উদ্দীপকে উল্লিখিত পূর্বে ও বর্তমানে ডিম ফোটানো পদ্ধতিদ্বয়ের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে পূর্বে ব্যবহৃত কুঁচে মুরগির মাধ্যমে ডিম ফোটানোর প্রাকৃতিক পদ্ধতি এবং বর্তমানে ব্যবহৃত আধুনিক ইনকিউবেটর বা কৃত্রিম পদ্ধতির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো: ১. উৎপাদন ক্ষমতা: কুঁচে মুরগি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে একবারে মাত্র ১০-১৫টি ডিম ফোটানো সম্ভব। পক্ষান্তরে আধুনিক ইনকিউবেটর যন্ত্রের সাহায্যে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে একসাথে শত শত বা হাজার হাজার ডিম ফোটানো যায়। ২. পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ: কুঁচে মুরগির ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা প্রাকৃতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল, যা সবসময় অনুকূল নাও থাকতে পারে। কিন্তু ইনকিউবেটরে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিমভাবে সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ফলে সফলতার হার অনেক বেশি হয়। ৩. উৎপাদনের ধারাবাহিকতা: কুঁচে মুরগি সবসময় পাওয়া যায় না এবং এটি একটি ধীর ও অনিয়মিত প্রক্রিয়া। অন্যদিকে ইনকিউবেটর ব্যবহার করে সারা বছর চাহিদামতো অবিরাম ও দ্রুত বাচ্চা উৎপাদন করা সম্ভব। ৪. মুরগির শারীরিক প্রভাব: কুঁচে মুরগি দীর্ঘ সময় ডিমে বসে থাকার কারণে শারীরিকভাবে দুর্বল ও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে, ফলে পরবর্তীতে এদের ডিম উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। কৃত্রিম পদ্ধতিতে এই ধরনের কোনো সমস্যা হয় না। পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির ইনকিউবেটর ব্যবহারের ফলে বর্তমান সময়ে স্বল্প সময়ে অধিক সংখ্যক সুস্থ ও সবল বাচ্চা উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে, যা বাণিজ্যিক পোল্ট্রি শিল্পের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
HSC Agriculture 2nd Paper Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Agriculture 2nd Paper · Chapter 2 : পোল্ট্রি পালন · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত পূর্বে ও বর্তমানে ডিম ফোটানো পদ্ধতিদ্বয়ের মধ্যে ত…
উদ্দীপক
Combined · 2026
উত্তর
উত্তর