিল্প ও সেবা খাতের ভূমিকা বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্সের প্রবাহ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে। একটি দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হতে হলে কেবল মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিই। যথেষ্ট নয়। এর জন্য মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন মানবসম্পদকে উন্নত করছে। তথ্য ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং শিল্প খাতের দ্রুত অগ্রগতি উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে। এই গতিধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে শামিল হতে পারবে। অতএব, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের কারণে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উন্নত দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা অত্যন্ত জোরালো
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।