শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

উত্তর: উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ ক্রমশ উন্নয়নের পথে ধাবিত হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেশকিছু কাঠামোগত পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। বিগত ৪২ বছরের তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারও সন্তোষজনক। উদ্দীপকের আলোচনা থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ অগ্রসর হয়েছে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শিল্প ও সেবাখাতের অবদান বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষাখাতে সাফল্য এসেছে। সমুদ্র বিজয়ের মতো সফলতা নিশ্চিত হয়েছে। আইসিটির ব্যাপক ব্যবহার বেড়েছে। রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স অর্জন করছে বাংলাদেশ এবং হ্রাস পেয়েছে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এগুলো অনেক বড় অর্জন। বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ করলেও এসব বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। এসবের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সঞ্জয় ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, পুঁজিবাজার পরিস্থিতি, রপ্তানি বাণিজ্য, আমদানি বাণিজ্য, বৈদেশিক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সফলতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গতিশীলতা বাড়ছে। এসব দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমি মনে করি।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয় · সৃজনশীল

বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণের সম্ভাবনা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন …

উদ্দীপক

সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ শাসকেরা ২০০ বছর এ উপমহাদেশ শাসন ও শোষণ করেছে। এর পর পাকিস্তান সরকার আজকের বাংলাদেশকে শাসন ও শোষণ করেছে ২৪ বছর। তাদের উভয়ের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পুঁজির ব্যবহার হয়েছে এ অঞ্চলের লুণ্ঠিত সম্পদ। কিন্তু এ অঞ্চলের জনগণের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ ছিল খুব সামান্য। পরবর্তীতে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ফলে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ডটি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে কিছু পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। যেমন— কৃষির কাঠামোগত পরিবর্তন, শিল্প ও সেবা খাতের ভূমিকা, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, সমুদ্র জয়, তথ্য ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস প্রভৃতি।

Chittagong · 2019

উত্তর

যেসব ভৌত বা কাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ও সেবামূলক ব্যবস্থা কোনো দেশের কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে, তাকে অর্থনৈতিক অবকাঠামো বলে।

উত্তর

প্রাচীন বাংলায় মুসলমান যুগকে স্বর্ণযুগ বলা হয়। কারণ মুসলমান যুগে বাংলা শিল্পে ও বাণিজ্যে বেশ সমৃদ্ধ ছিল। এ যুগে আধুনিক মুদ্রা ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়। কৃষি ও বাণিজ্যের প্রভূত উন্নয়ন এ সময় ঘটে। এখানে বস্ত্র, চিনি, লৌহ, বারুদ ও কামান, বরফ, লবণ, কাগজ ইত্যাদি উৎপাদন হতো। এ যুগের মানুষ নিজেদের গুণেই যাবতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এর মূলে রয়েছে তাদের কৃষি কাজের প্রতি অনুরাগ। তাই এ যুগ বাংলার ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' নামে অভিহিত।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে স্বাধীনতা-পূর্ববর্তীকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার কারণগুলো হলো ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের শাসন-শোষণ। ব্রিটিশরা এদেশের সমৃদ্ধ অর্থনীতি দেখে দেশ দখলের নেশায় মেতে ওঠে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দেয়। প্রায় ২০০ বছর ব্রিটিশদের শাসনের পর বাংলাদেশ প্রায় দুই যুগ পাকিস্তানের অধীনে থাকে। পশ্চিম পাকিস্তানের অত্যাচারে এসময় বাংলার অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছিল। এ সময়ও পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশের জনগণের জন্য খুবই কম অংশ উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ রাখত। অর্থাৎ স্বাধীনতা পূর্ববর্তীকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পশ্চাৎপদ ছিল। এর পিছনে যেসব কারণকে দায়ী করা যায় সেগুলো হলো— ইংরেজদের লোভী মানসিকতা, পশ্চিম পাকিস্তানিদের বৈষম্যমূলক আচরণ, পশ্চিম পাকিস্তানি কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানিদের অন্যায়ভাবে শাসন ও শোষণ ইত্যাদি। এসব কারণেই স্বাধীনতা-পূর্ববর্তীকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পশ্চাৎপদ ছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ ক্রমশ উন্নয়নের পথে ধাবিত হচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেশকিছু কাঠামোগত পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। বিগত ৪২ বছরের তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারও সন্তোষজনক। উদ্দীপকের আলোচনা থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ অগ্রসর হয়েছে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শিল্প ও সেবাখাতের অবদান বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষাখাতে সাফল্য এসেছে। সমুদ্র বিজয়ের মতো সফলতা নিশ্চিত হয়েছে। আইসিটির ব্যাপক ব্যবহার বেড়েছে। রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স অর্জন করছে বাংলাদেশ এবং হ্রাস পেয়েছে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এগুলো অনেক বড় অর্জন। বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা বিশ্লেষণ করলেও এসব বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। এসবের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সঞ্জয় ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, পুঁজিবাজার পরিস্থিতি, রপ্তানি বাণিজ্য, আমদানি বাণিজ্য, বৈদেশিক লেনদেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সফলতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গতিশীলতা বাড়ছে। এসব দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমি মনে করি।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 1 : বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিচয়
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য গাছের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বাংলাদেশে প্রায় ২৫,০৮৭ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি আছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। সুন্দরবন, মধুপুর ও ভাওয়াল গড় ইত্যাদি অল্প কয়েকটি অঞ্চল ছাড়া প্রায় পুরো দেশেই বৃক্ষরাজির অভাব রয়েছে। মনে রাখতে হবে বেঁচে থাকার জন্য বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে দেশের ভূনিম্নস্থ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।
ক
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
খ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
গ
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ এবং স্বাধীনতা উত্তরকালে মূলধনের স্বল্পতা, বেকারত্ব,, শ্রমিকের অদক্ষতা, জনসংখ্যার আধিক্যসহ বিভিন্ন সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। সুষ্ঠু ও সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার উল্লিখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
খ
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্ত করছে?
ঘ
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে? উদ্দীপকের আলোকে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রাজধানী ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় প্রায় দুই হাজার কারখানা। রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা বিশ্বখ্যাত আইফোনের দেশীয় ব্রান্ড তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞাহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত এসব শিল্পের কারিগর। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওরা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও বিদেশি পণ্যকে হার মানায়। এরূপ অসংখ্য কারখানা অনাদরে- অবহেলায় চোখে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি।
ক
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
খ
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।
ঘ
"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতি"- বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্যটির যথার্থতা উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভূনিম্নস্থ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিয়ে আমরা আশাবাদী- উদ্দীপকের আলোকে বউদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের যে দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে তা ব্যাখ্অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেউদ্দীপকে উল্লিখিত কারণসমূহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে কীভাবে বাধাগ্রস্কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?"এসব জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান, যা বদলে দিতে পারে দেশের অর্থনীউদ্দীপকের আলোকে অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত কর।মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।