"২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের মূলে রয়েছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের স্থিতিস্থাপকতা" উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে রপ্তানি আয় এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) সক্ষমতা মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। নিচে এর প্রভাবগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- ১. তৈরি পোশাক শিল্পের স্থিতিস্থাপকতা: রফতানি খাতের প্রধান স্তম্ভ তৈরি পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার সক্ষমতা বজায় রেখেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ সচল রাখে। ২. আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স: হুন্ডি বা অবৈধ পথ বাদ দিয়ে বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট কমতে শুরু করেছে। ৩. বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা: রফতানি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, যা ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। ৪. ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের বিস্তার: ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেন সহজ হওয়ায় প্রবাসী আয় দ্রুত ও নিরাপদে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে সচল রাখছে। ৫. বিনিয়োগে আস্থার পুনরুত্থান: বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমলে বেসরকারি খাতে মধ্যমেয়াদি আস্থার পুনরুত্থান ঘটে, যা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করছে। উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সংকোচনের বাস্তবতা কাটিয়ে ২০২৬ সালে যে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তার মূলে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহের উন্নতি। এই দুটি খাতের স্থিতিস্থাপকতাই অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা রক্ষা করে ২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে।
HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল
"২০২৬ সালে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের মূলে রয়েছে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর