শেয়ারFacebookWhatsApp

"২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের মূলে রয়েছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের স্থিতিস্থাপকতা" উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে রপ্তানি আয় এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) সক্ষমতা মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। নিচে এর প্রভাবগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- ১. তৈরি পোশাক শিল্পের স্থিতিস্থাপকতা: রফতানি খাতের প্রধান স্তম্ভ তৈরি পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার সক্ষমতা বজায় রেখেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ সচল রাখে। ২. আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স: হুন্ডি বা অবৈধ পথ বাদ দিয়ে বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট কমতে শুরু করেছে। ৩. বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা: রফতানি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, যা ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। ৪. ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের বিস্তার: ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেন সহজ হওয়ায় প্রবাসী আয় দ্রুত ও নিরাপদে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে সচল রাখছে। ৫. বিনিয়োগে আস্থার পুনরুত্থান: বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমলে বেসরকারি খাতে মধ্যমেয়াদি আস্থার পুনরুত্থান ঘটে, যা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করছে। উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সংকোচনের বাস্তবতা কাটিয়ে ২০২৬ সালে যে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তার মূলে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহের উন্নতি। এই দুটি খাতের স্থিতিস্থাপকতাই অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা রক্ষা করে ২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

"২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের মূলে রয়েছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের…

উদ্দীপক

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক গতিধারায় ইতিবাচক লক্ষণ দৃশ্যমান হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছে। তেমনি কিছু চ্যালেঞ্জের বার্তাও বয়ে এনেছে। যেমন- বর্তমানে প্রবৃদ্ধির গতি কমে এলেও রপ্তানি খাতে তৈরি পোশাক শিল্পের স্থিতিস্থাপকতা, আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহের উন্নতি, ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের বিস্তার এবং কৃষি উৎপাদনে ধারাবাহিকতা অর্থনীতিকে ভঙ্গুরতা থেকে রক্ষা করেছে। একই সাথে অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তব অগ্রগতি ও বেসরকারি খাতে মধ্যমেয়াদি আস্থার পুনরুত্থান একটি নীরব ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে। তবে এসবের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে মন্থরতা, আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধি ও মুদ্রানীতির কঠোরতা অর্থনীতিকে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্যের ওপর দাঁড় করিয়ে রেখেছে। ফলে ২০২৫ সালের বাংলাদেশের অর্থনীতি একদিকে সংকোচনের বাস্তবতা মোকাবিলা করেছে, অন্যদিকে কাঠামোগত সক্ষমতা ও নীতিগত সংশোধনের মাধ্যমে ২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

উত্তর

অর্থনৈতিক সংকট সূচক হলো একটি পরিসংখ্যানগত পরিমাপক যা কোনো দেশের অর্থনীতির অস্থিতিশীলতা, মন্দা, বেকারত্ব বা মুদ্রাস্ফীতির মতো নেতিবাচক প্রভাবগুলোর গভীরতা বা মাত্রা নির্দেশ করে।

উত্তর

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহণ ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি। যেগুলো ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।

উত্তর

২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ কিছু সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে প্রধান হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর ক্রমাগত চাপ। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া অর্থনীতির ওপর বাড়তি বোঝা সৃষ্টি করেছে। এছাড়া বিনিয়োগে মন্থরতা এবং মুদ্রানীতির কঠোরতা একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে, অন্যদিকে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধির গতিকেও শ্লথ করে দিয়েছে। মূলত মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ এবং দেশীয় বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখাই এ সময়ের সবচেয়ে বড় সংকটের জায়গা। উদ্দীপকের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির মন্থর গতির সাথে সাথে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে মন্থরতা এবং আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধির মতো বাস্তব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই সূক্ষ্ম ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জগুলোই ২০২৫ সালের অর্থনীতিকে একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল।

উত্তর

২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে রপ্তানি আয় এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) সক্ষমতা মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। নিচে এর প্রভাবগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- ১. তৈরি পোশাক শিল্পের স্থিতিস্থাপকতা: রফতানি খাতের প্রধান স্তম্ভ তৈরি পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার সক্ষমতা বজায় রেখেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ সচল রাখে। ২. আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স: হুন্ডি বা অবৈধ পথ বাদ দিয়ে বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট কমতে শুরু করেছে। ৩. বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা: রফতানি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, যা ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। ৪. ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের বিস্তার: ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেন সহজ হওয়ায় প্রবাসী আয় দ্রুত ও নিরাপদে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে সচল রাখছে। ৫. বিনিয়োগে আস্থার পুনরুত্থান: বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমলে বেসরকারি খাতে মধ্যমেয়াদি আস্থার পুনরুত্থান ঘটে, যা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করছে। উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সংকোচনের বাস্তবতা কাটিয়ে ২০২৬ সালে যে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তার মূলে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহের উন্নতি। এই দুটি খাতের স্থিতিস্থাপকতাই অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা রক্ষা করে ২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।